এখানে পাবেন অনেক গুলো অহংকার নিয়ে উক্তি এবং দাম্ভিকতা নিয়ে কিছু ইসলামিক বাণী । মানুষের জীবন ধ্বংস হওয়ার বড় তিনটি কারণ হচ্ছে লোভ, হিংসা আর অহংকার । এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিকর হচ্ছে অহংকার । এটা যার মধ্যে আছে, সে জীবনে কিছুই করতে পারে না । আর সে যদিও কিছু দিনের জন্য ভালো থাকে, তবে সে স্থায়ী ভাবেই ধ্বংস হয়ে যায় । আসুন তাহলে আমাদের আজকের লেখা শুরু করি ।
অহংকার নিয়ে উক্তি :
১. তিনটি সত্তা মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। লোভ, হিংসা ও অহংকার।
— ইমাম গাজ্জালি (রঃ)
২. নিজেকে অন্যের চেয়ে উত্তম মনে করাই হচ্ছে অহংকার ।
— সংগ্রহীত
৩. অহংকার হচ্ছে, সত্যকে উপেক্ষা করা এবং মানুষকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা।
— সহিহ মুসলিম
আরো আছেঃ হিংসা নিয়ে উক্তি
৪. যার মনে বিন্দু পরিমাণ অহংকার আছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না ।
— সহিঃ মুসলিম
৫. বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী ও উৎফুল্ল হয়ে উঠে ।
— সুরা-হুদ, আয়াত ১০
আরো আছেঃ ব্যর্থতা নিয়ে উক্তি
৬. লোভী ও অহঙ্কারী মানুষকে বিধাতা সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করে।
— জন রে
৭. যে ব্যক্তি নিজের মনেই নিজেকে বড় বলে জানে, চলার সময় অহংকার করে চলে, সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎকারে তিনি তার উপর রাগান্বিত অবস্থায় থাকবেন ।
— বুলুগুল মারাম – ১৬১১

৮. বিনয়ী মূর্খ অহংকারী বিদ্বান অপেক্ষা মহত্তর।
— জাহাবি
৯. কোন কারণ ছাড়াই যে অন্যকে ঘৃণা করে, সে প্রকৃতপক্ষে অহংকারী।
— মার্শাল
১০. একজন অহংকারী মহিলা সংসারের পুরো কাঠামো বিনষ্ট করে দেয়।
— পিনিরো
১১. একজন অহংকারী মহিলা গৃহে আগুন লাগাতে পারে।
— পাবলিয়াস সিয়াস
১২. অহংকার এমন এক আবরণ, যা মানুষের সকল মহত্ব আবৃত করে ফেলে।
— জাহাৰি
১৩. আমি একজন অহংকারীকে যতখানি ঘৃণা করি, একজন দোষীকে ততখানি করি না।
— হেনরি ব্রান্ড শ
১৪. সদুপদেশ গ্রহণ করার জন্য অন্তরে আগ্রহ সৃষ্টি না হওয়া এবং নিজের অভিমত খণ্ডিত হতে দেখেই অন্তরে ক্রোধের সৃষ্টি হওয়ার নামই অহংকার। আত্মপ্রশস্তি ও অহংকার মানুষকে নিম্নস্তরে নিয়ে যায়।
— ইমাম গাজ্জালি (রঃ)
১৫. অহংকার জিনিসটা হাতি ঘোড়ার মতো নয়, তাহাকে নিতান্ত অল্প খরচে ও বিনা খোরাকে বেশ মোটা করিয়া পোষা যায়।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৬. আমার জীবনের যেখানে নিশ্চয়তা নাই, তখন কী দিয়ে অহংকার করব?
— আর্থার গুইটারম্যান
১৭. এক কথায় নিজের বড়ত্ব জাহির করার অর্থ অহংকার।
— হেনরি ফোর্ড
১৮. চরিত্রের অহংকার সবচেয়ে বড় অহংকার।
— জেফারসন
১৯. প্রত্যেকটি অহংকারী লোককে দুঃসহ অবস্থার সম্মূখীন হতে হবে।
— আরডি মিথ কুক
২০. গর্বের অবস্থান সকল ভুলের নিচে।
— জন রাসকিন
২১. অহংকার মানুষের হৃদয়কে অন্ধ করে দেয় এবং তাকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।
— ইবনে তাইমিয়া
২২. যে নিজের গুণে গর্ব করে, সে আসলে নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করে।
— হযরত আলী (রাঃ)
২৩. অহংকার এমন একটি পোশাক, যা পরলে মানুষের আসল রূপ লুকিয়ে যায়।
— শেখ সাদী
২৪. অহংকারী মানুষ নিজেকে সবচেয়ে বড় মনে করে, কিন্তু আল্লাহর কাছে সে সবচেয়ে ছোট।
— ইমাম শাফিঈ
২৫. অহংকার হলো এমন একটি আগুন, যা মানুষের ভালো গুণগুলো পুড়িয়ে ছাই করে দেয়।
— রুমি
২৬. যে অহংকার করে, সে নিজের পতনের পথ নিজেই তৈরি করে।
— সক্রেটিস
২৭. অহংকার মানুষকে এতটাই উঁচুতে নিয়ে যায় যে, সে পড়ে গেলে আর উঠতে পারে না।
— কনফুশিয়াস
২৮. অহংকারী ব্যক্তি কখনো শান্তি পায় না, কারণ তার মন সবসময় অস্থির থাকে।
— দালাই লামা
২৯. অহংকার এমন একটি বিষ, যা মানুষের সম্পর্কগুলোকে ধ্বংস করে দেয়।
— উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
৩০. যে নিজের জ্ঞান নিয়ে অহংকার করে, তার জ্ঞান আসলে অজ্ঞানতার সমতুল্য।
— প্লেটো
৩১. অহংকার মানুষকে নিজের দোষ দেখতে দেয় না, কিন্তু অন্যের দোষ সে সবসময় দেখে।
— হাসান আল-বাসরী

৩২. অহংকারী মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসার জায়গা থাকে না, কারণ সে শুধু নিজেকেই ভালোবাসে।
— গান্ধী
৩৩. অহংকার হলো এমন একটি দুর্গ, যেখানে মানুষ নিজেকে বন্দী করে রাখে।
— খলিল জিবরান
৩৪. যে অহংকার করে, সে আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হয়।
— ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল
৩৫. অহংকার মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু, কারণ এটি তাকে নিজের সাথে প্রতারণা করায়।
— বুদ্ধ
৩৬. অহংকারী মানুষ কখনো শিখতে পারে না, কারণ সে মনে করে সে সব জানে।
— এরিস্টটল
৩৭. অহংকার এমন একটি রোগ, যার কারণে মানুষ নিজেকে সবার উপরে মনে করে।
— আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)
৩৮. অহংকার মানুষকে সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত করে এবং তাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।
— ইমাম মালিক
৩৯. যে নিজের সম্মান নিয়ে অহংকার করে, সে আসলে নিজের সম্মান হারায়।
— লাওৎসে
৪০. অহংকার এমন একটি ছায়া, যা মানুষের আলোকে ঢেকে দেয়।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
অহংকার নিয়ে ছন্দ
ছন্দে ছন্দে বলবো কথা, অহংকার কেন খারাপ। এই ছন্দটি তোমাদের জন্য, যাতে তুমি সবসময় হাসতে পারো।
অহংকার মনের শত্রু, করে দেয় কালো,
বিনয়ী হলে ছোট্ট বন্ধু, মনটা হয় আলো।
নিজেকে বড় ভেবো না, সবাই সমান জানি,
ভালোবাসায় মিলে থাকো, সুখ পাবে আনি।
অহংকারে হারায় বন্ধু, হারায় মনের শান্তি,
মিলে চলো সবার সাথে, পাবে হৃদয় কান্তি।
ছোট্ট মনে রাখো কথা, অহংকার ছাড়ো তুমি,
সবাই মিলে হাসি খুশি, জীবন হবে স্বামী।
দাম্ভিকতা নিয়ে উক্তি :
অহংকার বা দাম্বিকতা নিয়ে আরো কিছু উক্তি নিচে পাবেনঃ
১. দাম্ভিক পরহেজগারের চাইতে অনুতপ্ত পাপী উত্তম ।
— ফররুখ আহমদ (মুসলিম রেনেসাঁর কবি)
২. অহংকার সর্বদাই প্রশংসা দাবি করে।
— পিয়েরে বইস্টে
৩. এটাই অহংকারই যা ফেরেশতাদেরকে শয়তান বানিয়েছিল আর মানবতা মানুষকে বানিয়েছিল ফেরেশতা।
— সেইন্ট অগাস্টিন
৪. মানুষের নিজের ভুলগুলোর উপর পর্দা পড়ে যাওয়াই হলো অহংকার।
— প্রবাদ
৫. অহংকার সর্বদাই পতনের আগে এসে থাকে।
— স্প্যানিশ প্রবাদ
৬. অহংকার হলো কে সঠিক তা নিয়ে আর মানবতা হলো কি সঠিক তা নিয়ে।
— এজরা টি. বেনসন
৭. অহংকার এর কাছে সব কিছুর মূল্য দিলেও সে তোমার কাছে কিছুই রেখে যাবে না।
— সংগৃহীত
৮. অহংকার তোমার জন্য এক মহা বিপজ্জনক জায়গা তৈরি করে ফেলতে পারে যদি তুমি না জানো কিভাবে এটাকে দমন করতে হয়।
— লেডি গ্যাগা
৯. অহংকার সব সময়ই দুটি মানুষের ভিতর সবচেয়ে বেশি দূরত্ব সৃষ্টি করে থাকে।
— সংগৃহীত
১০. অহংকার হলো অ্যাধাত্মিক ক্যান্সার যা মনের মাঝের ভালোবাসা এবং যাবতীয় গুণকে গ্রাস করে।
— সি. লেউস
১১. যদি তোমার আত্ম মর্যাদা তোমার হৃদয়ের চেয়ে বড় এবং তোমার অহংকার তোমার মাথার চেয়ে বড় হয় তবে তা ছাড়ার চেষ্টা কর। কেননা তা না হলে তুমি একা হয়ে যাবে।
— সংগৃহীত
১২. জ্ঞান হলো অহংকারের ব্যস্তানুপাতিক, যতই জ্ঞান বাড়বে অহংকার কমবে আর যতই জ্ঞান কমবে অহংকার বাড়বে।
— আলবার্ট আইনস্টাইন
১৩..যদি তোমার অহংকার যদি জিতে যায় তবে মনে রেখো জীবন হেরে যাবে।
— প্রাটিকসা কৌশাল
১৪. কিছু সময় মানুষ এটাকে অহংকার ভাবলেও সেটা শুধুই আত্মমর্যাদা বোধ হয়ে থাকে।
— সংগৃহীত
১৫. অন্ধকার হলো আলোর অনুপস্থিতি আর অহংকার হলো জাগরণের অনুপস্থিতি।
— ওশো
১৬. অহংকার কখনোই সত্যকে মানে না।
— গৌতম বুদ্ধ
১৭. তোমার অহংকারই হলো তোমার সর্বশ্রেষ্ঠ শত্রু তাই এটাকে আজই মেরে ফেলো।
— সংগৃহীত
১৮. অহংকার পতনের মূল ।
— আল হাদিস
১৯. অহঙ্কার কে সামান্যের মাঝেই রাখো, নতুবা একজন মানুষ হিসেবে নিজের মর্যাদা রাখতে পারবা না।
— জন সেলডেন
২০. সবসময় স্মরণ রাখবে যে, তােমার মাথা তােমার টুপির চেয়ে উপরে নয়।
— জন লিলি
২১. অহংকারকে জ্ঞানকেও টপকে যেতে পারে আর স্বাভাবিকভাবেই এটা সাধারণ জ্ঞানটুকুওকেও ঢেকে রাখে।
— জুলিয়ান কাসাবিয়ানকাস
২২. অহংকার মানুষকে এমন একটি আয়নায় বন্দী করে, যেখানে সে শুধু নিজেকেই দেখে।
— রুমি
২৩. যে অহংকারী, সে নিজের হৃদয়ের দরজা বন্ধ করে দেয়, তাই সেখানে ভালোবাসা প্রবেশ করতে পারে না।
— শেখ সাদি
২৪. অহংকার এমন একটি ভার, যা বহন করতে গিয়ে মানুষ নিজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
— হযরত আলী (রাঃ)
২৫. অহংকারী মানুষের জন্য সত্য একটি তিক্ত ঔষধ, যা সে কখনো গ্রহণ করতে চায় না।
— ইমাম গাজ্জালি (রঃ)
২৬. অহংকার হলো এমন একটি মুখোশ, যা মানুষের আসল চেহারাকে লুকিয়ে রাখে।
— সক্রেটিস
২৭. যে নিজের গুণ নিয়ে অহংকার করে, সে আসলে নিজের দুর্বলতাকে প্রকাশ করে।
— কনফুশিয়াস
২৮. অহংকার মানুষকে সবার উপরে তুলে দেয়, কিন্তু শেষে তাকে একা ফেলে দেয়।
— গান্ধী
২৯. অহংকার এমন একটি শিকল, যা মানুষকে নিজের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করে।
— উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
৩০. যে অহংকার করে, সে নিজের পতনের জন্য নিজেই দায়ী।
— প্লেটো
৩১. অহংকার মানুষের মনে এমন একটি অন্ধকার সৃষ্টি করে, যেখানে সত্যের আলো প্রবেশ করতে পারে না।
— হাসান আল-বাসরী
৩২. অহংকারী মানুষ কখনো শান্তি পায় না, কারণ তার মন সবসময় অহংকারের দ্বন্দ্বে জর্জরিত।
— দালাই লামা
৩৩. অহংকার হলো এমন এক রোগ, যা মানুষের সমস্ত ভালো গুণ নষ্ট করে দেয়।
— ইবনে তাইমিয়া
৩৪. যে নিজেকে সবচেয়ে বড় মনে করে, সে আসলে সবচেয়ে ছোট হয়ে থাকে।
— আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)

৩৫. অহংকার হলা এটি একটি পথে যায়, যেখানে শুধুই ধ্বংস অপেক্ষা করে।
— বুদ্ধ
৩৬. যে অহংকান করে, জ্ঞান তার কাছে অর্জন করা অসম্ভব, কারণ সে মনে করে সে সব জানে।
— এরিস্টটল
৩৭. অহংকার এমন একটি বিষ, যা মানুষের সম্পর্কগুলোকে ধীরে ধীরে শেষ করে দেয়।
— খলিল জিবরান
৩৮. যে অহংকার করে, সে আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরে যায়।
— ইমাম শাফিঈ
৩৯. অহংকার মানুষের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা, কারণ এটি তাকে নিজের সাথে প্রতারণা করায়।
— লাওৎসে
৪০. অহংকার এমন একটি আগুন, যা মানুষের হৃদয়ের সমস্ত সৌন্দর্য পুড়িয়ে দেয়।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
অহংকার নিয়ে গান
অহংকার একটা বড় ভুল, যা আমাদের মনকে করে দুঃখী। এই গানটি ছোট বন্ধুদের জন্য, যাতে তারা জানে অহংকার থেকে দূরে থাকতে হয়।
অহংকার ছাড়ো, মনটা রাখো সাফ,
ভালোবাসায় ভরে দাও, হৃদয় হবে হাফ।
নিজেকে বড় ভাবলে, হারাবে সবাই,
বিনয়ী হলে পাবে, সুখের ঠিকানাই।
অহংকার আগুন, পোড়ায় মনের শান্তি,
সবার সাথে মিলে চলো, পাবে অনেক কান্তি।
মনে রাখো ছোট্ট বন্ধু, অহংকার নয়,
ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও, জীবন হবে জয়।
অহংকার নিয়ে স্ট্যাটাস :
এখানে অনেক অহংকার নিয়ে উক্তি স্ট্যাটাস পাবেনঃ


অহংকার নিয়ে কবিতা
অহংকার একটা মেঘ, যা মনের আলো ঢেকে দেয়। এই কবিতাটি তোমাদের জন্য, যাতে তুমি অহংকার থেকে বাঁচতে শিখো।
অহংকার মনের কাঁটা, ফুটে থাকে চুপি,
নিজেকে বড় ভাবলে, হয় মনটা দুঃখী।
বন্ধুদের সাথে মিলে, হাসি ছড়াও তুমি,
অহংকার দূরে রাখো, সুখ পাবে জানি।
মনে রাখো ছোট্ট হৃদয়, বড় হয় ভালোবাসায়,
অহংকারে হারায় সব, থাকে না কোনো আশায়।
বিনয়ী হয়ে চলো তুমি, সবাই ভালোবাসবে,
অহংকার ছাড়ো তাড়াতাড়ি, মনটা আলো হাসবে।
অহংকার নিয়ে ক্যাপশন :

অহংকার নিয়ে ছড়া
ছড়া পড়ে শিখবে তুমি, অহংকার কত খারাপ। এই ছড়াটি তোমাকে সাহায্য করবে ভালো মানুষ হতে।
অহংকার একটা মেঘ, ঢেকে দেয় আলো,
মনে রাখো ছোট্ট বন্ধু, বিনয়ে মন ভালো।
নিজেকে বড় ভাবলে, হারাবে সব বন্ধু,
ভালোবাসায় মিলে থাকো, পাবে সুখের ধন্দু।
অহংকারে মনটা কাঁদে, হয় না কোনো জয়,
বিনয়ী হলে সবাই বলে, তুমি হও সুখের রায়।
ছোট্ট হৃদয় রাখো সাফ, অহংকার দূরে যাক,
সবার সাথে হাসি খুশি, জীবন হবে ফ্রাক।
অহংকার নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস
অহংকার আমাদের মনকে ছোট করে দেয়। এখানে কিছু স্ট্যাটাস দেওয়া হলো, যা তুমি ফেসবুকে শেয়ার করতে পারো।


অহংকার নিয়ে উক্তি
১.
অহংকার চিৎকার করে নিজের অস্তিত্ব জানান দেয়,
আর আত্মসম্মান নীরবে নিজের সীমা জানে।
এই পার্থক্য না বুঝলেই মানুষ হারিয়ে যায়।
২.
যে মানুষ বেশি জোরে নিজেকে বড় প্রমাণ করতে চায়,
সে আসলে ভেতরে কোথাও খুব ছোট অনুভব করে।
৩.
অহংকার মানুষকে উঁচুতে তোলে না,
শুধু মাটির সাথে সংযোগটা কেটে দেয়।
৪.
সব কথা জিতে নেওয়াই বুদ্ধিমত্তা নয়,
কিছু কথা ছেড়ে দেওয়াই পরিণত মন।
৫.
অহংকার এমন এক আয়না,
যেখানে মানুষ শুধু নিজেকেই দেখে—
অন্য কাউকে নয়।
৬.
যে মানুষ ভুল স্বীকার করতে জানে না,
সে কখনো সত্যিকারের শক্তিশালী হতে পারে না।
৭.
অহংকার মানুষকে একা করে দেয়,
আর একাকীত্বে গিয়ে সে নিজেকেই দোষ দেয়।
৮.
নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবা সহজ,
নিজেকে বোঝা কঠিন—
কঠিনটাই আসল উন্নতি।
৯.
অহংকার মানে নিজেকে রক্ষা করা নয়,
নিজেকে আড়াল করে রাখা।
১০.
যার অহংকার বেশি,
তার শেখার জায়গা কম।
১১.
মানুষ যত কম জানে,
অহংকার তত বেশি শব্দ করে।
১২.
অহংকার মানুষকে প্রশ্ন করতে দেয় না,
আর প্রশ্ন না থাকলে উত্তরও আসে না।
১৩.
নিজের ভুল ঢাকতে গিয়ে
মানুষ অহংকারের দেয়াল তোলে।
১৪.
অহংকার ভাঙে না,
কিন্তু ভেঙে পড়ার রাস্তা তৈরি করে।
১৫.
যে মানুষ সবসময় ঠিক হতে চায়,
সে ধীরে ধীরে মানুষ থাকা ভুলে যায়।
১৬.
অহংকার আসলে ভয়—
ভুল হয়ে গেলে সম্মান হারানোর ভয়।
১৭.
নীরবতা অনেক সময় অহংকার নয়,
কিন্তু অহংকার সবসময় নীরবতাকে ভয় পায়।
১৮.
যে নিজেকে ছোট করতে পারে,
সে আসলে ভিতরে অনেক বড়।
১৯.
অহংকার মানুষকে উপরে তোলে না,
শুধু নিচে তাকাতে ভুলিয়ে দেয়।
২০.
সবাইকে তুচ্ছ ভাবা সহজ,
নিজের ত্রুটি দেখা কঠিন।
২১.
অহংকার এমন এক বোঝা,
যা মানুষ নিজেই বহন করে—
তারপর অভিযোগ করে ক্লান্তির।
২২.
যে ক্ষমা চাইতে পারে না,
সে ভালোবাসাও ঠিকমতো নিতে পারে না।
২৩.
অহংকার মানুষকে একদিন চুপ করিয়ে দেয়,
যেদিন কথা বলার খুব দরকার হয়।
২৪.
নিজেকে কেন্দ্র করে ঘুরতে ঘুরতে
মানুষ একদিন একাই ঘুরে যায়।
২৫.
অহংকার শেখায় কীভাবে হারাতে হয়,
কারণ জিততে হলে নম্রতা লাগে।
২৬.
যে সবসময় উপরে থাকতে চায়,
সে পড়ে যাওয়ার জন্যই প্রস্তুত থাকে।
২৭.
অহংকার ভেতরে ভেতরে মানুষকে শুকিয়ে দেয়,
বাইরে শুধু শক্ত খোলস রেখে যায়।
২৮.
নিজেকে বড় ভাবা সমস্যা নয়,
অন্যকে ছোট ভাবাই আসল বিপদ।
২৯.
অহংকার মানুষকে দূরে সরিয়ে দেয়,
তারপর মানুষ বলে—
“কেউ আমাকে বোঝে না।”
৩০.
যে নিজের সীমা জানে,
সে অহংকার করে না।
৩১.
অহংকার মানুষকে শেখায় কীভাবে একা থাকতে হয়,
কিন্তু শেখায় না—
কীভাবে মানুষ থাকতে হয়।
৩২.
ভুল মানতে না পারা মানুষই
ভুলের ভেতরেই আটকে যায়।
৩৩.
অহংকার আসলে আত্মবিশ্বাসের নকল রূপ।
৩৪.
নিজেকে প্রমাণ করতে করতে
মানুষ নিজেকেই হারিয়ে ফেলে।
৩৫.
অহংকারের ভাষা তীক্ষ্ণ,
কিন্তু গভীরতা নেই।
৩৬.
যে শুনতে জানে না,
সে বুঝতেও পারে না।
৩৭.
অহংকার মানুষকে শক্ত করে তোলে,
কিন্তু শক্ত মানুষ সবসময় সুখী হয় না।
৩৮.
নিজেকে ভাঙতে পারাই আসল সাহস,
নিজেকে বড় বানানো নয়।
৩৯.
অহংকার মানুষকে প্রশ্নবিহীন করে তোলে,
আর প্রশ্নবিহীন জীবন মানেই স্থবিরতা।
৪০.
যে মানুষ নিজের ভুলে হাসতে পারে,
সে অহংকারের অনেক ওপরে।
৪১.
অহংকার মানুষকে রক্ষা করে না,
শুধু সম্পর্কগুলো নষ্ট করে।
৪২.
নিজেকে সব জানে ভাবলে
জীবন আর কিছু শেখায় না।
৪৩.
অহংকার একদিন মানুষকে এমন জায়গায় নিয়ে যায়,
যেখানে সে শুধু নিজেকেই দোষ দিতে পারে।
৪৪.
নম্রতা দুর্বলতা নয়,
এটা আত্মনিয়ন্ত্রণ।
৪৫.
অহংকার মানুষকে বড় দেখায়,
কিন্তু ভেতরটা ফাঁকা করে দেয়।
৪৬.
যে ক্ষমা চাইতে জানে,
সে নিজেকে হারায় না—
সে নিজেকে বাঁচায়।
৪৭.
অহংকার মানুষকে কথা বলতে শেখায়,
কিন্তু অনুভব করতে শেখায় না।
৪৮.
নিজেকে নিচু করতে পারা মানেই
নিজেকে চেনা।
৪৯.
অহংকার ভাঙলে ব্যথা লাগে,
কিন্তু ভাঙার পরই মানুষ হওয়া শুরু হয়।
৫০.
অহংকার কমলে মানুষ বাড়ে,
আর মানুষ বাড়লেই জীবন সুন্দর হয়।
অহংকার: নিজের সঙ্গে নিজের দূরত্ব
১.
অহংকার মানুষকে অন্যদের থেকে দূরে সরায় না,
সবার আগে সে নিজেকেই হারিয়ে ফেলে।
আয়নায় তাকালেও তখন নিজের চোখ চেনা লাগে না।
২.
নিজেকে বড় প্রমাণ করতে করতে
ভেতরের মানুষটাকে ছোট করে ফেলি,
এই ক্ষতটাই সবচেয়ে নীরব।
৩.
অহংকার এমন এক দেয়াল,
যা বাইরে নয়—
ভেতরে ভেতরে গড়ে ওঠে।
৪.
নিজের ভুল স্বীকার না করার অভ্যাস
একদিন নিজের কাছেই অপরিচিত করে তোলে।
৫.
অহংকারে ঢাকা মুখের পেছনে
একজন ক্লান্ত মানুষ লুকিয়ে থাকে,
যে শুধু বোঝা যেতে চায়।
৬.
যত জোরে নিজেকে ঠিক বলি,
তত ধীরে নিজের সত্যটা চাপা পড়ে যায়।
৭.
অহংকার মানুষকে শক্ত দেখায়,
কিন্তু শক্ত হওয়া আর সুস্থ থাকা এক নয়।
৮.
নিজেকে রক্ষা করতে গিয়ে
নিজের অনুভূতিগুলোকেই আঘাত করি।
৯.
অহংকার মানে নিজেকে ভালোবাসা নয়,
নিজেকে না হারানোর ভয়।
১০.
যে নিজের দুর্বলতাকে লুকায়,
সে নিজের সাথেই সৎ থাকতে পারে না।
১১.
অহংকারের শব্দে
মনের নীরব কান্না শোনা যায় না।
১২.
নিজেকে সব জানি ভাবলে
নিজের ভেতরের প্রশ্নগুলো মরে যায়।
১৩.
অহংকার মানুষকে মুখোশ দেয়,
আর মুখোশ পরে থাকলে
নিজেকেও ছোঁয়া যায় না।
১৪.
যত বেশি নিজেকে উঁচুতে তুলি,
তত গভীরে নিজের থেকে পড়ে যাই।
১৫.
অহংকার ভাঙলে ব্যথা লাগে,
কারণ তখন নিজের ভুলের মুখোমুখি হতে হয়।
১৬.
নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে
মানুষ নিজের পক্ষেই দাঁড়াতে ভুলে যায়।
১৭.
অহংকার এক ধরনের একাকীত্ব,
যেখানে মানুষ নিজেই নিজের সঙ্গ ছেড়ে দেয়।
১৮.
নিজেকে বোঝার জন্য নম্রতা লাগে,
অহংকার সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
১৯.
যে নিজেকে ক্ষমা করতে পারে না,
সে অহংকারের খাঁচাতেই বন্দি থাকে।
২০.
অহংকার কমলে
নিজের সঙ্গে দূরত্ব কমে,
আর সেখান থেকেই শুরু হয় শান্তি।
নম্রতার অভাবে জন্ম নেওয়া একাকীত্ব
১.
নম্রতা না থাকলে
মানুষ কথা বলে ঠিকই,
কিন্তু কেউ পাশে এসে বসে না।
২.
যে নিজেকে সবসময় উপরে রাখে,
সে একদিন নিচে তাকিয়ে দেখে—
কেউ নেই।
৩.
নম্রতার অভাবে মানুষ জিতে যায় অনেক তর্ক,
কিন্তু হেরে যায় সম্পর্ক।
৪.
একাকীত্ব সবসময় নিঃশব্দ হয় না,
কখনো কখনো
এটা অহংকারের শব্দে ঢাকা পড়ে।
৫.
যে মাথা নত করতে জানে না,
সে কাঁধে হাত পাওয়ার অধিকারও হারায়।
৬.
নম্রতা মানুষকে কাছে আনে,
তার অভাব মানুষকে
দূরে ঠেলে দেয়।
৭.
নিজেকে বড় দেখাতে গিয়ে
মানুষ ছোট ছোট অনুভূতিগুলো হারায়।
৮.
নম্রতার অভাবে জন্ম নেওয়া একাকীত্ব
নিজেকে দোষ দেয় না,
অন্য সবাইকে দোষ দেয়।
৯.
যে শুনতে জানে না,
তার চারপাশে ধীরে ধীরে
নীরবতা জমে।
১০.
মানুষ দূরে যায় না হঠাৎ,
নম্রতার অভাব
ধীরে ধীরে ফাঁকা করে দেয় চারপাশ।
১১.
নম্রতা ছাড়া শক্ত হওয়া যায়,
কিন্তু আপন হওয়া যায় না।
১২.
যে নিজের ভুল মানে না,
সে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ হারায়।
১৩.
নম্রতা না থাকলে
ভালোবাসাও একসময়
ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
১৪.
অহংকার মানুষকে একা করে না বলে,
নম্রতার অনুপস্থিতি
চুপচাপ কাজটা করে ফেলে।
১৫.
যে নিজেকে সবসময় ঠিক ভাবে,
সে অন্যের অনুভূতির জন্য
কোনো জায়গা রাখে না।
১৬.
নম্রতার অভাবে
মানুষ শক্ত থাকে,
কিন্তু ভিতরে ফাঁকা হয়।
১৭.
একাকীত্ব আসে তখনই,
যখন মানুষ বোঝার চেয়ে
বোঝাতে বেশি ব্যস্ত থাকে।
১৮.
নম্রতা সম্পর্ককে বাঁচায়,
তার অভাব
সম্পর্ককে চুপ করিয়ে দেয়।
১৯.
যে নত হতে পারে না,
সে কখনো কারও কাছে
নির্ভরযোগ্য হয় না।
২০.
নম্রতা থাকলে মানুষ কমে না,
বরং তার অনুপস্থিতিতেই
মানুষ একা হয়ে যায়।
ভুল স্বীকার না করার মানসিকতা
১.
ভুল স্বীকার না করলে মানুষ শক্ত দেখায়,
কিন্তু ভিতরে ভিতরে সে ভেঙে পড়ে—
কারণ সত্যটা চাপা থাকে।
২.
যে নিজের ভুল মানে না,
সে প্রতিদিন একটু একটু করে
নিজের কাছেই মিথ্যে বলে।
৩.
ভুল লুকানো যায়,
কিন্তু ভুলের বোঝা
বয়ে বেড়ানো যায় না।
৪.
ভুল স্বীকার না করার মানসিকতা
মানুষকে শেখায় অজুহাত,
কিন্তু শেখায় না শান্তি।
৫.
যে সবসময় ঠিক হতে চায়,
সে একদিন আর মানুষ থাকতে পারে না।
৬.
ভুল মানতে না পারা
নিজেকে বাঁচানো নয়,
নিজেকে আটকে রাখা।
৭.
ভুল স্বীকার করলে সম্মান কমে না,
বরং মানুষ হওয়া
আরও স্পষ্ট হয়।
৮.
ভুল অস্বীকার করতে করতে
মানুষ সত্যের সাথে
দূরত্ব তৈরি করে।
৯.
যে নিজের ভুল দেখে না,
সে অন্যের ভুলেই
শুধু চোখ রাখে।
১০.
ভুল স্বীকার না করলে
সম্পর্কে কথা থাকে,
কিন্তু বিশ্বাস থাকে না।
১১.
ভুল মানার সাহস না থাকলে
সঠিক পথে হাঁটার শক্তিও আসে না।
১২.
ভুল ঢাকতে গিয়ে
মানুষ নিজের অনুভূতিগুলো
অস্বীকার করতে শেখে।
১৩.
যে ভুল স্বীকার করতে জানে না,
সে ক্ষমা চাইতেও
অস্বস্তি বোধ করে।
১৪.
ভুল অস্বীকার একদিন
নিজের সাথেই
দ্বন্দ্ব তৈরি করে।
১৫.
ভুল মানতে পারাই পরিণত মন,
ভুল না করা নয়।
১৬.
ভুল স্বীকার না করার মানসিকতা
মানুষকে একা করে,
কারণ সত্যের পাশে কেউ থাকে।
১৭.
যে নিজের ভুল মেনে নেয়,
সে নিজেকেই
আলগা করে দেয়।
১৮.
ভুল অস্বীকারের পেছনে
সবচেয়ে বড় ভয়—
নিজের ইমেজ ভাঙা।
১৯.
ভুল স্বীকার করলে ব্যথা লাগে,
কিন্তু না করলে
ব্যথা থেকে যায়।
২০.
ভুল মেনে নেওয়ার দিন থেকেই
মানুষ হওয়া শুরু হয়।
অহংকার বনাম আত্মসম্মান: সূক্ষ্ম পার্থক্য
১.
অহংকার চায় সবাই আমাকে দেখুক,
আর আত্মসম্মান চায়—
আমি যেন নিজেকে হারিয়ে না ফেলি।
২.
অহংকার কথা বলে জোরে,
আত্মসম্মান নীরবে সীমা টানে।
৩.
অহংকার অন্যকে ছোট করে নিজেকে বড় বানায়,
আত্মসম্মান কাউকে ছোট না করেই
নিজেকে ঠিক জায়গায় রাখে।
৪.
অহংকার প্রমাণ করতে ব্যস্ত,
আত্মসম্মান নিশ্চিত থাকতে চায়।
৫.
অহংকার মানুষকে একা করে,
আত্মসম্মান মানুষকে
নিজের সাথে শান্ত রাখে।
৬.
অহংকার প্রশ্নকে অপমান ভাবে,
আত্মসম্মান প্রশ্নকে
উন্নতির সুযোগ ভাবে।
৭.
অহংকার আঘাত পেলে আক্রমণ করে,
আত্মসম্মান আঘাত পেলে
দূরত্ব বজায় রাখে।
৮.
অহংকার মানে সবসময় জেতা,
আত্মসম্মান মানে
কখন থামতে হবে জানা।
৯.
অহংকার মানুষকে মুখোশ দেয়,
আত্মসম্মান মানুষকে
নিজের মতো থাকতে দেয়।
১০.
অহংকার ভুল ঢাকে,
আত্মসম্মান ভুল মানে।
১১.
অহংকার সম্মান চায় জোর করে,
আত্মসম্মান সম্মান পায়
আচরণ দিয়ে।
১২.
অহংকার মানুষকে উঁচুতে দেখায়,
আত্মসম্মান মানুষকে
ভিতরে শক্ত করে।
১৩.
অহংকার ভাঙলে রাগ জন্মায়,
আত্মসম্মান ভাঙলে
দূরত্ব তৈরি হয়।
১৪.
অহংকার অন্যের চোখে বাঁচে,
আত্মসম্মান নিজের চোখে।
১৫.
অহংকার মানে নিজেকে রক্ষা করা,
আত্মসম্মান মানে
নিজেকে সম্মান করা।
১৬.
অহংকার মানুষকে ক্লান্ত করে,
আত্মসম্মান মানুষকে
স্থির রাখে।
১৭.
অহংকার বেশি কথা বলে,
আত্মসম্মান বেশি শোনে।
১৮.
অহংকার অন্যকে হারিয়ে জিতে,
আত্মসম্মান নিজেকে না হারিয়ে টিকে।
১৯.
অহংকার সম্পর্ক ভাঙে,
আত্মসম্মান সম্পর্ককে
সীমা শেখায়।
২০.
অহংকার আর আত্মসম্মানের পার্থক্য
খুব সূক্ষ্ম,
কিন্তু প্রভাবটা গভীর।
নিজেকে বড় দেখানোর ক্লান্তি
১.
নিজেকে বড় দেখাতে গিয়ে
ভেতরের মানুষটা ধীরে ধীরে
ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
২.
সবসময় শক্ত থাকার অভিনয়
একসময় সত্যিকারের শক্তিটাই
কেড়ে নেয়।
৩.
নিজেকে প্রমাণ করার দৌড়ে
মানুষ ভুলে যায়—
সে আসলে কে।
৪.
নিজেকে বড় দেখাতে গিয়ে
ছোট ছোট আনন্দগুলো
পেছনে পড়ে থাকে।
৫.
যে সবসময় উপরে থাকতে চায়,
সে বিশ্রাম নিতে জানে না।
৬.
নিজেকে বড় দেখানোর চাপ
মনের উপর
নীরব বোঝা হয়ে বসে।
৭.
সবাইকে দেখাতে চাওয়া শক্তি
নিজের কাছেই
সবচেয়ে দুর্বল লাগে।
৮.
নিজেকে বড় দেখাতে গিয়ে
মানুষ সত্যিটা আড়াল করে,
আর সত্য আড়াল মানেই ক্লান্তি।
৯.
সবসময় ঠিক থাকার ভান
মনের ভেতর
স্থায়ী অস্থিরতা বানায়।
১০.
নিজেকে প্রমাণ করার প্রয়োজন
আসলে নিজের ওপর
অবিশ্বাসের চিহ্ন।
১১.
যে নিজেকে বড় দেখায়,
সে ভেতরে ভেতরে
শান্তি খোঁজে।
১২.
নিজেকে বড় দেখানোর অভ্যাস
মানুষকে ধীরে ধীরে
নিজের কাছেই ভারী করে তোলে।
১৩.
সবাইকে ছাপিয়ে যাওয়ার চাপে
মানুষ নিজের সাথেই
পিছিয়ে পড়ে।
১৪.
নিজেকে বড় দেখাতে গিয়ে
মানুষ অনুভবগুলো
চেপে রাখে।
১৫.
এই ক্লান্তি ঘুমে যায় না,
কারণ এটা শরীরের নয়—
মনের।
১৬.
নিজেকে বড় দেখাতে গিয়ে
মানুষ স্বাভাবিক হতে ভুলে যায়।
১৭.
সবসময় উপরে থাকার নাটক
একদিন মনের মঞ্চ
ভেঙে দেয়।
১৮.
নিজেকে বড় দেখানোর প্রয়াস
যেদিন থামে,
সেদিনই শান্তি শুরু হয়।
১৯.
নিজেকে প্রমাণ না করেও
নিজে হওয়া—
এটাই মুক্তি।
২০.
নিজেকে বড় দেখানোর ক্লান্তি
মানুষকে শেখায়—
নম্রতাই বিশ্রাম।
শেষ কথা
অহংকার মনের একটা কালো মেঘ, যা আমাদের হৃদয়ের আলো ঢেকে দেয়। জীবন খুবই ছোট, তাই এই ক্ষণস্থায়ী সময়ে নিজেকে বড় ভাবার চেয়ে সবাইকে ভালোবাসা দিয়ে কাছে টানা অনেক বেশি সুন্দর। বিনয় আর ভালোবাসা আমাদের মনকে হালকা করে, জীবনকে রাঙিয়ে তোলে। আসুন, অহংকারের শিকল ছিঁড়ে ফেলে সবার সঙ্গে হাসি-খুশি মিলে থাকি। মনে রাখবেন, একটি হাসি আর বিনয়ী মনই পারে জীবনকে সত্যিকারের সুখী করতে। 🌸