সূরা ইয়াসিন এর ফজিলত

সুরা ইয়াসিন এর ফজিলত অনেক বেশি যা বর্ণনা করে শেষ করা দুষ্কর । তবুও আমরা এখানে কিতাব থেকে সূরা ইয়াসিনের কয়েকটি সুন্দর ফজিলত সম্পর্কে আলোচনা করা হলো । আমাদের সবার উচিত সূরা ইয়াসিন পড়বার আগে তার ফজিলত সম্পর্কে অন্তত একবার হলেও ধারণা নেওয়া । তাহলে সূরা ইয়াসিন পাঠের আমাদের মনোযোগ ঠিক থাকবে ।

সূরা ইয়াসিন এর ফজিলত নিম্নে দেওয়া হলঃ

১। নবী করীম (স) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত ভাবে সূরা পাঠ করবে তার জন্য বেহেশতের আটটি দরজা উন্মুক্ত থাকবে সে যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে ।

২। অন্য হাদিসে আছে, সূর্য উঠার সময় এ সূরা পাঠ করলে পাঠকের সকল প্রকার অভাব দূরীভূত হয়ে যায় ।

৩। বর্ণিত আছে, রাতে শোয়ার পূর্বে এ সূরা পড়ে শুইলে নিষ্পাপ অবস্থায় ঘুম থেকে জাগ্রত হবে ।

৪। এ সূরায় কোরআনের সকল গুনের সমন্বয় সাধিত হয়, এজন্য নবী কারীম (স) এ সূরাকে কুরআন মাজিদের অন্তর বলে আখ্যায়িত করেছেন ।

৫। হযরত আলী(রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (স) বলেছেন- সূরা ইয়াসিনের আমল করো, উহাতে দশটি ফায়দা রয়েছে , উহা পাঠ করলে ক্ষুদা দূরীভূত হয় এবং বস্রের ব্যবস্থা হয় । বিবাহ হতে যার দেরি হয়, সে নিয়মিত পাঠ করলে শীঘ্রই তার বিবাহ হবে । ভয় এবং বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি পাঠ করলে ভয় ও বিপদ থেকে রক্ষা পাবে । কোন ব্যাক্তি কারাগারে আটকা পড়লে শীঘ্রই মুক্তি পাবে । মুসাফির পাঠ করলে বন্ধু পাবে । এবং হারিয়ে যাওয়া জিনিস ফিরে পাবে । মুমূর্ষ ব্যক্তির পাশে পাঠ করলে সে ব্যক্তির মৃত্যু কষ্ট সহজ হবে । রোগাক্রান্ত ব্যক্তি পাঠ করলে আরোগ্য হবে ।

Read More >>  অভাব দূর করার দোয়া

৬। এই সূরা একবার পাঠ করলে দশ খতম কুরআন পাঠের সওয়াব লিখা হয় এবং পাঠকের সকল গুনাহ মাফ হয়ে যায় ।

৭। হযরত হারেস বিন আকমা (রা) মারফু হাদিসে বর্ণনা করেছেন যে, ভয় প্রাপ্ত ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন পড়লে ভয় দূর হয় । পীড়িত ব্যক্তি পড়লে আরোগ্য লাভ করে এবং ক্ষুধার্ত ব্যক্তি পড়লে আহারের ব্যবস্থা হয় ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.