গরম নিয়ে মজার উক্তি উক্তি স্ট্যাটাস ছন্দ কবিতা ও কিছু কথা পোস্ট করা হলো এখানে । পড়ে দেখুন অনেক ভালো লাগবে । গরমের সময়ে আমরা অনেক ধরণের কাজের ফাঁকে অনেক কবিতা ও গল্প পড়ে থাকি । এর জন্য আজ আমরা এখানে গরম নিয়েই কিছু লিখলাম ।
গরম নিয়ে মজার উক্তি :
১. শুকনো ঠোঁট, অসার আঙ্গুল
তৃষ্ণা আমার বুক জুড়ে,
বিষ ঢেলেছে কেউ রোদের আলোয়
রক্ত মাংস যায় পুড়ে।
২. শুষ্ক বালি
ডালপালা ক্লান্ত
চাতক মাখছে রোদ…
তপ্ত বাতাস
আগুন হাওয়া
একটানা বিরক্তিবোধ…
৩. উষ্ণতা বাসা বেঁধেছে, সারাটা শরীর জুড়ে
প্রতিনিয়ত গলছি আমি, যাচ্ছি পুড়ে
গ্রীষ্ম আমায় আকড়ে ধরে।
আরো আছেঃ>>> সূর্য নিয়ে উক্তি
৪. মাথার উপর বেহিসেবি অরুণ আলো
জামার কলার, গোঁফের আড়াল, ঘামছে দাড়ি;
ক্লান্ত চোখে অন্ধকার, দেখছি কালো
বুক পকেটের পয়সাগুলো ভিজে যাচ্ছে ভারী।
৫. ভিজছি আমি রোদ দুপুরে
ঘামের গন্ধে টাল মাতাল,
শুকনো ঠোঁট, খুঁজছে জল
জল আগলে ওই পাতাল।
৬. আমিও সন্তানহীন এগিয়ে আসবে, একপা দুপা তুলে
তুমি চাইবে যেতে কোনো এক গরম দুপুর ভেবে ভুলে।
৭. হদিস হারিয়েছিলে গরম কোন চৈতালি নীড়ে
সন্তাপহীন মরু বালু, স্মৃতির আধিতে ঘিরে।
৮. গরম তুমি চরম বড়
আজ বৃষ্টিতে ফুল মুডে,
বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝর বৃষ্টিকেও
ঠেলে দিলে ব্যাক ফুটে।
৯. তপ্ত গ্রীষ্মে কবিতাগুলোর
হারিয়েছে যে সুর,
উষ্ণ বাতাস জানিয়ে গেলো
বর্ষা অনেক দুর।
১০. রাগের মাথায় অভিমান ঢালিস না রোদ কমলে,
বাধাস না কামজ্বর আমি ছাড়া একলা বিকেলে।

গরম নিয়ে মজার ছড়া:
১.
রোদ্দুর ডাকে — “এসো ভাই,
ঘেমে নাও, আরাম পাই।”
ঘাম ঝরে, মাথা ঘোরে,
চায়ের দোকান কোল্ড ড্রিংকে ভরে।
২.
গরমে সব পাকা আম,
পিঠে ঘামে জমে জ্বালাম।
বাতাস বলে, “সাবধান!
এই তাপে করো না হাটাহাটা প্রাণ!”
১১. হায়রে গরম
শরীরটা করলি নরম
কারেন্টের যা ধরন
বলতে লাগে শরম
১২. ঝরছে ঘাম কমছে পানি
বৃষ্টি হবে কখন জানি
দিনের রোদে ধরলো মাথা
কেউ ছিলনা ধরতে ছাতা।
১৩. কষ্টের নেই শেষ
হায়রে ডিজিটাল দেশ,
ভালো নেই মনটা
I miss you ঠান্ডা।
১৪. সবকিছুকেই নিয়ে ছিলাম আমি বেশ,
গরম নামে রোগে আজ প্রায় শেষ।
১৫. বেশি গরম লাগলে অজ্ঞান হয়ে থাকার ভান ধরে পরে থাকুন
দেখবেন আশেপাশের সবাই বাতাস করতেছে।
১৬. উত্তাপ আগুনের শিখায় জ্বলছি আমি
চাইছি তোকে বৃষ্টি রূপে,
জ্বলছে অঙ্গ, পুড়ছে হৃদয়
তুই আছিস তোর আপন মনে।
তবুও বলবো ভালোবাসি সেই তুই টাকেই।
১৭. উত্তাপে গলে গেলো রাত,
ঘাম ভেজা বালিশে-
খুঁজেছি ঘুম সেই থেকে
সুপ্রভাত।
১৮. হে মেঘ -তরঙ্গ
যে সুখ – বাতাস তুমি ধরিয়েছ বুকে
মন জুড়ালো তার শীতল স্নেহে,
শুধু একটি কামনা বর্ষা ডাকো
বিছায়ে দাও আদর, এই কর্কশ মৃত্তিকার দেহে।
১৯. যা গরম, যখন দাড়িয়ে দাড়িয়ে বাষ্পীভূত হয়ে যাবো,
শুধু জানতে পারবে আবহাওয়া অফিস।

২০. গরমকাল is not গরমকাল without:
১. আম
২. গরমের ছুটি
গরম নিয়ে ছোট্ট গান (ধুনে ভাবুন লোকসুরে):
শিরোনাম: “ওরে রে গরম!”
(ছন্দময় ও হাস্যরসাত্মক)
ওরে রে গরম, কী করলি দেহটা,
ঘামে ভিজে গেছে জামা আর পেটা।
ফ্যান ঘোরে ঘরজুড়ে, তবু যেন পুড়ি,
জল দাও বঁাচাও, ঠান্ডা একটুখানি জুড়ি।
আম নেই মুখে, ছুটি নেই হাটে,
তবুও তো রোদের সাথে যুদ্ধ চলেই রাতে।
ও গরম ও গরম, এবার বুঝে যা,
শীত এলে দেখাবো আমি কেমন ঠান্ডার রাজা!
২১. নরম পথে গরম খানি
পাবে তুমি অনেক খানি।
২২. ভ্যাপসা গরমের পরে
ঝর বৃষ্টির রাত,
আমার ব্যর্থতার ইতিহাস।
২৩. শরৎ হেমন্ত আর বসন্তের বয়স হয়ে গেছে।
তাই এরা ঋতু চক্র থেকে অবসর নিয়েছে।
খালি পাজিটা ক্যালেন্ডারে রয়ে গেছে।
২৪. রোদ হুমকি, ভ্যাপসা গরম, ক্লান্তিকর ঘাম
ক্ষনিকের সুখ প্রাপ্তি, আম লিচু আর জাম।
২৫. শেষ হলো শীতের দিন,
সামনে আসিতেছে গরমের দিন।
ঘামতে হবে ঘাম টিনা টিন ঘাম,
আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন।
২৬. এসো হে শীত, এসো এসো।
চরম গরমে অতিষ্ঠ প্রাণ।
রজনী কাটে বিনিদ্র
২৭. বৃক্ষ পাতা দোল খায়
গ্রীষ্ম দিনে হঠাৎ এলো
মেঘলা আকাশ শীতল বাতাস,
গরম থেকে স্বস্তি দিতে
যেন সুখের মিষ্টি আভাস।
২৮. গ্রীষ্মের এই দিনে
মাঠ ঘাট হাট পোড়ে
তীব্র রোদের ঝলকে,
গ্রীষ্মের এই খরা দিনে
গরম ধরে পলকে।
২৯. গরম তো নয় যেন লাগছে বিষন্ন ক্লান্তি,
গলা যেন শুকিয়ে আসে প্রতি সেকেন্ড অব্দি;
গরম তো নয় সে যেন আগুনেরই গোলা
তাপ সে তো নয় যেন আগুনেরই হেলা…..
৩০. বিষন্ন এই গরম তাপে,
কেমন জানি আছি চাপে;
কেমন জানি হাঁপিয়ে উঠি
ইচ্ছে করে যেন শুধু পানিতে থাকি।

গরম নিয়ে ছন্দ কবিতা:
“উত্তপ্ত শহরে”
রোদে পোড়া রাজপথে
ছায়া খোঁজি হাঁটতে হাঁটতে।
ঘামে ভেজা চোখের পাতায়
নেমে আসে ক্লান্তির রাত।
পিচ গলে, মন গলে যায়,
শহর যেন আগুন ছায়া,
একফোঁটা বৃষ্টির আশায়
দূরদিগন্ত তাকিয়ে থাকি!
স্ট্যাটাস / ক্যাপশন আইডিয়াস
১.
🔥 গরমে ঘাম ঝরে, তবু মুছে না হাসি —
এই গ্রীষ্মেও চলুক মজার ছড়ায় আদি রাশি! 😄🍹
#গরমদিনেরছড়া #BanglaSummerFun
২.
😓 রোদ্দুরের ডাক, ঘামের ভেজা জামা,
তবু ছড়ায় ছন্দ, মজায় কেটে যায় গ্রীষ্মের খামখেয়াল! 🎵🌞
#গরমবাজি #SummerPoetry #হাসিরছড়া
৩.
“ওরে রে গরম”—শুধু গলা শুকায় না, ছন্দও ফুটে উঠে ঘামে ভেজা পঙ্ক্তিতে! 😂🔥
#গরমেওআছেগান #BanglaFunVerse
৪.
গরম যতই জ্বালাক, মজাটা কিন্তু ঠিকই আছে!
পাকা আম, ঠাণ্ডা কোল্ড ড্রিংক, আর রসাল ছড়া—সব মিলিয়ে পরিপাটি! 🍧🥭
#গ্রীষ্মরস #গরমদিনেরগল্প
৫.
☀️ “শহর গলে, মন গলে, তবুও কবিতা থামে না!”
গরম মানেই ঘাম নয়, স্মৃতিও গরম! 💬
#উত্তপ্তশহরে #ছায়ারকবিতা
৬.
রোদে পোড়া হোক কিংবা ঠাণ্ডা ফ্যানের নিচে আয়েশ—
এই গ্রীষ্মও আমাদের জীবনের এক ঝলমলে অধ্যায়! 🌴🌈
#গ্রীষ্মদিন #LifeInHeat
৭.
❄️ “তাপমাত্রা এমন, ফ্রিজ খুললেই মনে হয় বেহেশতের দরজা!” — কে লিখেছে এমন অসাম punchline? 😂
#HotButCool #ছন্দপোকা
গরম নিয়ে ছন্দ বাক্য বা punchlines:
১. “গরম এত যে, রোদকে বলেছি— একটু ছুটিতে যা ভাই!”
২. “তাপমাত্রা এমন, ফ্রিজ খুললেই মনে হয় বেহেশতের দরজা!”
৩. “যতই গরম হোক, অফিস যেতে হবে— এটাই আসল তাপ!”
৪. “গ্রীষ্মের প্রেম মানে— একসাথে বসে ঘাম ঝরানো!”
৫. “গরমে মানুষ না, আইসক্রিমই টিকে থাকে longest!”

গরমের সময় শরীর ও মনের অবস্থা নিয়ে মজার উক্তি
১.
গরমে আমার শরীর কাঁপে না, কেবল ঘামতে থাকে!! ফ্যানটি আমার নতুন সেরা বন্ধু বলে মনে হচ্ছে।
২.
এই গরমে, ঘামের বাষ্পীভবন খুব বেশি, তাই তোয়ালে এবং ফ্যান একসাথে যেতে পারে না। একটু ঠান্ডা হলে আরও সুন্দর লাগবে।
৩.
যখন আমি রোদে বের হই তখন আমার শরীর এমনভাবে মোহিত হয় যেন মাটির পাত্র গরম করা হয়েছে! শরীর চিৎকার করে বলে, এসি চালু করো।
৪.
রাগে আমার জ্বালা হতে পারে কিন্তু ঘামে সবকিছু ধুয়ে যায়। এটি গরম জিনিসের সঙ্গীত!
৫.
লাল আগুনে পুড়ে যাওয়া কেকের মতো হাঁটার মতো বিনয় ব্যবহার করা। মস্তিষ্কের ঠান্ডা পানীয় এবং বরফ প্রয়োজন।
৬.
গরমের সময় চালু থাকা ফ্যান চিন্তাশীল মনকে মনে করিয়ে দেবে যে এটিকে বাঁচানোর জন্য কিছু না করা হলে এটি সমস্যায় পড়বে। এই উক্তিতে ঘাম বলে যে, আমি তোমার বন্ধু।
৭.
এসি ছাড়া গরমে ঘুমানোর সুযোগ নেই। ঘুম থেকে উঠলে মনে হয় যেন আমি গরম সেলুনে আছি।
৮.
যখন আমি নিজেকে প্রচণ্ড রোদে পাই, তখন আমার মনে হয় যেন আমার শরীর ভাজা মাংস। এমন দিনে এক গ্লাস ঠান্ডা জলের মতো আর কিছু নেই।
৯.
গরমের দিনে ঘাম ঝরানোর পর নিজেকে মোছার জন্য তোয়ালে ছাড়া জীবনে সবকিছুই পূর্ণ থাকে না। তবে, ঠান্ডা বাতাসের উপস্থিতিতে মন আনন্দিত হয়।
১০.
আর গরমের দিনে মন, এক গ্লাস বরফ ধরে রাখার অনুভূতি পাবে, বরফের নীচে। শরীর মনকে বলে, আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে পারো।
১১.
গরমের দিনে ফ্যান চালু করা ছাড়া আর কী করার আছে! আমি এতটাই ব্যস্ত থাকি যে এখন মশারাও অন্য মহাদেশে থাকে।
১২.
গ্রীষ্মে, আমার মাথা গরমে ভরে যায়। কিন্তু আমি হেসে ফেলি, এসির কাছাকাছি থাকার মাধ্যমে বেঁচে থাকার এটাই পথ।
১৩.
যখন আমি রোদে দাঁড়িয়ে থাকি, তখন যখন বেশ গরম থাকে, তখন মাইক্রোওয়েভে বসে থাকার অনুভূতিও আমার হয়। শরীর বলে, দয়া করে আমাকে ছায়া দাও।
১৪.
ঘাম তাপের সাথে তার বন্ধুত্ব করেছে। আমার মাথায় যা চায় তা হলো শীতলতা এবং আরাম।
১৫.
এটা এমনভাবে বোঝা যায় যেন আমি গরমে হাঁটছি এবং আমার সারা শরীরে আগুনের স্বাদ পাচ্ছি। এই এসি ব্যবহার করে বেঁচে থাকা সম্ভব হলেই জীবনের সফল উদ্ধার হওয়া উচিত ছিল।
১৬.
ঘাম ঝরতে থাকাকালীন গরম, বরফ খেতে মন চাইছিল। মন এবং শরীরের মধ্যে কী বিশৃঙ্খলা!
১৭.
গরমে থাকাকালীন, কেউ আরাম দেওয়ার জন্য এয়ার কন্ডিশনিং চালু করতে পারে। কিন্তু, বাইরে বেরোনোর সাথে সাথেই আমার মনে হয় যেন আমি আগুনে পুড়ে যাচ্ছি।
১৮.
আমি আমার শরীর থেকে ফোঁটা ফোঁটা ঘাম বের হতে এবং এই ধরণের তাপ অনুভব করতে পারি। মাথায় পাখা এবং তোয়ালে ছাড়া জীবন এত সহজ নয়।
১৯.
যখন আমি এসির শব্দ শুনি তখন আমি বেশি আরামদায়ক বোধ করি। ঘাম মুছতে আমি তোয়ালে এবং বরফের গ্লাস পছন্দ করি।
২০.
যখন আমি গরমের দিনে রোদে থাকি তখন ভেতরে যথেষ্ট গরম থাকে, যাতে আমি ভাবতে পারি মাটির পাত্রটি উষ্ণ। তাই ঠান্ডা পানীয় এবং পাখা আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

গরম নিয়ে মজার বাংলা মিম এবং ব্যঙ্গাত্মক উক্তি
১.
যখন গরম থাকে, মশারা এমনকি বলে, দুই দিন ছুটি, আমি ঠিক থাকবো। আর আমরা? আমরা শুধু এসি চাই!
২.
যখন তুমি রোদে দাঁড়িয়ে থাকো এবং তোমার মনে আসে, তখন তুমি ভাবো, আমি হয়তো গরমের রাজা। কিন্তু, যখনই তুমি এসি চালু করো, তখনই রাজত্ব শেষ!
৩.
গরমের সময়, এসি জীবন বাঁচানোর ব্যাপার এবং ফ্যান পাগলদের সমস্যা।
৪.
যখন গরম পড়ে, তখন ঘাম এত বেশি হয় যে মনে হয় যেন তোমার উপর দিয়ে জলের স্রোত বয়ে যাচ্ছে!
৫.
গরমের সময় রোদ এতটাই গরম হয়ে যায় যে রোদও ছুটিতে যাওয়ার মতো মনে হয়।
৬.
আজকাল গরমের সময় শরীর থেকে ঘাম ঝরছে, এবং মস্তিষ্ক ঠান্ডা থাকার জন্য লড়াই করছে।
৭.
গরমের দিনে কাজ করার ইচ্ছা নিজেকে যন্ত্রণা দেওয়া।
৮.
মশারাও গরমে ঠান্ডা হতে চায় আর আমরা এসির নিচে।
৯.
গ্রীষ্মকালে গরমের কারণে আমার মোবাইলের ব্যাটারি যেমন দ্রুত শেষ হয়ে যায়, ঠিক তেমনি আমার ধৈর্যও ফুরিয়ে যায়।
১০.
গরমে ঘরে ফ্যান লাগিয়ে ঘুমানো, মাঝারি আয়ের জন্য, আপনি যেন একটি ছোট স্বর্গে বাস করেন।
১১.
গরমে বাইরে বেরোতে চাওয়া, নিজের প্রতি অমানবিক হওয়া।
১২.
গরমে এসির পাশে থাকা মানে জীবনের সংগ্রামে জয়লাভ।
১৩.
যখন গরম থাকে এবং আপনি ঘামতে থাকেন, তখন মনে হয়, আমি জল হয়ে যাব।
১৪.
গরমের দিনে মশারাই বলবে, আজ আমার ছুটি হবে, খুব গরম।
১৫.
প্রখর রোদে, জীবন ছাতা ছাড়াই রোদে পোড়া পোড়ার মতো।
১৬.
তাপমাত্রার তাপ দেখলে আপনি বলবেন, আজ পৃথিবী মশলার পৃথিবী!
১৭.
প্রখর রোদে বেঁচে থাকা মানে এসি ছাড়া আগুনে বেঁচে থাকা।
১৮.
তুমি জানো যখন তুমি গরমে দাঁড়িয়ে থাকো এবং তোমার মনে হয়, ‘আমার শরীর অদৃশ্য হয়ে গেছে, যা অবশিষ্ট আছে তা কেবল আগুন।’
১৯.
গরমে হাঁটতে হাঁটতে তোমার মনে হয়, ‘আমি একটা পোড়া পিঠা।’
২০.
গরমে মশাও বলে, ভাই, আজ আমি বাইরে বের হব না।

গরম নিয়ে মজার প্রেমের ক্যাপশন
১.
তুমি আর আমি, গ্রীষ্মে উষ্ণ হও।
২.
তোমার হাসি যেন শুষ্ক স্তন্যপায়ী প্রাণীর পেটে তাজা বাতাস।
৩.
তোমার ভালোবাসা শীতল, যেমন গ্রীষ্মে এসি ইউনিট চালু করতে হয়।
৪.
গ্রীষ্মের দিনে আমি প্রচুর ঘাম ঝরিয়ে তোমার হাতে শীতল বোধ করি।
৫.
পরের বার যখন আমি গরমে তোমার সাথে দেখা করব, তখন ঠান্ডা লাগে যেন এটি একটি ফ্রিজ।
৬.
তোমার ভালোবাসা গ্রীষ্মের সূর্যের মতো উষ্ণ।
৭.
গ্রীষ্মে যখন গরম থাকে আমি তোমার সাথে থাকতে চাই যাতে আমি শীতল হতে পারি।
৮.
তুমি আমার দিকে হাসো এবং আমার হৃদয়কে বরফের মধ্যে ঠান্ডা করো, গরম দিনের মতোই ঠান্ডা।
৯.
গ্রীষ্মে, আমি এসির নিচে বসে তোমার প্রেমের ভাবনায় ডুবে যাই।
১০.
আমি আমার গ্রীষ্মের রোদ ছায়া।
১১.
ঘাম ঝরিয়ে চুমু খাই এবং তোমার গ্রীষ্মের জন্য শরীরকে সতেজ করি।
১২.
গ্রীষ্ম আর আমার রোদে পোড়া, তোমার বাহুতে আমি ধ্বংস হয়ে যাই।
১৩.
তুমি আমার শীতল সম…আর বাতাস।
১৪.
যখন আমি শীতল ও গরম থাকি তখন আমার হৃদয় ঠান্ডা হয়ে যায়।
১৫.
আমি এসিতে থাকি তোমার ভালোবাসার উত্তাপে আমার জীবন এসি দিয়ে ঘেরা।
১৬.
যখন দিনের আলোয় আমাদের দেখা হয় তখন একজন ব্যক্তি বরফের মতো ঠান্ডা বোধ করেন।
১৭.
যখন গ্রীষ্মে ধোঁয়াশা আর গরম থাকে, তখন ভালোবাসার কারণে আমি তোমার উপস্থিতিতে আনন্দিত হই।
১৮.
তোমার ভালোবাসার মাঝে তোমাকে দেখা, তোমার আদর দেখা, না দেখা আমার জন্য অনেক আনন্দের।
১৯.
সূর্য উজ্জ্বল: তোমার চোখ শান্ত।
২০.
যখন সূর্য ওঠে, আমি একটি ছাতা পেতে চাই এবং জীবনে ভালোবাসতে চাই।

গরম নিয়ে অফিসের মজার স্ট্যাটাস
১.
অফিস এত গরম যে, আমার মনে হয় এসি ছাড়া টেবিলে গলে গিলে খাবো!
২.
এটা যেন গরমে অফিসে কাজ করা, বসে থাকা আর ঘাম ঝরানো, নিজেকে পুড়িয়ে ফেলার মতো।
৩.
গরমে অফিসের ফ্যান কেবল একটা প্রদর্শনীর জিনিস, কোনও শ্রমসাধ্য হাতিয়ার নয়!
৪.
অফিসের তাপমাত্রাকে এসি বন্ধ করলে পোড়া মাংসের সাথে তুলনা করা যেতে পারে।
৫.
আমি গরমে অফিসে থাকি এবং মনে হয় ঘামের ধারা বইছে।
৬.
গরমের দিনে, যখন আমি অফিসে কাজ করতে যাই, তখন মনে হয় আমি আগুনে রান্না করছি।
৭.
গরমের সময় অফিসে এসি না থাকলে ঘাম এবং ব্যথা একে অপরের সাথে থাকে।
৮.
আর গরমের সময় ল্যাপটপ গরম করার এবং গ্রীষ্মের গরমের মধ্যে এটি একটি যুদ্ধ!
৯.
গরমের সময় অফিসে থাকা মুহূর্তটি আমার কেবল ফ্রিজের সামনে থাকার কথাই মনে পড়ে।
১০.
গরমের মধ্যে আমি অফিসে স্তনবৃন্তের প্রত্যাশা নিয়ে বসে থাকি।
১১.
গরমে অফিসে কাজ করার ফলে তোমার শরীর গরম হয়ে যায়, কিন্তু তোমাকে হাসতে হবে!
১২.
এসি ছাড়া অফিসে গরমে কাজ করা একধরনের যন্ত্রণা।
১৩.
গ্রীষ্মকালে অফিসের ঘাম এবং ল্যাপটপের তাপ একত্রিত হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি তৈরি হচ্ছে।
১৪.
গ্রীষ্মকালে অফিসের সামনের অংশ; মানে ঘামের সমুদ্রে হাত-পা ডুবিয়ে দেওয়া।
১৫.
গ্রীষ্মের দিনে অফিসে বসে থাকা এবং এসির তাপমাত্রার সাথে লড়াই করা।
১৬.
গ্রীষ্মকালে অফিসে কাজ করা আত্ম-যন্ত্রণা।
১৭.
গ্রীষ্মকালীন অফিসের ফ্যান হল ছবির শুটিংয়ের সরঞ্জাম।
১৮.
গ্রীষ্মকালে অফিসে এসি চালু করলে ভালো লাগে, অন্যথায় রান্নাঘরেই থাকতে হবে!
১৯.
গ্রীষ্মকালে অফিসে বসে ভাবছেন যে আজ অফিস বন্ধ আছে কিনা!
২০.
গ্রীষ্মকালে, যখন অফিসে এসি বন্ধ থাকে এবং ফ্যান লাগানো থাকে, তখন আপনার কাজ করতে ইচ্ছা করবে না।

গরম নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ মজার ক্যাপশন
১.
গরমের দিনে, সব বন্ধুরা এসির নিচে থাকে। ফ্যান চালু থাকে এবং গল্প শুরু হয়, দ্বিগুণ সুন্দর।
২.
ছাতা ব্যবহার করে গরমে সঙ্গীদের সাথে হাঁটা একটি অ্যাডভেঞ্চার!
৩.
ঠান্ডা আইসক্রিমের স্বাদে এমন কিছু বিশেষত্ব রয়েছে যা খেতে সত্যিই এত ঠান্ডা করে তোলে এবং একসাথে মন শীতল করে তোলে।
৪.
গরমের দিনে বন্ধুরা এবং ঠান্ডা পানীয়ের স্বাদ আলাদা।
৫.
ফ্যানের ছায়ায় বন্ধুদের সাথে কথা বলা, জীবনের ছোট্ট আনন্দ।
৬.
গ্রীষ্মের সময় বন্ধুর সাথে কথোপকথন সমস্ত সমস্যা বাড়িয়ে তোলে।
৭.
গরমের মধ্যে বন্ধুত্বের ছায়ায় আমরা সবাই শীতল হই।
৮.
স্মৃতির মিষ্টি হল গরমের মধ্যে বন্ধুদের সাথে আইসক্রিম খাওয়া।
৯.
ভিন্ন রঙের বন্ধুত্ব, গরমের মধ্যে এসির নিচে আড্ডা।
১০.
রোদে সঙ্গীদের সাথে একসাথে হাঁটার অর্থ হল আপনার শরীর এবং আপনার মন শীতল জমিতে থাকা।
১১.
যখন তুমি গরমে বন্ধুদের সাথে খেলা করো, তখন তোমার মন হালকা হয়।
১২.
আর বন্ধুরা গরমে এসি চালু রেখে আড্ডা দেয়, ঘাম ঝরাতে কে পরোয়া করে!
১৩.
গ্রীষ্মে আমরা সবাই বন্ধুত্বের ছায়ায় একসাথে থাকি।
১৪.
গ্রীষ্মকাল মজার, যখন কেউ ফ্যানের শব্দ শুনতে পায় এবং বন্ধুদের সাথে হাসে।
১৫.
যখন তুমি তোমার বন্ধুদের সাথে এক গ্লাস বরফ পান করো, তখন দিনটা গ্রীষ্মের মতোই উড়ে যায়।
১৬.
গ্রীষ্মের গরমেও বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া শরীর ও মনকে প্রশান্ত করে।
১৭.
গ্রীষ্মকালে বন্ধুদের সাথে কথা বলা জীবনকে আনন্দময় করে তোলে।
১৮.
গ্রীষ্মকালে বন্ধুদের সাথে হেসে তা মুছে ফেলার জন্য ঘাম ঝরানো আনন্দদায়ক।
১৯.
গ্রীষ্মকালে, বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়ানোর অর্থ হল শরীর ঠান্ডা থাকে এবং মন ভালো থাকে।
২০.
গ্রীষ্মকালে যখন কেউ তার বন্ধুদের সাথে হাসে, তখন সে গ্রীষ্মের তাপ ভুলে যায়।

গরমের কষ্টকে হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে প্রকাশ
১.
এত গরম যে, মনে হচ্ছে আমার শরীর এখন থেকে জ্যামের গ্লাস! আমি এটা খুলতে চাই এবং খোলার সাহস পাচ্ছি না।
২.
গরমের সময় যখন আমি ফ্যান চালু করি, তখন আমার মনে হয়, এবার আমাকে উদ্ধার করা হয়েছে। আর ঘাম এসে বলে, না ভাই, চিরকাল অবিরাম।
৩.
রোদে হাঁটতে হাঁটতে আমার মনে হয় যেন আমি আগুনে পোড়া মাংসের টুকরোতে পরিণত হচ্ছি। আর আমাকে হাঁটতে হবে!
৪.
গরমের সময়, আমি ধীরে ধীরে ঘামছি, ঠিক আমার জলবিদ্যার প্রশিক্ষকের মতো। ঘামের এই পাঠ কখন থামবে?
৫.
যখন আমি রোদের নীচে উত্তাপে থাকি, তখন আমার মনে হয় যে সূর্য আক্ষরিক অর্থেই আমাকে পোড়াচ্ছে। এবং আমি নিজেকে বলি, “বন্ধু, আমাকে ছায়া দাও।”
৬.
যখন আমি গরমে ভূগর্ভস্থ এয়ার কন্ডিশনারের নীচে থাকি, তখন আমি ভাবি, এটা এভাবেই। যখন আমি বাইরে যাই, তখন নিজেকে কল্পনা করি যে আমি বলছি, আমি আগুনে পুড়ছি!
৭.
গরমে কপালের ঘাম পরিষ্কার করার জন্য এত তোয়ালে ব্যবহার করা হত, আমার হয়তো আরও এক ভরি তোয়ালে লাগবে!
৮.
গরমে হাঁটা মানে নিজেকে তন্দুর বানানো। আমি খাবারের জন্য অপেক্ষা করছি, নাহলে আমি মাংস হয়ে যাব!
৯.
যখন তুমি গরমে মাথায় তোয়ালে ছাড়া যাও, তখন রান্নাঘরে যাওয়ার মতো।
১০.
গরমে ঘামের সাথে ফ্যান থাকে আর এসি আরামের বন্ধু। যদিও ফ্যান এবং এসি প্রতারণা করে।
১১.
গরমের সময় শরীরে প্রচুর ঘাম হয় যে মনে হয় আমি একটা পাকা কাঁঠাল। কিন্তু গরমের মজাই!
১২.
গরমে ঘামতে ঘামতে, তোমার মনে হয় তুমি এখন জলে ভেজা। আর যখন তুমি পিচ্ছিল হও, তখন জীবনটা কেমন যেন আনন্দের!!
১৩.
গরমে হাঁটতে হাঁটতে তুমি আক্ষরিক অর্থেই নিজেকে পুড়িয়ে ফেলছো। কিন্তু কেউ তোমার হৃদয়ের কথা শোনে না!
১৪.
যখন তুমি গরমে রোদে থাকো, তখন তুমি মনে মনে ভাবো, আমি পুড়ে গেছি। আর সবাই বলে, তুমি তো লাল গরম!
১৫.
রোদ আর ঘাম একসাথে গরমে পার্টি করছে। আমাকে পার্টিতে যেতে বলা হয়েছে!
১৬.
এসি ছাড়া আর গরমে, তুমি প্রায় আগুনে পুড়ে যাচ্ছ। কিন্তু ঘুমাতে যাওয়ার জন্য কাঁপুনি দিও না।
১৭.
গরমের সময় ছাতা ছাড়া বাইরে বের হওয়া আত্ম-যন্ত্রণা। ছাতা ছাড়া জীবন নেই।
১৮.
গরমে তোমার মস্তিষ্ককে আরাম দেয় এবং যখন তুমি বাইরে বেরোও তখন বাতাসের সাথে আগুনের সাথে লড়াই করার মতো।
১৯.
যখন তুমি রোদে ঘামতে ঘামতে তোয়ালে ব্যবহার করতে দেখে মানুষদের বলো, আমিও আজ তোয়ালে বিক্রেতা হতে পারি!
২০.
আর গরমে হেঁটে যাওয়ার সময় তুমি বলো, আমি একটা পোড়া কেক। কিন্তু গরমের মজা হলো!

গরম নিয়ে বাংলা প্রবাদ ও জনপ্রিয় উক্তি
১.
গ্রীষ্মকালে, রোদ প্রখর থাকে এবং ধৈর্যের পরীক্ষা কঠিন। তাই গ্রীষ্মকালে অপেক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ।
২.
গ্রীষ্মকালে পাখিরা ছায়ায় পালিয়ে যায় এবং তাই মানুষের ছায়ায় যাওয়া উচিত। গ্রীষ্মকালে সতর্ক না হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
৩.
গ্রীষ্মের রোদ ছায়ার দাবি করে, জীবনের ছায়াও তাই। ছায়া ছাড়া গ্রীষ্মকালে বেঁচে থাকা কঠিন।
৪.
রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে যেমন ঠান্ডা পানীয় জীবনের জল, ঠিক তেমনি শান্তি হল সুস্থ মনের উৎস।
৫.
গ্রীষ্মকালে তারা গাছের নীচে আশ্রয় খোঁজে এবং জীবনেরও ছায়ার প্রয়োজন। গ্রীষ্মকালে ছায়া ছাড়া জীবন স্থবির।
৬.
গ্রীষ্মকালে সত্যের তাপের প্রয়োজন যেমন ঘাম প্রয়োজন। গ্রীষ্মকালে মন পড়ে যায়, যদি না কেউ কাজ করে।
৭.
গ্রীষ্মকালে সূর্য যেমন উজ্জ্বলভাবে জ্বলে, তেমনি সত্যের তাপও। সত্য ছাড়া গ্রীষ্মের তাপ পার হতে অনেক কষ্ট হয়।
৮.
গ্রীষ্মকালে বরফের মতো জীবনে প্রেমেরও প্রয়োজন। ভালোবাসা ছাড়া গ্রীষ্মের দিনগুলো কঠিন।
৯.
মিথ্যা বলা যেমন কষ্টকর, তেমনি গ্রীষ্মকালে পুড়ে যাওয়া শারীরিকভাবেও কষ্টকর। সত্য তাপের সাথে মানিয়ে নিতে সহজ করে।
১০.
আর ছাতা যেমন রোদে শরীরকে রক্ষা করে, তেমনি বন্ধুত্ব মনকে বিশ্রাম দেয়। বন্ধু ছাড়া গরমের দিন সহ্য করা কঠিন।
১১.
গরমের দিনে যেমন শান্তির প্রয়োজন, তেমনি জীবনেও শৃঙ্খলার প্রয়োজন। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপে, শৃঙ্খলা ছাড়া সবাই হেরে যায়।
১২.
গরমে যেমন জীবনদাতা জল, তেমনি জীবনদানকারী অস্ত্র হল হাসি। হাসি না থাকলে গরমের দিন স্থায়ী হয় না।
১৩.
ভালোবাসা ঠিক গ্রীষ্মের তাপের মতো; দিনে দিনে যত গরম হয়। যখন ভালোবাসা জেগে ওঠে, তখন গরমের ঋতুতে ঠান্ডা হয়।
১৪.
ভালো কথা ততই আরামদায়ক, যত গরমে ঠান্ডা বাতাস। যখন জীবন গরমে থাকে তখন ভালো কথা হয় না।
১৫.
গরমে যেমন ছায়া একধরনের বিশ্রাম, তেমনি বন্ধুর কথোপকথন ভালোবাসা। বন্ধুত্বহীন গরমের দিনেও একাকী দিন ছিল।
১৬.
গ্রীষ্মের গরমের সময় সবকিছুর মতোই মিথ্যা সম্পর্ক গলে যায়! ঠিক আছে, যখন সত্যের শক্তি থাকে, তখন তাপ নিজেই সহনীয়।
১৭.
রোদে ফল যেমন গলে যায়, তেমনি কাজ এবং সাফল্যও। সাফল্য না থাকলে গরমের দিনের কোনও লাভ নেই।
১৮.
তাপে পুড়ে যাওয়া যেমন শেখার একটি সাধারণ বিষয়, তেমনি ভুলের মধ্য দিয়েও শেখা। ত্রুটিমুক্ত গরমের দিন ব্যর্থতা।
১৯.
জীবনকে বেঁচে থাকার যোগ্য করে তোলার জন্য গ্রীষ্মে যেমন জলের প্রয়োজন তেমনি ভালোবাসারও প্রয়োজন। ভালোবাসা ছাড়া গ্রীষ্মের দিন মরুভূমি।
২০.
গ্রীষ্মে যেমন ছাতার প্রয়োজন, ঠিক তেমনই সততা জীবনের ছাতা। খোলামেলা ছাড়া গ্রীষ্মের দিন কালো।
গরম নিয়ে মজার উক্তি
- গরমের দাপটে এখন আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজেকে মানুষের চেয়ে ‘গ্রিলড চিকেন’ বেশি মনে হয়। শুধু মসলাটাই যা মাখা বাকি!
- সূর্য মামা এমনভাবে রাগ দেখাচ্ছেন, মনে হচ্ছে ছোটবেলায় উনাকে আমি জলখাবার না দিয়ে একা খেয়ে ফেলেছিলাম।
- রোদে বের হলে এখন আর মেকআপ লাগে না, ঘাম আর ধুলোর মিশ্রণে প্রাকৃতিক ‘মাড মাস্ক’ এমনিতেই হয়ে যায়।

- আগে ভাবতাম নরক অনেক দূরে, এখন মনে হচ্ছে নরক বোধহয় আমার ঘরের ঠিক পাশের গলিতেই শিফট করেছে।
- এসি আর ফ্যান এখন আমাদের জীবনের আসল আত্মীয়, বাকি সবাই তো শুধু ঘাম বাড়াতে আসে।
- গরমের চোটে পিঁপড়ারাও এখন শরবত খুঁজে বেড়াচ্ছে। মানুষের আর দোষ কী?
- পকেটে টাকা থাকুক আর না থাকুক, ফ্রিজে এক বোতল ঠান্ডা জল থাকা এখন পরম আভিজাত্য।
- সূর্যকে দেখে মনে হচ্ছে উনি ব্যক্তিগত কোনো প্রতিশোধ নিচ্ছেন। মামা, ক্ষমা করে দিন, আর কক্ষনো দুষ্টুমি করব না!
- এখন বাইরে বের হওয়া মানেই হচ্ছে নিজের গায়ের চর্বি গলিয়ে রাস্তা পিচ্ছিল করা।
- রোদ এমন বেড়েছে যে ছায়ারও এখন নিজের জন্য একটা ছাতা দরকার।
- বিছানায় শুলে মনে হয় তাওয়ায় রুটি সেঁকছি, একবার এপিঠ ওপিঠ না করলে ঠিকমতো ভাজা হচ্ছে না।
- গরমের দিনে সব চেয়ে বড় বিলাসিতা হলো—বিদ্যুৎ না যাওয়া। ওটাই এখনকার রাজকীয় সুখ।
- মানুষের মন বোঝা সহজ, কিন্তু এই আবহাওয়া কোন দিকে মোড় নেবে তা বোঝা স্বয়ং আইজ্যাক নিউটনেরও সাধ্য নেই।
- সানস্ক্রিন মেখে লাভ নেই, সূর্য এখন সরাসরি হৃদয়ে আঘাত করছে।
- রোদে হাঁটলে মনে হয় মাথার ওপর কেউ বড় একটা ফ্রাইপ্যান নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
- ঘামের গন্ধে এখন আর কেউ ঘৃণা করে না, সবাই বুঝে গেছে আমরা সবাই একই নৌকার যাত্রী—নৌকাটা শুধু ঘামেই ভাসছে।
- শীতে যারা বলেছিল “গরম কবে আসবে”, তাদের এখন ধরে রোদে বসিয়ে রাখা উচিত।
- গরমে মানুষের মাথা যতটা না ঘামে, তার চেয়ে বেশি ঘামে তার ধৈর্য।
- এখন কারোর সাথে কথা বলতে গেলে মনে হয়, শব্দগুলোও বোধহয় গরমে বাষ্প হয়ে উড়ে যাচ্ছে।
- চৈত্র মাসের রোদ যেন পাওনাদারের মতো, যেখানেই যাই পিছু ছাড়ে না।
- রোদে বের হলে নিজের ছায়াও বোধহয় বলে—”ভাই, আমি আর পারছি না, তুই একাই যা।”
- ঘাম মুছতে মুছতে রুমাল এখন তোয়ালে হয়ে গেছে, আর তোয়ালে হয়ে গেছে চাদর।
- গরম আমাদের শিখিয়েছে—পৃথিবীতে জলই একমাত্র জীবন, আর এসি হলো পরম মুক্তি।
- সূর্যের প্রখরতা দেখে মনে হয়, উনি বোধহয় ভুল করে পৃথিবীর ওপর উনুন জ্বালিয়ে দিয়েছেন।
- এখনকার দিনে সবচেয়ে রোমান্টিক বাক্য হলো—”চলো, এসির নিচে গিয়ে বসি।”
- গরমের জন্য ডায়েট করা লাগে না, ঘামেই অর্ধেক ওজন কমে যাওয়ার কথা। কিন্তু ঘাম কমলেও মেদ তো কমে না!
- আগে মানুষ শখ করে রোদ পোহাতো, আর এখন মানুষ শখ করে ছায়া খুঁজে বেড়ায়।
- রাস্তায় বের হলে মনে হয় পৃথিবীটা একটা বড় ওভেন, আর আমরা সবাই ছোট ছোট বিস্কুট।
- গরমের দিনে শার্টের কলারটা আর কলার থাকে না, ওটা হয়ে যায় ভিজে ন্যাকড়া।
- সূর্যের তেজ দেখে মনে হয় উনি এখন ‘ওভারটাইম’ ডিউটি করছেন।

- এসি রুম থেকে বের হওয়া আর মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফেরা—দুটোই সমান সাহসের কাজ।
- গরমের দিনে ফেসবুকের নিউজফিড মানেই হলো—কে কোথায় ডাব খেল আর কার আইসক্রিম গলল।
- এখনকার ভালোবাসা মানে হলো—কেউ তোমার জন্য একটু জায়গা ছেড়ে ফ্যানের তলায় বসতে দিল।
- রোদের তাপে পিচ গলা রাস্তা যেন বলছে—”ভাই, আমিই যদি গলে যাই, তুই হাঁটবি কোথায়?”
- এখন শ্যাম্পু করার চেয়ে গায়ে জল ঢেলে বসে থাকাই বড় বিনোদন।
- গরমের চোটে এখন মশার কামড়ও আর টের পাওয়া যায় না, শরীরের উত্তাপেই তারা উড়ে পালায়।
- আগে মানুষ ছাতা নিত বৃষ্টির ভয়ে, এখন নেয় বেঁচে থাকার তাগিদে।
- গরমে সবার মেজাজ এখন লঙ্কার মতো ঝাঁঝালো, একটু টোকা দিলেই জ্বলে ওঠে।
- এই গরমে আইসক্রিম হাতে নিলে মনে হয়—ওটা খাচ্ছি না, ওটার শেষকৃত্য করছি।
- মানুষের চরিত্র বোঝা যায় বিপদে, আর মানুষের ধৈর্য বোঝা যায় লোডশেডিংয়ে।
- সূর্যের প্রখরতা দেখে মনে হয় উনি মহাকাশে কোনো হিটার চালু করে ঘুমিয়ে পড়েছেন।
- গরমের দিনে চা খাওয়া মানে হচ্ছে—নিজের ভেতরকার আগুনকে বাইরে থেকে বাতাস দেওয়া।
- রাস্তায় হাঁটলে মনে হয় সূর্য মামা কানের কাছে এসে বলছেন—”কেমন দিলাম?”
- এখন বালিশের দুই পাশই গরম, শান্তির জন্য মাথা কোথায় রাখি খুঁজে পাচ্ছি না।
- মেঘ দেখলে এখন মনে হয় হারিয়ে যাওয়া কোনো প্রিয় বন্ধু ফিরে এসেছে।
- গরমের দিনে জামাকাপড় পরা মানেই হলো—নিজের শরীরের ওপর একটা ভিজে পর্দা জড়িয়ে রাখা।
- ঘাম আর ডিওডোরেন্টের যুদ্ধ দেখে মনে হয়, শেষ পর্যন্ত ঘামই জয়ী হবে।
- এসি এখন বিলাসিতা নয়, এসি এখন বেঁচে থাকার অক্সিজেন।

- সূর্যের সাথে পাল্লা দিয়ে আমাদের মেজাজও এখন ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঘোরাফেরা করছে।
- এই গরমে যে হাসি মুখে কথা বলতে পারে, বুঝে নেবেন সে হয় মহামানব, না হয় তার ঘরে ২ টনের এসি আছে!
লোডশেডিং ও ফ্যানের সাথে মিতালি
১. লোডশেডিং হলো প্রকৃতির দেওয়া এক বিরতি, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যান্ত্রিক সুখ কত ক্ষণস্থায়ী। ফ্যানটা যখন থেমে যায়, তখনই আমরা বাতাসের প্রকৃত মূল্য বুঝতে পারি।
২. কারেন্ট চলে গেলে ফ্যানের ব্লেডগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকা অনেকটা হারানো বন্ধুর ফেরার অপেক্ষা করার মতো। সেই ধীরগতিতে থামা যেন এক দীর্ঘশ্বাস।
৩. হাতপাখা এখন কেবল একটি বস্তু নয়, এটি মমতার এক অনন্য প্রতীক। মা যখন সন্তানের ঘুমে হাতপাখা নাড়েন, তখন গরমও হার মানে সেই ভালোবাসার কাছে।
৪. লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে মোমবাতির আলোয় ঘাম ভেজা মুখগুলো যেন একেকটা জীবনযুদ্ধের গল্প বলে। ফ্যান ছাড়া ঘরটা তখন এক নিঃশব্দ কড়াই হয়ে ওঠে।
৫. আমরা যখন এসি বা ফ্যানের জন্য হাহাকার করি, তখন রাস্তার পাশের মানুষগুলোর কথা ভাবলে নিজের কষ্টটা বিলাসিতা মনে হয়। বাতাসের কোনো জাত নেই, কিন্তু অধিকার সবার আছে।
৬. ফ্যানের নিচে বসে আমরা অন্যের ঘামের মূল্য বুঝি না। লোডশেডিং আমাদের সেই তপ্ত মাটির মানুষদের কাতারে এনে দাঁড় করায়।
৭. চার্জার ফ্যান এখন মধ্যবিত্তের শেষ ভরসা। ওটা শুধু বাতাস দেয় না, ওটা যেন এক পশলা স্বস্তি আর একটু বেঁচে থাকার আশ্বাস।
৮. কারেন্ট আসার পর ফ্যানটা যখন আবার সচল হয়, তখন সেই প্রথম ঝাপটা বাতাসের আনন্দ লটারি জেতার চেয়েও বেশি মনে হয়।
৯. লোডশেডিং শিখিয়েছে অন্ধকারেরও একটা রূপ আছে, আর সেই রূপে ফ্যানের শব্দহীনতা এক বড় হাহাকার।
১০. পাশের বাড়ির আইপিএস-এর ফ্যান চলার আওয়াজ শুনলে এখন হিংসে হয় না, বরং মনে হয় পৃথিবীটা কত বৈষম্যে ভরা।
১১. ফ্যান যখন বন্ধ থাকে, তখন জানলার পাশে এসে দাঁড়ানো এক পশলা বাতাসই প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ উপহার। মানবিকতা তখন ওই খোলা জানালায়।
১২. লোডশেডিংয়ের সময় নিজের জন্য হাতপাখা না চালিয়ে অন্যকে বাতাস করাটাই হলো প্রকৃত মনুষ্যত্ব। ছোট একটা ত্যাগে বড় শান্তি।
১৩. ফ্যানের শব্দ আমাদের কাছে লোলাবি বা ঘুমের গানের মতো। ওটা থেমে গেলে নিস্তব্ধতা যেন গরমকে আরও উসকে দেয়।
১৪. গরমে অতিষ্ঠ হয়ে যখন আমরা বিদ্যুৎ অফিসকে গালি দিই, তখন ভুলে যাই সেই কর্মীদের কথা যারা এই রোদে লাইন ঠিক করছে।
১৫. হাতপাখার বাতাসটা কৃত্রিম নয়, ওটা শ্রম আর ভালোবাসার সংমিশ্রণ। লোডশেডিং আমাদের শিকড়ে ফেরার সুযোগ করে দেয়।
১৬. ফ্যান ছাড়া এক রাত কাটিয়ে দেখুন, বুঝতে পারবেন আকাশের তারারা কেন স্থির। স্থবিরতা কষ্টের, কিন্তু সহনশীলতা আমাদের শক্তি।
১৭. লোডশেডিং মানেই গল্পের আসর, মোমবাতির আলো আর ফ্যান ছাড়া ঘেমে নেয়ে এক হওয়া। যান্ত্রিকতা ভুলে মানুষ হওয়ার সময় এটাই।
১৮. কারেন্ট চলে গেলে মনে হয় ফ্যানটা আমাদের কতটা আপন ছিল। প্রিয়জন আর ফ্যান—হারিয়ে গেলে দুজনেরই অভাব তীব্রভাবে অনুভূত হয়।
১৯. ঘাম আর লোডশেডিং আমাদের ধৈর্য শেখায়। ফ্যান ছাড়া এই সময়টা যেন নিজেকে নতুন করে চেনার এক পরীক্ষা।
২০. বিদ্যুৎ ফিরে আসার পর ফ্যানের প্রথম ঘূর্ণন যেন একটা নতুন জীবনের সূচনা। সেই মুহূর্তের হাসিটা বড্ড মানবিক।

গরম ও কর্মব্যস্ত মানুষের হাহাকার
১. অফিসের এসির বাতাস আর রাস্তার তপ্ত রোদের মধ্যে যে দূরত্ব, সেটাই বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব্যবধান। এই পার্থক্যের মাঝেই লুকিয়ে আছে অগণিত মানুষের জীবনযুদ্ধ।
২. রিকশাচালকের কপালে যখন বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে, তখন মনে হয় প্রতিটি ঘাম যেন এক একটি গল্পের পাণ্ডুলিপি, যা রোদে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে।
৩. ট্রাফিক পুলিশ যখন এই তীব্র রোদে দাঁড়িয়ে হাত নাড়ান, তখন মনে হয় উনি শুধু গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করছেন না, বরং নিজের শরীরের উত্তাপকেও শাসন করছেন।
৪. টাই-স্যুট পরা কর্পোরেট মানুষটি যখন ঘাম মুছতে মুছতে বাসে ওঠেন, তখন বোঝা যায় পদমর্যাদা যাই হোক, রোদের কাছে আমরা সবাই সমান অসহায়।
৫. রাস্তার পিচ যখন গলে যায়, তখন সেই উত্তাপ শ্রমিকের পায়ের তলার চামড়াকে প্রশ্ন করে—”তোর সামর্থ্য বড়, নাকি আমার দাহিকা শক্তি?”
৬. রোদে কাজ করা মানুষের তৃষ্ণা মেটানো এক গ্লাস জল কেবল পানীয় নয়, ওটা যেন এক টুকরো মেঘ, যা মুহূর্তের জন্য হলেও মনের আগুন নেভায়।
৭. যারা রোদে পুড়ে কাজ করেন, তাদের কাছে ‘বৃষ্টি’ কোনো রোমান্টিক কবিতা নয়, বরং এক ঘণ্টার শান্তির নাম, একটু জিরিয়ে নেওয়ার অবকাশ।
৮. ঘাম দিয়ে ভেজা শার্টটা যখন গায়ের সাথে লেপ্টে থাকে, তখন মনে হয় ওটাই কর্মবীরদের আসল ইউনিফর্ম, যা পরিশ্রমের সাক্ষ্য দেয়।
৯. ডেলিভারি বয় যখন আপনার দরজায় এক চিলতে হাসি নিয়ে পণ্য পৌঁছে দেয়, তখন একবার অন্তত জিগ্যেস করবেন—”এক গ্লাস জল খাবেন?”
১০. পেটের ক্ষুধার কাছে সূর্যের তেজ বড্ড ফিকে। তাই তো কাঠফাটা দুপুরেও মানুষের মিছিল থেমে থাকে না, তারা এগিয়ে চলে রুটির সন্ধানে।
১১. দুপুর বেলার রোদে ক্লান্ত শ্রমিকের গাছের তলায় একটু জিরিয়ে নেওয়াটাই হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আভিজাত্য, যা কোটি টাকা দিয়েও কেনা সম্ভব নয়।
১২. ঘামের গন্ধটাকে ঘৃণা না করে সম্মান করতে শিখুন, কারণ ওই গন্ধে লুকিয়ে আছে একটা পরিবারের স্বপ্ন আর একজন মানুষের আত্মত্যাগ।
১৩. রোদে কাজ করা মানুষের হাতগুলো ধরলে বোঝা যায়, জীবন কতটা কঠিন হতে পারে। তাদের তপ্ত ছোঁয়া যেন আগুনের এক একটি স্ফুলিঙ্গ।
১৪. কর্মব্যস্ত মানুষের হাহাকার কেউ শোনে না, শুধু আকাশ থেকে সূর্য দেখে আর মাটির তলা থেকে ধরিত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
১৫. মাথার ওপরের ছাতাটা হয়তো রোদ আটকাতে পারে, কিন্তু মনের ভেতরে যে গরমের উদ্বেগ চলে, তার কোনো ছাতা হয় না।
১৬. গরমের দিনে শ্রমিকের পারিশ্রমিকটা ঘাম শুকানোর আগেই দিয়ে দেওয়া কেবল নীতি নয়, ওটা এক পরম মানবিক ধর্ম।
১৭. বাসের জানলায় মাথা রেখে ঘামতে ঘামতে ঘুমানো যাত্রীটি হয়তো স্বপ্নে দেখছে কোনো শীতল পাহাড়ের চূড়া, যেখানে রোদের কোনো শাসন নেই।
১৮. সূর্য যখন তার চরম সীমায় থাকে, তখন মানুষের ধৈর্যও পরীক্ষা দিতে শুরু করে। একে অপরের প্রতি একটু সহনশীল হওয়াই এখন বড় প্রয়োজন।
১৯. পিচঢালা রাস্তায় যখন মরীচিকা দেখা যায়, তখন শ্রমিকের চোখে ভাসে এক কলসি ঠান্ডা জল আর প্রিয়জনের শীতল হাতের স্পর্শ।
২০. দিনশেষে ক্লান্ত মানুষটি যখন বাড়ি ফিরে ফ্যানের নিচে বসে, তখন সেই শান্তির মুহূর্তটিই হলো সারাদিনের হাহাকারের সার্থক ইতি।
মানবিকতা ও রোদের প্রখরতা
১. রোদের তীব্রতা আমাদের চামড়া পোড়াতে পারে, কিন্তু আমাদের হৃদয়ের মমতা যেন শুকিয়ে না যায়। এই গরমে তৃষ্ণার্ত কাউকে জল দেওয়াটাই হোক আজকের প্রার্থনা।
২. আপনার বাড়ির দেয়ালে বা বারান্দায় এক বাটি জল রাখুন; বোবা পাখিগুলো হয়তো আপনার কাছে সাহায্য চাইতে পারছে না, কিন্তু তাদের জীবন আপনার হাতেই।

৩. রিকশাচালককে ভাড়া দেওয়ার সময় অতিরিক্ত দশটা টাকা দিয়ে দেখুন, তার মুখের হাসিটা আপনার এসি রুমের চেয়েও বেশি শীতলতা দেবে।
৪. রোদে কাজ করা মানুষের ঘাম অপবিত্র নয়; ওটা শ্রমের চন্দন। তাদের প্রতি ঘৃণা নয়, বরং শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে তাকানোই প্রকৃত মনুষ্যত্ব।
৫. রাস্তার মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ বা কোনো ফেরিওয়ালাকে এক বোতল ঠান্ডা জল উপহার দিন। ছোট এই কাজটা হয়তো কারো জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।
৬. প্রখর রোদে গাছগুলো যখন মাথা নিচু করে থাকে, তখন বুঝবেন প্রকৃতি আমাদের আশ্রয় চাইছে। একটি চারা গাছ লাগানো এখন বিলাসিতা নয়, আগামী প্রজন্মের জন্য টিকে থাকার লড়াই।
৭. নিজের জন্য ছাতা কেনার সামর্থ্য সবার আছে, কিন্তু যে অসহায় মানুষটি রোদে পুড়ছে, তার মাথার ওপর একটু ছায়া ধরাটাই হলো আসল আভিজাত্য।
৮. গরমে মেজাজ হারানো সহজ, কিন্তু এই তপ্ত দুপুরেও যে শান্ত থেকে হাসিমুখে কথা বলতে পারে, সেই প্রকৃত শক্তিশালী মানুষ।
৯. আপনার অব্যবহৃত পুরনো ছাতাটি কোনো পথশিশুকে বা বৃদ্ধ শ্রমিককে দিয়ে দিন। আপনার ছোট এক ত্যাগে কারো সারাটা দিন ছায়াময় হতে পারে।
১০. রোদে ক্লান্ত কোনো পথিককে আপনার অফিসের বারান্দায় বা ঘরের ছায়ায় একটু বসতে দিন। মানুষের সেবা করার জন্য কোনো বিশেষ মুহূর্তের প্রয়োজন নেই।
১১. সূর্য আমাদের শরীর পুড়িয়ে দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু পারস্পরিক মমতা দিয়ে আমরা একে অপরের মনের জ্বালা জুড়াতে পারি।
১২. ডাব বা শরবত কেনার সময় দামাদামি করবেন না; মনে রাখবেন ওই বিক্রেতাটি সারাটা দিন আগুনের গোলায় দাঁড়িয়ে আপনার তৃষ্ণা মেটানোর রসদ যোগাচ্ছে।
১৩. রোদের তাপে রাস্তার কুকুর বা বিড়ালগুলো অসহায় হয়ে ছোটাছুটি করে। ওদের ওপর বিরক্ত না হয়ে একটু ছায়া আর জল দিন; ওরাও প্রকৃতির অংশ।
১৪. গরম আমাদের ধৈর্য পরীক্ষা করে। একে অপরের প্রতি তিক্ত কথা না বলে একটু সহনশীল হওয়াটাই মানবিকতার পরিচয়।
১৫. রোদে পিঠ পুড়িয়ে যে কৃষক ফসলের যত্ন নিচ্ছে, তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন। ক্ষুধার জ্বালা মেটাতে যে রোদের তেজ সয়, সেই শ্রেষ্ঠ বীর।
১৬. এই গরমে সামর্থ্যবানরা হয়তো পাহাড়ে বেড়াতে যায়, আর সামর্থ্যহীনরা একটু ফ্যানের বাতাসের জন্য প্রার্থনা করে। এই বৈষম্য দূর হোক মানবিকতা দিয়ে।
১৭. ঠান্ডা জল পান করার আগে পাশের তৃষ্ণার্ত মানুষটির কথা একবার ভাবুন। ভাগ করে নেওয়া স্বস্তিটুকু পৃথিবীর সবচেয়ে দামী সম্পদ।
১৮. রোদে কাজ করা মানুষদের জন্য ছোট ছোট ‘জলছত্র’ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। মানুষের জন্য মানুষের এগিয়ে আসাই হোক আমাদের ধর্ম।
১৯. তপ্ত দুপুরে কোনো ক্ষুধার্ত মানুষকে শুকনো খাবারের বদলে একটু জল আর ফল দিন; তার শরীরের উত্তাপ কমলে আপনার আত্মাও শান্তি পাবে।
২০. দিনশেষে সূর্য ডুবে গেলে যেমন পৃথিবী শীতল হয়, তেমনি আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মানবিক কাজগুলো এই কঠিন পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তোলে।
গরমের দিনের আজব অভ্যাস
১. এখন ফ্রিজ খোলা রেখে তার সামনে দুই মিনিট মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকাটা আর আজব কোনো কাজ নয়, ওটা যেন এক পবিত্র ‘মেডিটেশন’ বা ধ্যান।
২. ঘুমানোর আগে বালিশের যে দিকটা ঠান্ডা, সেটা খুঁজে পেতে আমরা পুরো বিছানা তছনছ করে ফেলি। এই ছোট এক চিলতে শীতলতাই তখন জীবনের পরম প্রাপ্তি।
৩. দিনে পাঁচবার গোসল করেও তৃপ্তি মেটে না, মনে হয় জলের তলাতেই যদি একটা ছোট অফিস বা বাসা সেট আপ করা যেত, তবে মন্দ হতো না।
৪. আগে মানুষ বৃষ্টি খুঁজত কবিতার জন্য, আর এখন মানুষ মেঘ খোঁজে শুধু একটু ফ্যান ছাড়া বেঁচে থাকার অজুহাত হিসেবে।
৫. রোদে পুড়ে বাইরে থেকে এসে হাত-পা ধোয়ার বদলে সরাসরি ফ্যানের নিচে দাঁড়িয়ে ‘বাতাস খাওয়া’ এখন আমাদের জাতীয় অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
৬. রাস্তার আইসক্রিমওয়ালার ঘণ্টার আওয়াজ এখন আমাদের কাছে রোমান্টিক কোনো গানের চেয়েও বেশি শ্রুতিমধুর মনে হয়।
৭. এখনকার দিনে সবচেয়ে অদ্ভুত অভ্যাস হলো—ঘর থেকে বের হওয়ার আগে আকাশের দিকে তাকিয়ে সূর্যকে মনে মনে একবার ‘শাসন’ করে নেওয়া।
৮. এসি রুম থেকে বের হওয়ার সময় আমরা এমনভাবে পা বাড়াই যেন কোনো অন্য গ্রহের উত্তপ্ত গোলকের ভেতর প্রবেশ করতে যাচ্ছি।
৯. গরমের চোটে গায়ের জামা যখন শরীরের সাথে যুদ্ধ শুরু করে, তখন বারান্দায় দাঁড়িয়ে একটু উদাস হয়ে বাতাস খোঁজাটাই এখনকার শ্রেষ্ঠ অবসর।
১০. ফ্রিজের জলের বোতল থেকে এক চুমুক জল খেয়েই শেষ নয়, অবশিষ্ট জলটুকু কপালে আর ঘাড়ে ঘষার মধ্যে যে শান্তি, তা কেবল এই প্রজন্মের মানুষই জানে।
১১. দুপুরবেলা জানালা-দরজা বন্ধ করে ঘর অন্ধকার করে রাখা—এটা এখন কোনো ভুতুড়ে শখ নয়, বরং সূর্যকে ফাঁকি দেওয়ার এক মানবিক কৌশল।
১২. লোডশেডিং হলে অন্ধকারে হাতপাখা নাড়াতে নাড়াতে প্রতিবেশীর সাথে গরম নিয়ে অভিযোগ করাটাই এখন আমাদের সামাজিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন।
১৩. এখন মানুষ আয়নার সামনে দাঁড়ায় মেকআপ ঠিক করার জন্য নয়, বরং গায়ের রঙ কতটুকু ‘রোস্ট’ হলো সেটা পরীক্ষা করতে।
১৪. বালিশের নিচে হাত ঢুকিয়ে একটু ঠান্ডা জায়গা খোঁজাটা এখন আমাদের অবচেতন মনের এক অদ্ভুত কিন্তু অতি প্রয়োজনীয় লড়াই।
১৫. রোদের মধ্যে কারো সাথে দেখা হলে “কেমন আছেন?” না জিজ্ঞেস করে “আপনার ওখানে কারেন্ট আছে তো?” জিজ্ঞেস করাটাই এখনকার সবচেয়ে বড় শিষ্টাচার।
১৬. গরম চা খেতে গিয়ে জিভ পুড়িয়েও আমরা বলি “গরম দিয়ে গরম কাটাচ্ছি”—এটি আমাদের এক আজব কিন্তু লড়াকু মানসিকতার পরিচয়।
১৭. এখন মানুষের পছন্দের তালিকা বদলে গেছে; দামি সুগন্ধির চেয়ে ঘামের দুর্গন্ধ রোধ করা সাবানই এখন সবচেয়ে প্রিয় উপহার।
১৮. রোদের মধ্যে জ্যাকেট বা হুডি পরে থাকা মানুষকে দেখলে এখন করুণা হয়, মনে হয় তারা বোধহয় পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
১৯. দিনের বেলা সব কাজ বাদ দিয়ে শুধু ফ্যানের নিচে শুয়ে থাকাটা এখন আর অলসতা নয়, ওটা হলো শরীরকে টিকিয়ে রাখার এক নীরব সংগ্রাম।
২০. দিনশেষে সূর্য যখন পাটে যায়, তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে একটা বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলা—”যাক, আজকের মতো বেঁচে গেলাম!”—এটিই এখনকার জীবনের শ্রেষ্ঠ তৃপ্তি।
মেঘ ও বৃষ্টির জন্য আকুতি
১. আকাশে এক টুকরো কালো মেঘ দেখলে এখন মনে হয় হারিয়ে যাওয়া কোনো প্রিয় মানুষের চিঠি এসেছে। ওই মেঘের আড়ালেই লুকিয়ে আছে কোটি মানুষের এক চিলতে স্বস্তি।

২. বৃষ্টি এখন আর কেবল কবিদের কল্পনার বিষয় নয়; বৃষ্টি এখন তৃষ্ণার্ত পৃথিবীর জন্য এক ফোঁটা প্রাণদানকারী ওষুধ, যার জন্য প্রতিটি জীব অপেক্ষা করছে।
৩. জানলার গ্রিল ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা এখন কোনো বিলাসিতা নয়, ওটা হলো এক নীরব প্রার্থনা— যেন আকাশ তার নীল বিষাদ ছেড়ে ধূসর মমতায় ঝরে পড়ে।
৪. রোদে পুড়ে যাওয়া ঘাসগুলো যখন বৃষ্টির অপেক্ষায় মাথা নিচু করে থাকে, তখন মনে হয় প্রকৃতিও আমাদের মতো ধৈর্য ধরার শেষ সীমানায় পৌঁছে গেছে।
৫. বৃষ্টির শব্দ শোনার জন্য আমরা এখন এতটাই ব্যাকুল যে, দূর থেকে মেঘের গর্জন শুনলে মনে হয় কোনো মুক্তির উৎসবের দামামা বাজছে।
৬. মেঘের দল যখন আকাশজুড়ে মেলা বসায়, তখন মনে হয় বিধাতা বুঝি আমাদের ঘাম মোছানোর জন্য এক বিশাল শীতল রুমাল পাঠিয়েছেন।
৭. প্রথম বৃষ্টির ফোঁটা যখন তপ্ত মাটিতে পড়ে, তখন যে সোঁদা গন্ধ বের হয়, ওটা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুগন্ধি; যা আমাদের ক্লান্ত আত্মাকে মুহূর্তেই সতেজ করে দেয়।
৮. আমরা বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করি এসির বিল বাঁচাতে নয়, বরং এই প্রকৃতিকে আবার তার পুরনো সবুজ সজীবতায় ফিরে পেতে দেখতে।
৯. আকাশের কাছে আমাদের আকুতি এখন একটাই— “হে মেঘ, তুমি ঝরো; কেবল আমাদের শরীর ভেজাতে নয়, বরং পৃথিবীর এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ধুয়ে দিতে।”
১০. মেঘের আড়ালে সূর্য যখন ঢাকা পড়ে, তখন মনে হয় এক দয়ালু ছায়া পুরো শহরটাকে আগলে রেখেছে। সেই মুহূর্তটুকুই এখন পরম পাওয়া।
১১. প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা যেন এক একটি ছোট ছোট আশার আলো, যা মাটির বুক চিরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখায়।
১২. চৈত্র-বৈশাখের এই দহন শেষে এক পশলা বৃষ্টি মানে কেবল জল নয়, ওটা যেন এক পরম বন্ধুর আলিঙ্গন, যা সব কষ্ট ভুলিয়ে দেয়।
১৩. রোদে ক্লান্ত পাখিটা যখন পালক ঝাপটে বৃষ্টির অপেক্ষা করে, তখন বোঝা যায় প্রকৃতির তৃষ্ণা আমাদের চেয়েও কত গুণ বেশি গভীর।
১৪. বৃষ্টি নামলে শহরটা কেবল ভেজেই না, বরং এক অদ্ভুত মায়ায় শান্ত হয়ে যায়। সেই শান্তিটুকু দেখার জন্যই আমাদের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা।
১৫. মেঘের কাছে আমাদের দাবি খুব সামান্য— একটুখানি শীতলতা আর অনেকখানি সজীবতা; যা আমাদের কঠোর জীবনকে আবার কোমল করে তুলবে।
১৬. বৃষ্টির জন্য আকুতি মানে হলো জীবনের জন্য আকুতি। যখন আকাশ কাঁদে, তখনই পৃথিবী হাসার সুযোগ পায়।
১৭. ধূসর আকাশটার দিকে তাকিয়ে এখন আমরা সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে যাই; ধনী-দরিদ্র সবারই এখন একটাই চাওয়া— এক পশলা মেঘের ছায়া।
১৮. বৃষ্টি না আসা পর্যন্ত আমাদের প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস যেন আগুনের হলকা, আর বৃষ্টি আসার পর প্রতিটি
নিঃশ্বাস হবে তৃপ্তির এক একটি মহাকাব্য।

১৯. মেঘেরা যখন দলছুট হয়ে যায়, তখন মনটা বড় বিষণ্ণ হয়ে পড়ে; মনে হয় আশার প্রদীপটা বুঝি আবারও একটু দূরে সরে গেল।
২০. দিনশেষে বৃষ্টির জন্য আমাদের এই অপেক্ষা শিখিয়ে দেয়— ধৈর্য ধরলে তবেই শীতলতার স্বাদ পাওয়া যায়, আর মেঘের পরেই আসে পরম শান্তি।
শেষ কথা (উপসংহার):
গ্রীষ্ম মানে শুধু ঘাম নয়, এর মাঝে আছে কাঁচা আমের টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদ, ছুটির বিকেল, রোদ্দুরের গল্প, আর বৃষ্টির প্রতীক্ষা। তাই গরম যতই বিরক্তিকর হোক না কেন, এই ঋতুও জীবনের এক রঙিন অধ্যায়।
ঘামে ভিজে হাসুন, গরমেও থাকুন মজায়! 🌞🌴🍹