সবচাইতে দ্রুত কার্যকর ইনসুলিন

বর্তমানে একটি অতিপরিচিত রোগের নাম হলো ডায়বেটিস। এবং ডায়বেটিস রোগিদের চিকিৎসার জন্য ব্যাবহৃত হয় ইনসুলিন। এই ইনসুলিন রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ডেনমার্কভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নভো নরডিস্ক বাজারে এনেছে সবচেয়ে দ্রুত কার্যকর ইনসুলিন। তাদের তৈরি এই ইনসুলিন বর্তমান সময় বাজারে থাকা সবচেয়ে দ্রুত কার্যকর ইনসুলিন থেকেও দুই গুণ বেশি দ্রুত কাজ করার ক্ষমতা সম্পন্ন। এছাড়াও নভো নরডিস্কের তৈরি এই ইনসুলিন হিউম্যান ইনসুলিন হতে চার গুণ বেশি দ্রুত কাজ করে বলে জানান তারা। এবং তাদের তৈরি এই ইনসুলিন টাইপ ১ এবং টাইপ ২ উভয় ডায়বেটিস রোগীর জন্য কার্যকর।

ইনসুলিনটি বাংলাদেশের বাজারে আনার ঘোষণা গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির (বাডাস) সভাপতি এ কে আজাদ খান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তিনি বলেন, নতুন এই ইনসুলিনটি দিয়ে রোগীরা অনেক গুন বেশি উপকৃত হবেন। এর কারণ হলো, এটি হাইপোগ্লাইসেমিয়া কমিয়ে দিয়ে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

এছাড়াও ‘আমি জেনে আনন্দিত যে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন ভিত্তিক ইনসুলিন উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে নভো নরডিস্ক’ একথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডায়বেটিস সমিতি (বাডাস) এর সাধারণ সম্পাদক মো. সায়েফ উদ্দিন, নভো নরডিস্ক বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিহাইল ব্রিসিউ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নভো নরডিস্কের হেড অব মেডিকেল অ্যান্ড কোয়ালিটি মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান, হেড অব কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স মো. তানবির সজীব, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজার গাজী তাওহীদ আহমেদ এবং গ্রুপ প্রোডাক্ট ম্যানেজার মেজবাউল গাফফার।

২০১২ সাল থেকেই এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস নভো নরডিস্কের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত মানের ইনসুলিন তৈরি করে আসছে। নভো নরডিস্কের এই দ্রুত কার্যকর ইনসুলিন বাংলাদেশের বাজারে আসার ফালে ডায়বেটিস রোগিদের জন্য আরো কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করা যাবে বলে তারা আশাবাদী।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান

গ্যাস্ট্রিক এর স্থায়ী সমাধান
100% গ্যারান্টি, খেয়ে উপকার পাবেন ।
Cleansing Detox (ক্লিনজিং ডিটক্স)
ন্যাচারাল বডি সার্ভিসিং
মূল্যঃ ৯০০/- টাকা (এক বক্সে ২০ সাসেট/পেকেট থাকে)

যোগাযোগঃ 01673-732070

উপকারীতাঃ
* কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিক ও বুক জ্বালা-পােড়া নিরাময় করে।
* হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
* এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে।
* দেহে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
* শারীরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
* রক্তচাপ ও হৃদরােগ কমায়।
* রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়।
* যকৃত বা লিভারের রােগ প্রতিরােধ করে।
* লিভারের পিত্ত নিঃস্বরণ বাড়ায়।
* সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি, তাই কোন সাইড ইফেক্ট নেই ।

খাবার নিয়মঃ
যে কোন সুস্থ মানুষের মাসে অন্তত ৩-৪ টি সাসেট খেলে
ক্ষতিকারক টক্সিন ও কোলেস্টেরল দূর হয়ে যায়।
গ্যাস্ট্রিক, আলসার, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটের পীড়া দূর করতে
দুই চা চামচ অথবা এক সাসেট প্যাক ক্লিনজিং ডিটক্স এক
গ্লাস সমপরিমাণ উষ্ণ গরম পানিতে মিশিয়ে সকালে খালি
পেটে কিংবা রাতে খাওয়ার এক ঘন্টা পরে সেবন করুন।
ওজন কমাতে ও অন্যান্য সমস্যায় একই পদ্ধতি
ব্যবহার করবেন।

বিঃদ্রঃ
অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক থাকলে এটি প্রথম পাঁচ দিন সকালে খালি পেটে একটা ও রাতে খাবার ১ ঘন্টা পরে একটা খাবেন ।

হাতে পাবেন যেভাবেঃ
* বাংলাদেশের যেকোন জেলায় কুরিয়ার করা যাবে ।
* কুরিয়ারে পাওয়ার জন্য কুরিয়ার খরছ ১০০ টাকা অগ্রিম বিকাশ (01673-732070) করে দিতে হবে ।
* কেশ অন ডেলিভারী ( প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ করবেন ) ।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান

গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান এবং মুক্তি পাওয়ার উপায় । গ্যাস্ট্রিক সমস্যার এক যুগান্তকারী হারবাল ঔষধের নাম হলো ক্লিন্সিং ডিটক্স । ১০০% কাজ করে আমি নিজেই তার প্রমান । এটি পেতে যোগাযোগ করুনঃ 01673732070

আমাদের প্রতিদিনের জীবনে যে সকল শারীরিক সমস্যা দেখা যায় তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যাস্ট্রিক। এবং এই সমস্যা প্রায় সকল বয়সের মানুষের মধ্যেই দেখা যায়। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অন্যান্য রোগের মত জটিল না হলেও এটি আমাদের দেহে বিভিন্ন ভাবে সমস্যা সৃষ্টি করে। এ কারনে আমাদের সকলের জানা উচিত গ্যাস্ট্রিক কেন হয়, এটি আমাদের দেহে কি কি সমস্যা সৃষ্টি করে এবং গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান বা এর থেকে সুস্থ থাকার উপায়। গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ

গ্যাস্ট্রিক কি এবং কেন হয়– অনেক সময় দেখা যায় ঠেকুর ওঠে এবং বুক জ্বালা পোড়া করে। বা কখনো পেটে ব্যাথা হয় আবার নাভির কাছেও ব্যাথা হয়ে থাকে। এ সকল লক্ষন থেকে আমরা বুঝি গ্যাস্ট্রিক হয়েছে। এটিকে আমরা রোগ বললেও চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটিকে কোন রোগ হিসেবে ধরা হয় না। মূলত আমরা যে খাবার খাই তা হজম করতে আমাদের দেহ থেকে পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক এডিস নিসৃত হয়। যা খাদ্য হজমে সাহায্য করে। যখন পাকস্থলীতে এই এসিডের মাত্রাধিক্য দেখা যায় তখনই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সৃষ্টি হয়। এবং এই এসিড হতে গ্যাস উৎপন্ন হয় যারা ফলে গলা বুক জ্বালা পোড়া করে। অনেক সময় নাভির কাছে ব্যাথা করে।

তবে এই এসিড আমাদের পাকস্থলীর কোন সমস্যা করতে পারে না। কারন পাকস্থলীতে একটি মিউকাস বা শ্লেষা জাতীয় স্তর থাকে। যা পাকস্থলীর এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় আমারা দীর্ঘক্ষন খাবার খাই না। তখন আমাদের এই মিউকাস স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সরাসরি এসিড পাকস্থলীতে লাগে। যার ফলে পেটে ব্যাথা হয়। দীর্ঘদিন একনাগাড়ে খাদ্য গ্রহণে অনিয়ম করলে পাকস্থলীতে ঘা এর সৃষ্টি হয় যা আলসার নামে পরিচিত।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান বা সুস্থ থাকার উপায়

কতগুলো নিয়ম কানুন ফলো করলে আমরা এই সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারি আসুন জেনে নেই। কারন সমস্যা প্রতিকার হতে প্রতিরোধ-ই উত্তম ।

১: নিয়ম মাফিক খাদ্য গ্রহন– আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা সকালে নাস্তা করেন না। একবারে দুপুরে খাবার খান। তখন আমাদের পাকস্থলী রাতের খাবার এবং দুপুরের খাবারের মধ্যে একটি দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকে। কিন্তু খাদ্য হজমের জন্য আমাদের দেহ একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঠিকই এসিড নিঃসৃত করতে থাকে এই এসিড খালি পাকস্থলীতে থাকার কারনে গ্যাস্ট্রিক সৃষ্টি হয়। তাই আমাদের সকলের উচিত নির্দিষ্ট সময় খাদ্য গ্রহণ করা।

সকালের খাবার সকাল ৮ টার ভিতর সেরে ফেলতে হবে। এবং দুপুরের খাবার ১-২ টার ভিতরে সম্পন্ন করতে হবে। রাতের বেলায় রাত ১০ টার ভিতর খাবার খান। এর ফলে একদিন যেমন আপনি গ্যাস্ট্রিক সময় সৃষ্টি হওয়ার হাত থেকে রেহাই পাবেন তেমনি অন্যান্য শারীরিক সমস্যা ও দূরে থাকবে এবং আপনি সুস্থ সুন্দর ভাবে থাকতে পারবেন।

২: গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমাধানে হলুদ– হলুদ আমাদের অতি পরিচিত একটি ভেষজ উপাদান। এটি বিভিন্ন ধরনের জিবানু ধ্বংস করতে খুবই কার্যকর। এবং অনেক সময় ভাইরাসের কারনেও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সৃষ্টি হয়। এক গ্লাস পানি নেন। এবং একটি পাত্রে নিন এরপরে এর ভিতর এক টুকরো হলুদ দিয়ে ভালো ভাবে জ্বালানোর পরে ঠান্ডা করে পান করুন এবং দেখুন কেমন যাদুর মতো গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূরীভূত হয়।

৩: গ্যাস্ট্রিকে আদা– আমাদের মাঝে অনেকরই রাতের বেলায় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা যায়। যাদের এই সমস্যা আছে তারা এক টুকরা আদা সামান্য লবন মাখিয়ে চিবিয়ে খান এবং খাওয়ার কিছু সময় পরে এক কাপ কুসুম গরম পানি পান করুন। তাহলে আর এই সমস্যা থাকবে না।

৪: খেতে পারেন শশা– মেদ কমাতে শষা একটি উৎকৃষ্ট উপাদান। এছাড়াও রয়েছে বহুবিধ উপকারীতা। একই সাথে এটি আমাদের গ্যাস্ট্রিক সমস্যা ও সমাধান করে। কারন এতে আছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও ফ্লেভানয়েড যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। এছাড়াও খেতে পারেন পেঁপে কারন পেঁপে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। এবং একই সাথে কলা এবং কমলা লেবু খান কারন এই দুইটি উপাদান আমাদের পাকস্থলীর সোডিয়ামের মাত্রা অনেক কমিয়ে আনে।

৫: এক কোয়া রসুন– অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে এক কোয়া রসুন খান। কারন রসুন পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিড নিঃসৃত হওয়াকে বাধাপ্রাপ্ত করে। নিয়মিত এটি খেলে অবশ্যই এই সমস্যা হতে মুক্তি পাবেন।

উপরে উল্লেখিত উপায় গুলো হলো গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণের এবং নিরাময়ের প্রাকৃতিক উপায় যার কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই এসকল উপায় অবলম্বন করলে ঔষধের উপর নির্ভরযোগ্যতা অনেকাংশে কমে যাবে এবং সুস্থ থাকতে পারবেন। কারন ঔষধ সেবন কখনোই ভালো নয় যদি প্রাকৃতিক সমাধান থাকে।

গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ

গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করছি, আশা করি অনেক উপকারে আসবে আপনার । গ্যাস্ট্রিক এমন এক সমস্যা, যার কারনে আমাদের জীবন হয়ে উঠে বিষাদময় । কোন কিছু খেলেই বুক জালাপোড়া শুরু হয়ে যায়, যা সয্য করা অনেক কষ্টকর । তাই এখানে কিছু টিপস দিয়েছি, যা আপনাকে এই যন্ত্রণাদায়ক অবস্থা থেকে স্থায়ী মুক্তি দেবে । নিচে একটি ঔষধ নিয়ে আলোচনা করেছি, যেটি ঠিক মত খেতে পারলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি সম্ভব । চলুন দেখা যাক সেই ঔষধ টি সম্পর্কে ।

গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ

গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ

প্রথমেই বলে রাখি এই হারবাল ঔষধ টির কোন পার্শ প্রতিক্রিয়া নেই । সম্পূর্ণ পাক্রিতিক ভাবে এটা তৈরি করা হয়েছে । এটি হচ্ছে জেনুয়িন কোম্পানির একটি অন্যতম প্রোডাক্ট । এটা সম্পর্কে বেশী কিছু বলার দরকার নেই । শুধু একটা কথাই বলি । আমি নিজে এই ঔষধ টি খেয়েছি এবং খেয়ে যাচ্ছি ।

আপনার যদি খুব বেশী গ্যাস্ট্রিক থাকে তাহলে এটা খেয়ে দেখতে পারেন । ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আপনার গ্যাস্ট্রিক একেবারেই কমে যাবে । ঔষধ টি সম্পর্কে আমার নিজের অভিজ্ঞতা বলছি ।

আমার ছোট বেলা থেকেই গ্যাস্ট্রিক সমস্যা ছিলো । আমি নিওসেপ্টিন খেতাম ছোট বেলা থেকেই । আমার বয়স ছিলো তখন মাত্র ১৪ বছর । বুক জলা শুরু হলেই অনেক খারাফ লাগতো । আর আমি বাইরের খাবার বেশী পছন্দ করতাম । তাই ভাজাপোড়া খাবার বেশী খাওয়া হতো ।

ঔষধ টি খাবার নিয়মঃ

এগুলো এক বক্সে ১০ টা পেকেট থাকে । প্রথম ৫ দিয়ে ৫ পেকেট খেতে হবে । ২ পেকেট খেলেই বুজতে পারবেন কেমন উপকার । তারপরের ৫ পেকেট ১০ দিনে খাবেন । মানে ১ দিন পর পর ।

যেভাবে তৈরি করবেনঃ এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে পেকেটের সব গুড়া গুলো মিক্স করে ফেলবেন । তারপর ভালো ভাবে মিক্স করার পর ৫ মিনিট পর সেই গোলা পানি গুলো খেয়ে ফেলবেন ।

কখন খাবেনঃ সকালে খালি পেটে খেতে পারেন অথবা রাতে খাবার ১ ঘন্টা পরে খাবেন ।

এটার আরো কিছু উপকারিতা আছে । যা আপনাই ঔষধ এর সাথে কাগজে দেখতে পাবেন  ।

এটি নিতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারেঃ 01673-732070

What do you eat to prevent corona ?

During the corona period, changes must be made in the food menu. Otherwise, the corona virus will take advantage of the weakness of the body. Heart, lungs, kidneys, brain, liver – every organ should be taken care of. Sugar-pressure-cholesterol-weight, everything has to be kept under control. And if you can’t control it, don’t take advantage of it, experts say. In addition, if a person has common problems such as gas-heartburn-indigestion, then there may be a lack of nutrition. They think that malnutrition is accompanied by a decrease in immunity. So with new rules to prevent corona, you can adjust your daily diet with some new foods.

Rules of eating:

It is better not to do all the irregularities now as it used to be. Follow the rules as much as you can.

1. You have to get up in the morning and eat whether you are hungry or not. Must be eaten at 3 hour intervals, no food of the day can be omitted. Get out of the thought that nothing will happen if you don’t have breakfast one day. As the immunity increases, so does the weight.

2. As much as you are hungry, eat with your stomach a little empty. Keep with water bottle. Take occasional sips.

3. The lighter the dinner, the better. Eat a couple of hours before going to bed. Take a short walk after eating.

4. Take care not to gain weight. But not by crash diet.

5. Eat nutritious foods or herbs that can boost immunity regularly.

6. Sit quietly, chew well, eat with the mind. This is called mindful eating. This way the digestion is better. Food nutrients are well absorbed by the body. Increases immunity.

Add new foods to your daily diet:

1. Eat yellow milk on an empty stomach in the morning. Mix one teaspoon of raw turmeric paste, half a teaspoon of cinnamon powder and a quarter teaspoon of black pepper powder in cow’s milk or almond milk. If you do not have sugar, you can mix honey. Do not eat anything for half an hour after that.

2. You can take ayurvedic decoction instead of tea in the morning. You can make it with Tulsi, Pipli, Ginger and Honey or with Tulsi, Ginger, Pepper, Cinnamon, Raisins, Honey and Lemon Juice. Half a teaspoon of guruchi can be boiled in a cup of water and mixed with honey. As you play regularly, your immunity will increase and your digestion will increase. The throat will also be comfortable.

3. Eat foods in the morning that do not contain any unhealthy ingredients. Fry wheat and gram in dry shell and add oats and barley. Then mix the powder with milk or water and eat the fruit. You can make parij by mixing raw turmeric, oats and honey in almond milk.

4. Eat raw turmeric and black pepper paste with rice at noon. Eat lemon with pulses and vegetables. Or eat any sour fruit after eating.

5. You can eat coriander or mint chutney or 15 ml mango juice with lemon.

6. Use all kinds of spices in cooking. For example, coriander, cumin, turmeric, black pepper, ginger, garlic, fenugreek, black cumin.

7. Make a spice that boosts immunity. Fry 3 tbsp cumin seeds, coriander, 8 tbsp fenugreek and one tbsp black pepper in dry shell and grind. Add one teaspoon of ginger powder, 8 teaspoons of turmeric powder and a quarter teaspoon of cinnamon powder. Before mixing in any dish, heat a teaspoon of ghee a little and stir it with a teaspoon of spices. You can mix rice, boiled vegetables, pulses, soup.

লেবুর উপকারিতা

লেবুর উপকারিতা : আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত “ভিটামিন সি” যুক্ত একটি ফল হলো লেবু।এটি শুধু মাত্র খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয় তা কিন্তু নয়। লেবু ব্যবহৃত হয় রূপ চর্চায় ও ঔষধ হিসেবেও। কারণ লেবু যেকোনো বয়সের মানুষের জন্যই অত্যন্ত উপকারী এবং সাইট্রাস জাতীয় একটি ফল। সারা বছরই কমবেশি লেবু পাওয়া যায় আমাদের দেশে। বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করায় লেবুর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ভিটামিন সি এর অন্যতম উৎস হচ্ছে লেবু।এর পাশাপাশি আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে লেবুতে এর মধ্যে অন্যতম হলো সাইট্রিক এসিড। আসুন লেবুর কয়েকটি উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেই-

লেবুর উপকারিতা

লেবু হজমে সাহায্য করে– আমরা দেহের পুষ্টির অভাব পূরণ এবং কাজ করার শক্তি অর্জনের জন্য খাদ্য গ্রহণ করি। এবং আমাদের শরীরে খাদ্য হজমের মাধ্যমে এর থেকে পুষ্টি উপাদান ও শক্তি গ্রহণ করে। যার মাধ্যমে আমাদের দেহ সচল থাকে। তবে এ খাদ্য হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে না হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এবং দেহ পুষ্টি উপাদান গ্রহণে ব্যর্থ হব। আমাদের মাঝে অনেকেরই হজমে সমস্যা রয়েছে। যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে তাঁরা লেবু খেতে পারেন। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে কুসুম গরম পানিতে সামান্য পরিমাণ লেবু মিশিয়ে খান। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি করবে। পাকস্থলী থেকে দূষিত পদার্থ বের করতে সহায়তা করবে।লেবুর উপকারিতা

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে লেবু – এটি একটি ভিটামিন সি যুক্ত এবং সাইট্রাস গোত্রের একটি ফল এটি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে “ভিটামিন সি” ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করে। এবং জ্বর, সর্দি ও কাশি ইত্যাদি হতে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে। ভিটামিন সি এর পাশাপাশি লেবুতে রয়েছে এসকরবিক এসিড। এসকরবিক এসিড আমাদের শরীরের আয়রন গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এবং এর ফলে যেকোনো ধরনের রোগ হলে আমাদের শরীরকে আক্রান্ত করতে পারে না। এছাড়াও লেবুর শক্তি বর্ধক গুন রয়েছে ব্যাপক। শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি ফেরাতে লেবুর শরবত খেতে পারেন।

শরীরে ক্ষারের সমন্বয় ঘটানো– পৃথিবীর সকল জিনিসের ক্ষারীয় বা অম্লীয়ভাব রয়েছে। যেটিকে আমরা পিএইচ বলে প্রকাশ করে থাকি।এই পিএইচ এর মাত্রা ১ থেকে ১৪ পর্যন্ত গণনা করা হয়। এখানে মানুষের শরীরের জন্য সহনীয় এবং সঠিক মাত্রা হচ্ছে ৭। যখন আমাদের শরীরে পিএইচ এর মাত্রা হেরফের হয় তখন শরীর বিভিন্ন ধরনের জটিল সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে।লেবু একটি অম্ল জাতীয় ফল হলেও এটি আমাদের পিএইচ ব্যালান্সের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। এ কারণে পিএইচ ব্যালেন্সের জন্য নিয়মিত লেবু খান।

শরীর থেকে দূষিত পদার্থ দূর করতে লেবু– লেবু সাধারণ ভাবেই মানুষের প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এবং আমি আমাদের শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করার অন্যতম মাধ্যম। তাই পানির সাথে লেবু মিশিয়ে শরীরের দূষিত পদার্থ গুলো বের হয়ে যায়। এছাড়া পাকস্থলী পরিষ্কারের মাধ্যমে দেহের ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থগুলো নিষ্কাশন করে।

রূপচর্চায় লেবু– লেবু আমাদের শরীরের বিভিন্ন উপকার করে থাকে। রূপচর্চায় লেবুর ভূমিকা অপরিসীম। এটি আমাদের তেলতেলে ত্বক সতেজ রাখে এবং তেলতেলে ভাব দূর করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। যাদের ত্বক প্রচুর পরিমাণে তেল তেলে তারা তোকে কিছুক্ষণ লেবুর রস মাখিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ত্বক একদম ফ্রেশ হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও অনেকের ত্বকে ময়েশ্চারাইজের অভাব রয়েছে। ত্বককে কোমল এবং সুন্দর করে তোলার জন্য সামান্য ডাবের পানির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে ভালোভাবে ঘষবেন ত্বকে। আপনার ত্বক কোমল হতে বাধ্য।

আমাদের অনেকেরই নাকের উপরে ব্লাকহেড রয়েছে এগুলো একদিকে যেমন আমাদের সৌন্দর্যহানি ঘটায় তেমনি একটি বিরক্তিকর ব্যাপারও বটে। ব্ল্যাক হেডস কল করতে লেবুর জুড়ি মেলা ভার। লেবুর রস দিয়ে ভালো করে ঘষুন দেখবেন আলগা হয়ে উঠেছে এবং সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে ফেলবে।

এছাড়াও বিভিন্ন ভাবে লেবু ব্যাবহার করা যায় দৈহিক সুস্থতা অর্জন এবং রূপচর্চার কাজে।

আদার উপকারিতা ও গুণাবলী

আদার উপকারিতা ও গুণাবলী: আদা রান্নার কাজে ব্যাবহৃত একটি অন্যতম মসলা জাতীয় উপাদান। রান্নার কাজে বহুল ব্যাবহৃত এই আদা শুধু মাত্র স্বাদ বর্ধক হিসেবেই কাজ করে না।বরংচ আদার পুষ্টি গুণ ও উপকারিতাও কম নেই।এর রয়েছে ভেষজ ঔষধি গুন।প্রাচিন কাল থেকেই আদা বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যাবহার হচ্ছে। জ্বর সর্দি কাশির ঘরোয়া চিকিৎসার জন্য আদার রসের উপকারিতা প্রশংসিত। তবে আদা কাঁচা অবস্থায় বেশি উপকারী।আসুন জেনে নেই আদায় কোন কোন পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ গুলো বিদ্যমান।এবং এর উপকারিতা গুলো বর্ণনা করা হলো।আদার উপকারিতা

আদার পুষ্টি উপাদান গুলো হলো:
প্রতি পরিমাণ ১০০ গ্রাম আদায় রয়েছে ৭৯ কিলো ক্যালরি (kcal)। এছাড়াও রয়েছে লিপিড ০.৮ গ্রাম, সোডিয়াম ১৩ মাইক্রো গ্রাম, পটাশিয়াম ৪১৫ মাইক্রোগ্রাম, শর্করা ১৮ গ্রাম, তন্তু ২ গ্রাম, চিনি ১.৭ গ্রাম, প্রোটিন ১.৮ গ্রাম, ভিটামিন সি ৫ মাইক্রোগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬ মাইক্রো গ্রাম, লোহা ০.৬ মাইক্রো গ্রাম, পাইরিডক্সিন ০.২ মাইক্রো গ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৪৩ মাইক্রো গ্রাম, এবং কোলেস্টেরলের পরিমান শুন্য।

আদার উপকারিতা ও ঔষধি গুন গুলো:
জ্বর সর্দি কমাতে আদা- আদায় আছে এন্টি- ব্যাকটেরিয়াল উপাদান।যা আমাদের শরিরের ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব দুর করে।জ্বর ও সর্দি জাতীয় সমস্যার হাত থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত আদা চা পান করুন। এছাড়াও আদার রস ও মধু একত্রে খেলে জ্বর সর্দি সেরে যাবে।

কাশির চিকিৎসায় আদা:
ঋতু পরিবর্তন হওয়ার প্রভাব আমাদের দেহের উপরও পড়ে।এসময় জ্বর, সর্দি, কাশির মত সমস্যা হবে এটাই স্বাভাবিক।তবে এসময় কাশি খুবই যন্ত্রণা দিয়ে থাকে। এর থেকে উপশম পেতে আদার রয়েছে চমৎকার গুন।কাশির হাত থেকে রক্ষা পেতে আদা বিভিন্ন উপায় ব্যাবহার করতে পারেন। যেমন সামান্য পরিমান আদা কুচি করে নিতে হবে। এর পর এই আদার কুচি গুলো এক কাপ পরিমান পানির সাথে মিশিয়ে সিদ্ধ করে নিন।এর পরে এ পানি দিনে ৩-৪ বার পান করুন।খুব দ্রুত কাশি সেরে যাবে।এছাড়া এক চা চামচ পরিমাণ আদার রস এবং সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে দিনে ৩ বেলা খান। এছাড়া আদা,লেবু এবং মধু সমপরিমাণ মিশিয়ে খেতে পারেন কাশিতে উপশম পাওয়ার জন্য।

ওজন কমাতে আদা:
অতিরিক্ত ওজন কমাতে আমরা কত কিছুই না করি! কারন ওজন বৃদ্ধি পেলে একদিকে যেমন আমাদের দৈহিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়। তেমনি অতিরিক্ত ওজনের ফলে আমাদের দেহে বাসা বাধতে শুরু করে বিভিন্ন রোগ।যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়বেটিস সহ বিভিন্ন জটিল স্বাস্থ্য ঝুঁকি। যা সত্যিকার অর্থে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করে। এ কারনেই আমাদের প্রয়োজন পড়ে এই অতিরিক্ত ওজন কমানো। এর জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের উপায় অবলম্বন করে থাকি।যেমন ডায়েট কন্ট্রোল, নিয়মিত ব্যায়াম, না খেয়ে থাকা আরো কতকি! তবে আমরা খুব সহজেই শরিরের অতিরিক্ত ওজন আদা পানি পানের মাধ্যমে কমানো সম্ভব। এর জন্য প্রতিদিন সকালে কয়েক টুকরো আদা, এক চা চামচ পরিমাণ লেবুর রস, ও এক চামচ মধু এক গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে একসাথে কিছুক্ষণ জ্বালাতে হবে।এবং খালি পেটে সকাল বেলা নিয়মিত পান করলে শরিরের অতিরিক্ত চর্বি ও ওজন কমতে বাধ্য।

হজম শক্তি বৃদ্ধি করবে আদা:
আমাদের মাঝে অনেকেরই বদহজম ও পেট ফাঁপা হওয়ার সমস্যা রয়েছে। তবে এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে আদা।এর জন্য প্রতিদিন সকালে এক কাপ আদা চা খেতে পারেন। এটি পেট ফাঁপা এবং বদহজমের মত সমস্যা দুর করবে।

আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় আদা:
আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা সারা দিনের খাবারে সাথে সামান্য পরিমাণে আদা রাখার চেষ্টা করবেন। এছাড়াও সমস্যার থেকে মুক্তি পেতে আদা দিয়ে চা তৈরি করে খেতে পারেন, সালাদের সাথে আদার কুচি মেশাতে পারেন।নিয়মিত আদা খেলে ব্যথার সমস্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার পরিবর্তে আদা খেয়ে দেখতে পারেন।এছাড়াও আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতে জিঞ্জার অয়েলের রয়েছে অনেক উপকারী দিক।

এছাড়াও আদার রস বসন্ত রোগে ভিষণ উপকারী।আদার রস আমাদের শরীর শীতল করে। হৃদ পিন্ডের জন্য উপকারী এবং হাঁপানির জন্য আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে বেশ উপশম হয়।

মেথির উপকারিতা এবং ঔষধি গুন

মেথির উপকারিতা এবং ঔষধি গুন: মেথি একটি তেতো স্বাদের মসলা এবং ঔষধি গুন সম্পন্ন খাদ্য। এর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গুন।যা আমাদের নিত্য দিনের সুস্থতায় একান্ত দরকারি।এ কারনে মেথির উপকারিতা এবং ঔষধি গুন সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা উচিত।মেথির উপকারিতা

আসুন মেথিতে কি কি পুষ্টি উপাদান রয়েছে দেখে নেই
প্রতি ১০০ গ্রাম পরিমাণ মেথিতে রয়ছে ৩২৩ কিলোক্যালরি। এছাড়াও রয়েছে লিপিড, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, শর্করা, ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ভিটামিন ডি,পাইরিডক্সিন, সায়ানোকোবালেমিন, ম্যাগনেসিয়াম, কোলেস্টেরল (নেই)।

এবার দেখে নেওয়া যাক মেথি আমাদের দেহের কি কি উপকার সাধন করে:

রোগ প্রতিরোধে মেথি– সকাল বেলা খালি পেটে এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। এছাড়াও সকাল বেলা খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেতে পারেন। এর ফলে শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংস হয়। এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মেথি মূলত স্বাদে তেতো ধরনের। সকাল বেলা খালি পেটে মেথি খাওয়ার ফলে কৃমি ধ্বংস হয় এবং চর্বি কমে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মেথি বীজ– মেথি বীজ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। মেথি রক্তের সুগার কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে রয়েছে গ্যালাক্টোম্যানান যা মানবদেহে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণকারি ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে। এ কারনে ডায়াবেটিস রোগীর ডায়েটে অবশ্যই মেথি রাখবেন।

চুল পড়া রোধে মেথির ব্যবহার– আমাদের মাঝে অনেকেরই চুল পড়া সমস্যা রয়েছে। চুল আমাদের সৌন্দর্যের অন্যতম একটি উপাদান তাই যদি অতিরিক্ত মাত্রায় চুল পড়তে থাকে তাহলে দুশ্চিন্তার আর সীমা থাকে না। চুল পড়া রোধ করতে মেথির রয়েছে আশ্চর্য গুণ। যদি চুল পড়া রোধ করতে চান তাহলে নারকেল তেলের সাথে কিছু মেথি নিয়ে গরম করুন। ভালোভাবে গরম হলে পরে ভালো ভাবে ঠাণ্ডা হতে দিন। এরপর এটি প্রতিদিন চুলে ব্যবহার করুন। তাহলে খুব দ্রুত চুল পড়া কমে যাবে।

চুলের অকাল পক্কতা রোধ করে– অনেকেই আছেন যাদের অকালে চুল পেকে যায়। বর্তমান সময়ে অনেক মানুষের ভেতরেই এই সমস্যাটি দেখা যায়। যাদের বয়স অল্প কিন্তু চুল পেকে গিয়েছে। চুলের অকাল পক্কতা রোধ করতে ব্যবহার করতে পারেন মেথি। এর জন্য মেথি দানা ভিজিয়ে রাখুন এবং এর সাথে আমলকির রস মেশান। পরে মিশ্রণটি ভালোভাবে চুলে লাগিয়ে নিন। কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে চুল ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার চুলের অকাল পক্কতা রোধ করে।

জ্বর কমাতে মেথি– প্রচন্ড জ্বর হলে তা কমানোর জন্য মেথি ব্যবহার করতে পারেন। এটি যত বড়ই জ্বর হোক না কেন তা কমিয়ে দিতে সক্ষম। এক্ষেত্রে মেথির সঙ্গে লেবু এবং মধুর ব্যবহার করতে হবে। সামান্য পরিমাণে লেবু মেথি এবং মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবং জ্বর থাকা অবস্থায় তা খেয়ে নিন দেখবেন সাথে সাথে ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যাবে।

অতিরিক্ত ওজন কমাতে – অতিরিক্ত ওজন কমাতে মেথি উপকারি একটি উপাদান। যাদের শরীরে অতিরিক্ত ওজন এবং এই ওজন কমানোর জন্য দুশ্চিন্তা গ্রস্ত। তারা এক চা চামচ পরিমাণ মেথি দুই গ্লাস পরিমাণ জলে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকাল বেলা পানি ছেঁকে মেথি আলাদা করুন। এবার খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করুন। নিয়মিত পান করলে খুব দ্রুত আপনার অতিরিক্ত ওজন হ্রাস পাবে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং দাগ দূর করতে মেথি – যাদের মুখে দাগ রয়েছে এবং মুখের ত্বক উজ্জ্বল নয় তারা মেথির ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে দুধের সঙ্গে মেথি গুঁড়ো করে ভালোভাবে মেশান। এরপর মিশ্রণটি সারা মুখে ভালভাবে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন এবং কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের দাগ দূর করতে জন্য ভেজানো মেথির সাথে দুধ মিশিয়ে একই উপায়ে ব্যবহার করুন।

প্রতিদিনের সুস্থতায় মেথি ব্যাবহার করুন এবং সুস্থ সুন্দর জিবন গঠন করুন।

মধুর উপকারিতা ও ঔষধি গুন

মধুর উপকারিতা ও ঔষধি গুন: বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের জন্য মধু ব্যবহার হয়ে আসছে সেই সুপ্রাচীন কাল থেকে।মধুর গুনাগুন বর্তমানে কোন বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত। তেমনি সকল ধর্মীয় শাস্ত্রমতে মধু একটি উপকারী এবং রোগ নিরাময়ের পথ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শিশু জন্মের পরে তার মুখে মধু দেওয়ার রীতি বাঙালি সমাজে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। এর ফলে শিশুর ব্যবহার সুন্দর হবে বলে আশা করা হয়। কিন্তু এই বিষয়টির ভিত্তি বৈজ্ঞানিক ভাবে না থাকলেও মূলত মধুর গুনাগুন এবং এর সু-মিষ্টি স্বাদের জন্য এই রীতির প্রচলন হয়।

মধুর উপকারিতা ও ঔষধি গুন

আমাদের আজকের আলোচ্য বিষয় হলো মধুর গুনাগুন এবং এর উপকারিতা। আমরা মধুর গুনাগুন এবং এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। ও মধু আমাদের শরীরে কি কি উপকার করে এবং মধুতে কোন কোন পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান রয়েছে এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইত্যাদি ।মধুর উপকারিতা

মধু-তে যে সকল ভিটামিন এবং পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা হলো-
মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি১ , ভিটামিন বি২ , ভিটামিন বি৩, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি৬, এছাড়াও রয়েছে জিংক, কপার ও আয়োডিন এর মত উপাদান। এছাড়াও মধুতে রয়েছে ৪৫ টি খাদ্য উপাদান। মন্টোজ , সুকরোজ, ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোজ ছাড়াও রয়েছে এমাইনো এসিড লবণ ও এন কাইম। তবে উল্লেখ্য যে ২৮৮ ক্যালোরি পাওয়া যায় ১০০ গ্রাম মধু থেকে এবং মধুতে কোন চর্বি বা প্রোটিন নেই। এবং সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে মধুতে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের শরীরের বাহিরে এবং অভ্যান্তরে জীবাণুর বিস্তার প্রতিরোধ করে।

মধুতে যে সকল উপাদান রয়েছে তা জানতে পারলাম। আসুন মধু খাওয়ার উপকারিতা গুলো জেনে নেই:

সর্দি কাশি এবং গলা ভাঙ্গায় মধু– সর্দি কাশি এবং গলা ভাঙ্গার মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে সেই সুপ্রাচীন কাল থেকে। সাধারণ সর্দি , কাশি এবং স্বরভঙ্গে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে মধুর ব্যবহার খুবই উপকারী। চায়ের সঙ্গে মধু খেতে পারেন সাথে একটু আদার রস । এক্ষেত্রে মিশ্রণটিতে সমপরিমাণ মধু এবং আদার রস মিশাবেন (1 চামচ করে) এটি সর্দি এবং শ্লেষার জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও কাশির ক্ষেত্রে বাসক পাতার রসের সাথে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে দাড়ুন উপকার পাওয়া যায়। এবং সৈন্ধব লবণ, আমলকী, পিপুল, মরিচ ইত্যাদির সঙ্গে সমান পরিমানো মধু মিশিয়ে এক চা চামচ করে খেলে কফ ও স্বর ভাঙ্গা ভালো হয়।

কাটা ছেঁড়ায় মধুর ব্যাবহার– অনেক সময়ই আমাদের বিভিন্ন ভাবে হাত পা কেটে যাওয়া ও ছুঁড়ে যাওয়া মত ঘটনা ঘটে থাকে। অনেক সময় দেখা যায় এন্টিসেপটিক সকল সময় বাসায় থাকেনা। এক্ষেত্রে ঘড়ে যদি মধু থাকে তা এন্টিবায়োটিকের বদলে ব্যাবহার করতে পারেন। কারন মধুতে রয়েছে দাড়ুন এন্টিসেপটিক গুনাগুন।

রূপচর্চার কাজে মধু– রূপচর্চার ক্ষেত্রেও মধু ব্যাবহার করতে পারেন।ত্বকের লাবন্য বৃদ্ধি, ব্রোনের মত সমস্যা দুর করতে, বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা ইত্যাদি ক্ষেত্রে মধুর মত প্রাকৃতিক উপাদান দ্বিতীয় পাবেন না।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে– রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে মধুর জুরি মেলা ভার।কারন মধুতে একদিকে যেমন রয়েছে ৪৫ টি পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন। ঠিক তেমনি রয়েছে এন্টিব্যাকটেরিয়াল গুনাগুন।মধুর এন্টিব্যাকটেরিয়াল গুন এতটাই প্রখর যে, যে কোন ধরনের ব্যাকটেরিয়া মধুর মধ্যে ১ ঘন্টার বেশি টিকে থাকতে পারেনা।

স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে মধু – স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করতেও মধু খেতে পারেন।নিয়মিত মধু সেবনে স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মেদ বা চর্বি কমানোর জন্য – মেদ বা অতিরিক্ত চর্বি বর্তমান সময় সকল মানুষের প্রধান দুশ্চিন্তার কারন হয়ে দাড়িয়েছে। সকাল বেলা খালি পেটে মধু এবং লেবুর রস মিশ্রণ পানি পান করলে খুব দ্রুত চর্বি কমানো সম্ভব।

মধু-কে এক কথায় বলা যায় সর্ব রোগের মহা ঔষধ। এ কারনেই আমাদের সকলেন নিয়মিত মধু খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

রসুনের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

রসুনের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ নিয়ে কিছু কথা বলা দরকার । আশা করি আপনাদের কাজে আসবে ।

সেই সুপ্রাচীন কাল থেকে রান্নাবান্না এবং বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে রসুন। কারণ রসুন এ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গুন। রসুন খাদ্যের স্বাদ পেতে এবং সুগন্ধ তৈরি করতেই ব্যবহৃত হয় ব্যাপকভাবে। সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতেও এর কোন বিকল্প নেই। তাই আমাদের সকলের উচিত খাদ্য তালিকায় যেন রসুন বাদ না পরে সেদিন খেয়াল রাখা।

রসুনের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

রসুনে যে সকল ভিটামিন রয়েছে তা হলো– ভিটামিন বি1 ( থায়ামিন ), ভিটামিন বি2 ( রিবোফ্লাভিন) ,ভিটামিন বি4 ( ন্যায়সেন) , ভিটামিন বি5 ( প্যানটোথেনিক অ্যাসিড) ,ভিটামিন বি6 , ভিটামিন বি9 ( ফোলেট) ,ভিটামিন সি। এছাড়াও রয়েছে দস্তা, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস , ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম , লোহা ও ক্যালসিয়াম।রসুনের উপকারিতা

রসুনে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।আমরা যারা সুস্থ থাকতে নিত্য নতুন উপায় অবলম্বন করি তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য হলো রসুন।এ কারনে দৈনিক এক কোয়া পরিমাণ রসুন হলেও আমাদের খাওয়া উচিত। রসুন আমাদের যেসকল ভাবে সহায়তা করে । রসুনের উপকারিতা সমূহ সবার জানা উচিত। কারন স্বাস্থ সুরক্ষার জন্য রসুন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রসুনের কয়েক উপকারিতা হলে-

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রসুন খান– বর্তমান সময় উচ্চ রক্তচাপ বা হাই প্রেসারে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কম নয়।বরংচ এটি আক্রান্ত মানুষ রয়েছে অনেক। কিন্তু আপনি শুনলে অবাক হবেন যে রসুন আমাদের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন রসুনের মাত্র চারটি কোয়া খান আর দেখুন এর জাদু। এটি আপনার হাই প্রেসার সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রণে রাখবে।এছাড়াও প্রতিদিন খাবারের সাথে এক কোয়া রসুন বা সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে এক কোয়া রসুন খেতে পারেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়– রসুন একদিকে যেমন মসলা হিসেবে জনপ্রিয় ঠিক তেমনি এটিতে রয়ে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন। আর এ কারনেই রসুন আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে দেয়।এছাড়া অ্যালিসিন নামক ভেষজ উপাদান রসুনে বিদ্যমান যা ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাসের জীবাণু নষ্ট করে দেহকে রোগ মুক্ত রাখে। এছাড়াও শিতের দিনে রসুন সুস্থ থাকতে সহায়তা করে।

দেহের শক্তি বাড়ায়– রসুন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি আমাদের হৃদপিণ্ড কে আরো শক্তিশালী করে তোলে। যারা বিভিন্ন ধরনের শারিরীক পরিশ্রমের কাজ করে তারা অবশ্যই নিয়মিত রসুন খাবেন। কারন এটি মানুষের পেশির শক্তি বৃদ্ধি করে। কাজ করার জন্য নতুন শক্তি যোগাড় করে। এবং দেহ নতুন উদ্যমে কাজ করা শুরু করে।

স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে– রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টি উপাদান এবং ভিটামিন। যা আমাদের স্মৃতি শক্তি বাড়িয়ে তোলে।মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতি শক্তি হ্রাস পেতে থাকে।কারন এ সময় মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার মাত্রা হ্রাস পায়।আর ফলস্বরূপ মানুষের স্মৃতি শক্তি কমে যেতে থাকে। রসুন মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার মাত্রা বৃদ্ধি করে। ফলে স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি পায়।

চুল ভালো রাখে– মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য চুল হলো দেহের অন্যতম একটি উপাদান। চুল সুন্দর না থাকলে আমাদের দুশ্চিন্তার আর শেষ থাকে না। এ কারনে চুল ভাল রাখতে আমরা নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করি।অনেকেই ঔষধ সেবন করে। কিন্তু এগুলোর রয়েছে বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া।অনেক সময় দেখা যায় চুল উঠে যাচ্ছে এসবের কারনে।কিন্তু আপনারা হয়তো জানেন না আপনি যদি নিয়মিত রসুন খান তাহলে এটি একদিকে যেমন শরিল সুস্থ রাখে ঠিক তেমনই চুলও ভালো রাখে এটি।

দাঁতের যত্নে রসুন – আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের মুখে একটি প্রবাদ শুনে থাকি ” দাঁত থাকতে কেউ দাঁতের মর্ম বুঝে না” এর থেকেই আমরা বুঝতে পারি দাত একটি মানুষের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। দাত আছে বলেই আমরা খাদ্য চিবিয়ে খেতে পারি।তাছাড়া দাঁত আমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কাজ করে। সুন্দর দাঁত নিশ্চিত করে সুন্দর হাসি। রসুনে রয়েছে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল গুনগান ও ফাঙ্গাস প্রতিরোধী ক্ষমতা। একারনে প্রতিদিন রসুন খেলে দাত থাকবে সুস্থ সবল ও সুন্দর।