বঙ্গবন্ধুর উক্তি ও ভাষণ

বঙ্গবন্ধুর উক্তি ও ভাষণ কীভাবে ব্যবহার করবেন?

এই পেজটি এমন quote ideas খোঁজা পাঠকদের জন্য তৈরি, যেগুলো সহজে copy, edit এবং real social post-এ ব্যবহার করা যায়।

  • Thoughtful post, caption, bio এবং message reply হিসেবে ব্যবহার করুন।
  • আপনার অনুভূতি বা পরিস্থিতির সঙ্গে সবচেয়ে কাছের quote বেছে নিন।
  • Post আরও original করতে quote-এর সঙ্গে নিজের ছোট ব্যাখ্যা যোগ করুন।

সম্পর্কিত লেখা: জীবন নিয়ে উক্তি | সম্পর্ক নিয়ে উক্তি

Key terms for বঙ্গবন্ধুর উক্তি ও ভাষণ

Quote
A memorable line that expresses a feeling, lesson, belief, or situation.
Ukti
A Bengali quote-style expression often used in captions, posts, and messages.
Use case
The situation where a quote fits naturally, such as love, sadness, life, or friendship.

Reference: Quote reference

সম্পাদনা নোট

এই collection পরিষ্কার বাংলা wording, social-media usability এবং topic relevance দেখে সাজানো হয়েছে। পোস্ট করার আগে নিজের পরিস্থিতি অনুযায়ী লাইনগুলো সামান্য edit করে নিতে পারেন।

Author: BLS Blog | Published: November 15, 2020 | Updated: April 8, 2025

বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান এর সেরা উক্তি গুলো এখানে দেয়া হয়েছে । বাঙালি জাতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর এই উক্তি বা বাণী গুলো আমাদের সবার একবার হলেও পড়া উচিৎ । বঙ্গবন্ধুর উক্তি বা কথা গুলো আমাদের সবাইকে দেশপ্রেমে অনুপ্রাণিত করবে । আমাদের দেশের ইতিহাস জানতে সাহায্য করবে । তো চলুন আমরা আমাদের বঙ্গবন্ধুর সেই বাণী বা উক্তি গুলো একবার পড়ে নেই ।বঙ্গবন্ধুর উক্তি ও ভাষণ

বঙ্গবন্ধুর বিখ্যাত ২০ উক্তি :

১. এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম!

২. গণআন্দোলন ছাড়া, গণবিপ্লব ছাড়া বিপ্লব হয় না।

৩. অযোগ্য নেতৃত্ব, নীতিহীন নেতা ও কাপুরুষ রাজনীতিবিদদের সাথে কোন দিন একসাথে হয়ে দেশের কাজে নামতে নেই। তাতে দেশসেবার চেয়ে দেশের ও জনগণের সর্বনাশই বেশি হয়।

৪. আমার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার দেশের মানুষকে ভালবাসি, সবচেয়ে বড় দূর্বলতা আমি তাদেরকে খুব বেশী ভালবাসি।

৫. যে মানুষ মৃত্যুর জন্য প্রস্তত, কেউ তাকে মারতে পারে না।

৬. যখন তুমি কোন ভদ্রলোকের সাথে খেলবে তখন তোমাকে ভদ্রলোক হতে হবে, যখন তুমি কোন বেজন্মার সাথে খেলবে তখন অবশ্যই তোমাকে তার চাইতে বড় বেজন্মা হতে হবে। নচেত পরাজয় নিশ্চিত।

৭. প্রধানমন্ত্রী হবার কোন ইচ্ছা আমার নেই। প্রধানমন্ত্রী আসে এবং যায়। কিন্তু, যে ভালোবাসা ও সম্মান দেশবাসী আমাকে দিয়েছেন, তা আমি সারাজীবন মনে রাখবো।

৮. সাম্প্রদায়িকতা যেন মাথাচারা দিয়ে উঠতে না পারে। ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র বাংলাদেশ। মুসলমান তার ধর্মকর্ম করবে। হিন্দু তার ধর্মকর্ম করবে। বৌদ্ধ তার ধর্মকর্ম করবে। কেউ কাউকে বাধা দিতে পারবে না।

৯. সাত কোটি বাঙ্গালির ভালোবাসার কাঙ্গাল আমি। আমি সব হারাতে পারি, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা হারাতে পারব না।

১০. দেশ থেকে সর্বপ্রকার অন্যায়, অবিচার ও শোষণ উচ্ছেদ করার জন্য দরকার হলে আমি আমার জীবন উৎসর্গ করব।

১১. এ স্বাধীনতা আমার ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি আমার বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়। এই স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এদেশের মানুষ যারা আমার যুবক শ্রেণী আছে তারা চাকরি না পায় বা কাজ না পায়।

১২. ভিক্ষুক জাতির ইজ্জত থাকে না। বিদেশ থেকে ভিক্ষা করে এনে দেশকে গড়া যাবে না। দেশের মধ্যেই পয়সা করতে হবে।

Read More >>  जीतबज़ में जोखिम और गति के आधार पर आर्केड गेम चुनना

১৩. যিনি যেখানে রয়েছেন, তিনি সেখানে আপন কর্তব্য পালন করলে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে না।

১৪. সরকারী কর্মচারীদের জনগণের সাথে মিশে যেতে হবে। তারা জনগণের খাদেম, সেবক, ভাই। তারা জনগণের বাপ, জনগণের ছেলে, জনগণের সন্তান। তাদের এই মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।

১৫. সমস্ত সরকারী কর্মচারীকেই আমি অনুরোধ করি, যাদের অর্থে আমাদের সংসার চলে তাদের সেবা করুন।

১৬. গরীবের উপর অত্যাচার করলে আল্লাহর কাছে তার জবাব দিতে হবে।

১৭. জীবন অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী। এই কথা মনে রাখতে হবে। আমি বা আপনারা সবাই মৃত্যুর পর সামান্য কয়েক গজ কাপড় ছাড়া সাথে আর কিছুই নিয়ে যাব না। তবে কেন আপনারা মানুষকে শোষণ করবেন, মানুষের উপর অত্যাচার করবেন?

১৮. দেশের সাধারণ মানুষ, যারা আজও দুঃখী, যারা আজও নিরন্তর সংগ্রাম করে বেঁচে আছে, তাদের হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখকে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির উপজীব্য করার জন্য শিল্পী, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিসেবীদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

১৯. বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ না থাকলে আমাদের স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।

২০. বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবেই।

বঙ্গবন্ধুর অবিস্মরণীয় ভাষণঃ

 

গণতন্ত্র, বিরোধী দল, বাক্ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রশ্নে

দেশে কোর্ট-কাচারি আছে, আছে প্রচলিত আইন এবং কাউকে শাস্তি দিতে হলে যথাযোগ্য বিচারের মাধ্যমে সেটা দিতে হবে। আমরা জানি যে বিগত সাত বছর এই পবিত্র সংসদের অনেক সদস্যকে বিনা বিচারে জেলে নেওয়া হয়েছে। একজন মাননীয় সদস্য পূর্ববঙ্গে গিয়েছিলেন, তাঁকে পাকিস্তানের স্বার্থে জননিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়।

—২১ জানুয়ারি ১৯৫৬

পাকিস্তান গণপরিষদের করাচি অধিবেশনে ইসলামিক রাষ্ট্রের সব নাগরিকের সম-অধিকার বিষয়ে আলোচনায়

আমাদের টেলিফোন টেপ করা হয় এবং চিঠিগুলো পুনরায় সেন্সর করা হয়। আপনারা বলে থাকেন যে বাক্স্বাধীনতা মানেই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। আপনি কি জানেন যে পূর্ববঙ্গে সম্পাদকদের ডেকে বলা হয় আপনারা এটা ছাপাতে পারবেন না; আপনারা ওটা ছাপতে পারবেন না। স্যার, তাঁরা সত্য কথা পর্যন্ত লিখতে পারেন না এবং আমি সেটা প্রমাণ করে দিতে পারি। পূর্ব বাংলা সরকার লিখুক আর একজন কেরানি লিখুক, সেটা বড় কথা নয়। নির্দেশটা যায় সচিবালয় থেকে যে আপনি বিষয়গুলো সম্পর্কে লিখতে পারবেন না। সরকারের তরফ থেকে একজন ইন্সপেক্টর গিয়ে নির্দেশনা দেন যে আপনি একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে লিখতে পারবেন না। বঙ্গবন্ধুর উক্তি

—৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬

পাকিস্তান গণপরিষদের করাচি অধিবেশনে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বাক্স্বাধীনতা বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে

অসাম্প্রদায়িকতা

শাসনতন্ত্রে লিখে দিয়েছি যে কোনো দিন আর শোষকেরা বাংলার মানুষকে শোষণ করতে পারবে না ইনশা আল্লাহ। দ্বিতীয় কথা, আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। জনগণের ভোটে জনগণের প্রতিনিধিরা দেশ চালাবে, এর মধ্যে কারও কোনো হাত থাকা উচিত নয়। তৃতীয়, আমি বাঙালি। বাঙালি জাতি হিসেবে বাঁচতে চাই সম্মানের সঙ্গে। চতুর্থ, আমার রাষ্ট্র হবে ধর্মনিরপেক্ষ। মানে ধর্মহীনতা নয়। মুসলমান তার ধর্ম-কর্ম পালন করবে, হিন্দু তার ধর্ম-কর্ম পালন করবে, বুদ্ধিস্ট তার ধর্ম-কর্ম পালন করবে। কেউ কাউকে বাধা দিতে পারবে না। তবে একটা কথা হলো, এই ধর্মের নামে আর ব্যবসা করা যাবে না।

—২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩

সিরাজগঞ্জে দেওয়া এক জনসভার ভাষণ

বৈষম্যের বিরোধিতা, স্বাধীনতার সংগ্রাম

কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরিতে তোমরা ৮৫ জন, আমরা ১৫ জন। সামরিক বিভাগে তোমরা ৯০ জন, আমাদের দিয়েছ ১০ জন। বৈদেশিক সাহায্যের তোমরা খরচ করেছ ৮০ ভাগ, আমাদের দিয়েছ ২০ ভাগ। মহাপ্রলয়ে দক্ষিণ বাংলার ১০ লাখ লোক মারা গেল। লাখ লাখ লোক অসহায় অবস্থায় রইল। রিলিফ কাজের জন্য বিদেশ থেকে হেলিকপ্টার এসে কাজ করে গেল—অথচ ঢাকায় একখানা মাত্র সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার ছাড়া পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আর কোনো হেলিকপ্টার আসলো না। আমরা এসব বেইনসাফির অবসান করব।  বঙ্গবন্ধুর উক্তি

—৩ জানুয়ারি ১৯৭১

রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নবনির্বাচিত আওয়ামী লীগ সদস্যদের জনগণের সামনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান

কারও ওপর আমাদের কোনো আক্রোশ নাই। আমরা স্বাধিকার চাই। আমরা চাই আমাদের মতোই পাঞ্জাবি, সিন্ধি, বেলুচ, পাঠানরা নিজ নিজ অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকুক। কিন্তু তার মানে এই না যে সাত কোটি বাঙালি কারও গোলাম হয়ে থাকবে। ভ্রাতৃত্বের অর্থ দাসত্ব নয়—সম্প্রীতির, সংহতির নামে বাংলাকে আর কলোনি বা বাজার হিসাবে ব্যবহার করতে হবে না।

Read More >>  Crypto Trading Strategies on Quotex: Beyond Guesswork

—২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১

শহীদ মিনার থেকে মশাল মিছিল শুরুর আগে

মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব। এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব, ইনশা আল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।

—সাতই মার্চ ১৯৭১

রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া ভাষণ

রাজনৈতিক সমঝোতা ও সহনশীলতা

আওয়ামী লীগ শুধু বাংলাদেশেই সংখ্যাগরিষ্ঠ দল নয়, সমস্ত পাকিস্তানেই আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। তাই সমগ্র জাতির প্রতি আমার ও আমার দলের একটা বিরাট দায়িত্ব আছে। আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে দেশের শাসনতন্ত্র প্রণয়নের পূর্ণ ক্ষমতা আওয়ামী লীগের আছে। তবু জনাব ভুট্টো ও তাঁর দলসহ বেলুচ ও সীমান্ত অঞ্চলের আঞ্চলিক দল ও সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গেও আমি আলোচনা করতে চাই।

—২৯ জানুয়ারি ১৯৭১, বাসভবনে সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্য

দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে শাসনতন্ত্র প্রণয়নের যোগ্যতা আওয়ামী লীগের থাকলেও আমরা সবার সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব চাই। গণতান্ত্রিক দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠের ইচ্ছাই সবাই মেনে নেয়। গণতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী আমরাই শাসনতন্ত্র রচনার ক্ষমতা পেয়েছি। আমরা শাসনতন্ত্র চাপিয়ে দিচ্ছি না।

—১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১

ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের দুই দিনব্যাপী এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্য

আত্মসমালোচনা

দেশ শাসন করতে হলে নিঃস্বার্থ কর্মীর প্রয়োজন। হাওয়া-কথায় চলে না। সেদিন ছাত্ররা আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। তাদের বলেছিলাম, আত্মসমালোচনা করো। মনে রেখো, আত্মসমালোচনা করতে না পারলে নিজকে চিনতে পারবা না। তারপর আত্মসংযম করো, আর আত্মশুদ্ধি করো। তাহলেই দেশের মঙ্গল করতে পারবা।

—১৮ জানুয়ারি ১৯৭৪

আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক কাউন্সিলের উদ্বোধনী বক্তৃতা

আজকে এই যে নতুন এবং পুরান যে সমস্ত সিস্টেমে আমাদের দেশ চলছে, আমাদের আত্মসমালোচনা প্রয়োজন আছে। আত্মসমালোচনা না করলে আত্মশুদ্ধি করা যায় না। আমরা ভুল করেছিলাম, আমাদের বলতে হয় যে, ভুল করেছি। আমি যদি ভুল করে না শিখি, ভুল করে শিখব না, সে জন্য আমি সবই ভুল করলে আর সকলেই খারাপ কাজ করবে, তা হতে পারে না। আমি ভুল নিশ্চয়ই করব, আমি ফেরেশতা নই, শয়তানও নই, আমি মানুষ, আমি ভুল করবই। আমি ভুল করলে আমার মনে থাকতে হবে, আই ক্যান রেকটিফাই মাইসেলফ। আমি যদি রেকটিফাই করতে পারি, সেখানেই আমার বাহাদুরি। আর যদি গোঁ ধরে বসে থাকি যে, না আমি যেটা করেছি, সেটাই ভালো। দ্যাট ক্যান নট বি হিউম্যান বিইং।

—১৯ জুন ১৯৭৫

বাকশাল কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে দেওয়া ভাষণ

দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে

এখনো কিছুসংখ্যক লোক, এত রক্ত যাওয়ার পরেও যে সম্পদ আমি ভিক্ষা করে আনি, বাংলার গরিবকে দিয়ে পাঠাই, তার থেকে কিছু অংশ চুরি করে খায়। এদের জিহ্বা যে কত বড়, সে কথা কল্পনা করতে আমি শিহরিয়া উঠি। এই চোরের দল বাংলার মাটিতে খতম না হলে কিছুই করা যাবে না। আমি যা আনব এই চোরের দল খাইয়া শেষ করে দেবে। এই চোরের দলকে বাংলার মাটিতে শেষ করতে হবে।

—৩ জানুয়ারি ১৯৭৩

বরগুনায় এক জনসভায় দেওয়া ভাষণ

নারীর প্রতি আস্থা ও সম্মান

আমার জীবনেও আমি দেখেছি যে গুলির সামনে আমি এগিয়ে গেলেও কোনো দিন আমার স্ত্রী আমাকে বাধা দেয় নাই। এমনও আমি দেখেছি যে, অনেকবার আমার জীবনের ১০/১১ বছর আমি জেল খেটেছি। জীবনে কোনো দিন মুখ খুলে আমার ওপর প্রতিবাদ করে নাই। তাহলে বোধ হয় জীবনে অনেক বাধা আমার আসত। এমন সময়ও আমি দেখেছি যে আমি যখন জেলে চলে গেছি, আমি এক আনা পয়সা দিয়ে যেতে পারি নাই আমার ছেলেমেয়ের কাছে। আমার সংগ্রামে তার দান যথেষ্ট রয়েছে। পুরুষের নাম ইতিহাসে লেখা হয়। মহিলার নাম বেশি ইতিহাসে লেখা হয় না। সে জন্য আজকে আপনাদের কাছে কিছু ব্যক্তিগত কথা বললাম। যাতে পুরুষ ভাইরা আমার, যখন কোনো রকমের সংগ্রাম করে নেতা হন বা দেশের কর্ণধার হন তাদের মনে রাখা উচিত, তাদের মহিলাদেরও যথেষ্ট দান রয়েছে এবং তাদের স্থান তাদের দিতে হবে।

Read More >>  Cricket Fitness: New Training Standards and Why Cardio Is No Longer the Key

—২৬ মার্চ ১৯৭২

ঢাকার আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয়ে মহিলা ক্রীড়া সংস্থার অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য

ছাত্রলীগ ও ছাত্রদের প্রতি

ছাত্র ভাইয়েরা, লেখাপড়া করেন। আপনাদের লজ্জা না হলেও আমার মাঝে মাঝে লজ্জা হয় যখন নকলের কথা আমি শুনি। ডিগ্রি নিয়ে লাভ হবে না। ডিগ্রি নিয়ে মানুষ হওয়া যায় না। ডিগ্রি নিয়ে নিজের আত্মাকে ধোঁকা দেওয়া যায়। মানুষ হতে হলে লেখাপড়া করতে হবে। আমি খবর পাই বাপ-মা নকল নিয়া ছেলেদের-মেয়েদের এগিয়ে দিয়ে আসে। কত বড় জাতি। উঁহু! জাতি কত নিচু হয়ে গেছে।

—১৮ মার্চ ১৯৭৩

বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত জনসভায় দেওয়া ভাষণ

রাস্তা নেই ঘাট নেই, রেলওয়ে ব্রিজ এখন পর্যন্ত সারতে পারি নাই। চরিত্র এত জঘন্য খারাপ হয়ে গেছে যেই ধরি পকেটমাইর ধরি, চোর-গুন্ডা ধরি, লজ্জায় মরে যাই ছাত্রলীগের ছেলে, ভাই-বোনেরা। পুলিশ দিয়া নকল বন্ধ করতে হয় আমার এ কথা কার কাছে কবো মিয়া? এ দুঃখ! বলার জায়গা আছে মিয়া? তোমরা নকল বন্ধ করো। ছাত্রলীগ ছাত্র ইউনিয়ন নিয়া সংগ্রাম পরিষদ করেছ, তোমরা গার্ড দিয়া নকল বন্ধ করো। তোমাদের আমি সাহায্য করি। পুলিশ দিয়া আমাদের নকল বন্ধ করতে দিয়ো না তোমরা। পুলিশ দিয়ে আমি চোর সামলাব।

—১৯ আগস্ট ১৯৭৩

ঢাকায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে দেওয়া ভাষণ

আমি দেখতে চাই যে, ছাত্রলীগের ছেলেরা যেন ফার্স্টক্লাস বেশি পায়। আমি দেখতে চাই, ছাত্রলীগের ছেলেরা যেন ওই যে কী কয়, নকল, ওই পরীক্ষা না দিয়া পাস করা, এর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলো।

—১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪

ঢাকায় ছাত্রলীগের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ

সরকারি কর্মচারীদের প্রতি

‘সমস্ত সরকারি কর্মচারীকেই আমি অনুরোধ করি, যাদের অর্থে আমাদের সংসার চলে, তাদের সেবা করুন। যাদের জন্য যাদের অর্থে আজকে আমরা চলছি, তাদের যাতে কষ্ট না হয়, তার দিকে খেয়াল রাখুন। যারা অন্যায় করবে, আপনারা অবশ্যই তাদের কঠোর হস্তে দমন করবেন। কিন্তু সাবধান, একটা নিরপরাধ লোকের ওপরও যেন অত্যাচার না হয়। তাতে আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কেঁপে উঠবে। আপনারা সেই দিকে খেয়াল রাখবেন। আপনারা যদি অত্যাচার করেন, শেষ পর্যন্ত আমাকেও আল্লাহর কাছে তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। কারণ, আমি আপনাদের জাতির পিতা, আমি আপনাদের প্রধানমন্ত্রী, আমি আপনাদের নেতা। আমারও সেখানে দায়িত্ব রয়েছে।’

—১৫ জানুয়ারি ১৯৭৫

প্রথম পুলিশ সপ্তাহ ও বার্ষিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ

প্রশ্ন ও উত্তর

বঙ্গবন্ধুর উক্তি ও ভাষণ কোথায় ব্যবহার করা যায়?

বঙ্গবন্ধুর উক্তি ও ভাষণ Facebook, Instagram, WhatsApp status, caption, personal bio, message, and social post writing ideas হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

এই লেখাগুলো কি কপি করে ব্যবহার করা যাবে?

হ্যাঁ, নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সামান্য পরিবর্তন করে caption, status, message বা post হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

আরও ভালো caption কীভাবে বাছাই করব?

যে লেখাটি আপনার অনুভূতি, সম্পর্ক, উপলক্ষ বা ছবির ভাবের সাথে সবচেয়ে ভালো মিলে যায়, সেটি বেছে নিন।

Cite or reference this page

বঙ্গবন্ধুর উক্তি ও ভাষণ, BLS Blog, updated April 8, 2025, https://bangla-love-sms.com/bongobondhur-ukti/

You May Also Like

About the Author:

I am Md Habibur Rahman Sohel. Like to read and write all kinds of bangla content. Mostly like bangla caption, status, poem, quotes and sms.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *