অধিকার নিয়ে কিছু বিখ্যাত উক্তি ও বাণী এখানে দেয়া হলো । যার যা পাওয়া অধিকার তাকে তা দিয়ে দেওয়া আমাদের সবার উচিৎ । যুগে যুগে অনেক জাতি তাদের অধিকার পাওয়ার জন্য যুদ্ধ করার ইতিহাস রয়েছে । তাই আমাদের সবার উচিৎ অধিকার নিয়ে আরো সচেতন থাকা ।
অধিকার নিয়ে উক্তি :
১। তাদের (বিত্তশালী) ধনসম্পদে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে ।
— (সূরা জারিয়াত, আয়াত : ১৯)
২। আমেরিকা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করে নি। প্রকৃতপক্ষে মানুষের অধিকারই আমেরিকাকে প্রতিষ্ঠা করেছে।
— জিমি কার্টার
৩। অধিকার দিতে দেরি হচ্ছে মানে আপনি আর তা পাচ্ছেন না।
— মার্টিন লুথার কিং
আরো আছেঃ>> অভিমান নিয়ে উক্তি
৪। যেখানে অধিকার নেই সেখানে অভিমানটা হাস্যকর।
— চাণক্য
৫। অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার ধরিয়া রাখার মত বিড়ম্বনা আর হয় না।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬। তুমি নিজে যে অধিকার উপভোগ করো অন্যকেও তা উপভোগ করার সুযোগ করে দাও।
— রবার্ট ইংগারসোল
আরো আছেঃ>> পাপ নিয়ে উক্তি
৭। পুরুষকে তার অধিকারের চেয়ে বেশি দিও না এবং নারীকে তার অধিকারের চেয়ে কম দিও না।
— সুশান বি. অ্যান্টনি
৮। অধিকার সেটা নয় যেটা তোমাকেও দেয়, অধিকার সেটাই যা তোমার কাছ থেকে কেউ কেড়ে নিতে পারে না।
— রামসি ক্লার্ক
৯। পৃথিবী হলো সকলের মা স্বরূপ এবং এই মায়ের উপর সকলের সমান অধিকার থাকা উচিত।
— চিফ জোসেফ
১০। অধিকার এবং দায়িত্ব হলো একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ।
— জি এডওয়ার্ড গ্রিফিন
১১। যারা অধিকার সমন্ধে ভাবে তারা কোনোদিনও উন্নতি লাভ করতে পারেনি,পেরেছে তারাই যারা দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন ছিল।
— মহাত্মা গান্ধী
১২। অনেক অধিকার লুকিয়ে থাকে একটি কথায় আমি তোমার কে ?
— হুমায়ুন আহমেদ
১৩। তোমার জীবনে অন্য কারোর অধিকার মেনে নেয়ার আগে একবার ভেবে দেখো তার জীবনে তোমার অধিকার কতটুকু।
— কিরানময়ি
১৪। যথার্থ অধিকার থেকে মানুষ নিজের দোষে ভ্রষ্ট হয়।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫। মানুষ তার অধিকারের চেয়ে ইচ্ছার জন্য বেশি লড়াই করবে। কেননা ইচ্ছাই পারে তাকে খুশি রাখতে।
— নেপোলিয়ন বেনাপোর্ট

১৬। পুরুষ ও নারীর অবদান রয়েছে এবং তা ভিন্ন ক্ষেত্রে। তবে তাদের অধিকার সর্বদাই সমান।
— হ্যারি হোলকেরি
১৭। মানুষকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা মানবতার জন্য হুমকিস্বরূপ।
— নেলসন ম্যান্ডেলা
১৮। একজনের অধিকার পাইয়ে দিয়ে আপনি হয়তো পৃথিবীতে পরিবর্তন করতে পারবেন না, তবে অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি দৃষ্টান্ত রেখে যেতে পারেন।
— সংগৃহীত
১৯। যেখানে ভালোবাসা নেই, সেখানে অধিকারও নেই।
— দালাই লামা
২০। অধিকার পাওয়া মানে কেবল নিজের জন্য নয়, অন্যদের জন্যও লড়াই করা।
— মার্টিন লুথার কিং
অধিকার নিয়ে গান
অধিকার আমার, অধিকার তোমার,
সবাই মিলে হাসি, নেই কোনো দুঃখ আর।
পৃথিবীটা হবে, রঙিন আর সুন্দর,
অধিকার রক্ষা করি, হাতে হাত ধর।
ভালোবাসা দিয়ে, অধিকার আনি,
সবার জন্য হাসি, মনে রাখি।
অধিকার মানে, শান্তি আর আলো,
একসাথে গড়ি, সুন্দর কালো।
২১। একে অপরের অধিকার সম্মান করলেই সমাজে শান্তি আসে।
— মহাত্মা গান্ধী
২২। অধিকার মানে শুধু পাওয়ার নয়, অনেক কিছু ছেড়েও দেয়ার কথা।
— জন কফম্যান
২৩। যত বেশি অধিকার তোমার কাছে, তত বেশি দায়িত্বও তোমার।
— এলেন ডিজেনেরিস
২৪। অধিকার ছিনিয়ে নিতে হবে না, বরং নিজের সম্মান প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
— মেলানি রোজ
২৫। যে মানুষটি অন্যদের অধিকার সম্মান করে, তার জীবন সত্যিই সুন্দর।
— লিও তলস্টয়
২৬। অধিকার বলতে কিছুই বড় নয়, শান্তি ও সুখই বড়।
— গান্ধীজি
২৭। অন্যের অধিকার নষ্ট করলেই নিজের শান্তি হারাবে।
— কনফুসিয়াস
২৮। অধিকার নেওয়ার আগে অন্যের অধিকার যেন ভুলে না যাই।
— রজার স্টোন
২৯। পৃথিবীতে যার যা অধিকার, তা তার প্রয়োজনের জন্যই।
— আলী ইবনে আবি তালিব

৩০। যারা ভালোবাসা জানে, তারা অধিকারও জানে।
— পল গুডম্যান
৩১। জীবনে স্বপ্ন দেখতে হলে প্রথমে অধিকার মেনে চলতে হবে।
— হেলেন কেলার
৩২। অধিকার যদি না পাও, তবুও নিজেকে হারিয়ে ফেলো না।
— উইলিয়াম শেক্সপিয়ার
৩৩। সকল মানুষেরই সমান অধিকার থাকা উচিত, কারণ সবাই একই পৃথিবীতে বাস করছে।
— জন ফিথ
৩৪। মানুষের অধিকার থেকে কেউ বঞ্চিত হলে সমাজ কখনও উন্নতি করতে পারে না।
— নেলসন ম্যান্ডেলা
৩৫। আপনার অধিকার মেনে চলে, তবে অন্যদের অধিকারও ভুলে যেও না।
— অরুন্ধতি রায়
৩৬। অধিকার বড় কিছু নয়, শান্তি বড় কিছু।
— লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
৩৭। একজন মানুষের অধিকার অন্যকে সুখী করতে পারে, কিন্তু অধিকার দিয়ে একে অপরকে ভালোবাসা শিখতে হবে।
— গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ
৩৮। আপনাদের অধিকার চেয়ো, তবে অন্যদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করোনা।
— ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
৩৯। শান্তি অর্জন করতে হলে, সবাইকে সমান অধিকার দিতে হবে।
— আলবার্ট আইনস্টাইন
৪০। মানুষের অধিকার কেবল তার জন্মসঙ্গী নয়, বরং পৃথিবীকে ভালোবাসার উপহার।
— জন লক

অধিকার নিয়ে ছন্দ
অধিকার আমার, হাসির কারণ,
সবাই মিলে রাখি, এটার সম্মান।
পৃথিবী হোক সুন্দর, ভালোবাসার ঘর,
অধিকার রক্ষা করি, হাতে থাকুক ধর।
শান্তি আর হাসি, সবাই পাক চির,
অধিকার মানে, জীবনের নীতি।
সবাই একসাথে, গড়ি নতুন দিন,
অধিকারে হবে, জীবন রঙিন।
অধিকার নিয়ে ক্যাপশন স্ট্যাটাস :

অধিকার নিয়ে কবিতা
অধিকার মানে আমার হাসি,
সবার জন্য ভালোবাসি।
পৃথিবীটা হোক রঙিন আলো,
অধিকারে থাকুক শান্তি ভালো।
সবাই মিলে হাত ধরে,
অধিকার রক্ষা করি ঘরে ঘরে।
হাসি আর সুখ, সবার জন্য,
অধিকার মানে, জীবন রঙিনী।
অধিকার নিয়ে ফেসবুক ক্যাপশন

অধিকার নিয়ে ছড়া
অধিকার আমার, ছোট্ট একটা স্বপ,
সবাই পাক হাসি, হোক না দুঃখ সপ।
পৃথিবী হবে, ভালোবাসার ঘর,
অধিকার রক্ষা করি, হাতে হাত ধর।
শান্তি আর সুখ, সবার জন্যে,
অধিকার মানে, জীবন রঙিনী।
সবাই একসাথে, গড়ি নতুন দিন,
অধিকারে হবে, হাসির রঙিন।
অধিকার নিয়ে স্ট্যাটাস


অধিকার নিয়ে উক্তি
১. অধিকার মানে কারো অনুগ্রহ পাওয়া নয়, বরং নিজের আত্মসম্মান নিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর শক্তি।
২. যে সমাজে দুর্বলের কথা বলার সুযোগ নেই, সেই সমাজের উন্নতির কথা বলা কেবল একটি মরীচিকা।
৩. মানুষের মর্যাদা তখনই সুরক্ষিত থাকে, যখন তার মৌলিক দাবিগুলো আইনের পাতায় নয়, মানুষের হৃদয়ে স্থান পায়।
৪. আপনার অধিকার ততক্ষণ পর্যন্ত নিরাপদ, যতক্ষণ আপনি অন্যের অধিকার রক্ষায় সাহসী ভূমিকা রাখেন।
৫. অধিকারহীন মানুষ একটি প্রাণহীন বৃক্ষের মতো, যা কেবল বাতাসের দাপটে এদিক-ওদিক নুয়ে পড়ে।
৬. সমান অধিকার মানে সবাইকে একই কাপড় দেওয়া নয়, বরং যার যতটুকু প্রয়োজন তাকে ততটুকু সম্মান দেওয়া।
৭. ন্যায়বিচার হলো অধিকারের প্রাণ; বিচারহীন অধিকার কেবল একটি সুন্দর নামফলক ছাড়া আর কিছুই নয়।
৮. ক্ষুধার্ত পেটে অধিকারের বুলি শোনায় না, আগে অন্ন তারপর সম্মানের অধিকারই প্রকৃত মানবতা।
৯. উচ্চবিত্তের বিলাসিতা আর নিম্নবিত্তের অধিকারের মধ্যে যে দেয়াল, তা ভাঙাই হলো সভ্যতার কাজ।
১০. মানুষের অধিকার যখন টাকার মানদণ্ডে মাপা হয়, তখন বুঝতে হবে সেই রাষ্ট্র অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
১১. অধিকার কেউ আপনাকে উপহার হিসেবে দেবে না, এটি লড়াই করে অর্জন করার এক অবিরাম প্রক্রিয়া।
১২. সত্য বলা যদি অপরাধ হয়, তবে সেই অপরাধ করার অধিকারই হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাহস।
১৩. প্রতিবাদের ভাষা যত নম্র কিন্তু দৃঢ় হয়, অধিকার আদায়ের পথ ততটাই প্রশস্ত হয়।
১৪. নিজের হক বুঝে নিতে জানা কোনো অহংকার নয়, বরং এটি নিজের অস্তিত্বের প্রতি দায়বদ্ধতা।
১৫. অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপনার নীরবতা মানেই হলো আপনি নিজের অধিকার অন্যের হাতে তুলে দিচ্ছেন।
১৬. একটি শিশুর হাসার অধিকার কেড়ে নেওয়া মানে পৃথিবীর সুন্দর ভবিষ্যৎকে গলা টিপে হত্যা করা।
১৭. শিক্ষার অধিকার কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়, এটি শিশুর চিন্তা করার স্বাধীনতাকে বোঝায়।
১৮. আগামীর প্রজন্মের জন্য একটি বিষমুক্ত পৃথিবী রেখে যাওয়া আমাদের বর্তমানের সবচেয়ে বড় দায়।
১৯. খেলার মাঠ আর নীল আকাশ দেখা শিশুদের অধিকার, কলকারখানার ধোঁয়া তাদের পাওনা নয়।
২০. ছোটবেলা থেকেই অধিকারের চেতনা জাগিয়ে তুলুন, যেন বড় হয়ে তারা দাসের মতো বেঁচে না থাকে।
২১. নারীর অধিকার মানে কারো চেয়ে বড় হওয়া নয়, বরং নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার সক্ষমতা।
২২. যেখানে নারী নিরাপদ নয়, সেখানে সভ্যতার গল্প বলা এক ধরণের নির্লজ্জতা ছাড়া আর কিছুই নয়।
২৩. ঘরের ভেতর শ্রদ্ধা আর বাইরে নিরাপত্তা—এই দুই মিলেই পূর্ণ হয় একজন নারীর অধিকার।
২৪. সম্মান কোনো লিঙ্গভেদে আসে না, এটি মানুষের আচরণের মাধ্যমে অর্জিত একটি মৌলিক অধিকার।
২৫. সহমর্মিতা ছাড়া অধিকার আদায় সম্ভব নয়, কারণ অন্যের ব্যথা বুঝতে পারাই হলো অধিকারের শুরু।
২৬. রাষ্ট্রের কাজ অধিকার বন্টন করা নয়, বরং মানুষের জন্মগত অধিকার যেন কেউ কেড়ে না নিতে পারে তা নিশ্চিত করা।
২৭. ভোট দেওয়া কেবল একটি কাগুজে প্রক্রিয়া নয়, এটি নিজের ভাগ্য নিজে গড়ার এক অনন্য অধিকার।
২৮. আইনের শাসন যেখানে দুর্বল, অধিকার সেখানে কেবল শক্তিশালী মানুষের ব্যক্তিগত সম্পত্তি।
২৯. মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানে হলো অন্যের অপ্রিয় সত্যটা শোনার মানসিকতা রাখা।
৩০. যে রাষ্ট্র নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে শ্রদ্ধা করে না, সে রাষ্ট্র মানুষের আত্মাকে বন্দি করে।
৩১. শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগে তার পারিশ্রমিক দেওয়া কেবল ধর্ম নয়, এটি তার পরম অধিকা
৩২. নিশ্বাস নেওয়ার অধিকার সবার আছে, কিন্তু সসম্মানে নিশ্বাস নেওয়ার অধিকারই হলো জীবন।
৩৩. অসুস্থ হলে চিকিৎসা পাওয়া কোনো করুণা নয়, এটি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আপনার পাওনা নিরাপত্তা।
৩৪. কাজের অধিকার আর বিশ্রামের অধিকার—দুটিই মানুষের মানসিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য জরুরি।
৩৫. ভিক্ষা দিয়ে কারো অধিকার মেটানো যায় না, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই হলো প্রকৃত সমাধান।
৩৬. আপনার বিশ্বাস আপনার কাছে পবিত্র, কিন্তু অন্যের বিশ্বাসকে অশ্রদ্ধা করা আপনার অধিকার নয়।
৩৭. চিন্তা করার স্বাধীনতা হলো মানুষের মস্তিষ্কের অক্সিজেন, এটি বন্ধ করলে মানুষ যন্ত্রে পরিণত হয়।
৩৮. ভিন্নমতকে দমন করা মানে হলো নতুন কোনো সত্যের পথকে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া।
৩৯. জ্ঞানের অধিকার সবার জন্য উন্মুক্ত হওয়া উচিত, যেন আলোর অভাবে কেউ পথ না হারায়।
৪০. নিজের মতো করে স্বপ্ন দেখার অধিকারই মানুষকে কঠিন পথ পাড়ি দেওয়ার শক্তি যোগায়।
৪১. নির্মল বাতাস আর বিশুদ্ধ জল মানুষের বেঁচে থাকার আদিম ও অকৃত্রিম অধিকার।
৪২. প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে থাকা আমাদের অধিকার, কিন্তু প্রকৃতিকে ধ্বংস করা আমাদের এখতিয়ার নয়।
৪৩. পশুপাখিদেরও এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার অধিকার আছে, পৃথিবীটা কেবল মানুষের একক সম্পত্তি নয়।
৪৪. সবুজ বনানী রক্ষা করা মানে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের নিশ্বাস নেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা।
৪৫. মাটির মমতা আর বৃক্ষের ছায়া পাওয়ার অধিকার সবার জন্য সমান থাকা উচিত।
৪৬. অধিকার কেবল দাবির বিষয় নয়, এটি অন্যকে সম্মান দেওয়ার এক সুন্দর অনুশীলন।
৪৭. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো একজন মানুষের নিজের অস্তিত্ব নিয়ে গর্ব করার অধিকার।
৪৮. অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আপনি একা নন, আপনার সাহসই আরও দশজনকে পথ দেখাবে।
৪৯. মানুষের জীবনের সার্থকতা তার পাওয়া অধিকারের পরিমাপে নয়, বরং সে কতটুকু দিতে পেরেছে তার ওপর।
৫০. শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত নিজের মর্যাদা রক্ষা করা এবং মাথা না নোয়ানোই হলো শ্রেষ্ঠ অধিকার।
ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ভার্চুয়াল অধিকার
১. আপনার ডিজিটাল ডাটা কেবল কিছু সংখ্যা নয়, এটি আপনার ব্যক্তিগত জীবনের একটি অংশ; যা রক্ষা করা আপনার মৌলিক অধিকার।
২. ভার্চুয়াল জগতে নিরাপদ থাকা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আধুনিক যুগে মানুষের শান্তিতে বেঁচে থাকার প্রাথমিক শর্ত।
৩. আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ আপনার ব্যক্তিগত বার্তার ভেতর উঁকি দেওয়ার অধিকার রাখে না; গোপনীয়তা হলো ডিজিটাল জগতের শ্রেষ্ঠ দেয়াল।
৪. স্ক্রিনের ওপাশে বসে কাউকে অপমান করা বাকস্বাধীনতা নয়, বরং অন্যের মানসিক সুস্থতার অধিকার হরণ করা।
৫. ইন্টারনেটে নিজের পরিচয় সুরক্ষিত রাখা আপনার তেমনই অধিকার, যেমনটি নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখা।
৬. কোনো অ্যাপ বা ওয়েবসাইট যখন আপনার তথ্য চুরি করে, তখন তারা আসলে আপনার ব্যক্তিগত জীবনকে বাজারে বিক্রি করে দেয়।
৭. ডিজিটাল স্পেসে নির্ভয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারা একটি সুস্থ গণতন্ত্রের পরিচয়।
৮. সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া মানে কেবল নিজের জন্য নয়, বরং ইন্টারনেটে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৯. একটি পাসওয়ার্ড কেবল আপনার অ্যাকাউন্ট রক্ষা করে না, এটি আপনার ভার্চুয়াল অস্তিত্বের সুরক্ষা কবচ।
১০. প্রযুক্তির দাস হওয়া আমাদের লক্ষ্য নয়, প্রযুক্তির ওপর নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই হলো প্রকৃত মুক্তি।
১১. শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ইন্টারনেট জগত গড়ে তোলা আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় নৈতিক দায়িত্ব ও অধিকার।
১২. আপনার ছবি বা ভিডিওর ওপর একমাত্র আপনারই অধিকার; এটি ব্যবহারের আগে সম্মতি নেওয়াটা সৌজন্য নয়, বরং আইনি বাধ্যবাধকতা।
১৩. ডিজিটাল অপরাধীর কোনো সীমানা নেই, তাই বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল আইন ও সুরক্ষা পাওয়া মানুষের বৈশ্বিক অধিকার।
১৪. অনলাইন জগতে ভুলে যাওয়ার অধিকার (Right to be Forgotten) মানুষের থাকা উচিত, যেন অতীতের কোনো ভুল বর্তমানকে বিষিয়ে না তোলে।
১৫. প্রযুক্তির সুফল যেন কেবল ধনীদের কাছে না থাকে; তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের অধিকার সবার জন্য সমান হওয়া চাই।
১৬. সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের জীবন প্রদর্শন করা বা না করা আপনার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অধিকার, এতে কারো হস্তক্ষেপ কাম্য নয়।
১৭. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI যেন মানুষের সৃজনশীলতাকে প্রতিস্থাপন না করে, বরং মানুষের অধিকারকে আরও শক্তিশালী করে।
১৮. ইন্টারনেটে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বেড়াজাল থেকে সত্যকে খুঁজে পাওয়ার অধিকার প্রতিটি সচেতন নাগরিকের আছে।
১৯. ভার্চুয়াল জগতকে ঘৃণা ও বিদ্বেষমুক্ত রাখা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার।
২০. মনে রাখবেন, আপনি ডিজিটাল জগতের পণ্য নন; আপনি একজন মানুষ যার ডিজিটাল সম্মান রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
মানসিক স্বাস্থ্যকে কেবল চিকিৎসার ফ্রেমওয়ার্কে না দেখে, মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক পাওনা হিসেবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। নিচে আপনার জন্য ২০টি অনন্য উক্তি দেওয়া হলো:
মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মিক অধিকার
১. শরীর খারাপ করলে যেমন সবাই দেখতে আসে, মন খারাপ হলেও ঠিক তেমনি সহমর্মিতা পাওয়া আপনার জন্মগত অধিকার।
২. “আমি ভালো নেই” এটুকু বলার সাহস রাখা কোনো দুর্বলতা নয়, এটি নিজের অধিকারের প্রতি সচেতন থাকার নাম।
৩. বিষণ্ণতার অন্ধকারে একাকী থাকা কোনো নিয়তি নয়; বরং সেখান থেকে আলোর পথে ফেরার জন্য সাহায্য পাওয়া আপনার প্রাপ্য।
৪. আপনার মনের শান্তি নষ্ট করে এমন কোনো কাজ বা সম্পর্ককে “না” বলা আপনার নৈতিক এবং আত্মিক অধিকার।
৫. সমাজ কী ভাববে তার চেয়ে আপনি ভেতর থেকে কতটা শান্ত আছেন, সেটিই হোক আপনার জীবনের প্রধান অগ্রাধিকার।
৬. মানসিক স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়; এটি শরীর নামক যন্ত্রটি সচল রাখার প্রধান জ্বালানি ও মানুষের মৌলিক দাবি।
৭. কাজের চাপে পিষ্ট না হয়ে নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করা আপনার অধিকার, কারণ আপনি কোনো রোবট নন—একজন মানুষ।
৮. মনের ক্ষতগুলো অদৃশ্য বলে তা গুরুত্বহীন নয়; সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার জন্য সময় এবং সেবা পাওয়া আপনার পাওনা।
৯. নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার জন্য একটি নিরাপদ ও বিচারহীন পরিবেশ পাওয়া প্রতিটি মানুষের আত্মিক অধিকার।
১০. জীবনের কঠিন সময়ে কারো কাঁধে মাথা রেখে কাঁদার অধিকার থাকা উচিত, যেন একাকীত্বের বোঝা কাউকে পিষে না ফেলে।
১১. সমাজ আপনাকে কেবল হাসিখুশি দেখতে চায়, কিন্তু আপনার কাঁদার এবং ভেঙে পড়ার অধিকারটুকুও সমানভাবে রক্ষা করা উচিত।
১২. মানসিক সুস্বাস্থ্যের অধিকার মানে হলো নিজের সীমাবদ্ধতাগুলোকে স্বীকার করা এবং তা নিয়ে লজ্জিত না হওয়া।
১৩. আত্মিক শান্তি বজায় রাখার জন্য অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া আপনার ব্যক্তিগত অধিকার।
১৪. শৈশব থেকেই শিশুদের মনের যত্ন নেওয়া শিখাতে হবে, যেন তারা মানসিক স্বাস্থ্যের অধিকার নিয়ে বড় হতে পারে।
১৫. প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের মানসিক প্রশান্তির নিশ্চয়তা থাকা উচিত, কারণ সুস্থ মনই সুন্দর সৃষ্টির কারিগর।

১৬. ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার মানসিক সমস্যার যথাযথ চিকিৎসা পাওয়া একটি সার্বজনীন মানবিক অধিকার।
১৭. নিজের ভেতরের সত্তাকে চেনা এবং তাকে ভালোবাসার অধিকারই হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক জয়।
১৮. ব্যর্থতাকে মেনে নেওয়ার সাহস অর্জন করা এবং আবার ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সাপোর্ট পাওয়া আপনার আত্মিক পাওনা।
১৯. কেউ আপনার মানসিক অবস্থা নিয়ে বিদ্রুপ করার অধিকার রাখে না; আত্মসম্মান রক্ষা করা আপনার প্রথম দায়িত্ব।
২০. মনে রাখবেন, আপনি নিখুঁত না হলেও আপনি মূল্যবান; নিজের ত্রুটিগুলোসহ নিজেকে গ্রহণ করার অধিকারই হলো মুক্তি।
নিজের শেকড় এবং পরিচয় জানার তৃষ্ণা মানুষের অস্তিত্বের গভীরতম একটি অংশ। আপনার জন্য এই বিষয়ের ওপর ২০টি মানবিক ও অনন্য উক্তি দেওয়া হলো:
পৈতৃক পরিচয় ও শেকড়ের অধিকার
১. নিজের নাম এবং বংশের ইতিহাস জানা কোনো কৌতূহল নয়, এটি নিজের অস্তিত্বকে পূর্ণতা দেওয়ার আদিম ও মৌলিক অধিকার।
২. শেকড়হীন মানুষ ঝড়ে ওড়া ধূলিকণার মতো; নিজের উৎস জানা প্রতিটি মানুষের আত্মিক শক্তির প্রধান উৎস।
৩. কোনো শিশুকে তার পরিচয় থেকে বঞ্চিত করা মানে তার জীবনের অর্ধাংশ অন্ধকার করে রাখা; পরিচয় জানা তার জন্মগত পাওনা।
৪. আপনার পূর্বপুরুষ কারা ছিলেন এবং তারা কেমন ছিলেন, তা জানার অধিকার আপনাকে ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী করে তোলে।
৫. পরিচয় গোপন রাখা কোনো সমাধান নয়; বরং সত্যকে গ্রহণ করার অধিকারই মানুষকে আত্মমর্যাদা নিয়ে বাঁচতে শেখায়।
৬. একটি গাছের শক্তি যেমন তার গভীরে থাকা শেকড়, মানুষের শক্তিও তেমনি তার পারিবারিক শেকড় ও সংস্কৃতির মধ্যে নিহিত।

৭. আপনি কোথা থেকে এসেছেন তা জানতে পারা আপনার অধিকার, যেন আপনি বুঝতে পারেন আপনি কোথায় যেতে চান।
৮. পৈতৃক পরিচয় কেবল একটি দলিল নয়, এটি রক্তের সম্পর্কের সেই সূত্র যা মানুষকে নিঃসঙ্গতা থেকে মুক্তি দেয়।
৯. মাটির টানে ঘরে ফেরার অধিকার সবার আছে; নিজের শেকড়কে চেনা মানে নিজের আত্মার ঠিকানাকে খুঁজে পাওয়া।
১০. সমাজ বা আইন যেন কারো পরিচয়কে কলঙ্কিত না করে; প্রতিটি মানুষের নিজের পূর্বপুরুষকে সম্মান জানানোর অধিকার আছে।
১১. দত্তক নেওয়া সন্তান হোক বা বিচ্ছিন্ন কেউ—নিজের জন্মবৃত্তান্ত জানা তাদের মৌলিক অধিকারের অন্তর্গত।
১২. শেকড় ছেঁড়া জীবন খুব দ্রুত শুকিয়ে যায়; নিজের ইতিহাস জানার অধিকারই আমাদের সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখে।
১৩. বাবার নাম বা মায়ের পরিচয় কোনো করুণা নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের আইনি ও মানবিক প্রাপ্য।
১৪. নিজের সংস্কৃতি এবং ভাষার উত্তরাধিকার বহন করা প্রতিটি মানুষের প্রাণের দাবি এবং গর্বের বিষয়।
১৫. আপনার পূর্বপুরুষের সংগ্রাম আর সফলতার গল্প শোনার অধিকার আপনাকে জীবনের কঠিন পথে সাহস জোগাবে।
১৬. পরিচয়হীনতা হলো এক অদৃশ্য দেয়াল; এই দেয়াল ভেঙে নিজের উৎসকে চেনার অধিকার সবার থাকা প্রয়োজন।
১৭. উত্তরসূরি হিসেবে পূর্বসূরিদের চিহ্ন বা স্মৃতি রক্ষা করার অধিকার আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।
১৮. যারা নিজের শেকড় চেনে, তারা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে গিয়েও নিজের ব্যক্তিত্বকে হারিয়ে ফেলে না।
১৯. কোনো জাতি বা গোষ্ঠী যখন নিজের শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তখন তাদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে; তাই পরিচয় রক্ষা করা বড় সংগ্রাম।
২০. আপনি কে এবং কার রক্ত আপনার ধমনীতে বইছে—এই সত্য জানার অধিকারই আপনার আত্মপরিচয়ের ভিত্তি।
প্রবীণদের মর্যাদা ও যত্নের অধিকার
১. প্রবীণরা আমাদের সমাজের বোঝা নন, তারা আমাদের অভিজ্ঞতার জীবন্ত লাইব্রেরি; তাদের যত্ন পাওয়া কোনো দয়া নয়, এটি তাদের অধিকার।
২. যে হাতগুলো একসময় আমাদের আগলে রেখেছিল, বার্ধক্যে সেই হাতগুলো শক্ত করে ধরে রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও তাদের প্রাপ্য।
৩. বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও তাদের আত্মসম্মান যেন নুয়ে না পড়ে; প্রতিটি প্রবীণের সসম্মানে বাঁচার অধিকার আছে।
৪. শেষ বয়সে একাকীত্ব নয়, বরং প্রিয়জনদের সান্নিধ্য এবং ভালোবাসা পাওয়া প্রতিটি মানুষের জীবনের চূড়ান্ত অধিকার। ৫. তাদের অভিজ্ঞতাকে অবজ্ঞা করা মানে নিজের শেকড়কে অস্বীকার করা; প্রবীণদের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া একটি সভ্য সমাজের লক্ষণ।
৬. বার্ধক্যের অসুস্থতায় সঠিক চিকিৎসা ও পুষ্টিকর খাবার পাওয়া বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক দাবি।
৭. কোনো প্রবীণ যেন আশ্রমে নয়, নিজের ঘরে আপনজনদের হাসিমুখের মাঝে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার অধিকার পায়।
৮. বয়স্ক মানুষের ধীরগতিকে উপহাস করবেন না, মনে রাখবেন তারা আজ যেখানে আপনিও একদিন সেখানে পৌঁছাবেন।
৯. পেনশন বা সরকারি সহায়তা কোনো দান নয়; এটি তাদের যৌবনের শ্রম আর ঘামের বিনিময়ে অর্জিত ন্যায্য পাওনা।
১০. প্রবীণদের গল্প শোনার জন্য কিছুটা সময় দেওয়া তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিত করার সমান।
১১. সমাজ যেন তাদের অপ্রাসঙ্গিক মনে না করে; জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অধিকার তাদের আছে।
১২. প্রযুক্তির এই যুগে প্রবীণদেরও নতুন কিছু শেখার অধিকার আছে, যেন তারা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারেন।
১৩. লাঠিতে ভর দিয়ে চলা মানুষটির প্রতি সহানুভূতি নয়, বরং শ্রদ্ধার সাথে পথ ছেড়ে দেওয়া আমাদের সংস্কৃতির অংশ হওয়া উচিত।
১৪. বার্ধক্য মানে জীবনের শেষ নয়, বরং এক নতুন অধ্যায়; সেই অধ্যায়কে রঙিন করার অধিকার প্রতিটি প্রবীণের রয়েছে।
১৫. প্রতিটি পরিবারের বড় সিদ্ধান্তগুলোতে প্রবীণদের অংশগ্রহণ তাদের অস্তিত্বের সার্থকতা এবং সম্মানের অধিকার নিশ্চিত করে।
১৬. জরাজীর্ণ শরীর দেখে অবহেলা করা মানে নিজের ভবিষ্যৎকে অপমান করা; তাদের সেবা পাওয়া একটি সার্বজনীন মানবিক অধিকার।
১৭. প্রবীণদের স্মৃতিভ্রম বা বার্ধক্যজনিত সমস্যাগুলোকে সহমর্মিতার সাথে গ্রহণ করা আমাদের আত্মিক উন্নতির পরিচয়।
১৮. পৃথিবীর প্রতিটি প্রবীণ যেন ভয়হীন এবং অভাবমুক্ত একটি জীবন কাটানোর নিশ্চয়তা পায়—এটিই হোক আগামীর অঙ্গীকার।
১৯. তাদের ফেলে আসা দিনগুলোর ত্যাগ আমাদের বর্তমানের ভিত্তি; সেই ত্যাগের বিনিময়ে তারা আজ আমাদের শ্রদ্ধা আর যত্ন পাওয়ার যোগ্য।
২০. বার্ধক্যকে জয় করা সম্ভব নয়, কিন্তু বার্ধক্যের দিনগুলোকে মর্যাদাপূর্ণ করা অবশ্যই সম্ভব এবং এটিই তাদের শ্রেষ্ঠ অধিকার।
বিচারের উদ্দেশ্য কেবল দণ্ড দেওয়া নয়, বরং মানুষকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। আপনার জন্য এই বিষয়ের ওপর ২০টি মানবিক ও অনন্য উক্তি দেওয়া হলো:
মানবিক বিচার ও ক্ষমার অধিকার
১. বিচার মানে কেবল অপরাধের শাস্তি নয়, বরং অপরাধীর ভেতরে থাকা মানুষটিকে সংশোধনের শেষ সুযোগ দেওয়া।
২. আইন যেন অন্ধ হয়ে কেবল দণ্ড না দেয়; প্রতিটি বিচারেই যেন মানবিক পরিস্থিতি বিবেচনার অধিকার সংরক্ষিত থাকে।
৩. ক্ষমা কোনো দুর্বলতা নয়, এটি মানুষকে নতুন করে জীবন শুরু করার অধিকার দেওয়ার এক মহান মানবিক গুণ।
৪. কাঠগড়ায় দাঁড়ানো মানুষটিরও আত্মপক্ষ সমর্থনের এবং সত্য বলার পূর্ণ অধিকার আছে, যেন বিচার প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।
৫. প্রতিহিংসার নাম বিচার হতে পারে না; প্রকৃত বিচার হলো ঘৃণা মুছে দিয়ে সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
৬. একটি ভুল পদক্ষেপ যেন কারো সারাজীবনের পরিচয় না হয়; অপরাধের পর লজ্জিত মানুষের ক্ষমা পাওয়ার অধিকার আছে।
৭. বিচারের বাণী যেন নিভৃতে না কাঁদে; দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য আইনি সহায়তা পাওয়া কোনো করুণা নয়, এটি অধিকার।
৮. কারাগার যেন কেবল বন্দিশালা না হয়ে একটি সংশোধনাগার হয়, যেখানে মানুষের বিবেক জাগিয়ে তোলার অধিকার থাকে।
9. বিচারক যখন সহমর্মিতার চোখে মামলা দেখেন, তখন আইন আর শুষ্ক থাকে না; তা হয়ে ওঠে ন্যায়বিচারের আশ্রয়। ১০. প্রতিটি মানুষের অধিকার আছে তার ভুলের জন্য অনুশোচনা করার এবং সমাজ কর্তৃক পুনরায় গৃহীত হওয়ার।
১১. বিনা বিচারে কাউকে আটকে রাখা হলো সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন; দ্রুত বিচারের অধিকার প্রতিটি নাগরিকের প্রাপ্য।

১২. অপরাধীকে ঘৃণা করুন, কিন্তু তার ভেতরে থাকা মানুষের মর্যাদাটুকু রক্ষা করা বিচারব্যবস্থার নৈতিক দায়িত্ব।
১৩. আইনের চোখে সবাই সমান হওয়ার অর্থ হলো—ক্ষমতাবানও যেন ক্ষমা চায় এবং দুর্বলও যেন ন্যায়বিচার পায়।
১৪. ক্ষমা পাওয়ার অধিকার তখনই জন্মে, যখন কেউ নিজের ভুল স্বীকার করে এবং তা শুধরে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
১৫. বিচারের দীর্ঘসূত্রতা আসলে বিচার না পাওয়ারই নামান্তর; সময়মতো রায় পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার।
১৬. কোনো মানুষের ওপর যেন অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে স্বীকারোক্তি নেওয়া না হয়; এটি মৌলিক মানবিক অধিকারের পরিপন্থী।
১৭. লঘু পাপে গুরু দণ্ড দেওয়া বিচারের অপলাপ; অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী ন্যায্য রায় পাওয়া প্রতিটি মানুষের দাবি।
১৮. বিচারব্যবস্থা যেন প্রতিশোধের হাতিয়ার না হয়ে সত্য উদঘাটনের আলো হয়ে পথ দেখায়।
১৯. সমাজ যদি ক্ষমা করতে না শেখে, তবে তা কেবল অপরাধীই তৈরি করবে; ক্ষমা মানুষকে সুপথে ফেরার সাহস দেয়।
২০. শেষ বিচারে যেন দয়া আর ন্যায়ের মিলন ঘটে; কারণ কঠোর আইনের চেয়ে মানবিক বিচারই পৃথিবীকে বেশি বাসযোগ্য করে।
অধিকার নিয়ে শেষ কথা
অধিকার মানে শুধু নিজের জন্য কিছু চাওয়া নয়, অন্যকেও হাসি দেওয়া। আমরা যদি সবাই মিলে একে অপরের অধিকারের যত্ন নিই, তাহলে আমাদের পৃথিবীটা আরও সুন্দর হবে। চলো, অধিকার রক্ষা করি আর হাসি ছড়াই।