বক্তব্য কিভাবে শুরু করব

বক্তব্য কিভাবে শুরু করব ? আমাদের সকলের জীবনেই কোন না কোন সময় বক্তব্য দিতে হয়। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আমাদের অনেকেই বক্তব্য দিতে জড়তা অনুভব করে। এবং মনে করে কি বলবো না বলবো। আমার কথা কি শ্রোতা মনোযোগ দিয়ে শুনবে বা অনেক ধরনের চিন্তা আমাদের মাঝে কাজ করে। আমরা অনেক সময় বক্তব্য দিতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলি যার ফলে শ্রোতাদের সামনে লজ্জায় পড়তে হয়। এ কারনেই বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম এবং এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ ফলো করা উচিত আসুন জানি কোন অনুষ্ঠানে বক্তব্য কিভাবে শুরু করব সে বিষয়ে, Read more: জীবন নিয়ে উক্তি

বক্তব্য কিভাবে শুরু করব

আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছোট বড় অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করি। এবং অনেক সময় বক্তব্য দিতে হয়। যদি আপনি সে অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি হয়ে থাকেন তাহলে তো কোন কথাই নাই! অনেকের দেখা যায় বক্তব্য শুরু করতে গিয়ে হাটু কাপে এবং মাঝ পথেই থেমে যায়। আমরা যেসকল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে থাকি সেটা হতে পারে আনন্দ উৎসব বা বেদনার। অথবা রাজনৈতিক কোন সমাবেশ। তবে কোন অনুষ্ঠানে বক্তব্য শুরু করতে প্রথমেই আত্ম বিশ্বাস আনতে হবে এবং জড়তা দূর করতে হবে। কারন আত্ম বিশ্বাস না থাকলে কোন ভাবেই একটি সুন্দর বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারবেন না। আত্ম বিশ্বাস অর্জনের পাশাপাশি আমাদের আমাদের ভাবতে হবে কোন ধরনের অনুষ্ঠানে আপনি বক্তব্য দিচ্ছেন এবং কিভাবে উপস্থাপন করা উচিত। কারন একটি একটি আনন্দ অনুষ্ঠানে আপনার বক্তব্যে মুখে হাসি ফুটে উঠবে পক্ষান্তরে কোন দুঃখের অনুষ্ঠানে বা বিদায় অনুষ্ঠানে হাসি মুখে বক্তব্য দেন তাহলে আপনাকে পরতে হতে পারে বিপত্তিতে। এ কারনেই ঠিক করুন অনুষ্ঠানের ধরন এবং সেই মোতাবেক আপনার মুড!বক্তব্য কিভাবে শুরু করব

এর পরে বক্তব্যে কি বলবেন, এটি যদি পূর্বেই ঠিক হয়ে থাকে আপনি উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে তাহলে পূর্বেই অনুশীলন করতে পারেন বা লিখে নিতে পারেন। বা হুট করে হলেও আপনি বক্তব্য প্রদানের পূর্বে বেশ খানিকটা সময় পাবেন। এর ভিতর ভেবে নিতে পারবেন কি বলবেন বা কোন বিষয়ে ফোকাস করবেন। এবং সময় পেলে অনুশীলন করতে পারেন। বা আপনার বক্তব্য দেওয়ার কোন প্লান না থাকলেও একটি বক্তব্য দেওয়ার যে কমন বিষয় গুলো থাকে তা অনুশীলন করতে পারেন।

এবার বক্তব্য শুরু করার সময়েই আপনি প্রধান কথা শুরু না করে এমন কিছু কথা বলুন যাতে শ্রোতা দের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন। এবং কথা বলার সময় দৃঢ়তার সাথে কথা বলুন। এবং নজর সব সময় শ্রোতাদের দিকে রাখুন। তবে এই কথা গুলো হবে খুবই সীমিত সময়ের জন্য। বেশি দীর্ঘায়িত করবেন না। এতে শ্রোতার বিরক্তি ধরে যেতে পারে।

এর পরে মূল কথা বলা শুরু করেন৷ এবং কথা গুলো সুন্দর ভাষায় দৃঢ়তার সাথে বলুন। কখনোই মুখস্থ বলার মত গড়গড় করে বলে যাবেন না। এতে আপনার বক্তব্যটি যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক সেটি হবে শ্রোতাদের কাছে বোরিং। এবং কোন গুরুত্বপূর্ণ কথার মাঝে স্বল্প বিরতি নিতে পারেন। যা অমনোযোগী শ্রোতাদের ও আকৃষ্ট করবে। কারন হটাৎ করে আপনার বক্তব্য বন্ধ হয়ে গেলে। অমনোযোগী শ্রোতারা বা আপনার দিকে না তাকানো শ্রোতারাও আপনার দিকে তাকাবে এবং ভাববে বলা বন্ধ হলো কেন। এটা দেখতে তারা মাথা তুলে তাকাবে। ৫-৬ সেকেন্ড বিরতি দিয়ে আবার বলা শুরু করুন।

শ্রোতারা যেসকল বিষয় পছন্দ করে না সেগুলোর দিকে খেয়াল রাখুন। যেসকল বিষয় শ্রোতারা পছন্দ করে না তা হলো,
★ বক্তব্যে মাত্রাতিরিক্ত উদাহার দিবেন না।
★ সব সময় পজেটিভ কথা বলুন। কারন নেগেটিভ কথা বক্তব্যে শ্রোতা কখনোই পছন্দ করে না।
★ বচন ভঙ্গির এবং অঙ্গভঙ্গির দিকে খেয়াল রাখুন। অসামঞ্জস্য পূর্ন বচন ভঙ্গি বা অঙ্গ ভঙ্গি আপনাকে অপ্রস্তুত বা শ্রোতাদের অমনোযোগী করে দিতে পারে।
★ অযুহাত এবং অভিযোগ পরিহার করুন।
★ কাওকে ছোট বা হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করবেন না। এতে আপনার বক্তব্যে শ্রোতা মনোযোগ হারাবে।
★ নিজেকে অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ বোঝানোর চেষ্টা করবেন না। বরং আপনার বক্তব্যের মধ্যেই নিজের ব্যাক্তিত্য তুলে ধরুন!

এবং আপনার বক্তব্যটি দীর্ঘ বা সংক্ষিপ্ত হোক শেষ করার পূর্ব কিছু মঙ্গল সূচক এবং ভাল কথা বলুন। কোন প্রতিষ্ঠানের হলে তার উন্নতি কমনা করুন বা কোন ব্যাক্তির হলে তার সফলতা এবং সমৃদ্ধি কামনা করুন। সর্বোপরি শ্রোতাদের মনে আশা জাগানো কথা বলুন। এবং আপনার বক্তব্যটি শেষ করুন।

কেরালার লটারির ফলাফল আজ

কেরালা রাজ্য লটারি বিভাগের অধিদপ্তর সামার বাম্পার সাপ্তাহিক লটারি বিজয়ীদের তালিকা আজ প্রকাশ করেছে। অধিদফতর শুক্রবার বিকাল ৩ টায় অফিসিয়াল ওয়েব পোর্টালে কেরল সাপ্তাহিক লটারি ড্র তালিকা আপলোড করবে। শুক্রবার লটারির টিকিট কিনেছেন এমন প্রার্থীরা আজ তাদের কেরালার লটারি পরীক্ষা করতে পারবেন।

আজ লাইভ কেরালার লটারির ফলাফল

সমস্ত প্রার্থীকে অবহিত করা হয় যে কেরালার লটারিগুলি প্রতিদিন বিকাল ৩ টা থেকে ফলাফলটি সরাসরি ঘোষণা করত এবং অফিসিয়াল গ্রীষ্মকালীন বাম্পার ফলাফলের পিডিএফ অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে বিকেল ৩ টা ৪৫ মিনিটে পাওয়া যাবে। এখানে আমরা লাইভ কেরল লটারি ফলাফল সরবরাহ করা হয়। তাই সমস্ত প্রার্থীকে কিছুটা ধৈর্য ধরে রাখার এবং কয়েক ঘন্টা অপেক্ষা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে, এবং প্রার্থীরা নিয়মিতভাবে আজকের কেরালার লটারি গ্রীষ্মের বাম্পার লটারি ফলাফল বিজয়ের তালিকার জন্য এই ওয়েবপৃষ্ঠাটি দেখুন। অংশগ্রহনকারী প্রার্থীরা লটারির ফলাফল সম্পর্কে তাদের লাইভ স্ট্যাটাস পরীক্ষা করতে পারেন।
www.keralalottery.com ফলাফল আজ কেরালার রাজ্য লটারি অধিদপ্তর, কেরালা সরকার সাপ্তাহিক লটারি ব্যবস্থা পরিচালনা করেছে। কেরল রাজ্যের বেকারি জংশন তিরুবনন্তপুরমের নিকটে গোর্কী ভবনে গ্রীষ্মের বাম্পার টিকিটের অঙ্কন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রীষ্মের বাম্পার লটারির ফলাফল আজ 2:55 pm থেকে সরাসরি শুরু করা হবে, লটারি ক্রেতারা বিজয়ী সতর্কতা পেতে আপনার টিকিটটি নিবন্ধন করতে পারবেন। আমাদের দল লটারির বিশদ সম্পর্কিত এই পৃষ্ঠাটি সজ্জিত করেছে, যেমন আপনি / লটারির অর্থ দাবি করার উপায়, 1/2/3/4/5/6/6/7/7/8 তম পুরস্কারের তালিকা, কেরল সামার বাম্পার ফলাফল আজকের ঘোষণার তারিখ এবং সময়। আজ লটারি কেরালার ফলাফল শীর্ষ টিকিট সংখ্যার জন্য উপলব্ধ এবং লটারিতে আটটি পুরষ্কার রয়েছে। https://keralalotteryresultstodays.in

কেরালার লটারির সাপ্তাহিক সময়সূচীর বিশদ:

Day Draw Name 1st Prize
Monday Win-Win 65, 00,000/
Tuesday Dhanasree 70, 00,000/-
Wednesday Akshaya 60, 00,000/-
Thursday Pity Plus 70, 00,000/-
Friday Bhagyanidhi / Nirmal 60, 00,000/-
Saturday pity 10,000,000 /-
Sunday Pournami 70, 00,000/-

সাপ্তাহিক লটারির ফলাফল 2020 তারিখ এবং সময়
কেরালা লটারি বিভাগ বিভাগ কেরালা সরকার সাধারণত প্রতি শুক্রবার সাপ্তাহিক লটারির জন্য ড্র করে থাকে। তো, টডি লটারির বর্তমান ক্রমিক নম্বর। বর্তমানে সকল পরীক্ষার্থী অনলাইনের মাধ্যমে লটারির ফলাফলের টিকিট নম্বর এবং স্নাতকের প্রথম, দ্বিতীয় ও দ্বিতীয় পুরষ্কার 3 থেকে 4 টা পর্যন্ত সন্ধান করছেন। এখানে ফলাফলের টেবিল ফর্মে সমস্ত পুরষ্কারের বিবরণ দেওয়া আছে।

Gift Ideas For Men For All Occasions

Life gives us one and many reasons to give gifts. Be it on the most celebrated occasions of birthdays and anniversaries or just to put across your feelings, gifts do it all beautifully. If you are like us, who equally enjoys giving gifts as much receiving it, then this piece of writing is worth all your read. Sometimes, it’a hassle choosing a gift for someone special on a particular occasion, especially when it’s a man. All you think about giving them as gifts is watches and wallets.

So, here we have listed gifts for men for different occasions, that will make the process of giving and receiving gifts pleasurable. Certainly, your man is bored of those usual gifts; he just doesn’t say. Take cues from the below:

1. Birthday: It is the most popular occasion for gifting. If you are looking for a birthday gift for your father, then you can go for choices like a smartphone, caravan music player, some fitness-related equipment, etc. But, if the birthday gift is for your boyfriend, husband, brother, and friend, then personalised gifts are idyllic. A custom laptop sleeve, leather bag, engraved wine glasses, etc. are some of the options you can consider.

2. Anniversary: Choose tokens that scream of your love for him. A box of heart-shaped chocolates or custom chocolates (Like I Love You, Photo chocolates) is one way to make your boyfriend or husband relish sweet love. You could make a delivery of a rose bouquet with a message card. Yes, men too love flowers! The fragrance and a special anniversary message from you will surely make his day. If you are into art and crafts, you can design an explosion box or any handmade gift.

3. Father’s Day: A special occasion for celebrating and appreciating the wonderful fathers. For your father, “ The best Papa certificate,” or “ A scroll with a heartfelt message” is the best gift choice to let him know how much you admire and respect him. For the father of your child, i.e. husband, a super dad caricature, a box of Father’s Day special cupcakes, or a photo frame of him with the child engraved with words “I Love You Dad.”

4. Raksha Bandhan: It’s an upcoming festival that allows you to strengthen your bond with your brothers. Not only strengthen but make beautiful memories by giving them thoughtful gifts, like a potted plant for greenery and happiness. This one is best-suited for brothers of all ages. A Rakhi with a greeting card where you can pen down all your love for him is also a good option. You can also give your brother apparels.

5. Friendship Day: Honour your friendship with a lovely Rakhi gift. For your long distant friend who also happens to be your lover, long distance touch bracelet or long distance touch lamp is perfect. When you miss him, touch it. For a booze lover friend, shot glasses, wine storage box, etc. And, if you wish to go with something universal and simple, a coffee mug is just perfect!

6. International Men’s Day: It is celebrated on 19th November, every year. This year, for the men in your lives whom you love with all your heart, give gifts on this day to revere their presence. Perfumes, gentlemen stuff, grooming hamper, are some of the gift choices to consider.

Hope you find the best one for your man on different occasions.

How to propose with sms

Dear friends, Here we share all of our sms and wishes. So in this site you will get all latest sms and status update. Now i am sharing some tips to propose someone with these amazing sms.

Take decision who you are going to send sms. Is he like sms reading, than you can start your sms writing. Some people do not like to send or receive any sms. So if your desired person do not like sms or messages than you should not send sms.

I thik he like sms and messages. To propose someone you have to know that, you have to send only love and romantic sms. First time, you can send some funny and romantic mixed sms. Keep in mind you have give some fun to your beloved person.

sms propose is very smart way to express your love to anyone. You have to select right sms for right person. If you don not think about your sms and messages, you can not gain your journy. So sms selection is very important.

All people want to live with their beloved person. So if you want to same, you have to manage your partner for long life. Love should be forever. Short time relationship is not good. All peoples are doing good relations with beloved person. So they are happy with many reasons.

Respectness is one another thing to get your love beside you. So we are many happy for that, we are living with our beloved person. To long last your love, you have know about the respectness of a relation. This is the mandatory issue for a realtions.

Send good and romantic sms to your beloved person. Than you will know the next works. All is defend in your work, what you will get in your life in the future. Thats all, Thanks for reading this post. We have posted this article just for engagement.

জীবন নিয়ে কিছু কথা

জীবন নিয়ে কিছু কথা শেয়ার না করে পারলাম না । এই কথা গুলো আমাদের সবার কম বেশী জানা আছে আর না থাকলে জানা অত্যন্ত জরুরী । মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হলো, তার নিজের জীবন । আমাদের জীবনের অনেক পার্ট থাকে, তার মধ্যে প্রধানত দুটি ভালো হলো, সুখ ও দুঃখ । জীবন যতদিন আছে ততদিন এই দুই জিনিস আমাদের থাকবেই । এতে কারো কোন দ্বিমত নেই । তবে আমরা যদি জীবনের বিস্তারিত আলোচনা করতে যাই, তাহলে আমরা অনেক গুলো ধাপে আমাদের জীবনটাকে ভাগ করতে পারি । যেমনঃ

জীবন নিয়ে কিছু কথা

শিশু জীবনঃ

আমরা যখন জন্মগ্রহণ করি তখন আমরা হই পৃথিবীর নতুন সদস্য । আমরা তখন জীবন সম্পর্কে কিছু বুঝি না । জন্মের পর থেকে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত সময় টাকে আমরা শিশু জীবন বলতে পারি । জীবনের এই ধাপ টা অতি সহজ ও নির্ভেজাল । এই কথার উপর মনির খানের একটা গানের কথা মনে পড়ে যায়ঃ ” আমি নেংটা ছিলাম ভালো ছিলাম, ভালো ছিলো শিশু কাল, মায়ের সাঁজা দুধের মত, জীবন ছিলো নির্ভেজাল “জীবন নিয়ে কিছু কথা

কৈশোর জীবনঃ

শিশু কালের পরেই আমাদের শুরু হয় কিশোর জীবন । এই জীবনে থাকে অনেক মজা আর হাসি তামাশা । কৈশোর জীবনটা সত্যিই অনেক রঙিন হয় । এটা হলো জীবনের সবচেয়ে মধুর সময় । এমন কোন মানুষ নেই যে, সে তার কৈশোর সময় নিয়ে আপসোস করে না, এর একমাত্র কারন হলো এই বয়সে আমরা জীবন বলতে যা বুঝি, তা হলো শুধু খেলা দুলা আর হাসি তামাশা ।

যৌবন জীবনঃ

জীবনের এমন একটা সময় আসে, যখন আমরা অনেক বেশী চিন্তাশীল হয়ে যাই । আমরা জীবন নিয়ে ভাবতে থাকি । সামনের দিকে এগিয়ে যেতে কঠোর ভাবে কাজ করি । আর আমরা বিয়ে করি আমাদের শারীরিক এবং মানসিক চাহিদা থেকে । অনেকেই প্রেম করে বিয়ে করে, সেই প্রেম টাও আসে তার চাহিদা থেকেই । তাই এই জীবনের এই সময় টাতে আমরা অনেক কস্টে থাকি । কারন তখন অনেক কেই নিয়ে চিন্তা করতে হয় ।

বৃদ্ধ জীবনঃ

জীবনের শেষ সময় টাকেই আমরা বৃদ্ধ জীবন বলে থাকি । এই সময় টা হলো, জীবনের সব চেয়ে কঠিন ধাপ । এখানে এসে আমরা সবাই জীবন নিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাই । আর বেশী জীবন নিয়ে ভাবতে পারি না । তবে এই সময় টাতে আমরা একা থাকতে পারি না । অনেক কেই তখন পাশে পেতে ইচ্ছে করে ।

ঘুঘু পাখি ক্রয় বিক্রয়

ঘুঘু পাখি ক্রয় বিক্রয় । বাংলাদেশের অতি পরিচিত পাখি হচ্ছে ঘুঘু। এদেশের বন জঙ্গলে বা লোকালয়ে ও প্রায়ই এই ঘুঘু পাখি দেখা যায়। এবং এরা অন্য পাখির মত এরা লোক চক্ষু এড়িয়ে চলে না। বিভিন্ন সময় ঘুঘু পাখি লোকালয়ে দেখা যায়। ঘুঘু এবং কবুতর সমগোত্রীয় পাখি। Streptopelia chinensis হচ্ছে ঘুঘুর বৈজ্ঞানিক নাম। এটি কলাম্বিডি গোত্রের বা পরিবারের এবং স্ট্রেপ্টোপেলিয়া গনের একটি পাখি। ঘুঘু এবং পায়রা দুটোই হচ্ছে সমগোত্রীয় এ কারনে এদের মধ্যে অনেক মিল লক্ষ করা যায়। তবে পার্থক্য হলো কবুতর বা পায়রা হাস মুরগির মতই পোষা যায় কিন্তু ঘুঘু (Dove) হচ্ছে বন্য পাখি।

ঘুঘু পাখি ক্রয় বিক্রয়

ঘুঘু পাখি দেখতে খুবই সুন্দর নিঃসন্দেহে বলা যায়। সারা পৃথিবীতে মোট ছত্রিশ প্রজাতির ঘুঘু পাখি রয়েছে। এবং বাংলাদেশে ছয় প্রজাতির ঘুঘু পাখি দেখতে পাওয়া গেলেও সবচেয়ে বেশি যে প্রজাতি টি চোখে পড়ে সেটি হলো তিলা ঘুঘু। যার ইংরেজি নাম স্পটেড ডাভ (Spotted dove). এর রং ধূসর বর্নের এবং ঘাড়ের পিছন সাইডের নিচের দিকটা কালো সাদা তিলার মতো। এবং লেজ ও পাখা পিতাভ তিলা যুক্ত বাদামী রংয়ের।

আমাদের দেশে সবচাইতে বেশি দেখা যায় তিলা ঘুঘু এক সময় বনে বাদারে মাঠে ঘাটে প্রচুর পরিমাণ এই তিলা ঘুঘু পাখি দেখা গেলেও বর্তমানে আগেকার মত দেখা যায় না। এর প্রধান কারন কিছু বর্বর মানুষ। কারন এরা বিভিন্ন ভাবে এবং ফাঁদ পাতার মাধ্যমে এই সুন্দর পাখিটি নির্বিচারে হত্যা করছে। আমাদের দেশে পাখি নিধন রোধে আইন থাকলেও হরহামেশাই পাখি শিকার হয়ে থাকে। এবং অনেকেই এই প্রকৃতির সম্পদ পাখি শিকারের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। এবং বিষয়টি দুঃখজনক হলেও একটি আশ্চর্য বিষয় হলো ঘুঘু পাখি দিয়েই ঘুঘু পাখি শিকার করতে দেখা যায় গ্রামাঞ্চলে। যা অন্য কোন পাখি শিকারের মাধ্যম হিসেবে দেখা যায় না।

ঘুঘুর বাসস্থান হলো বাশ বা গাছের ডালে। তবে এর কিছু প্রজাতি মাটিতেও বাসা তৈরি করে। ছোট ছোট ডাল ও পাতার মাধ্যমে তৈরি করে বাসা। এরা সুনিপুণ ভাবে বাসা নির্মাণ করে এবং সেই বাসায় ডিম পাড়ে। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। এপ্রিল-জুলাই হলো ঘুঘুর প্রজনন মৌসুম। একটি ঘুঘু এক থেকে দুইটি ডিম পারে। এবং ১৩ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। পুরুষ ও মহিলা ঘুঘু উভয়ই ডিমে তা দেয় বাচ্চা ফোটার জন্য। এই ঘুঘু পাখির ক্ষেত্রে সবচাইতে অবাক করা বিষয় হলো বাচ্চারা মা ঘুঘুর দুগ্ধ পান করে। যা অন্য কোন পাখির মধ্যে দেখা যায় না। আর এই বৈশিষ্ট্যের কারনেই এই পাখিটি আলাদা পরিচিতি লাভ করেছে। এই পাখির বাচ্চারা ৭-৮ দিন বয়স হলেই উড়তে শিখে যায় এবং একবার উড়তে শিখলে এরা বাসা পরিত্যাগ করে চলে যায়।

এই ঘুঘু পাখিরা মূলত বিভিন্ন ধরনের শস্য দানা খেয়ে থাকে। এ কারনে শস্য ক্ষেতে প্রায় সময় ঘুঘু পাখির আনা গোনা দেখা যায়। এরা ফসলের মাঠ ঘুরে ঘুরে খাদ্য সংগ্রহ করে। শস্য দানা এদের পছন্দের খাদ্য হলেও এরা বিভিন্ন ধরনের ফল মূল এবং পোকা মাকড় খেয়ে থাকে। এরা যখন ছায়া পড়ে রোদ থাকে না তখন খাদ্য সংগ্রহ করতে বের হয়। এ কারনেই বিকাল বেলা বেশি ঘুঘু পাখির দেখা মিলে। খাদ্য সংগ্রহ বাদে বাকি সময় এরা গাছের ডালে বসে সময় অতিবাহিত করে থাকে।

অনেকেই শখের বসে বাড়িতে খাঁচায় ঘুঘু পালন করে। এবং পালিত ঘুঘু খুব সহজে পোষ মানানো সম্ভব। কিন্তু পাখি সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী এই ঘুঘু পাখি গুলো খাঁচায় পালন করা দন্ডনীয় অপরাধ। কিন্ত আমাদের দেশে অনেকেই বিদেশি প্রজাতির ঘুঘু পাখি পালন করে থাকে। এবং এসকল প্রজাতির ঘুঘু পালন করায় কোন সরকারি নিষেধাজ্ঞা নেই।

ডাকসু নির্বাচন

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো । ঢাকা ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন – ডাকসু (Dhaka University Central Student’s Union – DUCSU) হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সংক্ষিপ্ত নাম। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৩ – ১৯২৪ শিক্ষাবর্ষে। এবং পরবর্তীতে এর নাম পরিবর্তন করা হয় এবং এর গঠনতন্ত্র সংশোধনের মাধ্যমে এর নাম করন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ১৯৫৩ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসু বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের থেকে শুরু করে ৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রতক্ষ্য ভাবে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করে ডাকসু। এছাড়াও বাংলাদেশের গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে স্বৈরাচার ও সামরিকতন্ত্রের বিরুদ্ধে তারা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে।

ডাকসু নির্বাচন

এর পরিচালনা পরিষদ গঠিত হয় নির্বাচনের মাধ্যমে। ডাকসুর নির্বাচন হওয়ার নিয়ম প্রতি শিক্ষাবর্ষের পর পর হওয়ার কথা রয়েছে এবং এই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পরিচালনা পরিষদ গঠিত হয়। এর সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে। এবং ২০১৯ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছি দীর্ঘ ২৮ বছর পড়ে এর আগে বহু বছর নির্বাচিত স্থগিত রয়েছিল। ১৯৯০ সালে ডাকসুর নির্বাচন স্থগিত করে দেওয়া হয়। স্থগিত করার প্রধান কারন হলো ক্ষমতাসীন দলের অনিচ্ছা এবং বিভিন্ন অযুহাত। এবং এই অনিচ্ছা বা অজুহাত সৃষ্টির কারন হলো তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনে জয় লাভ করার ক্ষেত্রে আশাবাদী ছিল না। তারা মনে করেছিল যদি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাহলে ক্ষমতা বিরোধী দলের সমর্থকদের হাতে চলে যাবে। এবং তারা তাদের করায়ত্ত ক্ষমতা ছাড়বেনা বলেই এতো বছর নিবার্চন অনুষ্ঠিত হয় নাই।ডাকসু নির্বাচন

তবে ১৯৯০ সালে ডাকসু নির্বাচন স্থগিত করার পূর্বে মোট ৩৬ বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের। প্রথম বার ডাকসুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯২৪-২৫ সালে। এই নিবার্চনে সম্পাদকের পদ পেয়ে ছিলেন যোগেন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত এবং এর পরের বছর নির্বাচিত হন অবনীভূষণ রুদ্র। আতাউর রহমান খান ১৯২৯-৩০ সালে সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ প্যানেলের থেকে ভিপি (সহ সভাপতি) নির্বাচিত হন নুরুল হক নূর তিনি এগারো হাজার বাষট্টি ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। এছাড়া ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী জিএস পদ লাভ করে। তিনি মোট দশ হাজার ৪৮৪ ভোটে বিজয়ী হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সম্মিলিত শিক্ষার্থী সংসদ মনোনীত প্রার্থী সাদ্দাম হোসেন এজিএস পদে নির্বাচিত হয়। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ৩০১। যা ছিল ডাকসুর ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোট। এর আগে কেউ এতো বিপুল পরিমাণ ভোটে বিজয়ী হয় নাই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর প্রধান কাজ ছাত্রদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করা হলে এর পাশাপাশি দেশের সর্বস্তরের জনগণের অধিকার আদায় করার জন্যও তারা সমান ভাবে তৎপর। এছাড়াও দেশে যোগ্য নেতৃত্ব তৈরিতে এর ভূমিকা অনবদ্য। সর্বোপরি গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে এবং তা অক্ষুণ্ণ রাখতে ডাকসু সকল সময় সাহসিকতার সাথে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

সকল রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ গন মনে করেন ডাকসু নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারন ডাকসুর নির্বাচনের মাধ্যমেই আমাদের দেশের সকল প্রান্ত হতে মেধাবী রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব তৈরি হতে পারে। এবং এই নির্বাচন স্থগিত করার অপর নাম হলো দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন কে হুমকির মুখে ফেলা৷ এ কারনে দেশে মেধাবী রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব তৈরি করতে হলে অবশ্যই নিয়ম তান্ত্রিক ভাবে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

Love at home without going out

I haven’t been able to go anywhere during the epidemic, I have stopped eating outside, I have even thought of going to the shopping mall a few times. I forgot the tea-coffee hangout. Many are exhausted from home, and those who have to go out are terrified. All in all, pressure is being created.

We know that, One way to get closer to each other is to spend some private time in a coffee shop or restaurant. Or walking along the green grass under the open sky, holding hands.

But even though everything is almost open, still not going out together, except as urgent work as before. So does the relationship seem monotonous in this situation? What can be done to forget Corona’s panic, to have a good time at home again with a loved one?

An idea can be useful, try it. Start from the kitchen. That means help your partner cook. Suppose your partner is cooking curry, you cut the salad and get ready. And this time don’t just go to work like a robot. Tell stories about your likes and dislikes, eating habits, favorite foods with childhood food.

When two people work together, the work is done quickly. And more time will be spent with the partner to get extra.

Occasionally cook a new item together. This can make the bond stronger. Understanding among ourselves will also be excellent.

When two people cook together, you will develop the mentality of sharing your responsibilities. And your partner’s trust and love will increase towards you. Which is one of the conditions to make the relationship happy.

If he wanted, he would put his head on the shoulder of his loved one as he counted the waves in the sea, in the same way he took a light kitchen romance.

You can also re-enjoy the relationship by spending time and work in the kitchen. The kitchen can be an opportunity to come close to the mind of a loved one. Let’s use the opportunity … Let’s make love at home.

বীর শ্রেষ্টদের অবদান

বীর শ্রেষ্টদের অবদান নিয়ে আমাদের আজকের লেখা । আশাকরি পড়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন । আমরা আমাদের সত্যিকারের ইতিহাসে সাত জন বীরশ্রেষ্ঠের নাম জেনেছি। তারা তাদের আত্মবিশ্বাসের এবং তার বীরত্বের কারনেই এই পদক্ষেপের শিকার হতে পারে ছিলেন বাংলাদেশ পর্যবেক্ষণ অবদানের উপরে অবস্থিতি প্রকাশিত যোদ্ধাদের জল্পনা সরবরাহ করা হয়। একত্রী বীরশ্রেষ্ঠ, বীর মনোমুগ্ধকর, বীর ছাত্র ও বীর উদযাপন। আমাদের মধ্যে পর্যায়ের উচ্চ পদক্ষেপের বিরতিবীরের ঘটনা ঘটে। সমীক্ষা করা হয় প্রায় সাত জনের এই সময়সীমা সরবরাহ করা হয়। তারা অসম সাহস এবং তার বীরত্ব দেখায়। আমরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চাইছি বাংলাদেশ আমাদের এই সাত বীরশ্রোতার নাম তাঁর আত্মবিশ্বাস কাহিনী জেনে নেই-

বীর শ্রেষ্টদের অবদান

১- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর তিনি কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে। শহীদ হয়েছিলেন ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখে। তিনি মুক্তি বাহিনীর ৭নং সেক্টরের একজন কর্মকর্তা ছিলেন। মহানন্দা নদীর তীরে শত্রুর প্রতিরক্ষা ভাঙ্গার প্রচেষ্টার সময় তিনি শহীদ হয়েছিলেন। তার দুঃসাহসিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে মুক্তিবাহিনী ঐ অঞ্চলে পাকিস্তানি সেনা বাহিনীর বিপুল পরিমাণ ক্ষতি সাধন করে।

২- সিপাহী হামিদুর রহমান কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে শহীদ হয়েছিলেন ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ তারিখে। পাকিস্তান বাহিনীর মেশিনগান পোস্টে গ্রেনেড হামলার সিদ্ধান্ত নিল মুক্তি বাহিনীরা। কিন্তু সে কাজ সফল করা এতো সহজ ছিল না। সব শেষে হামিদুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয় গ্রেনেড হামলা করার। দুঃসাহসিক যোদ্ধা হামিদুর রহমান সাহসিকতার সাথে পাহাড়ি খালের মধ্য দিয়ে বুকে হেঁটে গ্রেনেড নিয়ে আক্রমণ শুরু করলেন শত্রু পক্ষের ঘাটিতে। এবং দুটি গ্রেনেড সফল ভাবে পাক সেনাদের মেশিনগান পোস্টে আঘাত হানে। কিন্তু তার কিছু সময় পড়েই হামিদুর রহমান গুলিবিদ্ধ হলেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থাতেই তিনি মেশিনগান পোস্টে গিয়ে হাতা হাতি যুদ্ধ শুরু করেন দুই জন পাকিস্তানী সৈন্যের সাথে। অপর দিকে তার সঙ্গীরা অাক্রমণ শুরু করে। এতে পাকিস্তানি বাহিনীর বিপুল ক্ষতি সাধন করে তারা। এবং ঘাটি দখলে তারা সফল হলো। কিন্তু হামিদুর রহমান ততো সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। তার এই বীরত্বের কথা জাতি আজও শ্রদ্ধা ভরে স্বরন করে।

৩- সিপাহী মোস্তফা কামাল কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে শহীদ হয়েছিলেন ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে। মোস্তফা কামাল দরুইন গ্রাম তার দলবল সহ হানা দেয় পাকিস্তানি বাহিনীর ঘাটিতে। কিন্তু এক সময় শত্রুর পক্ষের প্রবল আক্রমণের কারনে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। কিন্তু প্রবল আক্রমণের মুখে পিছু হটার কোন উপায় ছিল না। এ কারনে মোস্তফা কামাল তার সঙ্গিদের সকলের প্রান বাঁচাতে নিজের জিবন বাজি রেখে তিনি একাই শত্রুদের মোকাবেলা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। তার সঙ্গীদের এই সিদ্ধান্তে তীব্র বাধা সত্বেও তিনি পিছু হটেনি। তিনি একাই শুরু করে গোলা বর্ষণ। তার এই প্রবল আক্রমণের কারনে কিছুতেই সামনে অগ্রসর হতে পারছিল না পাকিস্তানি বাহিনী। তবে যে সময় শত্রু পক্ষের সেনারা তার ৭০ গজের ভিতর প্রবেশ করে এমন সময় তার গোলাবারুদ শেষ হয়ে যায়। শত্রুর গুলিতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল বাংলার অকুতোভয় সৈনিক বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল। তবে তার এই আক্রমণের কারনে পিছু ধাওয়া করার সাহস পাইনি শত্রু পক্ষ তন্মধ্যে বাকি সাথিরা নিরাপদে সরে গিয়েছিল।

৪- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে শহীদ হয়েছিলেন ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখে। মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাস দখলের পর খুলনার মংলা বন্দরে পাকিস্তানি নৌঘাঁটি পি.এন.এস. তিতুমীর দখলের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ‘পদ্মা’, ‘পলাশ’ এবং ভারতীয় মিত্রবাহিনীর একটি গানবোট ‘পাভেল’। গানবোট গুলো খুলনা শিপইয়ার্ডে পৌছায় ১০ ডিসেম্বর। সময় ১২ টা এমন সময় আকাশে তিনটি ভারতীয় জঙ্গিবিমান পদ্মা, পলাশ এবং পাভেলের দিকে ছুটে আসে। সবাই আক্রমণের অনুমতি চাইলে অভিযানের সর্বাধিনায়ক ক্যাপ্টেন মনেন্দ্রনাথ ভারতীয় বিমান মনে করে বিমান কে লক্ষ করে গুলি বর্ষণ করতে নির্দেশ দেয় নাই। কিন্তু আচমকা বিমান তিনটি তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে এবং নিচের দিকে নেমে এসে গোলাবর্ষণ শুরু করে। ভারতীয় গানবোটে বিমান তিনটি আক্রমণ না করে পদ্মা এবং পালাশে আক্রমন করে। যার ফলে দুইটি গানবোটই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবং গানবোটের ইঞ্জিনে আগুন লেগে যায়। তবুও সে গানবোট রক্ষার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। গোলার আঘাতে রুহুল আমিনের বা হাত দেহ হতে বিছিন্ন হয়ে যায়। তবে অসিম সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন যেন দমবার পাত্র নয়। তিনি মাঝ নদিতে ঝাপ দেন এবং সাতরে নদী পাড় হয়ে যান। কিন্তু নদীর পাড়েই অপেক্ষা করছিল রাজাকার নামক শকুনের দল তারা তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে লাশ নদীর পাড়ে ফেলে রেখে যায়। বেশ কয়েক দিন তার লাশ নদীর পাড়েই পড়েছিল।কেউ দাফন ও করেনি। এর পড়ে এলাকার লোকজন তার লাশ দাফন করে। তার

৫- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে শহীদ হয়েছিলেন ২০ আগস্ট ১৯৭১ তারিখে। তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তানের জঙ্গি বিমান দখল করবেন। এবং দখল করে মুক্তি যুদ্ধে যোগ দিতে চাইছিলেন। এ কারনে তিনি বিমান হাইজ্যাক করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তার জন্য ২০ আগস্ট ১৯৭১ তারিখ কে বেছে নেন। তিনি ছিলেন বিমানের সেফটি অফিসারের পদে। তখন রাশেদ মিনহাজ নাম একজন শিক্ষানবিশের কাছ থেকে বিমান ছিনিয়ে নিতে চান। সেদিন ছিল তার প্রশিক্ষণের দিন। যখন বিমান আকাশে উড়ে তখন সুযোগ বুঝে তিনি রাশেদ মিনহাজ কে ক্লোরোফোম দিয়ে অজ্ঞান করে বিমানের কন্ট্রোল নেন। তবে রাশেদ মিনহাজ অচেতন হওয়ার আগেই কন্ট্রোল রুমে জানিয়ে দেয় তার বিমান হাইজ্যাক করা হচ্ছে। তাই চারটি জঙ্গি বিমান তাদের পিছে ধাওয়া করে। মতিউর রহমান যখন শত্রুদের রাডার ফাকি দিয়ে ভারতের সিমান্তের কাছে পৌছে ঠিক তখন রাশেদ মিনহাজের জ্ঞান ফিরে এবং মতিউর রহমানের সাথে ধ্বস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে মতিউর রহমান বিমান থেকে ছিটকে পড়ে নিচে। প্যারাসুট না থাকার কারনে তার মৃত্যু হয়। এবং কিছুদূর গিয়ে বিমানটি বিধস্ত হয় ও রাশেদ মিনহাজ ও মারা যায়। মতিউর রহমানের লাশ পাওয়া গিয়েছিল ঘটনা স্থলের থেকে আধা কিলোমিটার দূরে।

৬- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশ রাইফেলসে শহীদ হয়েছিলেন ৮ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে। পাকিস্তানি বাহিনী মুন্সি আব্দুর রউফ এবং তার সহযোদ্ধাদের ঘাটি চিন্হিত করে আক্রমণ চালায়। তাদের প্রবল আক্রমণের কারনে মুক্তি যোদ্ধাদের পিছু হটতে বাধ্য হয়। কিন্তু তারা তারা যেই পিছু হটতে শুরু করে কিন্তু তাদের পিছনে হটতে দেখে পাকিস্তানি বাহিনী আরো দ্রুত এগিয়ে আসে তাদের দিকে। এমন অবস্থায় মুন্সি আব্দুর রউফ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তিনি একাই শত্রুর মোকাবিলা করবেন। এবং সঙ্গীদের নিরাপদ ঘাটি ত্যাগ করার সুযোগ করে দিবেন। তিনি একাই গোলাবর্ষণ শুরু করেন। এবং শত্রু পক্ষের সাতটি স্পিডবোট ডুবিয়ে দেয় এবং দুটি লঞ্চ নিয়ে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। কিন্তু তারা পিছু হটার সময় মর্টার দিয়ে যুদ্ধ শুরু করে। যার মোকাবিলা করা মুন্সি আব্দুর রউফের পক্ষে অসম্ভব। এমন সময় মর্টারের একটি গোলা এসে তার ঘাটিতে পড়ে এবং তিনি মৃত্যু বরন করেন। কিন্তু বাকি ১৫০ জন্য সৈনিক নিরাপদ দূরত্বে চলে যেতে সক্ষম হন। দুঃসাহসিক যুদ্ধে তিনি শহীদ হন।

৭- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশ রাইফেলসে শহীদ হয়েছিলেন ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ তারিখে। মাত্র ৫ জন সৈনিক নিয়ে নুর মোহাম্মদ শত্রুর কবলে পড়ে। শত্রুপক্ষ তাদের তিন দিক থেকে ঘিরে ফেলেছিল। শত্রুপক্ষের থেকে গুলিবর্ষণ শুরু হলে তারাও গুলিবর্ষণ শুরু করে। এক সময়ে তাদের দলে থাকা সিপাহী নান্নু মিয়া গুলিবিদ্ধ হন এবং মাটিতে লুটিয়ে পরেন। নূর মোহাম্মদ নান্নু মিয়াকে কাঁধে তুলে নেন এবং এলোপাথাড়ি গুলি শুরু করে। এমন সময় পাকিস্তানি বাহিনীর মর্টারের একটি গোলা নুর মোহাম্মদের বাম কাধে লাগে। তখন তিনি তার সকল সঙ্গীদের বাচাতে শত্রুপক্ষের উপর প্রচন্ড গোলাবর্ষণ শুরু করে এবং নান্নু মিয়াকে নিয়ে বাকিদের নিরাপদে সরে যাওয়ার কথা বলেন। শত্রুপক্ষের নজর তার উপর থাকায় বাকিরা নিরাপদে সরে যেতে সক্ষম হন। এবং তার একার আক্রমণে শত্রুদের অভাবনীয় ক্ষতি সাধন হয়। কিন্তু এরপরে আহত শরীর এবং সীমিত গোলা নিয়ে তিনি তাদের বিপুল সেনার সাথে পেড়ে উঠে নাই। তিনি মৃত্যু বরন করেন। এবং তার মৃত্যুর পড়ে শত্রুদের এতটাই ক্ষতি সাধন করেন যার কারনে রাগে তারা রাইফেলের বেয়োনেট দিয়ে চোখ দুটো উপড়ে ফেলে। এবং মাথা খুলি ভেঙে মাথার ঘিলু বের করে ফেলে। পরে তার লাশ উদ্ধার করা হয় এবং সমাধিস্থ করা হয়।

আমাদের মুক্তি যোদ্ধারা যুদ্ধের দক্ষতা ছাড়াই যতটা সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করেছে এবং তাদের যুদ্ধের দক্ষতা ও কৌশল প্রদর্শন করেছে তা সত্যিই অভাবনীয় এবং প্রসংশার যোগ্য বাঙ্গালী জাতি আজো তাদের কুর্নিশ জানায় শ্রদ্ধাভরে!

বঙ্গবন্ধুর জীবনী বাংলা

বঙ্গবন্ধুর জীবনী বাংলা । এখানে বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে বাংলায় আলোচনা করা হলো । আশাকরি আপনাদের কাজে আসবে । এই লিখা টা আমরা ফেসবুক থেকে নিয়েছি, তাই যদি লেখায় কোন আপত্তি থাকে । দয়া করে আমাদের জানাবেন । আমরা তা সংশোধন করে দিবো ।

বঙ্গবন্ধুর জীবনী বাংলা

শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালী জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের এক মহানায়ক! সংক্ষেপে শেখ মুজিব বা মুজিব বলা হয় তাকে। তিনি জন্মেছিলেন বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায়। তার জন্মের পড়েও কেউ কল্পনা করতে পারেনি এই ছেলে বিশ্ব দরবারে তার নাম উজ্জ্বল করবে তথা বাঙালি জাতির স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে এসেছে সে।

১৯২০ সালের মার্চ মাসের ১৭ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতার নাম সায়েরা খাতুন। শেখ মুজিবুর রহমানেরা ছিলেন মোট ছয় ভাই – বোন। ৪ বোন এবং দুই ভাইয়ের মাঝে শেখ মুজিব ছিলেন তৃতীয়। তার পিতা ছিলেন গোপালগঞ্জ দায়রা আদালতের হিসাব রক্ষক (সেরেস্তাদার)। তার বড় বোনের নাম ছিল ফাতেমা বেগম, মেজ বোনের নাম আছিয়া বেগম, সেজ বোন হেলেন এবং ছোট বোনের নাম লাইলী ও তার ছোট ভাইয়ের নাম শেখ আবু নাসের।

শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষা জীবন শুরু হয় সাত বছর বয়সে ১৯২৭ সালে। তিনি গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা শুরু করেন। সেখানে ২ বছর পড়ালেখা করে ১৯২৯ সালে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন এবং সেখানেই ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত লেখাপড়া চালিয়ে যান। তবে দূর্ভাগ্যবশত তিনি ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৩৮ সাল পযর্ন্ত তার চোখের সমস্যার কারনে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারেন নাই। তার চোখ ঠিক হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায় এবং সমস্যা জটিল হওয়ার কারনে এই দীর্ঘ সময় তিনি সম্পুর্ন রুপে লেখাপড়া হতে বিছিন্ন ছিলেন। কিন্তু তাই বলে তিনি পিছিয়ে যাননি বরং পরবর্তীতে গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে পড়ালেখা শুরু করেন। এবং সেখান থেকেই তিনি ম্যাট্রিক পাশ করেন। এবং  ১৯৪২ সালে এনট্র্যান্স পাশ করে আইন পড়ার জন্য তখনকার নমকরা কলকাতার বিখ্যাত ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন। যার বর্তমান নাম মাওলানা আজাদ কলেজ। ইসলামিয়া কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন ১৯৪৭ সালে। এরপর তিনি পূর্ব পাকিস্তান চলে আসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ ভর্তি হন। সে সময়েই তিনি ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পুর্ন রুপে যুক্ত হন এবং স্বনামধন্য ছাত্রনেতা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেন।

শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের শুরু ও নেতৃত্ব প্রদানের বিশেষ গুণাবলি প্রকাশ পায় ১৯৩৯ সালে যখন তিনি গোপালগঞ্জের মিশনারী স্কুলে পড়তেন। তখন একদিন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক তাদের স্কুল পরিদর্শনের জন্য আসেন এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একটি দল গঠন করে তার কাছে স্কুলের ছাঁদ মেরামতের জন্য দাবি জানান। এরপরে নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে তিনি এক বছর মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয়ে ছিলেন ১৯৪০ সালে। পরবর্তী তিনি ইসলামিয়া কলেজে পড়ালেখা চলাকালীন সময় সক্রিয় ভাবে ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। তারপরে বঙ্গীয় মুসলিম লীগে যোগ দেন তাদের আন্দোলনের প্রধান বিষয় ছিল পৃথক একটি মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা এবং তিনি ১৯৪৩ সালে কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন। এখানে তার সাথে হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে পরিচয় হয় এবং সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তী সময় তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং পাকিস্তানের শোষণ নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলেন। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়। কিন্তু এরপরেও পাকিস্তান সরকার আওয়ামিলীগের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চায় নাই। যার ফলশ্রুতিতে বাঙ্গালী জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বিজয় অর্জন করে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান। যার পরবর্তী নাম দেওয়া হয় বাংলাদেশ। মূলত বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের কারনেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। এ কারনে তাকে জাতির পিতার খেতাব প্রদান করা হয়।

তবে দুখের বিষয় হলো ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট তারিখ স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। তবে তার দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তখন জার্মানিতে অবস্থান করার কারনে তারা প্রানে বেঁচে যান।