যোগ্যতা নিয়ে উক্তি গুলো আমাদের সবার পড়া উচিৎ । কারন আমাদের বড় হতে হলে তার আগে যোগ্য হতে হতে হবে । এখানে আমরা কিছু উক্তি ও বাণী লিখেছি যা পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন যোগ্যতা আমাদের কত বেশী প্রয়োজন । তাহলে চলুন দেখা যাক আজকের যোগ্যতা নিয়ে উক্তি সমূহঃ
যোগ্যতা নিয়ে উক্তি বাণীঃ
১। সত্যিকারের যোগ্যতা নদীর মতো, এটি যত গভীর হয় তত কম শব্দ করে ।
— জর্জ সাবিল
২। কখনও কাউকে তার যোগ্যতার সমান পুরস্কৃত করো না, তবে সর্বদা বোঝাতে হবে যে পুরষ্কারটি তার উপরে ছিল ।
— হেনরি ফিল্ডিং
আরো পড়ুনঃ উপদেশ বাণী
৩। কখনো কাউকে অযোগ্য বলে অবহেলা করো না। ভেবে দেখো তুমিও কারো না কারো কাছে অযোগ্য। কেউ কারো যোগ্য নয়, যোগ্য বিবেচনা করে নিতে হয়।
— হুমায়ূন আহমেদ
৪। যেখানে আমরা যোগ্যতার প্রতিযোগিতা করতে পারি, সেখানে আমরা খুব ভালো কিছু আশা করতে পারি ।
— জেমস এল বারকসডেল
৫। যোগ্যতা হিংসার প্রতিদ্বন্দ্বি ।
— জন ড্রাইডেন
৬। যোগ্যতার উচিত বিবেচনা একজন যোগ্য ব্যক্তির দ্বারা সম্ভব, অযোগ্যের হাতে পড়লে যোগ্যতার নির্মমভাবে খুন হয়ে থাকে ।
— অজানা
৭। নিজেকে এতটাই যোগ্য তৈরি করো , সাফল্য যেন তোমার যোগ্য হতে চায় ।
— প্রবাদ
৮। নিজের যোগ্যতা বুঝতে শেখো, তাহলে সব সমস্যার সমাধান করতে পারবে ।
— প্রবাদ
৯। সবাইকে সব অভিমান আর কষ্টের কথাগুলো বলা যায় না, কিছু জিনিস নিজের মধ্যে সীমিত রাখতে হয় কারণ সবার সেই অভিমান গুলো বোঝার মতো যোগ্যতা থাকে না ।
— অজানা
১০। যোগ্যতা যাচাই করার জন্যেও যোগ্যতা প্রয়োজন ।
— প্রবাদ
১১। তুমি কতটুকু যোগ্য, সেটা তোমার কাজে প্রমাণ পাবে ।
—প্রবাদ
১২। মানুষ হয় দুই প্রকারঃ প্রথম- যারা ভালোবাসা চেয়েও পায় না । দ্বিতীয়- যারা ভালোবাসা তো পায় তবে তার যোগ্য হয় না ।
— অজানা
১৩। যোগ্যতা রাতারাতি কখনোই হয় না এটা হলো একটা অভ্যাস যা তৈরি করে নিতে হয়।
— এরিস্টটল
১৪। যোগ্যতা হলো তা যা একজন ব্যক্তিকে কেউ না থাকলেও কোনো কিছু সঠিকভাবে করার শক্তি জোগায়।
— হেনরি ফর্ড
১৫। বাস্তু যোগ্যতা হলো মৃত দেহের উপর সাজগোছ।
— সংগৃহীত
১৬। যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতাই আপনার কাজের সাফল্য এর কথা আগেই বলে দিতে পারবে।
— জর্জ গ্রিফিন
১৭। সমস্যাকে সুযোগে পরিণত করতে পারে শুধুমাত্র একজন যোগ্য ব্যক্তি।
— রবার্ট রডফর্ড
১৮। কৃতজ্ঞতা এবং যোগ্যতা ছাড়া তুমি কখনোই একজন আদর্শ নেতা হতে পারবে না।
— উনারাইন রামারু
১৯। মহত কর্মে সবচেয়ে বড় যে যোগ্যতা থাকতে হয় তা হলো একটা মহান হৃদয়।
— আর্থার স্কোপেনহুয়ার
২০। তোমার যোগ্যতা নয় বরং তোমার আচরণই বলে দেয় তুমি কে।
— জাজ্ঞি ভাসুদেভ
২১। যোগ্যতা থাকার পরও শুধুমাত্র চরিত্রের কারণেই আপনার স্থান সবার নিচে হতে পারে।
— সংগৃহীত
২২। অণপ্রেরণা দেয়ার চেয়ে বড় কোনো যোগ্যতা নেই।
— টামা যে কিয়েভেস
২৩। প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা থাকা মানেই জীবনের জন্য যোগ্য হয়ে উঠা নয়।
— ডেভিড ইরভিং
২৪। যোগ্যতা তৈরি হলো ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ এর মতো।
— সংগৃহীত
২৫। যোগ্যতা পরিমাণ এর চেয়ে অধিক মূল্যবান।
— স্টিভ জবস
২৬। যোগ্যতা হয় নদীর পানির মতো, এটি যতই গভীর হয় ততই কম শব্দ করে।
— জর্জ সাবিল
২৭। যিনি যোগ্যতা যাচাই করবেন তারও যোগ্যতা থাকা আবশ্যক।
— সংগৃহীত
২৮। যোগ্যতা এবং হিংসা হলো পরস্পরের চির প্রতিদ্বন্দ্বী।
— জন ড্রাইডেন
২৯। কারোর পুরস্কার কখনোই তার যোগ্যতার সমতুল্য করো না তবে বোঝাও যে পুরস্কারটি তারই।
— হেনরি ফিল্ডিং
৩০। যোগ্যতা মুখ দেখে নয় কাজে প্রমাণিত হয়।
— প্রবাদ
৩১। নিজের যোগ্যতা সমন্ধে যার প্রকৃত জ্ঞান আছে সেই আসল বুদ্ধিমান।
— সংগৃহীত
যোগ্যতা এমন একটি বিশেষ জিনিস যা আমাদের সবার মাঝে থাকা উচিৎ । কিন্তু একথা জানার পরেও আমরা এই বিষয় নিয়ে তেমন কোন চিন্তা করিনা এবং আমরা আমাদের যোগ্যতা বাড়ানোর জন্য কোন চেস্টা করি না । এটা আমাদের উচিৎ নয় । আমাদের প্রত্যেকের উচিৎ আমাদের নিজেদেরকে যে কোন কাজের জন্য যোগ্য করে তোলা । তাহলে আমরা আমাদের পরিবার ও সমাজের কাছে অনেক সন্মান পাবো । এবং সবাই আমাদের কথা মেনে চলবে ।
“তোমার যোগ্যতা তোমার পরিচয়, সুযোগ শুধু তাকে প্রকাশ করে।”
যোগ্যতা বনাম পরিচয়
১. পরিচয় অনেক সময় উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া যায়, কিন্তু যোগ্যতা একান্তই নিজের অর্জন। মানুষের ভিড়ে নাম দিয়ে পরিচিত হওয়া সহজ, কিন্তু কাজ দিয়ে অপরিহার্য হয়ে ওঠা কেবল যোগ্যতার মাধ্যমেই সম্ভব।
২. আপনার পরিচয় হয়তো আপনাকে একটি সুযোগ এনে দেবে, কিন্তু সেই সুযোগকে সাফল্যে রূপান্তর করতে আপনার যোগ্যতাই শেষ কথা বলবে। পরিচয় হলো খাম, আর যোগ্যতা হলো আসল চিঠি।
৩. বংশ বা পদবির গরিমা সাময়িক উজ্জ্বলতা দেয়, কিন্তু ব্যক্তিগত যোগ্যতা অন্ধকার পথেও প্রদীপের মতো পথ দেখায়। দিনশেষে মানুষ আপনার পরিচয় মনে রাখে না, মনে রাখে আপনার কাজ।
৪. পরিচয় হলো মেঘের মতো, যা সময়ের সাথে রূপ বদলায়। কিন্তু যোগ্যতা হলো পাহাড়ের মতো স্থির ও অটল; যা ঝড়ের মুখেও নিজের অস্তিত্ব জানান দেয়।
যোগ্যতা প্রমাণের নীরব শক্তি
৫. নিজেকে সেরা প্রমাণের জন্য চিৎকার করার প্রয়োজন নেই। যখন আপনি সত্যিই যোগ্য হয়ে উঠবেন, তখন আপনার অনুপস্থিতিও মানুষের মনে আপনার অভাব বোধ করাবে। এটাই যোগ্যতার নীরব শক্তি।
৬. যোগ্য মানুষের শক্তি তার গলায় নয়, তার হাতের কারুকার্যে। যারা নীরবে কাজ করে যায়, তাদের সফলতাই একদিন বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বড় আওয়াজ হয়ে ফিরে আসে।
৭. বৃক্ষ যেমন উচ্চবাচ্য না করেই ফল দিয়ে নিজের সার্থকতা প্রমাণ করে, যোগ্য মানুষও তেমনি তর্কে না জড়িয়ে নিজের কর্মদক্ষতা দিয়ে সমাজকে বদলে দেয়।
৮. নীরবতা হলো আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। যখন আপনার যোগ্যতা তুঙ্গে থাকে, তখন আপনার নীরবতাই প্রতিপক্ষের জন্য সবচেয়ে বড় উত্তর হয়ে দাঁড়ায়।
যোগ্যতা যেখানে কথা বলে, সেখানে শব্দ অপ্রয়োজনীয়
৯. সূর্যের আলো কখনো ঘোষণা দিয়ে আসে না, তার উপস্থিতিই জগতকে আলোকিত করে। যোগ্যতার তেজ যখন ছড়িয়ে পড়ে, তখন কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন পড়ে না।
১০. শব্দের কাজ হলো বোঝানো, আর যোগ্যতার কাজ হলো দেখানো। যোগ্য ব্যক্তি যখন তার কাজ সম্পন্ন করেন, তখন হাজারো শব্দ সেখানে ম্লান হয়ে যায়।
১১. তর্কের টেবিলে যারা শব্দ হারায়, তারা প্রায়ই যোগ্যতায় পিছিয়ে থাকে। কারণ প্রকৃত যোগ্যতা তর্কে নয়, বরং সমাধানের পথ খুঁজে নিতে বিশ্বাসী।
১২. একটি নিখুঁত সৃষ্টি নিজেই তার স্রষ্টার যোগ্যতার সাক্ষী দেয়। সেখানে কোনো বিজ্ঞাপনের প্রয়োজন হয় না, শুধু দেখার মতো দৃষ্টি থাকলেই চলে।
যোগ্যতা গড়ে ওঠে চর্চা ও ধৈর্যে
১৩. যোগ্যতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, এটি বছরের পর বছর ধরে করা নিরবচ্ছিন্ন চর্চার ফসল। প্রতিটি ছোট ছোট অভ্যাসই একদিন পাহাড়সম যোগ্যতায় পরিণত হয়।
১৪. ধৈর্য হলো যোগ্যতার কারিগর। যখন চারপাশ দ্রুত সাফল্যের নেশায় মত্ত, তখন ধৈর্য ধরে নিজেকে শাণিত করাই হলো প্রকৃত যোগ্য হয়ে ওঠার পথ।
১৫. লোহা যেমন বারবার আঘাত সহ্য করে ইস্পাতে পরিণত হয়, মানুষও তেমনি ব্যর্থতাকে ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করে নিজেকে যোগ্য করে তোলে।
১৬. চর্চা আপনাকে নিখুঁত করে না, চর্চা আপনাকে স্থায়ী করে। যোগ্য হয়ে ওঠার রাস্তাটা দীর্ঘ হতে পারে, কিন্তু সেই রাস্তার প্রতিটি ধূলিকণা আপনাকে অভিজ্ঞতার পাঠ শেখায়।
যোগ্যতা সময়ের আগুনে পরীক্ষিত
১৭. সোনা যেমন আগুনে পুড়ে খাঁটি হয়, যোগ্যতার মানও নির্ধারিত হয় কঠিন সময়ের কষ্টিপাথরে। সুসময়ে সবাই যোগ্য, কিন্তু দুঃসময়ে যে টিকে থাকে সেই প্রকৃত গুণী।
১৮. সময় হলো বড় বিচারক। ঠুনকো পরিচয় সময়ের স্রোতে ভেসে যায়, কিন্তু আগুনের তাপে পোড়া খাঁটি যোগ্যতা ইতিহাসের পাতায় খোদাই হয়ে থাকে।
১৯. সংকট যখন ঘনিয়ে আসে, তখন মুখোশধারী পরিচয়গুলো খসে পড়ে। কেবল সময়ের আগুনে পরীক্ষিত যোগ্যতাই সেই অন্ধকার থেকে উত্তরণের পথ দেখায়।
২০. যোগ্যতাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কারণ এটি বারবার ভেঙে গড়া এক দীর্ঘ প্রক্রিয়া। সময়ের পরীক্ষায় যে যত বেশি পুড়বে, তার যোগ্যতার ঔজ্জ্বল্য ততই বাড়বে।
যোগ্যতা বনাম পরিচয়
১.
পরিচয় তোমাকে পরিচিত করে,
কিন্তু যোগ্যতা তোমাকে প্রয়োজনীয় করে তোলে।
সময় এলে পরিচয় ঝরে যায়,
যোগ্যতাই টিকে থাকে।
২.
নামের জোরে দরজা খোলে,
যোগ্যতার জোরে ঘরে জায়গা মেলে।
পরিচয় পথ দেখায়,
যোগ্যতা পথ বানায়।
৩.
পরিচয় উত্তরাধিকার হতে পারে,
কিন্তু যোগ্যতা অর্জন।
একটা পাওয়া যায় জন্মে,
আরেকটা গড়ে ওঠে সংগ্রামে।
৪.
পরিচয়ের ছায়া বড় হতে পারে,
কিন্তু যোগ্যতার আলোই মানুষ চেনে।
শেষমেশ আলোতেই
চেহারা স্পষ্ট হয়।
যোগ্যতা প্রমাণের নীরব শক্তি
৫.
যোগ্যতা চেঁচায় না,
নিজেকে জাহিরও করে না।
তবু নীরবেই
সব প্রশ্নের উত্তর দেয়।
৬.
যে যোগ্য, সে অপেক্ষা করতে জানে।
কারণ সে জানে—
সময় এলেই
তার কাজই কথা বলবে।
৭.
নীরব পরিশ্রমই
যোগ্যতার আসল ভাষা।
শব্দ নয়,
ফলাফলই তার পরিচয়।
৮.
যোগ্যতার শক্তি
হাততালি চায় না।
একদিন নীরবেই
সবাইকে থামিয়ে দেয়।
যোগ্যতা যেখানে কথা বলে, সেখানে শব্দ অপ্রয়োজনীয়
৯.
যেখানে যোগ্যতা থাকে,
সেখানে ব্যাখ্যা লাগে না।
কাজটাই যথেষ্ট
সব বলার জন্য।
১০.
যোগ্যতা সামনে থাকলে
শব্দ পিছনে সরে যায়।
কারণ সত্য
সবসময় চুপচাপ হয়।
১১.
অনেক কথা বলা সহজ,
কিন্তু যোগ্যতা দেখানো কঠিন।
যে দেখাতে পারে,
তার আর বলার দরকার পড়ে না।
১২.
শব্দ মানুষকে বিশ্বাস করায়,
যোগ্যতা মানুষকে নিশ্চিত করে।
নিশ্চয়তার সামনে
কথা নীরব হয়।
যোগ্যতা গড়ে ওঠে চর্চা ও ধৈর্যে
১৩.
যোগ্যতা হঠাৎ আসে না,
সে আসে প্রতিদিনের চেষ্টায়।
যেখানে হাল ছাড়ো না,
সেখানেই সে জন্ম নেয়।
১৪.
ধৈর্য হলো যোগ্যতার শিকড়,
চর্চা তার জল।
দুটো ছাড়া
কিছুই বড় হয় না।
১৫.
যে বারবার পড়ে গিয়ে উঠে দাঁড়ায়,
সেই ধীরে ধীরে যোগ্য হয়।
ভুল নয়,
হাল ছাড়াই অযোগ্যতা।
১৬.
চর্চার ঘাম
একদিন আত্মবিশ্বাসে বদলে যায়।
আর সেই আত্মবিশ্বাসই
যোগ্যতার সবচেয়ে সুন্দর রূপ।
যোগ্যতা সময়ের আগুনে পরীক্ষিত
১৭.
সময় কারো পক্ষ নেয় না,
সে শুধু পরীক্ষা নেয়।
যে যোগ্য,
সে আগুনে পুড়েও অটুট থাকে।
১৮.
সহজ সময়ে সবাই ভালো,
কঠিন সময়েই যোগ্যতা ধরা পড়ে।
সময়ই একমাত্র
সত্যিকারের বিচারক।
১৯.
সময় পরিচয় ভুলিয়ে দেয়,
কিন্তু যোগ্যতা মনে রাখে।
কারণ আগুনে
সোনাই টিকে থাকে।
২০.
সময় যখন প্রশ্ন করে,
যোগ্যতা তখন উত্তর দেয়।
শব্দ নয়,
অবস্থান দিয়েই।
শেষ কথা—লক্ষ্য
লক্ষ্য বড় হলে পথ কঠিন হবেই,
কিন্তু যোগ্যতা থাকলে
কোনো পথই
অগম্য থাকে না।
কোনও মানুষ যখন তার নিজ যোগ্যতার চেয়ে বেশী কিছু পেয়ে যায় তখন সে নির্ঘাত অহংকারী হয়ে উঠে এবং অন্যকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে।