Bangla romantic love letter (bangla font)

bengali romantic love letter


রোমান্টিক ভালোবাসার চিঠি প্রেম পত্র  ঃ

প্রিয়া

আমার শুভেচ্ছা নতুন করে নয়।
তোমার ব্যস্ত কর্পোরেট ভালোবাসা আর নিকেতন জীবন ধারায়
ব্যাঘাত ঘটাতে চাইনি কোনদিন।
তবু আজ এই গভীর জোসনায় তোমাকে খুব বেশি অনুভব করছি পুবালী হাওয়ায়।
তুমিও কি আমার মত খোলা আকাশে সাওয়ার নিয়েছো পুর্ণীমা দিনে?
তোমার আকাশে কি ঠিক সমান ক্ষণে জেগে আছে আসবাব চাঁদ?
মনে আছে সেই রুপোলী রাতে আমরা উড়ে গিয়েছিলাম কোন দ্বীপে?
যার নামকরণ করেনি এখনও কেউ। সেই আদিমের বুনো উৎসবে।
একবার ভেবেছি হলুদ খামে বন্দি করে
ছোট্ট করে ভাঁজে ভাঁজে
একটু খানি জোসনা নিয়ে
তোমার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেবো
আমার কিছু জমানো তারা
সাথে দেবো পাঁপড়ি ছাড়া
ফুলের অনেক ভালবাসা।
যদি পারো আমার মত
নষ্ট সময় নষ্ট করে
একটু খানি আদর মেখে
তোমার হাতের তালু ভরে
সুখটি দিও যতন করে।
যদি কখনও এই চেনা লেখা তোমার দৃষ্টি কেড়ে নেয়
আমার জন্য একটু সময় বেছে নিও নিঃসঙ্গতায়।
অন্তত এটুকু জানি, তোমার বিরক্তি কখন শুরু হয়।
এমন লম্বা সময় পেরিয়ে গেলে ‘ভালবাসি’ বিহিন,
তাই ভালবাসি, আর লম্বা লেখা ঠিক এমন।
তবু জানতে ভীষণ ইচ্ছে জাগে
তোমার বারান্দায় কি বইছে বাতাস
শিতল এবং ভেজা,
ইতি তোমার

——


Bangla love letter


Bangla love letter

প্রাণের প্রিয়তম আশিক,

চিঠির শুরুতে তোমার প্রতি রইলো আমার প্রাণডালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। হবু শাশুড়ির প্রতি রইলো সালাম। প্রবাসী শ্বশুরের জন্যে রইলো আমার দোয়া। দেবর ও ননদের জন্যে রইলো একটি করে আদর। আর তোমার জন্যে রইলো ১০১ টি চুমো।
আশিক, তুমি বলেছো তোমার কিছুই নেই। তুমি আমার যোগ্য নও। না আশিক এ তুমি মিথ্যে বলছো। বরং বলতে পারো আমি তোমার যোগ্য নই। তোমার মতো সুন্দর মনের একটি ছেলেকে ভালোবাসতে পেরে আমি ধন্য। আমার তো রূপ, যৌবন, মন, কিছুই নেই। অথচো তোমার সবই আছে। আছে টগবগে যৌবন ও সুন্দর একটি মন। যা দিয়ে তুমি আমাকে ভালোবাসো। তুমি একদিন বলেছিলে যে, কলেজের ছেলে মেয়েরা হাত ধরাধরি করে আড্ডা দেয়। মজার মজার রোমান্টিক প্রেমালোচনা করে। সেগুলো দেখে তোমার খুব ইচ্ছে হয় তাদের মতো আমাকে নিয়ে আড্ডা দিতে। ইচ্ছে মতো প্রেম করতে। তাই না?
আশিক লক্ষিটি আমার। প্লিজ তুমি তাদের এসব দৃশ্য দেখোনা। আমাদের এখন তাদের মতো প্রেম করার সময় নয়। এখন তোমাকে ভালো করে লেখাপড়া করতে হবে। দেখো আশিক আমি তোমার সাথে অভদ্র প্রেম করবোনা। এভাবে সবার চোখের সামনে যারা প্রেম করে বেড়ায় তাদেরকে লোকে অভদ্র বলে। আমরা এমন প্রেম করবো যা দেখে কেউ ছিঃ বলতে না পারে। লোকে আমাদের প্রেমের কথা শুনে যেনো খোদার কাছে প্রার্থনা করে, ‘হে খোদা তুমি তাদের মিলন ঘটিয়ে দাও।’ আশিক তুমি হয়তো আমার সাথে একমত হয়ে বলবে, আমরা এমন প্রেম করবোনা যা আমাদের বিপদ ডেকে আনে।
জানো আশিক, গত কাল রাতে তোমাকে নিয়ে একটা রোমান্টিক স্বপ্ন দেখিছি। এ পর্যন্ত এমন স্বপ্ন আর কখনো দেখিনি। আমার কিন্তু স্বপ্নের কথা বলতে লজ্জা করছে। নাহ্ এখন বলবোনা। একি! তুমি দেখি রাগ করে আছো। ঠিক আছে বাবা রাগ করোনা। এখনই বলছি শোন।
একদিন আমরা দু’জন পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করলাম। বাসর রাত কাটানোর জন্যে দু’জনেই চিন্তায় পড়ে গেলাম। কিছুক্ষণ পর তুমি বললে, চলো আবাসিক হোটেলে যাই। সেখানে রাত কাটানো যাবে। তোমার কথানুযায়ী ঢাকা এসে আমরা এক হোটেলে উঠলাম। তুমি খাবার নিয়ে এলে তা দু’জনে ভাগ করে খেলাম। কিছুক্ষণ টিভি দেখার পর দু’জনে এক বিছানায় শুয়ে পড়লাম। তখন তুমি লাইট নিভিয়ে দিয়ে ডিম লাইট জ্বালালে। কিছুক্ষণ দু’জনে দু’পাশে শুয়ে রইলাম। কিন্তু কেউ কাউকে স্পর্শ করিনি। অনেক্ষণ পর তোমার ডান হাত আমার বুকের উপর পড়লো। এই প্রথম তোমার হাতের পরশ পেয়ে আমার শরীর শির শির করে উঠলো। আমার কিন্তু খুব ভালো লাগছিলো। জানিনা তোমার কেমন লাগছিলো। তারপরও লজ্জায় তোমার হাত খানা সরিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ পর আবার তোমার হাতখানা আমার বুকের উপর রাখলে। তখন আমার সারা শরীর রোমঞ্চিত হয়ে উঠলো। দেহের প্রতিটি ভাজে ভাজে অদ্ভুদ এক শিহরণ জেগে উঠলো।… না আশিক আজ আর লিখতে পারবোনা। লজ্জায় আমার মুখ লাল হয়ে যাচ্ছে। আজ আসি। পরে আবার কথা হবে। লক্ষিটি ভালো থেকো।

Read More >>  How girls offer love

ইতি
তোমার প্রাণের প্রিয়তমা খাদিজা

প্রেমের চিঠি

প্রিয় রুদ্র,
আজকাল আবারও তোর পাগলামিগুলোকে খুব মিস করছি! রোদ্দুর দুপুরে তরুছায়ার তলে হাতে হাত রেখে রক্তিম মুখে আড়ষ্ট হয়ে পাশাপাশি বসে থাকা সেই তোকে খুব মিস করছি। অলিতে-গলিতে যেতে যেতে রিকশায় পাশাপাশি বসে তোর মিষ্টি মিষ্টি দুষ্ট দুষ্ট কথার ফুলঝুরি গুলোকেও মিস করছি। তোর সাথে কাটানো প্রতিটা মুহুর্ত, প্রতিটা ক্ষণের কথা রোমন্থন করছি! রোমন্থনে এখনও সেই আগের আলোড়ন জাগে, ঠোঁটে-চোখে অপ্রতিভ হাসির সঞ্চার হয়! মাঝে মাঝে একা একা এধরনের ছোটখাট ঘটনা বড্ড অপ্রস্তুত করে ফেলে। তবুও সামলে নিতে পারি না। একা থাকার প্রতিটা মুহুর্তে ফিরে ফিরে শুধু তোকেই ভাবি, তোর স্মৃতি রোমন্থন করি!
কেন বদলে গেলি? পারতি না আগের মতো থাকতে? পারতি না শুধু আমার হয়ে থাকতে? তোর কথা ভেবে ভেবে এই বুকে অভিমান জমে উঠে, অবাধ্য অশ্রুরা বাঁধভাঙা স্রোতে কপোল দুটোকেকে ভিজিয়ে দেয়, ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন স্বপ্নরা নিশ্চুপ হাহাকারে হৃদয়টাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়! তারপরও তোকে ভুলতে পারি না, পারি না তোকে এড়িয়ে যেতে। শুধু পারি তোর দেওয়া কষ্টগুলোকে নিরবে সয়ে যেতে! তোর উপস্থিতি এখন আর ছেলেমানুষী উল্লাসে আমাকে ভাসিয়ে দেয় না, বরং অনেক বেশি নিশ্চুপ করে দেয়! বিরহী মূর্ছনা ব্যাকুল হৃদয়টাকে আরো ব্যাকুল করে দেয়! কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। আমার কষ্টগুলো তোর সুখের কারণ হোক তা আমি চাই না! তাই তো ভালো থাকার অভিনয় করে যাচ্ছি তোর সামনে! জানি এই নিখুঁত অভিনয়টুকু তুই ধরতে পারিস না। মনে মনে তাই খুব পুড়ছিস, তাই না? তোর দেওয়া কষ্টগুলো আমাকে ব্যথিত করে না, এটা তুই মেনে নিতে পারছিস না, তাই না??
অথর্ব কোথাকার! পাওয়া, না পাওয়ার হিসাব-নিকাশ তো আমি তোর সাথে করতে চাইনি! সর্বস্ব দিয়ে, সর্বান্তকরণে শুধু চেয়েছিলাম তোকে সুখী করতে, তোকে সারাজীবন ধরে ভালবাসতে! জানি ভুল করেছিলাম। আসলে অথর্ব তুই না, বরং আমি। যে কিনা ভুল করে সেই ভুলের মাশুল দিতে দিতে আবার ভুল করার ইচ্ছায় ব্যাকুল হয়ে উঠে!! আজও তোর স্মৃতি ঘেরা জায়গাগুলোতে দুর্নিবার আকর্ষণে ছুটে যায় আর রোমন্থন করি ফেলে আসা স্মৃতিগুলোকে! না পারি তোর কাছে ছুটে যেতে, না পারি তোকে ভুলে যেতে! ফিরে যাওয়ার পথ তুই বন্ধ করে দিয়েছিস। ভালোই করেছিস। চরিত্রহীন মানুষকে ভেবে সারাজীবন কষ্ট পাওয়া ভাল! কিন্তু তার সাথে থেকে থেকে যে অবর্ণনীয় অমানসিক অতুলনীয় কষ্টের হৃদয়ানুভতির ইতিহাস রচিত হতে পারে সেটা মেনে নেয়া অসম্ভব! তোকে অজস্র ধন্যবাদ! তুই আমাকে সেই অসম্ভবকে সম্ভব করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালাতে প্ররোচিত করিসনি!
এতো কিছুর পরও একটা ছোট অনুরোধ করতে ইচ্ছে করছে! আচ্ছা, তুই আবার আগের সেই তুইটি হতে পারলে আমার কাছে ফিরে আসবি? আমি হাজার বছরের প্রতীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষায় আছি!

Read More >>  How to propose a boy

ইতি
……
লিখেছেন__Eshita Julia

5 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.