রোমান্টিক প্রেম পত্র

এখানে আপনি পাবেন অনেক গুলো সুন্দর সুন্দর রোমান্টিক প্রেম পত্র ( Bangla romantic love letter ). আমরা আরো অনেক গুলো রোমান্টিক প্রেম পত্র লিখেছি আমাদের সাইটে । সেগুলো পেতে নিচের পোস্ট গুলো ফলো করুন । আসুন তাহলে পড়ে দেখি রোমান্টিক প্রেম পত্র গুলো ।

রোম্যান্টিক চিঠি :

প্রিয়া

আমার শুভেচ্ছা নতুন করে নয়।
তোমার ব্যস্ত কর্পোরেট ভালোবাসা আর নিকেতন জীবন ধারায়
ব্যাঘাত ঘটাতে চাইনি কোনদিন।
তবু আজ এই গভীর জোসনায় তোমাকে খুব বেশি অনুভব করছি পুবালী হাওয়ায়।
তুমিও কি আমার মত খোলা আকাশে সাওয়ার নিয়েছো পুর্ণীমা দিনে?
তোমার আকাশে কি ঠিক সমান ক্ষণে জেগে আছে আসবাব চাঁদ?
মনে আছে সেই রুপোলী রাতে আমরা উড়ে গিয়েছিলাম কোন দ্বীপে?
যার নামকরণ করেনি এখনও কেউ। সেই আদিমের বুনো উৎসবে।
একবার ভেবেছি হলুদ খামে বন্দি করে
ছোট্ট করে ভাঁজে ভাঁজে
একটু খানি জোসনা নিয়ে
তোমার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেবো
আমার কিছু জমানো তারা
সাথে দেবো পাঁপড়ি ছাড়া
ফুলের অনেক ভালবাসা।
যদি পারো আমার মত
নষ্ট সময় নষ্ট করে
একটু খানি আদর মেখে
তোমার হাতের তালু ভরে
সুখটি দিও যতন করে।
যদি কখনও এই চেনা লেখা তোমার দৃষ্টি কেড়ে নেয়
আমার জন্য একটু সময় বেছে নিও নিঃসঙ্গতায়।
অন্তত এটুকু জানি, তোমার বিরক্তি কখন শুরু হয়।
এমন লম্বা সময় পেরিয়ে গেলে ‘ভালবাসি’ বিহিন,
তাই ভালবাসি, আর লম্বা লেখা ঠিক এমন।
তবু জানতে ভীষণ ইচ্ছে জাগে
তোমার বারান্দায় কি বইছে বাতাস
শিতল এবং ভেজা,

ইতি তোমার

প্রিয়


Bangla Romantic love letter :

প্রিয়,
পর সমাচার এই যে, তুমি কেমন আছ ? নিশ্চয় ভাল ! কিন্তু আমি ভাল নেই কথাটা আবার সম্পূর্ণ সত্যও না কেননা ভাল আছি তুমি ভাল আছ বলেই । কত প্রচেষ্টা, কত নিবেদন, কত অনুরধ, কিছুতেই তোমার মন গলানো গেল না । তুমি কথা বললে না । কেন বললে না সেটা আমার জানার কথা নয় সেটা তুমি ভালভাবেই জান । হয়তবা তোমার সমস্যা ছিল । আমি ব্যাপারটাকে পজিটিভ ভাবে নিয়েছি । বিশ্বাস কর আমার প্রতিটি মহুরতে স্বাভাবিকতার লক্ষণ নেই । আগের মত কোন কিছুতে মন থাকে না । এটা তারাই বুঝতে পারছে যারা আমার কাছে থাকে । তোমাকে তো তা বোঝানো গেল না কারন তুমি বুঝতে চেষ্টা করনি হয়তো করেছো তা আমার জানা নেই । আমি সত্যি অনেক কষ্টে আছি কেননা আমি তোমাকে আবেগ দিয়ে নয় মন দিয়ে, হৃদয়ের মণিকোঠা থেকে ভালবাসি ।

জীবনের শেষ মহুরত পরযন্ত এভাবে ভালবাসতে চাই । তুমি বলেছ কেন আমি তোমাকে পছন্দ করি ? তুমি কি বলতে পারবে কেন কোন প্রেমিক তার প্রেমিকাকে পছন্দ করে ! এর ব্যাখ্যা কেউ পারেনি তুমিও পারবে না । যদি পারো আমাকে বলিও শিখে নিব । হয়তো তুমি বিশ্বাস করবে না যে এটাই আমার জীবনের লেখা প্রথম প্রেমপত্র আর কোন মেয়েকে দেয়া এটাই প্রথম অফার । কেননা আমার ইচ্ছে ছিল জীবনে একজনকেই প্রপোজ করবো আর তাকে পেতে সব চেষ্টাই করে যাব । বাস্তবে তা করার চেষ্টা করছি তুমি কি পারবে আমাকে একটু হেল্প করতে ? আমি যে তোমার প্রতি উইক, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না । হয়তবা তুমিও কারন তোমার তোমার কড়া কথাগুলো হয়তো তারই নিদর্শন । কেননা কারো মনে ভালবাসা বা অমৃত না থাকলে এভাবে গরল উগলে দিত না ।

আমি জানি সেদিন তুমি যা বলেছ সেগুলো তোমার মনের কথা না এটা শুধু তোমার মুখের কথা । আর আমি জানি অন্তর থেকে কেউ এমন কথা বলতে পারেনা । একদিন না একদিন তোমার জমাকৃত কথাগুলো মুখ দিয়ে বেরোবে । দয়া করে আমি মারা যাওয়ার আগে বলিও বললে হয়তো তোমার কথার যতাযথ মূল্য দিতে পারব । আমি তোমার মতের বিরুদ্ধে যাব না বা এমন কিছু করবো না এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি । আমার দিকটা আমি খেয়াল রাখব বাকিটুকু তোমার হাতে । আমি কষ্টের threshold level এ পোঁছে গেছি । আর কষ্ট দিও না তাহলে পাথর হয়ে যাব । তখন আর কিছুই লাভ হবে না । আমি তোমার জন্য কি করতে পারি তা সময়েই বলে দিবে । সে সুযোগ টা তো দিবে ? আর কথা নয় । দোয়া করি তুমি যেন ভাল থাক কারন তোমার ভাল থাকা না থাকায় আমার ভাল থাকা না থাকা লুকায়িত । দোয়া করবে যেন স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারি তোমাকে স্মরণ করে ।

ইতি
তোমার অপ্রিয়


রোমান্টিক প্রেম পত্র :

প্রিয় …
তোমাকে কি বলে যে সম্বোধন করব বুঝতে পারছি না। তাই প্রিয় শব্দটার পর জায়গাটা খালি রাখলাম। তুমি তোমার ইচ্ছে মত কিছু একটা বসিয়ে নিয়ো। যাই হোক, ভালো আছো? জানো, আমার চিঠিটা পাওয়ার পর তুমি চিঠিটা হাতে নিয়ে পড়ছ গভীর আগ্রহে। সেই দৃশ্যটা ভেবে আমি চিঠিটা লিখছি। কিন্তু তোমার মুখটা স্পষ্ট না। তাই বুঝতে পারছি না, এই চিঠি পেয়ে তোমার অনুভুতি কেমন। তবে তোমার অনুভূতি দেখার খুব শখ। আচ্ছা আমাদের কি দেখা হবেনা? আর দেখা হবেই বা কেমন করে বল? তুমিও আমার শহর চেনোনা আর আমিও তোমার শহর চিনি না। এইটা কোন কথা? তাই বলে কি আমাদের দেখা হবে না? হবে হবে। “তোমার আমার দেখা হবে মরণের পরে”।আচ্ছা! একটা ধাঁধার উত্তর দাও তো। ” তুমি থাকো ডালে ডালে, আমি থাকি জলে জলে। তোমার আমার দেখা হবে মরণের কালে। ” ধাঁধার উত্তরটা দিতে পারলে একটা চকলেট দিবো। যেদিন দেখা হবে সেদিনই চকলেটটা দিবো। ভেবো না যে ফাঁকি দিবো। চকলেটের সাথে আরো কিছু দিবো। শুধু একটাবার একটাবার দেখা করতে চাই। হোক না সে দেখা প্রথম এবং শেষ দেখা। তবুও দেখতে চাই, যে না দেখেও কেন এত ভালবাসলাম। আমি তোমাকে আর তুমি আমাকে। আচ্ছা, তুমি দেখতে কেমন? দেখা হলে তোমাকে চিনবো কেমন করে? জানো! খুব জানতে ইচ্ছে

করে। কথা বললে তোমাকে কেমন দেখায়, হাসলে তোমাকে কেমন দেখায়, রাগ করলে তোমাকে কেমন দেখায়। আর কষ্ট! সেটা তো তোমাকে নাকি স্পর্শই করতে পারেনা। আচ্ছা, এত সুখ পাও কোথায় বলত? আমাকে তো কিছু দান করতে পারো। জানো, তোমার চিঠি পাওয়ার পর খামটা হাতে নিয়ে ভাবছিলাম, এটা কি চিঠি? খামটা এত মোটা কেন? যাই হোক, চিঠিটা খুলতেই ভড়কে গিয়েছিলাম। ১০০ পৃষ্ঠার একটা চিঠি। এটাকে চিঠি না বলে দলিল বলা উচিত। প্রতি পৃষ্ঠা, প্রতি পাতা জুড়ে ‘ভালোবাসি’ কথাটা লেখা। বুঝতে পারলাম এইটা আমার নামে লেখা তোমার ভালোবাসার দলিল। কিন্তু এইটা কোন কথা? শুধুই ভালোবাসি? আর কোন কথা নাই? জানো, আজকাল আমার নাকি একটা মুদ্রা দোষ হয়েছে। সেটা হল কথায় কথায় বলি, ‘এইটা কোন কথা?’ সেদিন বুবু রেগে বলেছিলো এই কথা ওর সামনে বললে কষে একটা চড় দিবে। আমি তো ওর কথা শুনেই অবাক হয়ে বললাম, ‘এইটা কোন কথা?’ আচ্ছা তুমিই বল, ‘এইটা কোন কথা?’ আচ্ছা চিঠিটা শেষ করা দরকার। যে কোন সময় বুবু চলে আসতে পারে। কিন্তু ভাবছি চিঠিটা শেষ করবো কি করে? স্কুল জীবনে বাংলা ক্লাসে চিঠি লিখতে দিলে কয়েক পৃষ্ঠা জুড়ে চিঠি লিখতাম। ক্লাসের শেষ ঘণ্টা পড়ে যেত তারপরও চিঠি লেখা শেষ হত না। আর তোমার কাছে লিখতে

গেলে তো সারা জীবনেও চিঠি লেখা শেষ হবেনা। কিন্তু, বুবু দেখলে আস্ত রাখবেনা। তাই ঠিক করেছি আর কথা বাড়াবো না। তবে চিঠির উত্তর দিও, অপেক্ষায় থাকবো। এইবার তোমার মনে দলিলটা চাই। ভালো থেকো। অনেক ভালবাসা রইল।

ইতি,
( দেখছ? বাবা মা কি নাম দিল যার অর্থই শেষ। শুরু না হতেই শেষ। এইটা কোন কথা? )

Bangla love letter :

প্রাণের প্রিয়তম আরিফ,
চিঠির শুরুতে তোমার প্রতি রইলো আমার প্রাণডালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। হবু শাশুড়ির প্রতি রইলো সালাম। প্রবাসী শ্বশুরের জন্যে রইলো আমার দোয়া। দেবর ও ননদের জন্যে রইলো একটি করে আদর। আর তোমার জন্যে রইলো ১০১ টি চুমো।
আশিক, তুমি বলেছো তোমার কিছুই নেই। তুমি আমার যোগ্য নও। না আশিক এ তুমি মিথ্যে বলছো। বরং বলতে পারো আমি তোমার যোগ্য নই। তোমার মতো সুন্দর মনের একটি ছেলেকে ভালোবাসতে পেরে আমি ধন্য। আমার তো রূপ, যৌবন, মন, কিছুই নেই। অথচো তোমার সবই আছে। আছে টগবগে যৌবন ও সুন্দর একটি মন। যা দিয়ে তুমি আমাকে ভালোবাসো। তুমি একদিন বলেছিলে যে, কলেজের ছেলে মেয়েরা হাত ধরাধরি করে আড্ডা দেয়। মজার মজার রোমান্টিক প্রেমালোচনা করে। সেগুলো দেখে তোমার খুব ইচ্ছে হয় তাদের মতো আমাকে নিয়ে আড্ডা দিতে। ইচ্ছে মতো প্রেম করতে। তাই না?
আশিক লক্ষিটি আমার। প্লিজ তুমি তাদের এসব দৃশ্য দেখোনা। আমাদের এখন তাদের মতো প্রেম করার সময় নয়। এখন তোমাকে ভালো করে লেখাপড়া করতে হবে। দেখো আশিক আমি তোমার সাথে অভদ্র প্রেম করবোনা। এভাবে সবার চোখের সামনে যারা প্রেম করে বেড়ায় তাদেরকে লোকে অভদ্র বলে। আমরা এমন প্রেম করবো যা দেখে কেউ ছিঃ বলতে না পারে। লোকে আমাদের প্রেমের কথা শুনে যেনো খোদার কাছে প্রার্থনা করে, ‘হে খোদা তুমি তাদের মিলন ঘটিয়ে দাও।’ আশিক তুমি হয়তো আমার সাথে একমত হয়ে বলবে, আমরা এমন প্রেম করবোনা যা আমাদের বিপদ ডেকে আনে।
জানো আশিক, গত কাল রাতে তোমাকে নিয়ে একটা রোমান্টিক স্বপ্ন দেখিছি। এ পর্যন্ত এমন স্বপ্ন আর কখনো দেখিনি। আমার কিন্তু স্বপ্নের কথা বলতে লজ্জা করছে। নাহ্ এখন বলবোনা। একি! তুমি দেখি রাগ করে আছো। ঠিক আছে বাবা রাগ করোনা। এখনই বলছি শোন।
একদিন আমরা দু’জন পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করলাম। বাসর রাত কাটানোর জন্যে দু’জনেই চিন্তায় পড়ে গেলাম। কিছুক্ষণ পর তুমি বললে, চলো আবাসিক হোটেলে যাই। সেখানে রাত কাটানো যাবে। তোমার কথানুযায়ী ঢাকা এসে আমরা এক হোটেলে উঠলাম। তুমি খাবার নিয়ে এলে তা দু’জনে ভাগ করে খেলাম। কিছুক্ষণ টিভি দেখার পর দু’জনে এক বিছানায় শুয়ে পড়লাম। তখন তুমি লাইট নিভিয়ে দিয়ে ডিম লাইট জ্বালালে। কিছুক্ষণ দু’জনে দু’পাশে শুয়ে রইলাম। কিন্তু কেউ কাউকে স্পর্শ করিনি। অনেক্ষণ পর তোমার ডান হাত আমার বুকের উপর পড়লো। এই প্রথম তোমার হাতের পরশ পেয়ে আমার শরীর শির শির করে উঠলো। আমার কিন্তু খুব ভালো লাগছিলো। জানিনা তোমার কেমন লাগছিলো। তারপরও লজ্জায় তোমার হাত খানা সরিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ পর আবার তোমার হাতখানা আমার বুকের উপর রাখলে। তখন আমার সারা শরীর রোমঞ্চিত হয়ে উঠলো। দেহের প্রতিটি ভাজে ভাজে অদ্ভুদ এক শিহরণ জেগে উঠলো।… না আশিক আজ আর লিখতে পারবোনা। লজ্জায় আমার মুখ লাল হয়ে যাচ্ছে। আজ আসি। পরে আবার কথা হবে। লক্ষিèটি ভালো থেকো।

ইতি
তোমার প্রাণের প্রিয়তমা নিরজনা

রোমান্টিক প্রেম পত্র

লাভ লেটার বাংলা :

বালক শোনো,
বালিকার প্রথম প্রেমের মতন সর্বনাশা আর কিছু নাই।বালিকা আজীবন তাতে পোড়ে। জানো আমি কখনো তোমাকে দাবী করতে চাইনি।চাইনি পড়ে পাওয়া তোমাকে আঁচলে গেঁরো বেধে ঘুরাতে।খুব নীরবে তোমাকে বুঝতে চেয়েছিলাম।চেয়েছিলাম তোমার ছোট ছোট আনন্দের সাথে নিজের দুষ্টুমিগুলো ভাগ করে নিতে। জানো আমি খুব অবুঝ হতে চেয়েছিলাম,তুমি আমাকে শাসন করবে,বুঝিয়ে বলবে কোথায় ভুল করেছি।আমি কিন্তু এতটুকুও রাগ করতাম না।না বলা অভিমানগুলো বুঝে নিয়ে তা আসতে ভাঙাতে এক গুচ্ছ দোলনচাঁপার সুবাসে। জানোই তো আমি খুব চাপা স্বভাবের,স্বভাবত দুরন্তপনার পেছনে আমার একটা ভাবুক মুখচোরা কিশোরী লুকিয়ে ছিল।যে তোমাকে ভালবেসেছিল,কিন্তু মুখ ফুটে আদৌ বলত কিনা কে জানে। জানোই তো ঘরে সবসময়ই দু-একটা ইঁদুর থাকে,আমার ভাবের ঘরের গোপন খবর যখন তুমি পেলে, তখন সে কী তোমার বিস্ময় ! তুমি ভাবতেই পারো নি আমি তোমার প্রেমে পড়েছিলাম,যখন জানলে তখন বললে মেরে ফেলো আমাকে,গজিয়ে উঠা প্রেমকে দুহাতে দলে মুচড়ে ছুড়ে ফেললে আস্তাকুড়ে।তারপর বললে ‘শোনো বালিকা আমি জানি পারবে তুমি ভুলে যেতে আমাকে’। হায় ! কত ভুলই না তুমি জানতে…

আমার মন খারপের আকাশে রাতপাখির ডানা ঝাপটানোতে,অলস দুপুরের নীল আকাশটাতে,সকালের মিষ্টি আদুরে রোদটাতে তোমাকে খুঁজে নিতে আমার কোন সমস্যাই হয়নি। আমি তোমার কাছে যা চেয়েছিলাম; তা ঐ আকাশের কাছে খুঁজে নিতে শিখে গেছি।নির্বাক মূক ঐ বিশাল আকাশটাই আমার বন্ধু।ও কথা না বলতে পারলে কি হয়েছে,খুব ভাল আঁকতে পারে। শোনো আমি কাউকে মারতে শিখিনি।তোমার মতন খুনে তো আমি নই।যদি পারতাম সেদিন সন্ধ্যায়ই তোমাকে আমি মেরে ফেলে মত্স্যগন্ধ্যা সেই নারীর মতন নতুন এক জীবন শুরু করতে পারতাম। কিন্তু বেহুলার মতন আমি জাতিস্মর।গাঙুরের জলে ঘুঙুর পায়ে আমি একাই জল ছিটাবো,কিশোরের ছেঁড়া সাদা পালে বিষণ্ণ চিলের মতন উড়ে উড়ে হৃদয় খুড়ে বেদনার স্মৃতি জাগানিয়া মালা গাথব। আমার অতীতই আমার সোমরস।তাই আমার হেমলক। নীলকন্ঠের বেদনা আমি বুঝি,কিন্তু বিভূতিকে আমি দু চোখে দেখতে পারিনা।

-ইতি
আমাকে নাহয় মাধুকরী নামেই চিনো!!!


bangla funny love letter


রোমান্টিক প্রেম পত্র :

প্রিয়তম জয়,
ওগো আমার প্রাণের প্রিয়তমা ।শুরুতে তোমাকে জানাই বকুল ফুলের শূভেচ্ছা ।আশা করি তা গ্রহন করবে ।আমি প্রথম দেখাতেই তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি ।সত্যিই তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি আর ভালবেসে যাব জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের পূর্ব পর্যন্ত ।একথা তুমি বিশ্বাস কর বা আর না কর ।এতে আমার কোন যায় আসে না ।আমি জানি জোর করে ভালবাসা হয় না, ভালবাসা শুধু মন দিয়ে অনুভব করতে হয় ।সে ক্ষেত্রে ভাষার কোন প্রয়োজন হয় না ।তার পরেও লিখে প্রকাশ করছি তোমার কাছে আমার ভালবাসাকে ।আর প্রেমের ক্ষেত্রে আমি সমান অধিকারে বিশ্বাসি ।তুমি আমার প্রথম, আর তোমাকেই শেষ বলে এ হৃদয়ে স্থান দিয়েছি, জানিনা পত্র কিভাবে লিখতে হয় অশান্ত পৃথিবীর বুকে আমার এমন মানুষের অভাব হয়নি ।

যা তোমাকে প্রথম দৃষ্টিতেই হৃদয়ে আপন করে নিয়েছি । কিছুদিনে পরিচয় মাএ তোমার উপর বিশ্বাস স্থাপন করে গভীর ভাবে ভালবেসে ফেলেছি তোমাকে, তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিওনা , তুমি আমার প্রেম ভালবাসাকে ব্যার্থ হতে দিওনা ।আর তুমি যদি আমার ভালবাসাকে প্রত্যাখান কর তাহলে এই ব্যার্থ জীবনের জন্য একমাএ দায়ী তুমি ।প্রেমে করেছে রাজা ভিখারী, ওরা প্রেমের কারনে হয়েছে বৈরাগী । প্রেম ধর্ম বা জাতকে বিচার করে হয়না । তাই আমি চাই আমার প্রতি তোমার সেচ্ছায় প্রেমের সম্বধনা । তোমার আচার ব্যবহার আমাকে মহনীয় করে তুলেছে ।তাই তোমাকে ভালবাসি ।তুমি না চাইলে আমি তোমাকে অভিসাপ দেবনা ।শুধু আমার হৃদয়ের দরজা খুলে রেখেছি একান্ত ভাবে পাওয়ার আশায় সর্বক্ষণ যেন তোমাকেই নিয়ে ভাবতেই ভাল লাগে ।

যখন ভাবি তখন আমার শরীলের সমস্ত শিরা উপশিরা বাজতে থাকে হয়তো তোমার প্রতি আমার ভালবাসার কোন খাদ নেই ।তাই তোমাকে ভেবে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছিন ।ভবিষ্যতে ও কি হবে জানিনা, তোমাকে নিয়ে যখন ভাবি তখন মনে হয় তুমি আমার পাশেই আছ ।তোমার সেই অপলক চাহনী ,মুখ ভরা মিষ্টি হাসি ,আর তোমার চঞ্চলতা বার বার আমার হৃদয়ে স্পষ্ট ভেসে ওঠে ।তোমাকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারিনা,আমার চিন্তা চেতনা সে তোমাকে ঘিরে ।আমার জীবন যাত্রার একমাত্র সাথী তুমি ।আরো কত কিছু বলতে চাই এ হৃদয় মুখের ভাষা হৃদয়ের কাঁন্না শুধু তোমার জন্যে । ভাল থেকো সুখে থেকো ,বিদায় নিবার আগে তোমার সুখি জীবন কামনা করে, আজকের মত এখানেই রাখলাম ।

তোমার উওরের আশাই রৈলাম।

Bangla funny love letter:

প্রিয়া,

শুরুতেই আমার পক্ষ থেকে এক রাশ রজনী গন্ধা ফুলের শুভেচ্ছা নিও। আশা করি ভালোই আছ,আর আমি চাই তুমি সব সময় ভালো থাকো। যাক সে কথা যে কারনে আজ তোমার কাছে আমার এই চিঠি লেখা। শুনেছি আগামী ১৫ তারিখ তোমার শুভবিবাহ সম্পর্ন হতে যাচ্ছে। তুমিও নাকি এই বিয়েতে রাজি হয়ে গেছ। ভালো খুব ভালো।শুনে আমি খুব খুশি হয়েছি। কারন আমি ভাবতেও পারিনি এত সহজে তুমি আমাকে ভুলে গিয়ে নতুন করে আরেকটি প্রেম করার সুযোগ দিবে। তুমিই ভাবো, এ যাবত কত টাকা নিয়েছি তোমার কাছে তার কোন হিসাব নেই। কিন্তু গত দুই মাস থেকে তুমি আমাকে কোন টাকা না দেওয়ায় আমি ভাবছিলাম তোমার সাথে রিলেসনটা নষ্ট করবো। কিন্তু এখন তো দেখছি তুমিই আমাকে ভুলে যাবে । মনে হচ্ছে মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি । যাক সে কথা যেটা বলতে চাচ্ছি, বিয়ের পরে স্বামীর বাড়িতে গিয়ে স্বামীর পাকেট থেকে টাকা চুরি করে আমাকে দিও কেমন।

ইতি, তোমার নালটু প্রেমিক বল্টী

Bangla sad love letter :

প্রিয়……
কেমন আছো।।ভালো থাকো সব সময় এই কামনা করি।চিঠি লেখতেছি আজ একটা বিশেষ দিন তোমার জন্মদিন।।শুভেচ্ছা নিও আমার। আজ হৃদয়ের ভিতর থেকে দীর্ঘ শ্বাস আমাকে দাক্কা দিচ্ছে কেনো জানো এমন দিনে তোমার পাশে আমি থাকতে পারিনি বলে।।নিশিথের জ্যোৎস্না আমাকে অনেক কাছে ডেকেছে আমি যাই নি আমি যে মনে মনে ভেবে রেখেছি তোমার হাত দরেই ঐ জ্যোৎস্না দুই জনের খায়ে মাখবো।তুমি নেই আমি কি করে ঐ জ্যোৎস্নার নিমন্ত্রণ গ্রহণ করি বল।।তুমি যে দিন আমার কাছে আসবে আমি সেদিনি নিমন্ত্রণ ছাড়াই জ্যোৎস্নার বাড়ি যাবো।।ঐ মেঘ বালিকা আমায় কত বার কত রকুম করে তার বারি তে ভিজতে বলেছে।।আমি যে তোমাকে নিয়ে ঐ মেঘ বালিকার আনন্দ অশ্রুতে ভিজবো।এখন শুধু একাকীত্ব কে আপন করে ওদের দেখি বাতায়ন খুলে।সারা দিবা নিশি কাটিয়ে দি তোমার কথা ভেবে।তুমি আসবে তুমি আসবে কবে?আমার কাননের ফুল গুলো বৃষ্টির জলে স্নান করে রবির রৌদ্র অঙ্গে মেখে অভিমানে মাটিতে পড়ছে ঝরে।আমি ওদের আমার হাতে নেয়নি বলে। অভিমান করারি কথা সেই ছোট থেকে অনেক আদরে আমি তাদের বড় করেছি।।তুবো তারা কেনো আমার মনের কথা বুঝে না।একমাত্র তুমি আমার হৃদয়ের কথা বুঝ।আমার না পাওয়াকে খুঁজো তুমি ছাড়াযে আমার হাতে ফুল শোভা পায় না। ওরা ঝরে পড়ুক মাটিতে আমি ওদের সেদিনি আমার হাতে নিব যে দিন তুমি আমার পাশে রোইবে।তুমি আসবে কবে? আমি জানি তুমিও আমাকে ভাব কিন্তু দেখ দুই জনের মধ্যে খানে সামর্থ্য নামের দেয়াল দাড়িয়ে আছে।।আমি আশা করি তুমি এই দেয়ালটা ভাঙবে।সে দিন টা আর বেশি দূরে নয়।।
চিঠিটা লেখতে লেখতে আমার নয়নে লোনা জলের আগমন লোনা জল হয়তো জানে আজ আমার প্রিয়োর জন্মদিন।।।জান ভালো থেকো অনেক কথা বলার ছিল বললাম না।।। পরে বলব।।।জান তোমার জন্মদিনের না থাকতে পারার বিষাদ মাখা কণ্ঠ স্বর দিয়ে আবার বলি শুভ জন্মদিন জান।
ইতি—–
তোমার প্রাণ প্রিয়া

লাভ লেটার :

প্রিয়,
পর সমাচার এই যে, তুমি কেমন আছ ? নিশ্চয় ভাল ! কিন্তু আমি ভাল নেই কথাটা আবার সম্পূর্ণ সত্যও না কেননা ভাল আছি তুমি ভাল আছ বলেই । কত প্রচেষ্টা, কত নিবেদন, কত অনুরধ, কিছুতেই তোমার মন গলানো গেল না । তুমি কথা বললে না । কেন বললে না সেটা আমার জানার কথা নয় সেটা তুমি ভালভাবেই জান । হয়তবা তোমার সমস্যা ছিল । আমি ব্যাপারটাকে পজিটিভ ভাবে নিয়েছি । বিশ্বাস কর আমার প্রতিটি মহুরতে স্বাভাবিকতার লক্ষণ নেই । আগের মত কোন কিছুতে মন থাকে না । এটা তারাই বুঝতে পারছে যারা আমার কাছে থাকে । তোমাকে তো তা বোঝানো গেল না কারন তুমি বুঝতে চেষ্টা করনি হয়তো করেছো তা আমার জানা নেই । আমি সত্যি অনেক কষ্টে আছি কেননা আমি তোমাকে আবেগ দিয়ে নয় মন দিয়ে, হৃদয়ের মণিকোঠা থেকে ভালবাসি । জীবনের শেষ মহুরত পরযন্ত এভাবে ভালবাসতে চাই । তুমি বলেছ কেন আমি তোমাকে পছন্দ করি ? তুমি কি বলতে পারবে কেন কোন প্রেমিক তার প্রেমিকাকে পছন্দ করে ! এর ব্যাখ্যা কেউ পারেনি তুমিও পারবে না । যদি পারো আমাকে বলিও শিখে নিব । হয়তো তুমি বিশ্বাস করবে না যে এটাই আমার জীবনের লেখা প্রথম প্রেমপত্র আর কোন মেয়েকে দেয়া এটাই প্রথম অফার । কেননা আমার ইচ্ছে ছিল জীবনে একজনকেই প্রপোজ করবো আর তাকে পেতে সব চেষ্টাই করে যাব । বাস্তবে তা করার চেষ্টা করছি তুমি কি পারবে আমাকে একটু হেল্প করতে ? আমি যে তোমার প্রতি উইক, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না । হয়তবা তুমিও কারন তোমার তোমার কড়া কথাগুলো হয়তো তারই নিদর্শন । কেননা কারো মনে ভালবাসা বা অমৃত না থাকলে এভাবে গরল উগলে দিত না । আমি জানি সেদিন তুমি যা বলেছ সেগুলো তোমার মনের কথা না এটা শুধু তোমার মুখের কথা । আর আমি জানি অন্তর থেকে কেউ এমন কথা বলতে পারেনা । একদিন না একদিন তোমার জমাকৃত কথাগুলো মুখ দিয়ে বেরোবে । দয়া করে আমি মারা যাওয়ার আগে বলিও বললে হয়তো তোমার কথার যতাযথ মূল্য দিতে পারব । আমি তোমার মতের বিরুদ্ধে যাব না বা এমন কিছু করবো না এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি । আমার দিকটা আমি খেয়াল রাখব বাকিটুকু তোমার হাতে । আমি কষ্টের threshold level এ পোঁছে গেছি । আর কষ্ট দিও না তাহলে পাথর হয়ে যাব । তখন আর কিছুই লাভ হবে না । আমি তোমার জন্য কি করতে পারি তা সময়েই বলে দিবে । সে সুযোগ টা তো দিবে ? আর কথা নয় । দোয়া করি তুমি যেন ভাল থাক কারন তোমার ভাল থাকা না থাকায় আমার ভাল থাকা না থাকা লুকায়িত । দোয়া করবে যেন স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারি তোমাকে স্মরণ করে ।

ইতি
তোমার অপ্রিয়

প্রেমের চিঠি :

“প্রিয়া আমার প্রিয়া
শুনো মনোযোগ দিয়া
আমার সাথে খেলছো তুমি সর্বনাশা খেলা
অন্যের সাথে বিয়ে হলে বুঝবে এর জালা ।
প্রিয়া আমার প্রিয়া
জানি তোমার পরিবার করছে বাড়াবাড়ি
এ কারনে সিদ্ধান্ত নাও অতি তাড়াতাড়ি ।
প্রিয়া আমার প্রিয়া
দিও না আমায় কস্ট
তোমার আমার সুন্দর ভবিষ্যত হয়ে যাবে নষ্ট ।
বিশ্বাস থেকে হয় ভালবাসার জন্ম
প্রিয়া তুমি বুঝলেনা ভালবাসার মর্ম ।
প্রিয়া , ইতি তোমার হিয়া ”


প্রেমের চিঠি

 


কষ্টের প্রেম পত্র:


প্রিয় অস্পর্শিনী,
বুকের ভেতরের কষ্টটা আজ আবার চাগাড় দিয়ে উঠেছে। ইচ্ছে করছে ছিঁড়ে খাই নিজের হৃদপিন্ড। কষ্ট পোড়া আস্তরণে নিজের মুখটা দেখে
নিজেই আৎকে উঠি। কি বিভৎস এই বেঁচে
থাকা!! আহা!! ঘেন্না ধরে গেছে। আমার
চোখের সামনে লাল নীল বেদনার পর্দা।
আজ হঠাৎ করেই খুব বেশি একা হয়ে বেঁচে
আছি প্রিয়া।
ইতি
তোমার কষ্টের মানুষ


ভালোবাসার কবিতা


প্রিয়া..
তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে দেখতে স্বপ্নটাকেই
আমি যেন কবে স্বপ্ন করে ফেললাম।
এ স্বপ্ন তাই আর বাস্তবে পাবার ইচ্ছে হয়না।কিছু কিছু
জিনিস হয়তো স্বপ্নেই সুন্দর বলে
ভালো থাকবে হয়তোবা তবে আছো কিনা নিশ্চিতভাবে জানি না।
আমি ভালো আছি জেনে নাও।
জানালার ঠিক পাশেই সদ্য আমগাছে মুকুল
দেয়া দৃশ্যটায় চোখ পড়লেই দেখি হালকা সবুজাভাব
মুকুলগুলো খুব দ্রুতই সোনালী হয়ে গেছে।সময়টা একটু
তাড়াতাড়ি ই চলে যাচ্ছে মনে হয়।
শীতকাল টা ও শেষ হয়ে বসন্ত এসে গেছে কয়েকটা দিন
হলো।। তবুও শেষরাতে কম্বলটা গায়ে দিতেই হয়।
হালকা বৃষ্টিতে শীতশীত করলে গোসল
করবো নাকি করবো না ভাবতে ভাবতেই বিকেল
গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে যায়। গোসল আর করা হয়না।
দ্রুততার সময়….
দ্রুততার সময়….এবং
ব্যাস্ততার সময়
প্রায় ভাবি হুট করে তোমার প্রেমে পড়ার সময়টা ও খুব
দ্রুত ছিল। অথছ ব্যাস্ততার দোহাই দিয়ে ভুলতে চাইবার
সময়টা কেন জানি বের করতেই পারছিনা।
মাঝেমাঝে আনমনেই কল্পনায় তাই তোমাকে প্রশ্ন করি
“আচ্ছা তুমি কি জানো তুমি এ ছেলেটার চোখের প্রথম
ও শেষ অভিমানী?? “”
যদি জানো তবে খোলা চোখে কখনো আকাশ রেখ
আমার চোখে। দেখবে একটুকরো মেঘ সবসময় তোমার জন্য
তোলা আছে তোমাকে পাবার
সুখে কিংবা না পাবার অসুখে
ইতি…
আমি

ভালোবাসার প্রেম পত্র :


প্রিয়া নিঝুম ,
পত্রের শুরুতে আমার অর্ধ
শুকিয়ে যাওয়া ভালবাসার প্রতিক
লাল গুলাপের শুভেচ্ছা নিও। এই
ভেবে মাথার চুল ছিড়ার দরকার নাই
যে ফুলটা অর্ধ শুকাইলো কেমনে!
আসলে সেই সকাল
থেকে ফুলটা নিয়ে তোমায় পত্র
লিখছি। বাই
দ্যা ওয়ে তোমাকে আমি অন্নেক
ভালবাসি। শাহজাহানের থেকেও
বেশী! শাহজাহান মমতাজের জন্য
আগ্রায় তাজমহল বানাইছে, কিন্তু
বেটা বুঝবার পারে নাই ঐ
তাজমহলের সামনে গিয়া একদিন
মানুষ চাপা মাইরা অন্য
মাইয়্যারে প্রপোজ করবো।
আমি সেই সুযোগ কাউরেই দিমুনা।
আমি আমার হৃদয়ে নিঝুমমহল বানাইমু।
সেইটা তুমি ছাড়া আর কেউ
দেখবো না। ব্যাটা এত্ত পয়সা খরচ
কইরা একটা বাড়ি বানাইলো তাও
ঘড় নাই। এমনকি ওখানে থাকার কোন
জায়গা ও নাই। জাস্ট দুইটা কবর
ছাড়া। আরে বলতো কবর
দিয়া কি করবো যদি দুনিয়ায়ই
তোমার পাশে না থাকলাম? তাই
আমি চিন্তা করছি আমার
নিঝুমমহলে তিনটা ব্যাডরুম,
একটা কিচেন, দুইটা টয়লেট একটায়
হাইকমুড আর একটায় ফ্ল্যাট কমুড বসান,
একটা বাথরুম, একটা ডায়নিং রুম,
একটা সিটিন রুম থাকবে।
সাথে একটি সুইমিংপুলও থাকবে।
তিনটা ব্যাডরুমের
একটাতে তুমি আমি,
একটাতে আমাদের একটামাত্র
রাজকন্যা আর
একটাতে থাকবে আমাদের গ্যাস্ট।
লেটস কাম টু দ্যা মেইন পয়েন্ট, এতদিন
ধরে তোমাকে ভালবাসি কিন্তু মুখ
ফুটে আজো বলতে পারিনি। তোমার
ফেসবুক ওয়ালে ঘুড়ে এসেছি কিন্তু
সামান্য আই লাভ ইউ বলতে পারনি।
তাই আজ এই পত্র লিখলাম। আমার
ভালবাসা গ্রহণ করো প্রিয়তমা।
আমি সত্যি তোমায় অনেক
ভালবাসি।
ইতি
তোমার পেয়ার লাল

ভালোবাসার চিঠি :

প্রিয় রুদ্র,
আজকাল আবারও তোর পাগলামিগুলোকে খুব মিস করছি! রোদ্দুর দুপুরে তরুছায়ার তলে হাতে হাত রেখে রক্তিম মুখে আড়ষ্ট হয়ে পাশাপাশি বসে থাকা সেই তোকে খুব মিস করছি। অলিতে-গলিতে যেতে যেতে রিকশায় পাশাপাশি বসে তোর মিষ্টি মিষ্টি দুষ্ট দুষ্ট কথার ফুলঝুরি গুলোকেও মিস করছি। তোর সাথে কাটানো প্রতিটা মুহুর্ত, প্রতিটা ক্ষণের কথা রোমন্থন করছি! রোমন্থনে এখনও সেই আগের আলোড়ন জাগে, ঠোঁটে-চোখে অপ্রতিভ হাসির সঞ্চার হয়! মাঝে মাঝে একা একা এধরনের ছোটখাট ঘটনা বড্ড অপ্রস্তুত করে ফেলে। তবুও সামলে নিতে পারি না। একা থাকার প্রতিটা মুহুর্তে ফিরে ফিরে শুধু তোকেই ভাবি, তোর স্মৃতি রোমন্থন করি!
কেন বদলে গেলি? পারতি না আগের মতো থাকতে? পারতি না শুধু আমার হয়ে থাকতে? তোর কথা ভেবে ভেবে এই বুকে অভিমান জমে উঠে, অবাধ্য অশ্রুরা বাঁধভাঙা স্রোতে কপোল দুটোকেকে ভিজিয়ে দেয়, ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন স্বপ্নরা নিশ্চুপ হাহাকারে হৃদয়টাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়! তারপরও তোকে ভুলতে পারি না, পারি না তোকে এড়িয়ে যেতে। শুধু পারি তোর দেওয়া কষ্টগুলোকে নিরবে সয়ে যেতে! তোর উপস্থিতি এখন আর ছেলেমানুষী উল্লাসে আমাকে ভাসিয়ে দেয় না, বরং অনেক বেশি নিশ্চুপ করে দেয়! বিরহী মূর্ছনা ব্যাকুল হৃদয়টাকে আরো ব্যাকুল করে দেয়! কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। আমার কষ্টগুলো তোর সুখের কারণ হোক তা আমি চাই না! তাই তো ভালো থাকার অভিনয় করে যাচ্ছি তোর সামনে! জানি এই নিখুঁত অভিনয়টুকু তুই ধরতে পারিস না। মনে মনে তাই খুব পুড়ছিস, তাই না? তোর দেওয়া কষ্টগুলো আমাকে ব্যথিত করে না, এটা তুই মেনে নিতে পারছিস না, তাই না??
অথর্ব কোথাকার! পাওয়া, না পাওয়ার হিসাব-নিকাশ তো আমি তোর সাথে করতে চাইনি! সর্বস্ব দিয়ে, সর্বান্তকরণে শুধু চেয়েছিলাম তোকে সুখী করতে, তোকে সারাজীবন ধরে ভালবাসতে! জানি ভুল করেছিলাম। আসলে অথর্ব তুই না, বরং আমি। যে কিনা ভুল করে সেই ভুলের মাশুল দিতে দিতে আবার ভুল করার ইচ্ছায় ব্যাকুল হয়ে উঠে!! আজও তোর স্মৃতি ঘেরা জায়গাগুলোতে দুর্নিবার আকর্ষণে ছুটে যায় আর রোমন্থন করি ফেলে আসা স্মৃতিগুলোকে! না পারি তোর কাছে ছুটে যেতে, না পারি তোকে ভুলে যেতে! ফিরে যাওয়ার পথ তুই বন্ধ করে দিয়েছিস। ভালোই করেছিস। চরিত্রহীন মানুষকে ভেবে সারাজীবন কষ্ট পাওয়া ভাল! কিন্তু তার সাথে থেকে থেকে যে অবর্ণনীয় অমানসিক অতুলনীয় কষ্টের হৃদয়ানুভতির ইতিহাস রচিত হতে পারে সেটা মেনে নেয়া অসম্ভব! তোকে অজস্র ধন্যবাদ! তুই আমাকে সেই অসম্ভবকে সম্ভব করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালাতে প্ররোচিত করিসনি!
এতো কিছুর পরও একটা ছোট অনুরোধ করতে ইচ্ছে করছে! আচ্ছা, তুই আবার আগের সেই তুইটি হতে পারলে আমার কাছে ফিরে আসবি? আমি হাজার বছরের প্রতীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষায় আছি!

ইতি
……
লিখেছেন__Eshita Julia

3 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *