পিকনিক নিয়ে স্ট্যাটাস

পিকনিক নিয়ে স্ট্যাটাস ও বনভোজন নিয়ে ক্যাপশন নিয়ে আমাদের আজকের পোস্ট । আমাদের সবার জীবনে কম বেশী পিকনিক বা বনভোজন এর অভিজ্ঞতা আছে । এটা অন্যরকম এক মজার অভিজ্ঞতা সবার জীবনে হয়ে থাকে । আজ আমরা সেই সম্পর্কিত কিছু স্ট্যাটাস এখানে দিলাম আপনাদের জন্য । আশাকরি এগুলো পড়ে অনেক ভালো লাগবে এবং ভালো সময় কাটবে । আসুন তাহলে দেখে নেয়া যাক আমাদের এই স্ট্যাটাস বা ক্যাপশন গুলো ।

পিকনিক নিয়ে স্ট্যাটাস :

১. পিকনিক মানেই আনন্দ আর হুল্লোড়। সবাই মিলে বাজার করা এবং রান্নার আয়োজন করা। যে যেভাবে পারে সেই ভাবেই কাজ করা। পরিশেষে নির্মল আনন্দ। ‌

২. প্রত্যেক ছাত্র জীবনে সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতিগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে পিকনিক বা বনভোজন। সবাই মিলে যে রকমই রান্না হোক না কেন স্বাদ কিন্তু একটাই। আর সেটা হচ্ছে সুখ।‌

৩. সবাই সদল বলে একসাথে কোথাও গিয়ে জমজমাট মজা করার অন্যতম উৎস হচ্ছে বনভোজন বা পিকনিক।‌ এখানে সবাই মুক্ত। কাউকে কিছু জবাবদিহি করার প্রয়োজন হয় না। ‌

৪. খুব ছোটবেলায় আমরা সব ভাই বোন ও মিলে পিকনিক খেলতাম। কারো ঘর থেকে চাল, কারো ঘর থেকে ডাল, পেঁয়াজ এগুলা নিয়ে সে এক অসাধারণ রান্না করতাম আমরা। কি যে ভালো লাগতো। সবাই মিলে বসে একসাথে খেতাম।পিকনিক নিয়ে স্ট্যাটাস

৫. পিকনিক কিন্তু সবার ভিতরে একটা সামঞ্জস্য তৈরি করে। ‌ যেখানে দেখা যায়, সবাই মিলে একত্রে কাজ করার একটা আগ্রহ জেগে ওঠে সবার ভিতর। তাই শিশু বয়স থেকেই আপনার সন্তানকে পিকনিকে উৎসাহিত করুন। ‌

৬. ছোটবেলার চড়ুইভাতি ই আজকের আধুনিক পিকনিক। কত ছেলে মেয়ে এই পিকনিকের জন্য বাবার পকেট মারে, মায়ের বকুনি খায়।‌ তবুও এই স্মৃতিটুকু তার আজীবনের জন্য এক পরম প্রাপ্তি হিসেবে জমা থাকে।

৭. মাঝে মাঝে প্রচন্ড ব্যস্ততার মধ্য থেকেও আমাদের সবার একটু সময় বের করে নেওয়া উচিত। যাতে করে সবাই একসাথে মিলে আবার পিকনিকে যাওয়া যায়। ‌ পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করার জন্য হলেও চেষ্টা করা যেতে পারে। ‌

৮. বনভোজন এর প্রাণ হচ্ছে ফুর্তি। এখানে যারাই আসে তারা সবাই কিছুক্ষণের জন্য হলেও ফূর্তিবাজ হয়ে যায়। কেউ কাউকে ছোট করে না বরং কাধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে বলেই বনভোজন এত সুন্দর। ‌

৯. স্কুল কিংবা কলেজ জীবনের পিকনিকের স্মৃতি আপনার বৃদ্ধ বয়সের মনের খোরাক জোগাতে সাহায্য করবে। ‌ তখন এর পিকনিকের কথা মনে করে আপনা আপনি হেসে উঠবেন।‌

১০. মানুষ মাত্রই বিনোদন চায়। এক্ষেত্রে সঠিক বিনোদন হচ্ছে পিকনিক। যেখানে প্রচন্ড দুষ্টামি, হাসি ঠাট্টার ছলে, কিভাবে যে সময়টা বেশি সুন্দর হয়ে উঠে সেটা আমরা ভাবতেও পারিনা।

১১. গ্রাম গঞ্জে কিংবা শহরে পিকনিক একটি উৎসব হয়ে উঠেছে। ‌ বিভিন্ন স্কুল কলেজ বেশিরভাগ সময় এই সময়টাতে মানুষ পিকনিকে মুখর হয়ে ওঠে। হেসে খেলে যা পারে তাই দিয়ে রান্না করে সবাই প্রশংসা বাক্যে খেয়ে নেয়।

১২. বনভোজনে‌ সবাই যে শুধু খাওয়া দাওয়া করে তাই নয়। বরং তার সাথে থাকে খেলাধুলা, গানের কলি বা আড্ডাবাজি।‌ প্রবীণ নবীন সবাই যেন তখন এক হয়ে যায়।

১৩. আহ! কি দিন ছিল তখন। পিকনিকে সবাই মিলে কি আনন্দটাই না করেছিলাম।‌‌ তার জন্য অবশ্য মায়ের কাছে অনেক বকা খেতে হয়েছে। তাতে কি। জীবনের একটা রঙিন খুশি তো পেয়েছিলাম।‌‌ আবারো সেই পিকনিকে ফিরে যেতে মন চায়।‌

শেষ কথাঃ

বন্ধুরা পিকনিক নিয়ে আমাদের এই পোস্ট টি কেমন লাগলো ? আশাকরি অনেক ভালো লেগেছে পিকনিক নিয়ে আমাদের এই আয়োজন । তাই সবাই ভালো মনে করলে আমাদের সেই সাইট সবার সাথে শেয়ার করবেন । আর একটি কথা, আমাদের এই পোস্টে নিয়মিত নতুন নতুন স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন যোগ করা হতে, তাই আমাদের সাথেই থাকবেন । নিচে কমেন্ট করে আপনার মতামত জানাতে পারেন । আপনার কাছে সামান্য ভালো লাগলেই আমরা সার্থক । ধন্যবাদ । ভালো থাকবেন, ভালো রাখবেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *