Valobashar golpo megher valobasha

ভালোবাসার গল্প (মেঘের ভালোবাসা):

valobashar golpo

এই শীতের সকালে কে যেনো রিহান এর
গায়ে এক জগ পানি ঢেলে দিল । সে ঘুম
থেকে উঠে গেল ।
– আমার গায়ে পানি দিলো কে রে ?
– আমি দিয়েছি ।
এই বলে মেঘ শুভ এর দিকে চোখ বড়
করে তাকালো ।
শুভ বুঝতে পারলো আজ কিছু একটা হয়েছে ।
মহা রানী রেগে আছে । আল্লাহ ই জানেন
কি আছে কপালে ।
– পানি দিলি কেন ?
– আবার জিগায় পানি দিলি কেন ? আমার
ইচ্ছা হইছে তাই দিছি ।
– ইচ্ছা হলেই কি দিবি ?
– আজ যে আমার বার্থডে মনে আছে তোর ?
আমাকে উইস করিস নাই কেন ?
রিহান এর মনে ছিলো না আজ যে মেঘের
বার্থ ডে । উইস তো করি নি । কিন্তু কিছু
একটা বলে তো কাটাতে হবে । তাই সে বললো
– আমি তো জানি ই আজ তোমার জন্মদিন ।
– তাহলে উইস করিস নি কেন ? জানিস না, তুই
সবার আগে উইস না করলে আমার খারাপ
লাগে ?
বলতে বলতেই চোখে জল এসে গেল মেঘ এর ।
– হুম জানি তো । কিন্তু ভাবছিলাম এবার অন্য
কিছু করবো ।
– কি করবি ?
– সবার শেষে উইস করবো । প্রতিবার তো সবার
আগে করি । তাই ভাবছিলাম এবার সবার
পরেই উইস করবো ।
– হইছে হইছে, এত মিথ্যা আর বলতে হবে না ।
রেডি হয়ে আসেন, বাইরে ঘুরতে যাবো ।
রিহান আর মেঘ ছোট কালের বন্ধু ।
তারা একসাথে সেই স্কুল কলেজ
থেকে পড়তেছে । তাদের মাঝে রয়েছে গভীর
বন্ধুত্বও । তবে কেউ জানে না এর বেশি কিছু
আছে নাকি । রিহান
রেডি হয়ে এলে তারা বের হয় ঘুরতে ।
একটা পার্কে বসে আছে দুজনে ।
– আমাকে গিফট দিলি না রিহান ?
– হুম । দিবো । কি চাস বল ?
– তুই যা দেবার দে ।
– না তুই যা চাইবি তাই দিবো । বল কি চাস ?
– সত্যিই যা চাইবো দিবি ?
– হ্যা রে পাগলি ।
– আমি তোকে চাই,
– আমাকে দিয়ে কি করবি তুই ?
– বেধে রাখবো মনের মাঝে
– না হবে না তাহলে,,,
– কেন দিবি না তোকে ?
– বেধে রাখলে দিব না
– তাহলে
– আমাকে তোর
কোলে মাথা রেখে থাকতে দিলে সারা জীবন
তাহলে দিব ।
– তাহলে নিব না আমি
– কেন নিবেন না ?
– আমি আরো ভাবলাম আমি তর
বুকে মাথা রাখবো তা না তুই আমার
কোলে মাথা রাখবি । তাহলে আমার কি হবে ।
-তোর কিছুই হবে না ।
এই কথা শুনে মেঘ কান্না শুরু করলো ।
রিহান তাকে একটা থাপ্পড়
দিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরলো । এখন তো
হ্যাপি পাগলী ।
– হ্যা সারা জীবন রাখবি তো ?
– হুম । রাখবো ।
রিহান এর বুকে মাথা রেখে মেঘ
ভাবতে লাগলো সে তার সেরা গিফট
পেয়ে গেছে । আর কিচ্ছু চায় না সে ।

Read More >>  ভালোবাসার গল্প ( হারানো ভালোবাসা )

Source

শেয়ার করুন

4 Comments

  1. আজ আমি আমার ১০ বছরের ভালোবাসার মানুষ কে শেষ লিখা পাটিয়েছি। সেটা আপনাদের দিলাম ্‌

    ———–
    (০০০) এ যাবত আমি তোমাকে অনেক লিখা লিখেছি। আমি জানি না তুমি আমার কয়টা লিখা এস এম এস পরে দেখেছো। সে জানার সুযোগ তুমি কখনো দাওনিও। যাই হোক আমি তোমাকে কিছু কথা বলছি যা আমার দিক থেকে শতভাগ সত্য।
    তোমার আমার পরিচয় ২০০৮ ইং এর নভেম্বর মাসে। নভেম্বর মাসে প্রথম কথা হলেও ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কথা হয়নি । আবার মার্চ মাসে ২০০৯ আমাদের যোগাযোগ হয়। এর পর থেকে আমরা প্রায় প্রতিদিন সন্ধায় একসাথে হেটেছি কথা বলছি ,আবার হাটতে গিয়ে দুজনের মাঝে অনেক ঝগড়াও হয়েছে আবার ঝড় বৃষ্টতে ঘন্টা হিসাবে রিক্সাতে ঘুরেছি এবং রিক্সাতে প্রায় আমার পায়ের হাটুর উপরে খামছা খামছিও করেছো । আমি তার কিছুই ভুলিনি। তাছাড়া চট্টগ্রাম থাকা অবস্থায় তুমি তাপসের অফিস পোগ্রাম কক্সবাজার যতবারেই গিয়েছো তোমার অনুরোধে আমি তত বারই গিয়েছি । তুমি সবার সাথে সমুদ্রে নেমে আনন্দ করতে আর আমি একাই দূরে দারিয়ে থেকে দেখেছি ।আনন্দ আমার কপালে জুটেনি তবুও গিয়েছি আমি কক্সবাজার উপস্থিত আছে তোমার মনে হলে ভালো লাগবে বলে অনুরোধ করেছিলা তাই । আর তাতে সমস্ত খরচের হিসাব আমাকেই করতে হয়েছে বার বার। সল্প বেতনে চাকুরী করেও তোমাকে খুশি রাখার জন্য প্রতিবারই গিয়ে মাসের বাকি সময় খুব হিসাব করেই কাটিয়েছি। তুমি ভালো করেই জানো আমার লোন করার অভ্যাস একেবারেই নেই তাই অনেক সময় মাসের হিসাব মিলাতে দুপুরের খাবার না খেয়েও দিন পার করেছি। তাও তোমার মনে খারাপ লাগতে আমি দি নাই। তুমি পার্লারে যাবে ব্লেছো তোমাকে পার্লারে ডুকিয়ে দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা আমি দারিয়েও থেকেছি। এই কথা গুলো মনে পড়ে নাকি, ঢাকার আলো বাতাসে ভুলে গেছো তুমি জানো । ২০১৫ সালে তুমি মার্চ মাসে ১১ তারিখ ঢাকা থেকে একাই ট্রেনে আসছিলা সেই দিন তুমি ট্রেনে থাকা অবস্থায় আমি তোমার খবর নিতে ফোন দিলে তুমি আমাকে অকাথ্য ভাষায় কথা বলো, আমি তাও জানি না তার কারন কি ছিলো । চট্টগ্রাম আসার পর ১২ তারিখ সন্ধায় হাটতে বের হলে তুমি ঠিক সৃষ্টি দোকানের সামনে গতকাল এমন ব্যাবহার কেনো করছিলা জানতে চাইলে তুমি আমাকে বলো “আমি আল্লার কাছে কি জবাব দিবো? তুমি আমাকে বিয়ে করো আজকেই। আমি কিন্তু হা অথবা না বা অন্য কোন প্রশ্ন না করেই বলি আস সন্ধ্যা হয়ে গেছে আমরা কালকে করি। তোমাকে রাতে ফাইনাল জানাবো। তুমি আমাকে আর খুজে পাবে না বলে বলেছিলা। আমরা সেদিন হাটিনি আমি সরাসরি রনি ভাইয়ের বসায় গিয়ে ভাবি কে সব খুলে বলি আমাকে হেল্প করতে বলি এবং রনি ভাইকে মসজিদের ইমাম আর যা যা করতে হয় সব কিছু ঠিক করতে বলেই তোমাকে রাতে ফাইনাল বলে দিন কাকে আসাওরের নামাজের পর আমাদের বিয়ে হবে রনি ভাইয় বাসায়, পরের দিন ১৩ তারিখ সকাল বেলায় ফোন করে আমি আবারো তোমাকে সব কিছু ঠিক আছে কিনা জিজ্ঞাস করি। সে হটাত এমন হবে খখনো ধারনা ছিলোনা । আর আমার জমানোর কোন অভ্যাস নেই বলে টাকা অ তেমন ছিলো না যা ছিলো সেখান থেকে সম্ভবত ৬ হাজার ২০০ টাকা দিয়ে একটি রিং কনেছিলাম আমার বউয়ের জন্য আমার বিয়ের রিং। যেটার মুল্য আমার কাছের কোটি টাকার উপরে ছিলো । ট। আমি সেদিন ৩ টায় অফিস থেকে বের হয়ে রিং কিনে মিষ্টি নিয়ে তোমাকে এসি মসজিদের সামনে থেকে নিয়ে রনি ভাইর বাসায় গিয়েছিলাম । এর পর হুজুর আসে তোমার জবান নিয়ে আগের স্বামীর তালাকের ব্যাপারে । তার পর হুজুর আমাদের পাচ কলেমা পড়ে হুজুর নিজেই উকিল বাবা হয়ে আমার হাতে তুলে দিয়েছিলেন তোমাকে। আমরা সেদিন দুই জন ১৫ থেকে ২০ মিনিট একাকি ছিলাম । আমি তোমাকে জিজ্ঞাস করি কই যাবে এখন তুমি বলো বাসায় যাবে মেয়ের জর জর ভাব। আমি বাসায় যাবে বলার পর তোমাকে বলছিলাম আমি কখনো তোমাকে চাপ দিবো না বলবো না তুমি চলে আসো । তোমার যখন মন চাইবে তখন আসবে , আর আস্তে না পারেও কষ্ট পাবো তবে সামলে নিবো কিন্তু আমাকে ফেলে দিও না আমার অজান্তে কিছু করবেনা তাতে আমি মানতে পারবো না । আমি অনেক কষ্ট পাবো। এই কথা সোফাতে বসে বসে বলেছিলম। এর কিছু দিনপর তোমরা ঢাকায় গেলে আর ঢাকায় যাওয়ার পরে ২০১৬ সালে আমাদের প্রথম ম্যারেজ ডে উপলক্ষে আমি ঢাকায় গেলে ঘরোয়া হোটেলের সামনে তোমার একটা ফোন আসে আমি জিজ্ঞাস করার পর তুমি মিথ্যা বল সারিয়ার টিচারের ফোন । সারিয়ার টিচার এর সাথে তুমি হেসে হেসে বন্ধুত্তের ভাব নিয়ে কথা বলো কেনো? মনে পরশ্ন আসলে বার বার জিজ্ঞাস করি । তুমি একই কথা বলো । পরে আমরা বনানী যায় আর বনানী থেকে আসার পথে টকা চাইছিলা ৫০০০ । আমার কাছে ৫০০০ দিলে কিছু থাকবেনা ৩০০০ দিতে চাইলে আমাকে কিপ্টা ,ছোট লোক বলার পর আমি ১৫০০ টাকা রেখে ৩৫০০ টাকা দিইয়েছিলাম । আর সে দিন আমি রাতের বেলা টিকিট কাটার পর প্রযাপ্ত টাকা না থাকাতে কিছু না খেয়েই ঢাকা থেকে রাতে চট্টগ্রাম আসার জন্য রওনা দিয়েছি ফারহানা । এমন কি সে দিন ফোনের ব্যাপার নিয়ে কথা কাটাকাটির পর রাতে আমি ১১ টার সম্য ফোন দিলে তুমি ফোনের লাই কেটে অফ করে দিয়েছিলা। অথচ আমি গিয়েছিলাম আমার বউ এর কাছে ম্যারেজ ডে উপলক্ষে আর আমার বঊ আমার লাইন কেটে ফোন অফ করে দিয়েছিলো । পরে তোমার কললিষ্ট বের করে দেখি সেই নাম্বারের মালিক ছিলো মোক্তার। সেদিন তোমার প্রথম মৃতু হয় আমার কাছে । তার পরে আমি ছারিনি তোমাকে। নিজের সাথে নিজে যুদ্দ করে তোমাকে নিয়ে সামনের দিকে যেতে চেয়েছি আর একের পর এক হোছট খেয়েছি। ডেভ্লাপার, হিন্ধু ছেলের সাথে ছবি ভিডিও চেটিং সব শেষে হাসান সাথেবের সাথে ছবি আদান প্রদান । এগুলোর কোনটাই কি তুমি আমাকে জানিয়ে করেছো সব আমার অজান্তে করতেছিলা । আর এর জন্য আমি তোমাকে বুঝাতে চেয়েছি প্রথমে । তুমি প্রতিঘটনার একটিও বুজতে চাওনি এগুলো খারাপ বা ভবিষ্যতে বিপদে পড়বে, বুজতে না চাইলে আমি বকাবকি খারাপ ব্যাবহার করেছি । আর আমার জাইগাতে অন্য কেউ হলে তাই করতো না হয় বেশি করতো। তুমি প্রতি বারেই বলছো আমি কারো সাথে কিছু করি নাই আমার কারো সাথে কিছু হই নাই। শুধু যে বেডে গিয়ে দোহিক মিলন করলেই খারাপ হই আর কিছুতে খারাপ হই না তা কিন্তু ঠিক না। হিন্ধু ছেলের সাথে যে ভাবে ছবি আদান প্রদান আর কথা বারত্রা দেখা গেছে তা কি দোহিক মিলনের চাইতে কম? একটা পুরুষ কত ফ্রি হলে বলতে পারে একটু সেক্সি সেক্সি ভাব করে ছবি দিতে কতটা ফ্রি হলে বলতে পারে????????????????????????????????????????????????????????????????

    তোমার সাথে আমার বিবাদের এই বিষইয় ছাড়া আর কি ছিলো তুমি বলতে পারবে ? মোটেই না । আমি তোমার কাছে কোন দিন একটা সুতা চাই নি শুধু গাজরের হালুয়া ছাড়া আর কোনদিন বলিনাই আমার জন্য এই টা কিনো আমকে টাকা দিও। অথবা কোন দিন বলিনি তুমি তাপসের কাছে থেকে আমার কাছে চলে আসতে হবে তুমি আমার বউ। বলেছি বলতে পারবে? পারবে না,
    আবার কোন দিন রোমানের কাছে গিয়ে চাদা চাইনি বা তোমার মার কাছে গিয়ে টাকাও দাবী করিনি আর তোমার দুই ভোনের দিকে বাজে চোখ দি নাই যা তারা মআমাকে পৃথীবির সবচাইতে খারাপ জানবে । আমি খারাপ বাজে কেনো তোমাকে বকা , গালি গালাজ করি এই কারনে? আর তোমাদের ফ্যামিলির জাইগাতে যনি অন্য কোন ফ্যামেলী হতো তবে তোমাকে গালাগালি বা শাষন করার জন্য আমাকে বাজে বলে আক্ষা দিতো না বরং আমার সুনাম না করলেও নীরবে থেকে আমাকে ধন্যবাদ দিতো কেনোনা তাদের মেয়ের বাজে কাজের শাষন করছি বলে।আমি তোমাদের পরিবারে একজন মানুষ পেলাম না যাকে আমার কথা গুলো বলতে পারি। আজ আমি এতই খারাপ হয়ে গেছি যার জন্য ছুড়ে ফেলে দিয়েছো, আমার বলার জাইগা সব বন্দ করে দিসো । অথচ এই খারাপ মানুষ তোমার জীবনে প্রথম খারাপ কাজ করে আরেক জনের ক্ষতি করেছে । রিপনের মোবাইল থেকে ম্যাসেজ পাঠিয়ে আমি তোমার কথায় তাপস কে নিরদোষ প্রমান করার জন্য চেষ্টা করেছি । আমিই তাপসের বিভন্ন জাইগাতে চেষ্টা করেছি চাকুরী হবার জন্য।হউক বা না হউক সেটা পরের ব্যাপার । চেষ্টা করেছি । আর আজ আমি খারাপ ? আমিই বছরের পর বছর নিজের পকেটের টাকা খরচ করে তোমার দুক্ষের কথা কান্নার শব্দ শুনেছি। কোনদিন জিজ্ঞাস করতে দেখি নাই আমার ভালো লাগা আর খারাপ লাগার কথা তুমি জানতে চেয়েছিলা। আর এখন মনে হচ্ছে আমি তোমাকে বেশ্যা বাজারে আমি বিক্রি করতে চেয়াছি যার কারননে আমাকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছো। কথা যোগাযোগ সব বন্ধ করে দিয়েছো।

    হা একদিন তুমি জানতে চাইছো আমি একা আমার খারাপ লাগে না। এই কথা তুমি জানতে চাইলে আমি প্রচন্ড রাগ হয়েছি কারন তুমি আমাকে বুঝো নাই । আমি তোমার জন্য একা আর একা মানুষের খারাপ লাগবে।

    মানুষের অমিল হয় আর তাই ডিভোস হই সব কিছুইএকটা কথাবারতার সমাধার মাঝে হয়। আমাকে তোমার আর ভালো লাগে না তাই চলে গেছো কিন্তু তোমাকে আমি এভাবে যেতে কখনো দিবো না । তুমি চলে যাচ্ছো এটা তোমাকে বলে যেতে হবে যেহেতু তোমার সেই মিথ্যা অহংকারী বোন আমাকে বলেছে আমি নষ্টামির জন্য রিলেশন করেছি তোমার সাথে । এক বার নয় বহুবার , তোমার বোন সাম্মমি তোমাকে বলে আমি অমানুষ । এগুলো আমি শুনেছি নিজের নিজের কানে। আর তীব্র মানোষিক যন্তনা ভোগ করেছি । তোমার সাথে আমি চলে কোন সুখের বা মানোসিক আনন্দের কোন ইতিহাস নেই ফারহানা। তুবুও ভালোবাসি বলেই তোমাকে অসম্মান করে ফেলে দি নাই। তুমি ভালো করেই আমার স্বভাব জানো আমি ক্যাচ ক্যাচ করি ঠিক বাট ঝগড়া বিবাদে যাই না দেখো নাই আমি শাহেদ আর আবুকে ত্যাগ করেছি আমার সাথে চীট করার কারনে যাদের দুই জনের কাছে প্র্য্য ৫০ লক্ষ টাকার হিসাবের দাবী ছেড়ে দিয়েছি কথা গলো বলিনিসব দেখেছো সব জানো তুমি এটাও জানো আমি কারো পিছনে লাগলে তার বারোটা বাজিয়ে আমার মন খুশি হবার পর আমি ছাড়ি তাকে । এতে যদি আমার কোটি টাকার খর আর জীবন যাওয়ার সম্বাবনা থাকে তাও ছাড়ি না। এটা ভালো করি জানো তুমি।
    তোমার কাছ থেকে আমি প্রথম পেয়েছি একটা কমলা । আমাকে খেতে দিয়েছিলা । আমাই খার পর সেই কমলা র ছোলা পকেটে করে বাসায় নিয়ে একটা পলিথিনে রাখি আর আজো আছে থেবং থাকবে। আর আমি আম্মাকে এটাও বলে দিয়েছি আমাই যদি আগে মারা যায় এই মাতির গুড়া গুলো আমার কবরের উপর দিতে। খুব সহজেই বলতে পারছি কথাটা কারন বাসার সবাই আমার মানোষিক অবস্থা দেখে চিন্তিত । তা চাড়া ডাক্তার যা বলছে তাতে আমার নিজের ভিতরেই একটাখারাপ লাগা জন্ম নেয় যার কারনে আমি মানোশিক শক্তিও হারায় ফেলছি। । আম্মা গত পরশু আমাকে দুপুর বেলা ভাত খাবার জন্য ঢাকা ঢাকি করে আর যাবার সময় বলে বিয়াও করলিনা তুই মরলে কাধে নিবে কে ? শরীরের যে অবস্থা , খাবার থিক নাই কিছুই না, মরবি তো ” ঠিক এই কথা গুলা বলার পরে অই কমলার চামড়ার গুড়া আমার ড্র্যার থেকে বের করি আর আম্মাকে বলি এটা এক্তা হুজুরে দিসে মাটি । কে কখন মরি তার ঠিক নাই আমি মরতে পারি আবার আম্নেও যাইতে পারেন। আমি আগে মরলে আমার কবরের উপর মাটির সাথে দি্যেন। আম্মা আমার দিকে হা করে তাকানর পর ড্রয়ারে রেখে দিতেবলে। সো সেটা আমি আর ছাড়ছি না।

    অনেক কথা বলেছি সেই একটা থেকে লিখছি এখন ফজর এর আজান দিলো। তোমাকে আমি আমার যতটুকু সামরথো ছিলো তা দিয়ে মানে অভিমানে চেষতা করেছি রাখতেতুমি থাকোনি কি করবো তুমি না থাকলে কি করার আছে । তবে তুমি আমাকে বলে যেতে পারতে। তুমি কোন প্রশ্নের উত্তর আজো দাওনি বা আমাই হাজার চেষ্টা করে তোমার কাছ থেকে কোন কথা বের করতে পারিনি । কেনো তোমার এমন আচরন । আর তুমি বোবার ভাব ধরাতে আমার মনে যে প্রশ্নের উতপত্তি হচ্ছে আমি তাই বলে যাচ্ছি । বপ আর নিজেকে নিজে সলে শান্তি দিয়েছি । আর আমার জাইগাতে তুমি হলে বা অন্য কেউ হলে এমন বোবা আচরনের জন্য খুন করে কেটে টুরা টুকরা করে ফেলেদিতো। তোমার এভাবে বলে না যাওয়া টা আমার কাছে প্রতারনা করার সামিল কেনোনা তোমার কোন কাজেই আমার প্রতি তোমার কন আন্ত্ররিকতা আমি দেখিনি। আমার মনে হয় তুমি নিজেও অলতে পারবেনা এমন কোন ঘটনার যা আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছিলো। তবে অকৃতজ্ঞতা বা নিমক হারামী করবো না ।এটা ঠিক তোমার হাতের গাজরের হালুয়া অসাধারন অয়াধারপ্ন। যেনো এখনো মুখে লেগে আছে। তুমি চলে যাবার কারন বলে যেতে হবে আর ন বল্লে হাসরের বিচারের ময়দানে আমি আল্লার কাছে কারন জানতে চেয়ে তোমার বিচার চাইবো।

    মুকুল
    ২রা জানুয়ারী ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *