সবাই উপদেশ মূলক কথা শুনতে বা পাড়তে চায় না । তবে যারা খুব বুদ্ধিমান তারা এই ধরণের কথা খুব ভালো করেই শুনে এবং পড়ে । আপনি যদি এই ধরণের কথা পড়তে ভালোবাসেন, তাহলে জেনে রাখুন আপনি একজন বুদ্ধিমান মানুষ । আর কিছু মানুষ আছে, এই কথা গুলো নিজে শুনতে বা পড়তে চায় না ।
কিন্তু তারা সবাইকে উপদেশ দিতে পছন্দ করে । তাদের আমরা বলি বোকা । কারণ এই ধরণের মানুষ গুলোর মাথায় কিছুই থাকে না । আর তাদের ভেতর অনেক বেশী অহংকার কাজ করে বলেই, তারা সবাইকে জ্ঞান দিতে চায়, কিন্তু নিজে নিতে চায় না । যাহোক আসুন তাহলে আমাদের লেখা গুলো পড়ে দেখি ।
শিক্ষা কখনো শেষ হয় না
জীবনের পথে আমরা অনেক ভুল করি, অনেক সময় হোঁচট খাই। কিন্তু এই ভুলগুলোই আমাদের শেখায় কীভাবে এগিয়ে যেতে হয়। যে মানুষ ভুল থেকে শিখতে জানে, সে কখনো হেরে যায় না। প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য একটি পাঠ, যা আমাদের জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করে।
সাফল্যের চাবিকাঠি
সাফল্য একটি ফল, যা পেতে হলে আমাদের পরিশ্রমের বীজ বুনতে হয়। এটি কোনো জাদুর কাঠি নয়, বরং ধৈর্য আর চেষ্টার পুরস্কার।
জীবনের পাঠ
জীবন আমাদের প্রতিনিয়ত শেখায়। প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের জন্য একটি নতুন শিক্ষা নিয়ে আসে। আমরা যদি মন দিয়ে দেখি, তাহলে বুঝতে পারি যে সুখ-দুঃখ সবই আমাদের শক্তিশালী করে।
উপদেশ মূলক কথা :
১। তোমার ক্রোধকে ধমিয়ে রাখ, নচেৎ ক্রোধই তোমাকে নিঃস্ব করে দিবে ।
— হোরেস ।
২। তারাই সুখী যারা নিন্দা শুনে এবং নিজেদের সংশোধন করতে পারে ।
— উইলিয়াম শেক্সপিয়র ।
আরো পড়ুনঃ অনুপ্রেরণা মূলক উক্তি
৩। অন্যের অটোগ্রাফ সংগ্রহ করে সময় নষ্ট না করে বরং নিজেকে উপযোগী করে তোল যাতে অন্যেরা তোমার অটোগ্রাফ সংগ্রহ করে ।
— জর্জ বার্নার্ড । 
৪। সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে ।
— এপিজে আবদুল কালাম ।
৫। যে ব্যক্তি কাউকে গোপনে উপদেশ দিলো, সে তাকে খুশি করল ও সুশোভিত করলো । আর যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে কাউকে উপদেশ দি্লো, সে যেন তাকে লাঞ্ছিত ও কলঙ্কিত করলো।
— শেখ সাদি (রঃ)
৬। আগুনকে যে ভয় পায় সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না ।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
৭। বাঙালি একশো ভাগ সৎ হবে এমন আশা করা অন্যায় , পঞ্চাশ ভাগ সৎ হ’লেই বাঙালিকে পুরস্কার দেওয়া উচিত ।
— হুমায়ুন আজাদ ।
৮। যতোদিন মানুষ অসৎ থাকে ততোদিন তার কোনো শত্রু থাকে না , কিন্তু যেই সে সৎ হয়ে উঠে তার শত্রুর অভাব থাকে না ।
— হুমায়ুন আজাদ ।
৯। কারো প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রাখার উপায় হচ্ছে তার সাথে কখনো সাক্ষাৎ না করা ।
— হুমায়ুন আজাদ ।
১০। দুঃসময়ে কোনো অপমান গায়ে মাখতে হয় না ।
— হুমায়ূন আহমেদ ।
কবিতা: জীবনের গান
জীবনের পথে চলতে চলতে,
কত কিছু শিখেছি আমি।
সুখের হাসি, দুঃখের কান্না,
দুইয়ে মিলে গড়েছি স্বপ্নগুলো।
প্রতিটি দিন একটি গল্প,
শেখায় আমায় নতুন কথা।
মনের আলোয় পথ খুঁজে নিয়ে,
এগিয়ে চলি প্রতিক্ষণে।
১১। ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার সর্ব সাধন সিদ্ধ হয় তার ।
— লালন ।
১২। এমনভাবে অধ্যয়ন করবে যেন তোমার সময়ের অভাব নেই তুমি চিরজীবী । এমনভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করবে যেন মনে হয় তুমি আগামীকাল মারা যাবে ।
— মহাত্মা গান্ধী ।
১৩। প্রাচুর্যের মধ্যে থাকাকালে দুঃখীদের মধ্যে উপদেশ দেওয়া খুবই সহজ ।
— এস্কাইলাস ।
১৪। ঝগড়া চরমে পৌঁছার আগেই ক্ষান্ত হও ।
— হযরত সুলাইমান (আঃ) ।
১৫। অনুকরন নয় , অনুসরন নয় , নিজেকে খুঁজুন , নিজেকে জানুন , নিজের পথে চলুন ।
— ডেল কার্নেগী ।
১৬। কাউকে জ্ঞান বিতরণের আগে জেনে নিও যে তার মধ্যে সেই জ্ঞানের পিপাসা আছে কিনা । অন্যথায় এ ধরনের জ্ঞান বিতরণ করা হবে এক ধরনের জবরদস্তি , জন্তুর সাথে জবরদস্তি করা যায় , মানুষের সাথে নয় , হিউম্যান উইল রিভল্ট ।
— আহমদ ছফা ।
উপদেশ মূলক উক্তি :
উপদেশ বাণী গুলো আশা করি অনেক ভালো লাগবে । নিচে কিছু সুন্দর উপদেশ মূলক কথা দেয়া হলোঃ
১। বেফাস কথা বলার চেয়ে চুপ থাকাই শ্রেয় ।
— জর্জ হাবার্ট
২। চালাকির দ্বারা কোন মহৎ কাজ হয় না ।
— স্বামী বিবেকানন্দ
৩। অন্যকে বারবার ক্ষমা করো কিন্তু নিজেকে কখনোই ক্ষমা করিও না ।
— সাইরাস
৪। সময় বেশী লাগলেও ধৈর্য সহকারে কাজ করো তাহলেই প্রতিষ্ঠা পাবে ।
— ডব্লিউ এস লেন্ডের
৫। যদি তুমি কখনো অপমানিত বোধ করো তবে অপরকে সেটা বুঝতে দেবে না ।
— জন বেকার
৬। যদি তুমি কোন লোককে জানতে চাও তাহলে তাকে প্রথমে ভালবাসতে শেখো ।
— লেলিন
৭। সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে চেনা এবং সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যদেরকে উপদেশ দেওয়া ।
— থেলিস
৮। আমি বলবোনা আমি ১০০০ বার হেরেছি আমি বলবো যে আমি হারার ১০০০ টি কারণ বের করেছি ।
— টমাস আলভা এডিসন
৯। সুন্দর একটা মানুষ না খুঁজে সুন্দর একটা মন খুঁজো তাহলে ভালবাসার সফলতা আসবে ।
— অজানা
১০। যাহা তুমি দেখাও তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত, যা তুমি জানো তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত ।
— উইলিয়াম শেক্সপিয়র
১১। যদি সর্বোচ্চ আসন পেতে চাও, তাহলে নিম্নস্থান থেকে আরম্ভ কর ।
— সাইরাস
১২। সৎ পরামর্শের চেয়ে কোন উপকার অধিক মূল্য নয় ।
— ইমারসন
১৩। কখনো কোন বন্ধুকে আঘাত করো না, এমনকি ঠাট্টা করেও না ।
— সিসেরো
গান: স্বপ্নের পথে
স্বপ্ন দেখো মন ভরে,
এগিয়ে চলো একটু করে।
বাধা এলে ভয় নেই,
ধৈর্য নিয়ে চলো তুমি।
প্রতিটি পদে আশা রাখো,
দেখবে সব সত্যি হবে।
স্বপ্নের পথে, স্বপ্নের পথে,
আমরা হেঁটে যাব।
মনের জোরে, হাতে হাতে,
জীবন গড়ে নেব।
একটু হাসি, একটু ভালোবাসা,
জীবন হবে রঙিন।
চেষ্টা করো, থেমো না,
সাফল্য হবে তোমারই।
উপদেশ বাণী :
আরো নতুন কিছু উপদেশ মূলক কথা পড়তে নিচে দেখুনঃ
১। কথাবার্তায় ক্রোধের পরিমান খাবারের লবনের মত হওয়া উচিত, পরিমিত হলে রুচিকর, অপরিমিত হলে ক্ষতিকর ।
— প্লেটো
২। কিভাবে কথা বলতে হয় তা না জানলে, অন্তত কিভাবে চুপ থাকতে হয় তা শিখে নাও ।
— অজানা
৩। জীবনকে এক পেয়ালা চায়ের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যতই তৃপ্তির সাথে আমরা তা পান করি ততই দ্রুত তলার দিকে অগ্রসর হতে থেকি ।
— ক্রিনেট
৪। জীবনের প্রতিটি সিঁড়িতে পা রেখে ওপরে ওঠা উচিত, ডিঙ্গিয়ে উঠলে পড়ে যাবার সম্ভাবনা বেশি ।
— হুইটিয়ার
৫। ধৈর্যশীল ব্যক্তির ক্রোধ থেকে সাবধান ।
— ড্রাইডেন
৬। পরের উপকার করা ভালো, কিন্তু নিজেকে পথে বসিয়ে নয় ।
— এডওয়ার্ড ইয়াং
৭। যে নদীর গভীরতা বেশি তার বয়ে যাওয়ার শব্দ কম ।
— জন লিভগেট
৮। শৈশবে লজ্জা, যৌবনে ভারসাম্য এবং বার্ধক্যে ব্যয়সংকোচন ও দূরদর্শিতার প্রয়োজন ।
— সক্রেটিস
৯। যদি ভালোভাবে বাঁচতে চান, তাহলে মনে রাখবেন সমস্যাকে তুচ্ছজ্ঞান করতে হবে , আশীর্বাদকে গণ্য করতে হবে ।
— ডেল কার্নেগী
১০। যে মানুষ ভুল করে না, বাস্তবে সে কিছুই করে না ।
— স্যার জন ফিলিপস
১১। সুন্দরভাবে বাঁচতে হলে তোমার দুটো জিনিস দরকার তা হচ্ছে বুদ্ধি এবং রুচিবোধ ।
— জে টি হুইটিয়ার
১২। জীবনে দুটি দুঃখ আছে, একটি হল তোমার ইচ্ছা অপূর্ণ থাকা অন্যটি হল ইচ্ছা পূর্ণ হলে আরেকটি প্রত্যাশা করা ।
— জর্জ বার্নার্ড
১৩। জীবন একটি কঠিন খেলা, ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমে শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে ।
— এপিজে আবুল কালাম
ছন্দ: শিক্ষার আলো
মনের মাঝে আলো জ্বালো,
শিখতে থাকো প্রতিদিন।
ভুল হলে ভয় নেই তোমার,
শিক্ষাই তোমার জিত।
Bangla advice sms :
১। আগামী কালের কাজ ভালো করার সবচেয়ে ভালো প্রস্তুতি হলো আজকের কাজ ভালো করে করা ।
২। আত্মবিশ্বাস সাধারণত সাফল্যের সাথে আসে, কিন্তু সাফল্য তাদেরকেই ধরা দেয় যারা আত্মবিশ্বাসী ।
৩। তোমার যদি কোনো কিছুর প্রতি দারুণ আগ্রহ থাকে এবং তুমি যদি কঠোর পরিশ্রম করো, তাহলে সাফল্য আসবেই ।

৪। আমাদের আত্মবিশ্বাস যতটা থাকে, ততটাই আমাদের ক্ষমতাও থাকে, তাই তোমার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পেলে তোমার ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে ।
৫। যে লোক ধৈর্য ধরতে পারে, তার জন্য আনন্দ ও প্রশান্তি অপেক্ষা করে ।
৬। যদি ঘুম থেকে উঠার ক্ষেত্রে বনের পাখি আপনাকে হারিয়ে দেয়, তবে সেখানেই আপনার ব্যর্থতা ।
৭। যদি তুমি কাউকে ভালোবাসো তবে তাকে মুক্তি দাও, যদি সে ফিরে আসে তবে সে তোমার, আর যদি ফিরে না সে তবে সে কোনো দিনও তোমার ছিলো না ।

৮। তোমার একটু অভিমানের জন্য যদি কারো চোখে জল আসে, তবে মনে রেখো তার চেয়ে বেশি কেউ তোমাকে ভালোবাসে না ।
৯। তোমার বন্ধু যখন বিপদে থাকবে সে না ডাকলেও তাকে সাহায্য করো, কিন্তু যখন খুশিতে থাকবে সে না ডাকলে যেও না ।
১০। তুমি ওপরের যত ক্ষতি চাইবে, তার চেয়ে বেশি তুমি নিজেই ক্ষতির সম্মুখীন হবে ।

১১। দেশের জন্য এক বিন্দু রক্ত দান করার মতো মহৎ কাজ আর নেই ।
১২। দেহের সৌন্দর্যের চেয়ে মনের সৌন্দর্য হাজার গুনে শ্রেষ্ঠ ।
১৩। নিজেই প্রতিশোধ নিও না, আল্লাহ্র জন্য অপেক্ষা করো, তাহলে তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন
অধ্যবসায়ই জয়ী করে
যারা কখনো হাল ছাড়ে না, তারাই জীবনে বড় কিছু অর্জন করে। বাধা আসবে, কিন্তু যে মানুষ সেগুলোকে পার হতে পারে, তার জন্যই সাফল্য অপেক্ষা করে। একটু একটু করে এগিয়ে গেলে একদিন দেখবেন, আপনি আপনার স্বপ্নের কাছে পৌঁছে গেছেন।
মনের শক্তি
আমাদের মনই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। এটি যদি ইতিবাচক থাকে, তাহলে আমরা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি জয় করতে পারি।
ইতিবাচক চিন্তা জীবন বদলায়
যখন আমরা নিজের উপর ভরসা রাখি, তখন অসম্ভব বলে কিছু থাকে না। একটি হাসি, একটি ভালো চিন্তা আমাদের দিনটিকে সুন্দর করে তুলতে পারে। তাই মনকে সবসময় আলোয় ভরিয়ে রাখুন, দেখবেন জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে।
উপদেশ মূলক কথা
১.
জীবন সবসময় সহজ হয় না,
কিন্তু সহজ না হলেই মানুষ হওয়া শেখায়।
যে কষ্ট বুঝতে শেখে, সে কাউকে ভাঙে না।
২.
সবাই পাশে থাকলে শক্ত হওয়া লাগে না,
একলা থাকলে নিজেকে আগলে রাখতে হয়।
সেখান থেকেই আত্মসম্মান জন্ম নেয়

৩.
যে মানুষ চুপচাপ সহ্য করে,
সে দুর্বল নয়—সে গভীর।
সব ঝড় শব্দ করে আসে না।
৪.
অন্যকে বদলাতে যাওয়ার আগে,
নিজের মনটা একটু বুঝে নাও।
নিজেকে বুঝতে পারাই সবচেয়ে কঠিন কাজ।
৫.
সব প্রশ্নের উত্তর জীবনে মেলে না,
কিছু প্রশ্ন মানুষ বানিয়ে তোলে।
নীরবতাও একধরনের শিক্ষা।
৬.
ভুল করলে লজ্জা পেও না,
ভুল না শিখলে মানুষ হওয়া যায় না।
লজ্জা তখনই, যখন শিক্ষা নেই।
৭.
যে মানুষ ক্ষমা করতে পারে,
সে নিজের ভেতরের যুদ্ধ জিতে নিয়েছে।
ক্ষমা দুর্বলতা নয়, সাহস।
৮.
সব হাসি আনন্দের নয়,
কিছু হাসি নিজেকে বাঁচানোর কৌশল।
সব অনুভূতি প্রকাশ পায় না।
৯.
সময় কাউকে অপেক্ষা করে না,
কিন্তু সময় মানুষ চিনিয়ে দেয়।
কে পাশে ছিল, কে ছিল না—সব দেখায়।
১০.
জীবন কাউকে নিখুঁত বানায় না,
বরং বাস্তব বানায়।
বাস্তব মানুষই সবচেয়ে সুন্দর।
১১.
অল্প কথা বলো, গভীর করে বলো।
সব কথা সবার জন্য নয়।
নীরবতারও একটা ভাষা আছে।
১২.
যে নিজেকে সম্মান করে,
সে কাউকে ছোট করে না।
আত্মসম্মান শেখায় মানবিকতা।
১৩.
সব হার মানা পরাজয় নয়,
কিছু হার মানা আত্মরক্ষা।
নিজেকে বাঁচানোও একধরনের জয়।
১৪.
মানুষের মূল্য কথায় নয়,
ব্যবহারে বোঝা যায়।
কথা সবাই বলতে পারে।
১৫.
অন্যের ভুল গুনে বড় হওয়া যায় না,
নিজের ভুল স্বীকার করলেই বড় হওয়া যায়।
সেখানেই পরিপক্বতা।
১৬.
যে কষ্ট বুঝে,
সে কষ্ট দিতে ভয় পায়।
মানবিকতা শেখা যায় অভিজ্ঞতা থেকে।
১৭.
সব সম্পর্ক সমান যত্ন চায় না,
কিছু সম্পর্ক শুধু সততা চায়।
সততা থাকলে দূরত্ব কমে।
১৮.
নিজেকে ভালোবাসা স্বার্থপরতা নয়,
বরং মানসিক সুস্থতা।
শূন্য হাতে কাউকে দেওয়া যায় না।
১৯.
যে সবসময় ঠিক হতে চায়,
সে শেখা বন্ধ করে দেয়।
ভুল মানতেই শেখা শুরু।
২০.
সব মানুষ খারাপ নয়,
কিন্তু সবাই ভালোও নয়।
বুঝে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
২১.
জীবন শেখায় ধীরে,
কিন্তু গভীরভাবে।
যারা টিকে যায়, তারাই শেখে।
২২.
যে শুনতে জানে,
সে অর্ধেক সমস্যার সমাধান করে ফেলে।
শোনা একটা গুণ।
২৩.
সব আঘাত চিহ্ন রেখে যায় না,
কিছু আঘাত মানুষ বদলে দেয়।
ভেতরের ক্ষত চোখে দেখা যায় না।
২৪.
অপ্রয়োজনীয় প্রত্যাশা কমালে,
মনের ভার হালকা হয়।
সবাই সব দিতে পারে না।
২৫.
নিজের মতো থাকতে শেখো,
সবাইকে খুশি করতে গেলে
নিজেকেই হারাতে হবে।
২৬.
যে মানুষ ধৈর্য ধরে,
সে সময়কে বন্ধু বানায়।
তাড়াহুড়ো সবকিছু নষ্ট করে।
২৭.
সব প্রশ্নের উত্তর চাই না,
কিছু প্রশ্ন শুধু অনুভব করতে হয়।
মনও কথা বলে।
২৮.
যে কৃতজ্ঞ হতে জানে,
সে অল্পতেই সুখী হয়।
সুখ জিনিসে নয়, দৃষ্টিতে।
২৯.
সব সম্পর্ক ধরে রাখার নয়,
কিছু ছেড়ে দিতে হয় সুস্থ থাকার জন্য।
ছাড়াও শক্তির পরিচয়।
৩০.
নিজের ভুল ঢাকতে গেলে,
ভুল আরও বড় হয়।
সত্য মেনে নিলে বোঝা কমে।
৩১.
মানুষ বদলায় না সময়েই,
মানুষ বদলায় অভিজ্ঞতায়।
সব অভিজ্ঞতা সুখের নয়।
৩২.
যে নিজেকে বোঝে,
সে অন্যকে বিচার করতে ব্যস্ত থাকে না।
বুঝতে পারাই পরিণতি।
৩৩.
সব কান্না চোখে আসে না,
কিছু কান্না মানুষকে নীরব করে।
নীরবতাকে অবহেলা কোরো না।
৩৪.
যে সম্মান দিতে জানে,
সে সম্মান পেতেও জানে।
সবকিছুই ফিরে আসে।
৩৫.
নিজেকে ছোট ভাবলে,
পৃথিবীও ছোটই ভাববে।
নিজের মূল্য নিজেই ঠিক করো।

৩৬.
সব সাহায্য হাত দিয়ে হয় না,
কিছু সাহায্য মন দিয়ে হয়।
সহানুভূতিই সবচেয়ে বড় সহায়তা।
৩৭.
যে অপেক্ষা করতে জানে,
সে তাড়াহুড়োয় ভুল করে না।
ধৈর্য ফল দেয়।
৩৮.
সব সত্য বলা প্রয়োজন নেই,
কিন্তু মিথ্যে বলার প্রয়োজন নেই।
সততাই শান্তি দেয়।
৩৯.
মানুষ ভুলে যায় কথা,
কিন্তু ভুলে না ব্যবহার।
ব্যবহারই আসল পরিচয়।
৪০.
নিজেকে প্রমাণ করতে হয় না,
নিজেকে ঠিক রাখতে পারলেই যথেষ্ট।
সবাই বিচারক নয়।
৪১.
যে মানুষ কষ্ট পেয়ে নরম হয়,
সে সত্যিকারের মানুষ।
কঠিন হওয়া সহজ।
৪২.
সব ভালোবাসা প্রকাশ্যে নয়,
কিছু ভালোবাসা দায়িত্বে থাকে।
দায়িত্বই গভীর ভালোবাসা।
৪৩.
যে নিজেকে সময় দেয়,
সে জীবনের অর্থ খুঁজে পায়।
নিজের সঙ্গে সময় কাটাও।
৪৪.
সব হারানো ক্ষতি নয়,
কিছু হারানো শিক্ষা।
শিক্ষা কখনো বৃথা যায় না।
৪৫.
যে মানুষ ক্ষমা চায়,
সে ছোট নয়—সৎ।
সততা সাহস চায়।
৪৬.
নিজেকে জানার চেষ্টা করো,
অন্যকে বোঝা সহজ হয়ে যাবে।
ভিতরটা পরিষ্কার রাখো।
৪৭.
সব কিছু পাওয়াই সুখ নয়,
কিছু না পাওয়াতেই শান্তি।
প্রয়োজন আর লোভ আলাদা করো।
৪৮.
যে চুপ থাকতে পারে,
সে অনেক কথা বুঝে গেছে।
চুপ মানেই শূন্যতা নয়।
৪৯.
মানুষের সঙ্গে নয়,
তার ব্যবহারের সঙ্গে হিসাব করো।
মানুষ বদলায়, ব্যবহার কম।
৫০.
শেষ পর্যন্ত মানুষ
তার মানবিকতাতেই বেঁচে থাকে।
সবকিছু নয়, মানুষ হওয়াই আসল।
নীরবতার ভেতর লুকানো জীবনের পাঠ
১.
সব নীরবতা শূন্য নয়,
কিছু নীরবতা ভীষণ পরিপূর্ণ।
ওখানেই মানুষ নিজেকে খুঁজে পায়।
২.
যখন বলার ভাষা থাকে না,
নীরবতা তখন অনুভূতির অনুবাদ হয়।
সব অনুভূতি শব্দ চায় না।
৩.
নীরব মানুষরা কম জানে না,
তারা বেশি বুঝে ফেলে।
বোঝার ভারটাই তাদের চুপ করায়।
৪.
চুপ থাকা মানেই হার মানা নয়,
কখনো কখনো চুপ থাকাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
সব যুদ্ধ মুখে জেতা যায় না।
৫.
নীরবতা মানুষকে ভেঙেও দেয়,
আবার গড়েও তোলে।
ফারাকটা বোঝার ক্ষমতায়।

৬.
যে চুপ থাকে,
সে সবকিছু মেনে নেয় না—
সে নিজেকে রক্ষা করে।
৭.
নীরব মুহূর্তে মন সবচেয়ে জোরে কথা বলে।
শুধু শোনার মতো ধৈর্য থাকতে হয়।
সবাই সে ধৈর্য ধরে না।
৮.
সব প্রশ্নের উত্তর উচ্চস্বরে হয় না,
কিছু উত্তর নীরবতায় পাওয়া যায়।
ওগুলো অনুভবের বিষয়।
৯.
নীরবতা শেখায় অপেক্ষা করতে,
আর অপেক্ষা শেখায় সহ্য করতে।
সহ্য করাই মানুষ বানায়।
১০.
যে বেশি কষ্ট পেয়েছে,
সে কম কথা বলে।
কারণ সব কষ্ট ব্যাখ্যা করা যায় না।
১১.
নীরবতার ভেতর লুকিয়ে থাকে
অনেক অপূর্ণ কথা।
সব কথা বলা নিরাপদ নয়।
১২.
চুপ থাকা মানেই অনুভূতিহীন নয়,
কিছু অনুভূতি গভীর বলে চুপ থাকে।
গভীরতা শব্দ পছন্দ করে না।
১৩.
নীরব মানুষকে হালকা ভাবো না,
সে অনেক ঝড় পার হয়ে এসেছে।
ঝড়ের শব্দ সবসময় বাইরে থাকে না।
১৪.
যখন কেউ বোঝে না,
নীরবতাই তখন সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী।
সে বিচার করে না।
১৫.
নীরবতা কখনো প্রতিবাদ,
কখনো প্রার্থনা।
পরিস্থিতিই তার অর্থ ঠিক করে।
১৬.
সব সম্পর্ক কথা চায় না,
কিছু সম্পর্ক নীরব বোঝাপড়া চায়।
ওখানেই বিশ্বাস থাকে।
১৭.
যে নীরব থাকতে পারে,
সে নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে জানে।
সবাই সেটা পারে না।
১৮.
নীরবতার ভেতর
নিজেকে নতুন করে চিনতে হয়।
এই চেনাটাই জীবনের পাঠ।
১৯.
কিছু নীরবতা প্রশ্ন তোলে না,
উত্তর হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
শুধু দেখার চোখ চাই।
২০.
সবশেষে নীরবতাই শেখায়—
সবকিছু বলাই প্রয়োজন নেই।
কিছু বোঝাই যথেষ্ট।
মানুষ হওয়ার পথে কিছু সত্য কথা
১.
মানুষ হওয়া মানে নিখুঁত হওয়া নয়,
ভুল বুঝে ঠিক করার চেষ্টা করা।
এই চেষ্টাটাই মানুষ বানায়।

২.
সবাই বড় হতে চায়,
কিন্তু সবাই পরিণত হতে চায় না।
পরিণতিই মানুষ হওয়ার শুরু।
৩.
যে অন্যকে ছোট করে,
সে আসলে নিজের ভেতরটাই ছোট রাখে।
মানুষ হওয়া শেখায় সম্মান।
৪.
মানুষ হওয়ার পথে
নিজের অহংকার ভাঙতেই হয়।
ভাঙা অহংকারেই মানবিকতা জন্মায়।
৫.
সব সত্য বলা যায় না,
কিন্তু মিথ্যে বলে মানুষ হওয়া যায় না।
সততাই ভিত্তি।
৬.
যে কষ্ট বোঝে,
সে কষ্ট দিতে ভয় পায়।
এই ভয়টাই মানুষি।
৭.
মানুষ হওয়া মানে
শুধু নিজের কথা ভাবা নয়।
অন্যের অবস্থান বোঝাও দায়িত্ব।
৮.
সব জয় বাহবা আনে না,
কিছু জয় নীরব থাকে।
নীরব জয়ই চরিত্র গড়ে।
৯.
ভুল স্বীকার করতে পারা
একটা বড় গুণ।
এখান থেকেই সম্মান শুরু।
১০.
মানুষ হওয়া মানে
সবসময় ঠিক থাকা নয়,
ঠিক থাকার চেষ্টা করা।
১১.
যে ক্ষমা করতে জানে,
সে নিজের ভেতরের অন্ধকার জয় করেছে।
এই জয়টা সবার হয় না।
১২.
সব সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না,
কিছু ছেড়ে দিতে হয় নিজেকে বাঁচাতে।
মানুষ হওয়াও আত্মরক্ষা।
১৩.
মানুষ হওয়া শেখায় ধৈর্য,
ধৈর্য শেখায় সময়ের মূল্য।
তাড়াহুড়ো মানুষ ভাঙে।
১৪.
যে মানুষ শুনতে জানে,
সে অনেক দূর এগিয়ে যায়।
শোনা একধরনের সম্মান।
১৫.
সব হাসি সুখের নয়,
কিছু হাসি লড়াইয়ের চিহ্ন।
লড়াই করাটাই মানুষি।
১৬.
মানুষ হওয়া মানে
অন্যের দোষ খোঁজা নয়,
নিজের দায় নেওয়া।
১৭.
সব মানুষ কাছের হয় না,
কিন্তু সবাই শিক্ষা দেয়।
এই শিক্ষাই পথ দেখায়।
১৮.
যে নিজেকে সম্মান করে,
সে অন্যকেও সম্মান করতে পারে।
সম্মান শেখা যায়।
১৯.
মানুষ হওয়ার পথে
মনটাকে নরম রাখতে হয়।
কঠিন মন মানুষ বানায় না।

২০.
শেষ পর্যন্ত মানুষকে
তার কথায় নয়,
তার আচরণেই চেনা যায়।
মন, মানুষ আর বাস্তবতার কথা
১.
মন সবসময় যা চায়,
বাস্তবতা সবসময় তা দেয় না।
এই ফারাকটাই মানুষ বানায়।
২.
মানুষ হাসে বাস্তবতার সামনে,
কিন্তু ভেঙে পড়ে মনের ভেতর।
ভেতরের ভাঙন কেউ দেখে না।
৩.
মন নরম হলে মানুষ ভাঙে,
মন শক্ত হলে মানুষ হারায়।
সমতা রাখাটাই বাস্তব বুদ্ধি।
৪.
সব কথা মানুষকে বলা যায় না,
কিছু কথা শুধু মনই বোঝে।
সেই বোঝাপড়াই বাঁচিয়ে রাখে।
৫.
বাস্তবতা শেখায় সহ্য করতে,
মন শেখায় অনুভব করতে।
দুটো মিললেই মানুষ পূর্ণ।
৬.
মানুষ চায় বোঝা যেতে,
কিন্তু বোঝার চেষ্টা কম করে।
এই দ্বন্দ্বটাই দূরত্ব বানায়।
৭.
মন যা সহ্য করে,
মানুষ তা দেখাতে পারে না।
সব যুদ্ধ নীরব।
৮.
বাস্তবতা অনেক সময় কঠিন,
কিন্তু সত্যিকারের।
মন তখন সত্যকে এড়িয়ে চলে।
৯.
মানুষ ভিড়ে থাকে,
কিন্তু মন একা পড়ে যায়।
এটাই আধুনিক একাকীত্ব।
১০.
মন মানে শুধু অনুভূতি নয়,
মন মানে দায়িত্বও।
দায়িত্ব না নিলে মানুষ ভাঙে।
১১.
বাস্তবতা সবাই মানে না,
কিন্তু একদিন সবাইকে মানতে হয়।
মন তখন প্রস্তুত থাকলে ভালো।
১২.
মানুষ কথা বলে প্রয়োজনের সময়,
মন কথা বলে নিঃশব্দে।
শোনার লোক আলাদা।
১৩.
মন যা চায় সবসময় ঠিক হয় না,
কিন্তু মনকে উপেক্ষা করাও ভুল।
ভারসাম্যটাই আসল।
১৪.
বাস্তবতা মানুষকে বদলায়,
মন মানুষকে ধরে রাখে।
দুটোর লড়াই চলতেই থাকে।
১৫.
মানুষ চায় শক্ত হতে,
মন চায় শান্ত হতে।
শান্ত শক্তিই সবচেয়ে টেকসই।
১৬.
সব অনুভূতি প্রকাশ করলে
মানুষ সহজ হয়ে যায়।
কিন্তু সবাই নিরাপদ নয়।
১৭.
বাস্তবতা শেখায় সীমা টানতে,
মন শেখায় বিশ্বাস করতে।
ভুল হলে শিক্ষা মেলে।
১৮.
মানুষ অনেক কিছু সহ্য করে,
মন কিন্তু সব মনে রাখে।
সময়ে যত্ন না নিলে ভার হয়।
১৯.
মন ভালো থাকলে
বাস্তবতাও সহনীয় লাগে।
মনটাই প্রথম যত্ন।
২০.
শেষ পর্যন্ত মানুষ
বাস্তবতার সঙ্গে সমঝোতা করে,
কিন্তু মন নিয়ে বাঁচে।
জীবন বুঝতে শেখা কয়েকটি অনুভব
১.
জীবন বইয়ের মতো নয়,
এটা পড়তে পড়তেই বদলে যায়।
শেষ পাতা আগে দেখা যায় না।
২.
কিছু অভিজ্ঞতা কষ্ট দেয়,
কিন্তু চোখ খুলে দেয়।
সব শিক্ষা নরম হয় না।
৩.
জীবন বোঝা শুরু হয়
যেদিন অভিযোগ কমে,
দায়িত্ব নেওয়া বাড়ে।
৪.
সব কথা মানুষকে বলা যায় না,
কিছু কথা শুধু মনই বোঝে।
সেই বোঝাপড়াই বাঁচিয়ে রাখে।
৫.
জীবন শেখায় ছেড়ে দিতে,
ধরে রাখাই সবসময় বুদ্ধি নয়।
হালকা হলেই পথ সহজ।
৬.
যে কম চায়,
সে বেশি পায়—শান্তি।
শান্তিই আসল প্রাপ্তি।
৭.
জীবন সবাইকে একইভাবে শেখায় না,
যাকে যা দরকার, তাই দেয়।
এই বৈচিত্র্যই বাস্তব।
৮.
সব হারানো ক্ষতি নয়,
কিছু হারানো মুক্তি।
এই বোঝাটাই দেরিতে আসে।
৯.
জীবন বোঝা যায়
মানুষ হারানোর পর,
না পাওয়ার মাঝেই গভীরতা।
১০.
যে নিজের সঙ্গে থাকতে পারে,
সে জীবনের একাকীত্ব বুঝে ফেলে।
একাকীত্ব মানেই দুর্বলতা নয়।
১১.
জীবন শেখায় ধৈর্য,
ধৈর্য শেখায় বিশ্বাস।
বিশ্বাসেই পথ টেকে।
১২.
সব সময় এগিয়ে চলাই উন্নতি নয়,
কখনো থেমে তাকানো দরকার।
থামাতেও শিক্ষা আছে।
১৩.
জীবন বুঝতে শেখায়
কাকে দরকার, কাকে নয়।
এই বাছাই কঠিন।
১৪.
সব হাসির পেছনে আনন্দ নেই,
কিন্তু সব কান্নাই দুর্বলতা নয়।
জীবন দুই দিকই দেখায়।

১৫.
জীবন মানুষকে নরম করে,
না হলে কঠিন করে ফেলে।
বেছে নেওয়াটা আমাদের।
১৬.
যে অপেক্ষা করতে শেখে,
সে তাড়াহুড়োতে ভাঙে না।
সময় সব প্রকাশ করে।
১৭.
জীবন বোঝায়
সবাই পাশে থাকবে না,
কিন্তু নিজেকে রাখতে হবে।
১৮.
সব প্রাপ্তি চোখে দেখা যায় না,
কিছু প্রাপ্তি মনে থাকে।
মনের হিসাব আলাদা।
১৯.
জীবন যতটা জটিল,
আমরা তাকে ততটাই কঠিন করি।
সরলতাই মুক্তি।
২০.
শেষ পর্যন্ত জীবন
আমাদের বদলে দেয় না,
আমাদের আসলটা বের করে আনে।
আত্মসম্মান, ধৈর্য ও মানবিকতার গল্প
১.
আত্মসম্মান চিৎকার করে না,
নীরবে নিজেকে আগলে রাখে।
এই নীরবতাই শক্তি।
২.
যেখানে আত্মসম্মান থাকে,
সেখানে অপমান বেশি দূর যায় না।
সীমা নিজে টানা শিখতে হয়।
৩.
ধৈর্য মানে সব সহ্য করা নয়,
কখন থামতে হবে তা জানা।
থামাটাও সাহস।
৪.
মানবিকতা শেখায় বুঝতে,
বিচার করতে নয়।
সব গল্পের দু’টা দিক থাকে।
৫.
আত্মসম্মান হারিয়ে পাওয়া ভালোবাসা
ভালোবাসা নয়—অভ্যাস।
ভালোবাসা মর্যাদা চায়।
৬.
ধৈর্য মানুষকে বড় করে,
কিন্তু নীরব অন্যায় মেনে নেওয়া
ধৈর্য নয়।
৭.
মানবিক মানুষ কম কথা বলে,
কিন্তু বেশি অনুভব করে।
অনুভবই তাকে আলাদা করে।
৮.
আত্মসম্মান মানে
নিজেকে কারও কাছে ছোট না করা।
এটা অহংকার নয়।
৯.
ধৈর্য না থাকলে
সত্যও রাগে হারিয়ে যায়।
শান্ত মনেই সত্য টিকে।
১০.
মানবিকতা তখনই বোঝা যায়,
যখন লাভ নেই,
তবু পাশে থাকা যায়।
১১.
আত্মসম্মান শেখায়
সব সম্পর্ক ধরে রাখতে নেই।
কিছু ছাড়াই বাঁচা।
১২.
ধৈর্য মানে অপেক্ষা করা নয়,
নিজেকে ভাঙা থেকে বাঁচানো।
এটাই আসল সংযম।
১৩.
মানবিকতা মানে
অন্যের কষ্টকে নিজের মতো দেখা।
এই দেখাটাই মানুষ বানায়।

১৪.
আত্মসম্মান থাকলে
একাকীত্ব ভয় দেখায় না।
নিজের সঙ্গে থাকা শেখায়।
১৫.
ধৈর্য মানুষকে ধীর করে না,
ভুল থেকে দূরে রাখে।
তাড়াহুড়ো ক্ষতি আনে।
১৬.
মানবিকতা কোনো মুখোশ নয়,
এটা অভ্যাস।
অভ্যাসেই চরিত্র।
১৭.
আত্মসম্মান মানে
সব কথায় রাজি না হওয়া।
না বলাটাও প্রয়োজন।
১৮.
ধৈর্য থাকলে
রাগ কথা বলে না।
নীরবতাই সিদ্ধান্ত নেয়।
১৯.
মানবিক মানুষ সহজ নয়,
সে সচেতন।
সচেতনতা থেকেই সহানুভূতি।
২০.
শেষ পর্যন্ত মানুষ
তার শক্তিতে নয়,
তার মানবিকতায় মনে রাখা হয়।
শেষ কথা :
প্রিয় বন্ধুরা, আমাদের লেখা এই উপদেশ মূলক কথা ও উক্তি গুলো আপনাদের কাছে কেমন লাগলো, তা আমাদের জানাতে পারেন নিচে কমেন্ট করে । আমরা এখানে আরো অনেক নতুন নতুন উক্তি যোগ করবো, তাই আমাদের সাথেই থাকবেন আর আমাদের সাইট সবার সাথে শেয়ার করবেন । ধন্যবাদ ।
Valo