পাগল নিয়ে উক্তি ( Bangla Quotes about crazy ): আমরা সবাই পাগল । কেউ টাকার পাগল, কেউ প্রেমের জন্য পাগল, কেউ সম্পদের জন্য পাগল, কেউ গানের জন্য পাগল আবার কেউ খাওয়ার জন্য পাগল । তবে আমরা সবাই পাগল বটে । যাহোক আমাদের চেয়ে আরো বেশী পাগল হলেন বিখ্যাত মনিষীরা । কারণ তারাও কোন না কোন বিষয়ের প্রতি পাগল হওয়ার কারনেই তারা বিখ্যাত । যাহোক আসুন পাগল সম্পর্কে কিছু বিখ্যাত উক্তি দেখে আসি ।
পাগল নিয়ে উক্তি :
১. মাঝে মাঝে হঠাৎ পাগল হয়ে যাওয়া হতে পারে কোনো কিছুর জন্য এক সঠিক প্রত্যুত্তর।
— ফিলিপ কে. ডিক
২. ভালোবাসার মধ্যে সবসময়ই কিছু পাগলামো জড়িত থাকে। আর সেই পাগলামোর পিছনেও কিছু কারণ থাকে।
— ফ্রেডরিক নিয়েতযকি
৩. এমন কোনো মহান মানবই পৃথিবীতে বিরাজ করেননি যিনি কিছুটা পাগলামোর ছোয়া পাননি।
— এরিস্টটল
আরো আছেঃ>> শরীর নিয়ে উক্তি
৪. পাগলামোর প্রথম লক্ষণ হলো নিজের মাথার সাথে নিজে কথা বলা।
— যে. কে. রাওলিং
৫. পাগল পৃথিবীকে তোমাকে বলতে দিও না যে সাফল্য হলো এমন কিছু যা বর্তমানের এই মুহূর্তটি থেকেও উত্তম।
— একহার্ট টোলে
৬. আমি যদি তোমার কোনো বিষয় নিয়ে পাগল হয়ে যাই, তাহলে মনে রেখো তখনও তোমার যত্ন করি। তবে যখন করব না তখন ভাববে আমি আর করি না।
— সংগৃহীত
৭. হিংসুকরা আবিষ্ট থাকে পাগল শয়তান দ্বারা এবং একই সময় একটি নিকৃষ্ট আত্মা দ্বারা।
— জোহান কাস্পার লাভাটার
৮. তুমি দয়া এবং ভালোবাসার সাগর হতে পারো। কিন্তু তুমি কখনোই একটি পাগল কুকুরের পাশে শুয়ে থাকতে পারবে না।
— আশিন উইরাথে
৯. একটা পাগল পৃথিবীতে পাগলরাই হলো ভালো মানুষ।
— আকিরা কুরোশাওয়া
১০. একজন শান্ত পুরুষ মানুষ হলো একজন চিন্তক মানুষ। অপরদিকে একজন শান্ত মহিলা মানুষ হলো একজন সত্যিকারের পাগল।
— সংগৃহীত
১১. যে তোমাকে কষ্ট দেয় তার উপর পাগল হওয়া স্বাভাবিক।
— টেইলর সুইফট
১২. পাগল কুকুর এবং ইংরেজরা দুপুর বেলা বাড়ির বাইরে যায়।
— নোয়েল কাওয়ার্ড
১৩. ক্রুসেডের সময় সবাই ছিল ধর্ম নিয়ে পাগল আর এখন সবাই সেই ক্রুসেড পাওয়ার জন্য পাগল।
— জন গাব্রিয়েল স্টেডম্যান
১৪. জ্ঞানের সর্বোচ্চ সীমিততা রয়েছে, মানুষ এটাকে পাগলামো বলে।
— জিন কক্টিউ
১৫. পাগল হয়ে বিছানায় যেয়ো না। জেগে ওঠো এবং যুদ্ধ করো।
— সংগৃহীত
১৬. মানুষ তখন পাগল হয়ে যায় যখন তুমি তাদের সাথে সেইভাবে ব্যবহার করো যেমনটা তারা তোমার সাথে করে।
— সংগৃহীত
১৭. পাগল হওয়ার পরও তুমি কোনো একটি শব্দ উচ্চারণের আগে ভাবো। কেননা তুমি যা বলো তা শুধু ক্ষমা করা যায় ভুলে যাওয়া যায় না।
— সংগৃহীত
১৮. পাগলামো মানে মাঝে মাঝে হাসি দিয়ে মন ভরে ফেলা।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৯. তুমি যখন পাগলের মতো নাচো, তখন পৃথিবীও তোমার সাথে হাসে।
— কাজী নজরুল ইসলাম
২০. একটু পাগলামো না করলে জীবনটা মজার হয় না।
— হুমায়ূন আহমেদ
২১. পাগল মন বলে, সবসময় হাসতে হবে, দুঃখ থাকলেও।
— সুকুমার রায়
২২. যে পাগলের মতো স্বপ্ন দেখে, সে বড় কিছু করে।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৩. পাগলামো মানে মনের মধ্যে রঙিন ফুল ফোটানো।
— জীবনানন্দ দাশ
২৪. একটু পাগল না হলে ভালোবাসা বোঝা যায় না।
— লালন শাহ
২৫. পাগলের মতো হাসলে সব দুঃখ পালিয়ে যায়।
— সত্যজিৎ রায়
২৬. পাগলামো মানে মনের দরজা খুলে সবাইকে ভালোবাসা।
— মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২৭. যে পাগলের মতো গান গায়, তার মন সবসময় খুশি।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৮. পাগলামো মানে নিজের মতো করে পৃথিবী দেখা।
— কাজী নজরুল ইসলাম

২৯. একটু পাগল হলে জীবনটা রঙিন হয়ে যায়।
— হুমায়ূন আহমেদ
৩০. পাগল মন সবসময় নতুন কিছু খুঁজে পায়।
— সুকুমার রায়
৩১. পাগলামো মানে মনের ভিতর একটা ছোট্ট পাখি উড়ে।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩২. যে পাগলের মতো ভালোবাসে, সে কখনো হারে না।
— জীবনানন্দ দাশ
৩৩. পাগলামো মানে মনের মধ্যে ছোট্ট স্বপ্ন জাগানো।
— লালন শাহ
৩৪. পাগল হলে পৃথিবীকে আরো সুন্দর দেখা যায়।
— সত্যজিৎ রায়
৩৫. একটু পাগলামো করলে জীবনটা মিষ্টি হয়ে যায়।
— মাইকেল মধুসূদন দত্ত
পাগল নিয়ে গান
পাগল মন, ছুটে যায়, স্বপ্নের পিছনে ধায়,
হাসির ঝর্ণা ছড়িয়ে, মনটা খুশিতে নাচায়।
পাগল হয়ে গান গাই, মনের দুঃখ ভুলে যাই,
রঙিন স্বপ্ন আকাশে, পাখির মতো উড়ে যায়।
পাগলামোর রঙে ভরা, জীবন হয়ে যায় সারা,
হৃদয়ে ফোটে ফুলের হাসি, দুঃখ পালায় তাড়া।
পাগল মনের ছোট্ট গান, সবাই মিলে গাই মিলে,
জীবন হবে রঙিন তখন, হাসি ফুটবে নীল আকাশে।
পাগল নিয়ে ফেসবুক ক্যাপশন
১. পাগল মন ছুটে যায় স্বপ্নের পিছনে।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২. একটু পাগলামো ছাড়া জীবনটা রঙিন হয় না।
— কাজী নজরুল ইসলাম
৩. পাগলের মতো হাসি দিলে দুঃখ পালায়।
— হুমায়ূন আহমেদ
৪. মনের পাগলামোই জীবনকে মজার করে।
— সুকুমার রায়
৫. পাগল হয়ে ভালোবাসলে হৃদয় জয় করা যায়।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৬. পাগল মন সবসময় নতুন কিছু খোঁজে।
— জীবনানন্দ দাশ
৭. একটু পাগলামো মানেই মনের মুক্তি।
— লালন শাহ

৮. পাগলের মতো স্বপ্ন দেখো, বড় কিছু হবে।
— সত্যজিৎ রায়
৯. পাগলামো মানে মনের ভিতর রঙ ছড়ানো।
— মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১০. পাগল হৃদয়ে ভালোবাসার গল্প লেখা থাকে।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১১. পাগলামো ছাড়া জীবনটা একঘেয়ে হয়ে যায়।
— কাজী নজরুল ইসলাম
১২. পাগল মন কখনো হার মানে না।
— হুমায়ূন আহমেদ
১৩. একটু পাগল হলে জীবনটা বেশি সুন্দর লাগে।
— সুকুমার রায়
১৪. পাগলের মতো হাসি মুখে সুখ এনে দেয়।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৫. পাগলামো মানে মনের খুশির ঝর্ণা।
— জীবনানন্দ দাশ
১৬. পাগল হয়ে গান গাইলে মন হালকা হয়।
— লালন শাহ
১৭. পাগল মনের স্বপ্নে রঙিন পৃথিবী গড়া যায়।
— সত্যজিৎ রায়
১৮. একটু পাগলামো মানেই জীবনের মজা।
— মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১৯. পাগল হয়ে ভালোবাসলে হৃদয়ে ফুল ফোটে।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২০. পাগল মন সবসময় হাসির গল্প বলে।
— কাজী নজরুল ইসলাম
২১. পাগল মনের হাসি দিয়ে জীবন রঙিন হয়।
— হুমায়ূন আহমেদ
২২. পাগলামো মানে মনের ভিতরে আলো জ্বালানো।
— সুকুমার রায়
২৩. পাগল হয়ে নাচলে পৃথিবীও নাচে সাথে।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৪. পাগল মন সবসময় নতুন স্বপ্ন দেখে।
— জীবনানন্দ দাশ
২৫. একটু পাগলামো না হলে মন হাসে না।
— লালন শাহ
২৬. পাগলের মতো গান গাইলে দুঃখ পালায়।
— সত্যজিৎ রায়
২৭. পাগলামো মানে হৃদয়ে সুখের ফুল ফোটানো।
— মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২৮. পাগল মন কখনো থামে না, শুধু ছোটে।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৯. পাগল হয়ে ভালোবাসলে জীবন মধুর হয়।
— কাজী নজরুল ইসলাম
৩০. পাগলামো মানে মনের মধ্যে পাখি উড়ানো।
— হুমায়ূন আহমেদ
৩১. পাগলের মতো স্বপ্ন দেখলে বড় কিছু পাওয়া যায়।
— সুকুমার রায়
৩২. পাগল মনের হাসিতে পৃথিবী সুন্দর লাগে।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩৩. পাগলামো মানে জীবনকে নতুন করে দেখা।
— জীবনানন্দ দাশ
৩৪. পাগল হয়ে হাসলে মনের দুঃখ হালকা হয়।
— লালন শাহ
৩৫. পাগল মনের স্বপ্নে জীবন হয় রঙিন।
— সত্যজিৎ রায়

পাগল নিয়ে ছন্দ
পাগল মন, হাসি মুখ, দুঃখ যায় পালিয়ে,
স্বপ্ন দেখে, রঙ ছড়ায়, মনটা নাচে খেলিয়ে।
পাগল হয়ে, গান গায়, হৃদয় ভরে আলোয়,
জীবন হবে রঙিন তখন, সুখ বাঁধে ভালোবাসায়।
পাগল মনের ছোট্ট সুর, মনের কথা বলে,
হাসির ঝর্ণা ছড়িয়ে দেয়, দুঃখ দূরে চলে।
পাগলামোর মজার খেলা, জীবন হয়ে যায় ভালো,
মনের মধ্যে ফুল ফোটে, হাসি ছড়ায় আলো।
পাগল নিয়ে স্ট্যাটাস
১. পাগলামো মানে মনের মধ্যে ছোট্ট স্বপ্ন জাগানো।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২. পাগল হলে জীবনটা রঙিন হয়ে যায়।
— কাজী নজরুল ইসলাম
৩. পাগলের মতো হাসলে দুঃখ ভুলে যাওয়া যায়।
— হুমায়ূন আহমেদ
৪. পাগল মনের পিছনে ছুটলে জীবন মজার হয়।
— সুকুমার রায়
৫. একটু পাগলামো না হলে ভালোবাসা বোঝা যায় না।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৬. পাগল মন সবসময় নতুন পথ খোঁজে।
— জীবনানন্দ দাশ
৭. পাগলামো মানে হৃদয়ে রঙিন ফুল ফোটানো।
— লালন শাহ
৮. পাগল হয়ে স্বপ্ন দেখলে জীবন সুন্দর হয়।
— সত্যজিৎ রায়
৯. পাগলের মতো গান গাইলে মন খুশি হয়।
— মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১০. পাগলামো মানে মনের দরজা খুলে দেওয়া।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১১. পাগল মন কখনো থেমে থাকে না।
— কাজী নজরুল ইসলাম
১২. একটু পাগল হলে জীবনটা মিষ্টি লাগে।
— হুমায়ূন আহমেদ
১৩. পাগলামো মানে হৃদয়ে হাসির ঝর্ণা ছড়ানো।
— সুকুমার রায়
১৪. পাগল হয়ে ভালোবাসলে জীবন রঙিন হয়।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৫. পাগল মনের স্বপ্নে পৃথিবী সুন্দর দেখায়।
— জীবনানন্দ দাশ
১৬. পাগলামো ছাড়া জীবনটা ফিকে লাগে।
— লালন শাহ
১৭. পাগলের মতো হাসলে মন হালকা হয়।
— সত্যজিৎ রায়
১৮. পাগল মন সবসময় নতুন গল্প লেখে।
— মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১৯. পাগল হয়ে নাচলে পৃথিবীও নাচে।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২০. পাগলামো মানে মনের ভিতরে পাখি উড়ানো।
— কাজী নজরুল ইসলাম
২১. পাগল মনের হাসিতে জীবন ভরে ওঠে আলোয়।
— হুমায়ূন আহমেদ
২২. পাগলামো মানে মনের মধ্যে রঙিন আকাশ দেখা।
— সুকুমার রায়
২৩. পাগল হয়ে স্বপ্ন দেখলে হৃদয়ে ফুল ফোটে।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৪. পাগল মন সবসময় নতুন গান গায়।
— জীবনানন্দ দাশ

২৫. একটু পাগলামো মানে জীবনকে মজায় ভরানো।
— লালন শাহ
২৬. পাগলের মতো ভালোবাসলে মন হয় হালকা।
— সত্যজিৎ রায়
২৭. পাগলামো মানে হৃদয়ে ছোট্ট স্বপ্ন বোনা।
— মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২৮. পাগল মনের পিছনে ছুটলে জীবন হয় রঙিন।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৯. পাগল হয়ে হাসলে দুঃখ দূরে পালায়।
— কাজী নজরুল ইসলাম
৩০. পাগলামো মানে মনের ভিতরে সুখ ছড়ানো।
— হুমায়ূন আহমেদ
৩১. পাগল মন কখনো থামে না, শুধু স্বপ্ন দেখে।
— সুকুমার রায়
৩২. পাগল হয়ে গান গাইলে জীবন মিষ্টি হয়।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩৩. পাগলামো মানে মনের মধ্যে হাসির ফুল ফোটানো।
— জীবনানন্দ দাশ
৩৪. পাগল মনের স্বপ্নে পৃথিবী হয় রঙিন।
— লালন শাহ
৩৫. পাগল হয়ে নাচলে মনের দুঃখ উড়ে যায়।
— সত্যজিৎ রায়
পাগল নিয়ে কবিতা
পাগল মনটা ছুটে যায়, স্বপ্নের পিছনে ধায়,
রঙিন ফুলের বাগানে, হাসির গান গায়।
পাগল হয়ে ভালোবাসি, মনের দরজা খুলি,
দুঃখ পালায়, সুখ আসে, হৃদয়ে ফুল তুলি।
পাগলামোর ছোট্ট খেলা, জীবন করে রঙিন,
হাসির ঝর্ণা ছড়িয়ে দেয়, মনটা হয় মিষ্টি।
পাগল মনের স্বপ্নে আমি, পৃথিবীকে রাঙাই,
হাসি দিয়ে জীবন ভরে, সুখের গান গাই।
পাগল নিয়ে ছড়া
পাগল মন, হাসি মুখ, ছুটে যায় আকাশে,
স্বপ্ন নিয়ে নাচে মন, ফুল ফোটে বাগানে।
পাগল হয়ে গান গায়, দুঃখ যায় পালিয়ে,
মনের মধ্যে রঙ ছড়ায়, হাসি ফোটে খেলিয়ে।
পাগল মনের ছোট্ট সুর, সবাই মিলে গায়,
জীবন হবে রঙিন তখন, সুখ এসে ধরা দেয়।
পাগলামোর মজার খেলা, মনকে করে আলো,
হাসির ফুল ফোটে মনে, জীবন হয় ভালো।
পাগল নিয়ে উক্তি
১.
পাগল সে নয় যে কাঁদে একা,
পাগল সে, যে অনুভব করে গভীরভাবে।
যারা বেশি বোঝে জীবন,
তারাই সমাজে আগে পাগল হয়।
২.
সব পাগলামি রোগ নয়,
কিছু পাগলামি আত্মার প্রতিবাদ।
যা ভাষায় বলা যায় না,
তা পাগলামী হয়ে বেরিয়ে আসে।
৩.
পাগল বলা হয় তাকে,
যে মিথ্যার ভিড়ে সত্যটা আঁকড়ে ধরে।
ভাঙে না সে সহজে,
তাই ভাঙা মানুষ তাকে ভয় পায়।
৪.
পাগলদের চোখে একধরনের স্বচ্ছতা থাকে,
যা স্বাভাবিকরা দেখতে পায় না।
কারণ তারা শেখেনি মুখোশ পরতে।
৫.
পাগল মানে অসুস্থ নয়,
পাগল মানে অতিরিক্ত সংবেদনশীল।
এই পৃথিবীটা
সংবেদনশীলদের জন্য খুবই নিষ্ঠুর।
৬.
যে বেশি ভালোবাসে,
সে একটু পাগল হয়েই যায়।
কারণ ভালোবাসা
হিসেব করে চলে না।

৭.
পাগলরা প্রশ্ন করে বেশি,
আর উত্তরগুলো সমাজ লুকিয়ে রাখে।
তাই প্রশ্নকারীকেই দোষী বানায়।
৮.
সবাই স্বাভাবিক হতে চায়,
কিন্তু কেউ কেউ সত্য থাকতে চায়।
সেখানেই জন্ম নেয় পাগলামি।
৯.
পাগলদের কণ্ঠে চিৎকার নেই,
থাকে গভীর নীরবতা।
এই নীরবতাই
স্বাভাবিকদের অস্বস্তিতে ফেলে।
১০.
যে নিজের ভেতরটা শুনতে পায়,
সে বাইরে তাল মেলাতে পারে না।
সমাজ তাকে পাগল বলে,
সে নিজেকে মানুষ ভাবে।
১১.
পাগলদের ভাবনা ছেঁড়া নয়,
বরং খুব সোজা।
জটিল সমাজ
সোজা মানুষ সহ্য করতে পারে না।
১২.
পাগলামি কখনো কখনো
নিজেকে বাঁচানোর শেষ উপায়।
যখন বাস্তব
অসহ্য হয়ে ওঠে।
১৩.
পাগলরা হারায় না,
তারা শুধু আলাদা পথে হাঁটে।
ভিড় সেটা বুঝতে পারে না।
১৪.
সব পাগল চিৎকার করে না,
কেউ কেউ নীরবে ভেঙে পড়ে।
তাদের পাগলামি
চোখে পড়ে না।
১৫.
পাগল বলা সহজ,
বোঝা কঠিন।
বোঝার চেষ্টা করলে
পাগলামি কমে যেত।
১৬.
যে সমাজে আবেগ দুর্বলতা,
সেখানে আবেগী মানুষ পাগল।
সমস্যা মানুষে নয়,
মানদণ্ডে।
১৭.
পাগলদের স্বপ্ন বড় হয়,
বাস্তব ছোট।
এই অসামঞ্জস্যেই
তাদের ব্যথা।
১৮.
পাগলামি অনেক সময়
অতিরিক্ত সততার নাম।
যেখানে সবাই অভিনয় করে,
সেখানে সততা বেমানান।
১৯.
পাগলরা প্রশ্ন তোলে নিজের ভেতরে,
আর সমাজ ভয় পায় সেই প্রশ্নে।
তাই প্রশ্নকারীই অপরাধী।
২০.
পাগল হওয়া মানে হারিয়ে যাওয়া নয়,
পাগল হওয়া মানে
নিজেকে খুঁজতে গিয়ে
ভুল বোঝা হওয়া।
২১.
সব পাগল ভাঙা নয়,
কিছু পাগল অসম্ভব শক্ত।
তারা একা দাঁড়াতে জানে।
২২.
পাগলরা নিয়ম ভাঙে না,
তারা নিয়মের বাইরে ভাবতে পারে।
এই ক্ষমতাই
সবচেয়ে ভয়ংকর।
২৩.
যে অনুভূতি লুকায় না,
সে খুব তাড়াতাড়ি পাগল হয়।
কারণ এই দুনিয়া
লুকোনো ভালোবাসে।
২৪.
পাগলদের চোখে কান্না কম,
থাকে গভীর ক্লান্তি।
কারণ তারা অনেক আগেই
সব অনুভব করে ফেলেছে।
২৫.
পাগলরা বোঝে,
সবাই সুস্থ নয়।
শুধু সবাই অভিনয়ে পারদর্শী।
২৬.
পাগল মানে আলাদা রঙ,
যা ভিড়ে মিশে যায় না।
তাই চোখে লাগে।
২৭.
যে নিজের মতো থাকতে চায়,
সে সমাজের চোখে পাগল।
কিন্তু নিজের চোখে
সে মুক্ত।
২৮.
পাগলদের কষ্ট বোঝা যায় না,
কারণ তারা ব্যাখ্যা দেয় না।
তারা অনুভব করে,
চিৎকার করে না।
২৯.
সব পাগল চিকিৎসার দরকার নেই,
কিছু পাগলকে
শুধু বোঝা দরকার।
৩০.
পাগলরা সমাজের ভুল আয়না,
যেখানে সত্যটা
খুব স্পষ্ট দেখা যায়।
৩১.
পাগল বলা হয় তাকে,
যে প্রশ্ন করে কেন।
আর পৃথিবী চায়
নীরব হ্যাঁ।
৩২.
পাগলদের যন্ত্রণা গভীর,
কারণ তারা অনুভব করে সম্পূর্ণ।
অর্ধেক ভালোবাসা
তাদের হয় না।
৩৩.
পাগলরা কখনো কখনো
অতিরিক্ত জীবিত।
এই জীবন্ততাই
তাদের অপরাধ।
৩৪.
যে সমাজে অনুভূতি বোঝা হয় না,
সেখানে অনুভূতিশীল মানুষ পাগল।
৩৫.
পাগলরা হার মানে না,
তারা শুধু থেমে যায়।
কারণ ক্লান্তি
কাউকে জানানো যায় না।
৩৬.
সব পাগল চোখে পড়ে না,
কিছু পাগল খুব স্বাভাবিক।
তাদের পাগলামি
ভেতরে।
৩৭.
পাগল মানে দুর্বল নয়,
পাগল মানে অতিরিক্ত সাহসী।
নিজের সত্যে বাঁচতে।
৩৮.
পাগলরা প্রশ্ন করে অনুভূতিতে,
আর সমাজ উত্তর দেয় নিয়মে।
এই দ্বন্দ্বই শেষ করে দেয়।
৩৯.
পাগলরা ভবিষ্যৎ দেখে,
সমাজ দেখে বর্তমান।
তাই মিল হয় না।
৪০.
পাগল হওয়া লজ্জার নয়,
নিজেকে হারিয়ে ফেলা লজ্জার।

৪১.
পাগলরা ভালোবাসে গভীরভাবে,
আর ঘৃণা পায় বেশি।
কারণ গভীরতা
সবাই নিতে পারে না।
৪২.
পাগলরা আলাদা নয়,
তারা একটু বেশি মানুষ।
৪৩.
পাগলদের কণ্ঠ চাপা,
কিন্তু অনুভূতি প্রবল।
এই বৈপরীত্যেই
তাদের ভাঙন।
৪৪.
পাগলরা সমাজের ভুলগুলো আগে দেখে,
তাই আগে ভেঙে পড়ে।
৪৫.
পাগল হওয়া মানে
নিজেকে প্রশ্ন করতে শেখা।
সবাই সেটা পারে না।
৪৬.
পাগলরা নিয়ম মেনে চলে না,
কারণ তারা বিবেক মেনে চলে।
৪৭.
পাগলদের গল্প শেষ হয় না,
শুধু বলা বন্ধ হয়ে যায়।
৪৮.
পাগলরা একা থাকে না,
তারা নিজের সঙ্গেই থাকে।
৪৯.
পাগল মানে অস্বাভাবিক নয়,
পাগল মানে ভিড়ের বাইরে সত্য।
৫০.
সব পাগলই কিছুটা কবি,
কারণ তারা ভাষা খোঁজে
নিজের ভেতরের ঝড়ের জন্য।
পাগলামি: সমাজের চোখে ত্রুটি, আত্মার চোখে সত্য
১.
সমাজ যাকে ত্রুটি বলে আঙুল তোলে,
আত্মা সেখানে নিজের সত্য খুঁজে পায়।
সব ঠিক মানুষরা
সব সময় ঠিক হয় না।
২.
পাগলামি অনেক সময়
নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার ভাষা।
যখন নীরবতা
আর নিরাপদ থাকে না।
৩.
আত্মা যা বলতে চায়,
সমাজ তা শুনতে ভয় পায়।
তাই নাম দেয় পাগলামি,
যাতে দায় না নিতে হয়।
৪.
সব ভুল চোখে পড়ে না,
সব সত্য মানা যায় না।
এই ব্যবধানেই
পাগলামির জন্ম।
৫.
পাগলামি মানে ভাঙন নয়,
পাগলামি মানে প্রতিবাদ।
যেখানে চুপ থাকাই নিয়ম,
সেখানে কথা বলাই অপরাধ।

৬.
সমাজ শিখিয়েছে মানিয়ে নিতে,
আত্মা শিখিয়েছে সত্য থাকতে।
দুজনের লড়াইয়ে
পাগলামি জন্ম নেয়।
৭.
যে নিজেকে অস্বীকার করে না,
সে খুব তাড়াতাড়ি পাগল হয়।
কারণ এই দুনিয়া
নিজেকে ভুলতে শেখায়।
৮.
পাগলামি কখনো রোগ নয়,
কখনো এটা অতিরিক্ত সততা।
সবাই সহ্য করতে পারে না
নগ্ন সত্য।
৯.
সমাজের হিসেব ঠিক,
কিন্তু আত্মার অঙ্ক আলাদা।
এই অমিলেই
মানুষ ভেঙে পড়ে।
১০.
পাগলামি তখনই ভয়ংকর লাগে,
যখন তা আয়নার মতো কাজ করে।
কারণ আয়নায়
সবাই নিজেকে দেখতে চায় না।
১১.
সব চিৎকার পাগলামি নয়,
সব নীরবতা সুস্থতা নয়।
এই ভুল বোঝাবুঝিতেই
মানুষ হারিয়ে যায়।
১২.
যে অনুভূতি লুকোয় না,
সে সমাজের চোখে অপরাধী।
কিন্তু আত্মার কাছে
সে সৎ।
১৩.
পাগলামি মানে নিয়ম ভাঙা নয়,
পাগলামি মানে
ভুল নিয়ম মেনে না চলা।
১৪.
সমাজ চায় মুখোশ,
আত্মা চায় শ্বাস।
শ্বাস নিতে গেলেই
পাগল তকমা জোটে।
১৫.
পাগলামি কখনো শেষ নয়,
এটা একটানা যাত্রা।
নিজের ভেতর থেকে
নিজের দিকে।
১৬.
যাকে সমাজ ঠিক করতে চায়,
সেই মানুষটাই
নিজেকে ঠিক রাখতে লড়ে।
১৭.
পাগলামি তখন জন্মায়,
যখন সহ্য করার সীমা
নীরবে ভেঙে যায়।
১৮.
সমাজের চোখে যারা ভুল,
তাদের আত্মা প্রায়ই সঠিক।
কারণ ভিড়
সব সময় সত্য জানে না।
১৯.
পাগলামি মানে আলাদা হওয়া নয়,
পাগলামি মানে
নিজের মতো হওয়া।
২০.
সব পাগলামির চিকিৎসা নেই,
কিছু পাগলামির
শুধু সম্মান দরকার।
যারা বেশি অনুভব করে, তারাই আগে পাগল হয়
১.
যারা গভীরভাবে অনুভব করে,
তারা আঘাতও গভীরেই পায়।
এই ভারই
তাদের আগে ভেঙে দেয়।
২.
সবাই দেখে,
কিন্তু সবাই অনুভব করে না।
যারা করে,
তারাই আগে পাগল হয়।
৩.
অতিরিক্ত অনুভব
এই পৃথিবীতে অপরাধ।
তাই সংবেদনশীলরাই
সবচেয়ে একা।
৪.
যাদের হৃদয় খোলা,
তাদের ক্ষতও খোলা থাকে।
সময় লাগে না
পাগল হতে।
৫.
যারা নীরবতাও অনুভব করে,
তারা শব্দে আর বাঁচে না।
এই ভারী বোঝাই
তাদের আলাদা করে দেয়।
৬.
সবাই শিখেছে সামলে থাকতে,
কিন্তু কেউ শেখায়নি
কীভাবে বেশি অনুভব
বাঁচিয়ে রাখা যায়।
৭.
যারা সহজে কাঁদে,
তারা দুর্বল নয়।
তারা শুধু
বেশি জীবিত।
৮.
অনুভূতি জমে থাকলে,
ভেতরে ঝড় হয়।
ঝড়কে পাগলামি বলে
শান্ত করা যায় না।
৯.
যারা অল্পে হাসে,
তারা অল্পেই ভাঙে।
কারণ অনুভূতির
তারা হিসাব রাখে না।
১০.
এই দুনিয়া চায় পাথর মানুষ,
আর যারা জল,
তারা ধীরে ধীরে
পাগল হয়।
১১.
যারা অন্যের ব্যথা নিজের মতো নেয়,
তাদের ব্যথা বোঝার কেউ থাকে না।
এই একাকীত্বই
তাদের আগে বদলে দেয়।
১২.
অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ শেখানো হয়,
কিন্তু অনুভবের মূল্য নয়।
তাই অনুভবকারীরাই
হারিয়ে যায়।
১৩.
যারা গভীর ভালোবাসে,
তারা গভীরভাবে ভাঙে।
এই গভীরতাই
পাগলামির নাম পায়।
১৪.
সবাই বাঁচতে চায়,
কিন্তু সবাই অনুভব করতে চায় না।
যারা চায়,
তারা ঝুঁকি নেয়।
১৫.
যাদের হৃদয় কোলাহলপূর্ণ,
তারা নীরবে ক্লান্ত।
এই ক্লান্তিই
তাদের পাগল বানায়।
১৬.
যারা নিজের অনুভূতি লুকোয় না,
তারা সমাজে নিরাপদ নয়।
কারণ সত্য
সবাই সহ্য করে না।
১৭.
অনুভূতিশীল হওয়া
এই সময়ে সাহস।
সবাই সেই সাহস
বহন করতে পারে না।
১৮.
যারা সবকিছু গায়ে মাখে,
তারা একদিন ক্ষয়ে যায়।
এই ক্ষয়কেই
পাগলামি বলা হয়।
১৯.
সব মানুষ ভাঙে,
কিন্তু সবাই অনুভব করে না।
যারা করে,
তারা আগে শোনা যায়।

২০.
যারা বেশি অনুভব করে,
তারা আগে পাগল হয়—
কারণ তারা
আগেই মানুষ হয়ে যায়।
পাগল বলা সহজ, মানুষ হিসেবে বোঝা কঠিন
১.
পাগল বললে দায় শেষ,
মানুষ বললে দায় শুরু।
তাই সবাই
সহজ পথ বেছে নেয়।
২.
একটি শব্দেই কাউকে ফেলা যায়,
কিন্তু একজন মানুষ
বোঝার জন্য
সময় লাগে।
৩.
পাগল তকমা দেয়া সহজ,
কারণ এতে শুনতে হয় না।
মানুষ হিসেবে বুঝতে গেলে
শুনতে হয় অনেক কিছু।
৪.
যাকে পাগল বলা হয়,
সে আগে অবহেলিত ছিল।
পাগলামি
শেষ ধাপ নয়।
৫.
মানুষ বোঝা কষ্টকর,
কারণ সেখানে আয়না আছে।
পাগল বলা সহজ,
কারণ সেখানে দূরত্ব।
৬.
পাগল বলা মানে
নিজেকে নিরাপদ রাখা।
মানুষ হিসেবে বোঝা মানে
নিজের ভয় দেখা।
৭.
সব অস্বাভাবিক আচরণ পাগলামি নয়,
কিছু আচরণ
দীর্ঘ কষ্টের ভাষা।
৮.
পাগল শব্দটা ছোট,
কিন্তু তার নিচে
একটা বড় গল্প
চাপা পড়ে।
৯.
মানুষ হিসেবে বুঝতে গেলে
প্রশ্ন করতে হয় কম,
শুনতে হয় বেশি।
১০.
পাগল বলা হয় তাকে,
যার ব্যথা সুবিধাজনক নয়।
কারণ সেই ব্যথা
অস্বস্তি তৈরি করে।
১১.
সবাই চায় চুপচাপ মানুষ,
কেউ চায় না
আবেগী মানুষ।
তাই আবেগ পাগলামি হয়।
১২.
মানুষ বোঝা মানে
তার ভাঙা জায়গায় দাঁড়ানো।
সবাই সেই সাহস
রাখে না।
১৩.
পাগল বলা একতরফা,
বোঝা দু’পক্ষের।
এখানেই
সমস্যার শুরু।
১৪.
যাকে পাগল বলা হয়,
সে প্রায়ই
অতিরিক্ত সৎ।
১৫.
মানুষ হিসেবে বোঝা মানে
তার নীরবতার মানে খোঁজা।
সব নীরবতা
শূন্য নয়।
১৬.
পাগল তকমা চাপালে
দায় হালকা হয়।
মানুষ ভাবলে
দায় ভারী।
১৭.
সবাই বিচার করতে পারে,
কিন্তু সবাই
সহানুভূতি রাখতে পারে না।
১৮.
পাগল বলা মানে
একটা দরজা বন্ধ করা।
মানুষ বোঝা মানে
একটা হাত বাড়ানো।
১৯.
যাকে বোঝা যায় না,
তাকে বাতিল করা হয়।
এই বাতিলকেই
পাগলামি বলা হয়।
২০.
পাগল বলা সহজ,
কারণ সেখানে শেষ আছে।
মানুষ হিসেবে বোঝা কঠিন,
কারণ সেখানে শুরু।
এই দুনিয়ায় স্বাভাবিক হওয়াটাই সবচেয়ে বড় অভিনয়
১.
স্বাভাবিক দেখাতে গিয়ে
মানুষ সবচেয়ে বেশি মিথ্যে বলে।
কারণ সত্য
সবসময় গ্রহণযোগ্য নয়।
২.
এই দুনিয়ায় স্বাভাবিক হওয়া মানে
নিজেকে আড়াল করা।
যত ভালো অভিনয়,
তত নিরাপত্তা।
৩.
সবাই স্বাভাবিক সাজে,
কিন্তু খুব কমই স্বস্তিতে থাকে।
অভিনয়টা নিখুঁত,
ক্লান্তিটা গভীর।
৪.
স্বাভাবিক মুখের পেছনে
অগোছালো মন লুকিয়ে থাকে।
কারণ অগোছালো
গ্রহণযোগ্য নয়।
৫.
যে স্বাভাবিক থাকে না,
সে ভয় দেখায়।
কারণ সে
অভিনয় ভুলে যায়।
৬.
এই সমাজে স্বাভাবিক মানে
চুপ থাকা, মানিয়ে নেওয়া।
আর প্রশ্ন করলেই
অস্বাভাবিক।
৭.
স্বাভাবিক হওয়া শিখতে শিখতে
মানুষ ভুলে যায়
নিজে কে ছিল।

৮.
সবাই মুখে বলে “আমি ঠিক আছি”,
এটাই সবচেয়ে বড় নাটক।
কারণ ঠিক থাকাটা
এখানে মুখস্থ।
৯.
স্বাভাবিকতার নিয়ম আছে,
আর সেই নিয়ম
অনুভূতির বিরুদ্ধে।
১০.
এই দুনিয়ায় স্বাভাবিক মানে
সময়মতো হাসা,
ভুল সময়ে
কিছু না বলা।
১১.
যারা অভিনয় করতে পারে না,
তারা একা পড়ে যায়।
কারণ এখানে
সততা বেমানান।
১২.
স্বাভাবিক হওয়ার চাপে
অনেক মানুষ
নিজেকে হারায়।
১৩.
এই সমাজে স্বাভাবিক মানে
ভাঙা লুকিয়ে রাখা।
দেখানো যায় না
সব ক্ষত।
১৪.
যে নিজের মতো থাকে,
সে অস্বস্তি তৈরি করে।
কারণ সে
গল্পের বাইরে।
১৫.
স্বাভাবিক হওয়া নিরাপদ,
কিন্তু সত্য হওয়া মুক্ত।
সবাই মুক্তি
বহন করতে পারে না।
১৬.
এই দুনিয়ায় স্বাভাবিকতা
একটা মুখোশ।
মুখোশ খুললেই
ভয়।
১৭.
স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা
একটা নীরব যুদ্ধ।
যেখানে প্রতিদিন
নিজেকে হারাতে হয়।
১৮.
স্বাভাবিক মানে
ভিড়ের সঙ্গে তাল।
যে তাল ভাঙে,
সে আলাদা।
১৯.
অভিনয় যত নিখুঁত,
ভেতরের ক্লান্তি তত গভীর।
কিন্তু ক্লান্তি
স্বাভাবিক নয়।
২০.
এই দুনিয়ায় স্বাভাবিক হওয়াটাই
সবচেয়ে বড় অভিনয়—
কারণ সত্য থাকলে
তুমি একা পড়ে যাও।
পাগলরা আলাদা নয়, তারা একটু বেশি মানুষ
১.
পাগলরা আলাদা নয়,
তারা অনুভব করে বেশি।
যা সবাই চেপে রাখে,
তারা তা বয়ে বেড়ায়।
২.
যাদের পাগল বলা হয়,
তাদের ভেতর মানুষটা
এখনো বেঁচে আছে।
৩.
পাগলরা সমাজের বাইরে নয়,
তারা ভিড়ের ভেতরেই
শ্বাস নিতে পারে না।
৪.
যারা কাঁদতে জানে,
তারা দুর্বল নয়।
তারা এখনো
মানুষ থাকতে পেরেছে।
৫.
পাগলরা বেশি কথা বলে না,
তারা বেশি অনুভব করে।
এই বাড়াবাড়িটাই
তাদের অপরাধ।
৬.
যাদের হাসি বেশি উজ্জ্বল,
তাদের রাতগুলো
ভীষণ গভীর।
৭.
পাগলরা আলাদা বলে মনে হয়,
কারণ তারা
অভিনয় শেখেনি।
৮.
যারা নিজের ব্যথা লুকোয় না,
তারা খুব তাড়াতাড়ি
পাগল হয়ে যায়।
৯.
পাগলরা নিয়ম ভাঙে না,
তারা হৃদয়ের কথা শোনে।
সবাই সেটা পারে না।
১০.
যাদের পাগল বলা হয়,
তারা আসলে
অতিরিক্ত সৎ।
১১.
পাগলরা বেশি মানুষ,
কারণ তারা অন্যের কষ্ট
নিজের মতো অনুভব করে।
১২.
এই দুনিয়ায়
কম মানুষ থাকাই নিরাপদ।
বেশি মানুষ হলেই
ঝুঁকি।
১৩.
পাগলরা হারিয়ে যায় না,
তারা শুধু
নিজের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
১৪.
যারা সব অনুভূতিকে
অস্বীকার করে না,
তারা ভেঙে পড়ে আগে।
১৫.
পাগলরা সমাজের ভুল জায়গায়
সঠিক মানুষ।
১৬.
যাদের পাগল বলা হয়,
তারা আসলে
বেশি ভালোবাসতে জানে।
১৭.
পাগলরা আলাদা নয়,
তারা ভিড়ের মাঝে
একটু একা।
১৮.
যারা প্রশ্ন করে,
তারা চুপ থাকতে পারে না।
এই অস্বস্তিই
তাদের পাগল বানায়।
১৯.
পাগলরা নিজেদের ভাঙে,
যাতে অন্যরা
ভেঙে না পড়ে।
২০.
পাগলরা আলাদা নয়,
তারা একটু বেশি মানুষ—
এই অতিরিক্তটাই
তাদের বোঝা।
শেষ কথা
পাগলামো মানে শুধু হাসি আর স্বপ্নের খেলা। মনের ভিতর যখন একটু পাগলামো জাগে, তখন জীবনটা হয়ে যায় রঙিন। পাগল মন কখনো থামে না, সবসময় নতুন কিছু খোঁজে। তাই একটু পাগল হয়ে হাসো, গান গাও, আর ভালোবাসো। জীবনটা তখন নিজেই তোমাকে সুন্দর করে দেবে।