বিজয় দিবসের কবিতা

বিজয় দিবসের কবিতা গুলো পড়ে অনেক ভালো লাগলো । তাই আপনাদের সাথেও শেয়ার করার ইচ্ছা হলো । আশাকরি আপনাদের কাছেও এই নতুন কবিতা গুলো অনেক ভালো লাগবে । এই কবিতা গুলো আমাদের লিখা না, এগুলো বিভিন্ন সোর্স থেকে নেয়া হয়েছে । যদি কোন ভুল খুঁজে পান, ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন । এই কবিতা গুলো পড়লে আমাদের দেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধা রা যে কত আত্মত্যাগ করেছেন তার একটা চিত্র ফুটে উঠে । তাই আমাদের সবার উচিৎ আমাদের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানা এবং তাদের কে সন্মান করা । তো চলুন বন্ধুরা দেখি আমাদের সেই কবিতা গুলো । উক্তি ও ছবি

বিজয় দিবসের কবিতা

বিজয় দিবস
( মাশায়েখ হাসান )

৭১’এর এই দেশেতে
হানাদার হানা দেয়।
দেশকে স্বাধীন করতে বাঙ্গালী
অস্ত্র তুলে নেয়।

৭১’এর এই দিনেতে
হয় সীমাহীন যুদ্ধ।
যার কাহিনী শুনলে মোদের
শ্বাস হয়ে যায় রুদ্ধ।

৩০ লক্ষ শহীদ আর
মা-বোনের বিনিময়।
স্বাধীন বাংলাদেশ এর ঘটে
উদার অভ্যূদয়।


বিজয়ের দিন
( তাসনিয়া আহমেদ )

বাংলাদেশে পাক-শাসনের আসন যেদিন টলে,
সেদিনটাকে আজকে সবাই ‘বিজয় দিবস’ বলে।
বিজয় কিন্তু অনেক দামী; সহজলভ্য নয়।
মুক্তিসেনা বিজয় আনে জয় করে সব ভয়।

লাল সবুজের পতাকাটার আজকে খুঁটি শক্ত;
আনতে সেটা,বীর সেনারা দিয়েছিলো রক্ত।
বাংলা মায়ের বীর ছেলেরা ভয় পায়না মোটে।
তাদের ত্যাগে মোদের মুখে বিজয় স্লোগান ফোটে।

বিজয় দিবস রক্তে ধোয়া,বীর শহীদের স্মৃতি।
বিজয় নিয়েই আজকে লেখা-কবিতা আর গীতি।
বিজয় মাখা ফুলে-পাতায়,বিজয় সবুজ ঘাসে।
বছর ঘুরে এদিন যেন বারে বারে আসে!


পাগলী মা’টা
( জনি হোসেন )

ফিরে এল বিজয় দিবস
নেইতো খোকা ঘরে,
সেই যে গেল আর এলোনা
যুদ্ধে একাত্তরে।

স্বপ্ন বোনে পাগলী মা’টা
ফিরবে খোকা কবে,
ফুলেল মালা গলে দিবে
ফুল ঝরে যায় টবে।

ছেলে আসবে,আসবে ছেলে
পাগলী মা’টা চ্যাঁচায়,
পাগলী মা’টা রুক্ষ সুক্ষ
যত্ন নিতে কে চায়?

প্রতিবারে বছর শেষে
বিজয় যখন আসে,
ছেলে হারা পাগলী মা’টা
দাঁত খিলিয়ে হাসে।


১৬ ই ডিসেম্বর
( তানজিম এ আল আমিন )

বছর ঘুরে আবার এলো ষোলই ডিসেম্বর
বিজয় গানে উঠলো মেতে মানুষ আপামর।

একাত্তর এর সেই সে বিজয়
করলো স্বাধীন সকল হৃদয়
শোষন ত্রাসন করলো বিদায়
করলো নতুন সূর্য উদয়

সেই সূচনায় আমরা সবাই স্বাধীন নিরন্তর,
বছর ঘুরে আবার এলো ষোলই ডিসেম্বর।


১৬ই ডিসেম্বর
( অন্তু সরকার প্রণব )

১৬ই ডিসেম্বর এলে
মনটা আমার কেমন কেমন করে
সোনার ছেলেরা যে যুদ্ধে গিয়ে
আর ফেরেনি ঘরে।

পাক হানাদারদের ওই হাতে
মরলো মানুষ দিনে রাতে
দেশের জন্য জীবন দিয়ে
শহীদ হলো তারা তাতে।

নয় মাস যুদ্ধ করে
সব হানাদার হলো শেষ
সৃষ্টি হলো এক নতুন দেশের
দেশের নামটি বাংলাদেশ।

এই বিজয়ের মাঝেও যে
অনেক কষ্ট আছে
জীবন দিয়ে লাখো মানুষ
শহীদ হয়ে গেছে।

৪২ বছর পরে এসে
ষোলই ডিসেম্বরে
দেশকে মোরা কী দিয়েছি
দেখি হিসাব করে।

দেশের মানুষ থাকুক ভালো
মিলিয়ে কান্না হাসি
আসো সবাই একটু হলেও
দেশকে ভালোবাসি।


বিজয় ডিসেম্বর
( সিফাত আহমেদ )

লাল সবুজের স্মৃতি ঘেড়া নিশান আমার উড়ে।
কিনেছিলাম রক্ত দিয়ে বিজয় ডিসেম্বরে।
মাগো তোমার চোখের জলে,
জয় বাংলা ধ্বনি তুলে,
হাজার ছেলে প্রাণ দিল ঐ নতুন আশার ভোরে।
রক্ত দিয়ে কেনা এই বিজয় ডিসেম্বরে।

মাগো তুমি হায়েনা ভয়ে কাঁদছ দেখে তাই।
তোমার ছেলে ঘর ছেড়েছে তোমায় দিতে ঠাঁই
বিশ্বমাঝে উচ্চাসনে,
পাক বাহিনীর নির্যাতনে,
আর হবেনা শোষন এবার তোমার আপন ঘরে।
রক্ত দিয়ে কেনা এই বিজয় ডিসেম্বরে।

বিজয় দিবসের ছবি কবিতা উক্তি শুভেচ্ছা

বিজয় দিবসের ছবি কবিতা উক্তি শুভেচ্ছা : প্রিয় বন্ধুরা আজ আমরা এখানে বিজয় দিবসের কিছু ছবি কবিতা আর শুভেচ্ছা পোষ্ট করবো। নিয়ে এগুলো দেয়া হবে, আশাকরি আপনাদের কাছে এই ছবি কবিতা উক্তি গুলো অনেক ভালো লাগবে। Read more >> স্বাধীনতার কবিতা

বিজয় দিবসের ছবি

বিজয় দিবসের ছবি

বিজয় দিবসের পিক

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

বিজয় দিবস নিয়ে কবিতা

মাহমুদ লতিফ
আহ্বান

এসো খোকা এসো খুকু
ঘুমিয়ে থেকো না আর
তাকিয়ে দেখ সম্মুখে তোমার
মুক্ত আলোর দুয়ার।

চলো খোকারা চলো খুকুরা
হও প্রাণ উচ্ছল
জাতি হিসেবে স্বাধীন তোমরা
রেখো দৃঢ় মনোবল।

তোমাদের পিতা তোমাদের মাতা
ছিলো এ দেশেরই সন্তান
স্বাধীন করতে এ দেশ তারা
করেছেন জান কোরবান।

তাদেরই আশিস পেয়েছো তোমরা
গড়ে তুলবে এ দেশ
সাজিয়ে দিও বাংলাদেশেরে
প্রাণ করে নিঃশেষ।

বিজয় কেতন

কিচিরমিচির পাখির সুরে উঠোন কোণে বসে
রোজ সকালে খোকন সোনা রঙের হিসাব কষে।
শিশির ভেজা মিষ্টি রোদের মায়ার পরশ মেখে
কিসের ছবি খোকন সোনা যাচ্ছো শুধুই এঁকে!

খোকার হাতে সবার চেনা দুইটা প্রিয় রঙ
কিন্তু মায়ের হয় না বোঝা খোকন সোনার ঠঙ।
ছবির আঁচড় দেখতে কেমন? ঠিক গোলাকার ডিম
তার উপরে আয়তক্ষেত্র দেখেই শরীর হিম!

খোকন সোনা মায়ের চোখে ক্যামনে দেবে ফাঁকি
কিসের ছবি বুঝতে মায়ের রইলো না আর বাকি।
ছবির গঠন দেখেই মায়ের চাঁদের হাসি গালে
কিসের ছবি? বিজয় কেতন সবুজ এবং লালে।

ঘুঘু পাখির বিজয়

একটি ঘুঘুর দুইটা ছানা তিড়িং বিড়িং নাচে
দূরের বনে বসতি তাদের শিউলী ফুলের গাছে।
হাসতো রোজই খেলতো রোজই ঘুরতো তারা বনে
বনটা তাদের মায়ের মতোই ভাবনা পুষে মনে।

একদা বনে আসলে শকুন করলো আদেশ জারি
থাকতে বনে রাখবে মনে আমার হুশিয়ারি।
কিন্তু ঘুঘুর বাচ্চা দুটো ভীষণ প্রতিবাদী
থাকবো নাকো রাজার শানে, এক কথা এক দাবি।

শুনেই শকুন চমকে উঠে দেখবো বেটা নবাব
রক্ত আগুন বুলেট ছুড়ে দিবোই কথার জবাব।
দেখবি তখন বুঝবি বাছা মরার কেমন সাধ
ঘুঘু ছানার কণ্ঠে তবু জয়ের প্রতিবাদ।

কিন্তু মায়ের হাজার-বারণ হৃদ মাজারে ভয়
ঘুঘু ছানার কণ্ঠে তবু জয় বাংলা জয়।
ছেলের মায়া প্রাণের মায়া আজকে মাগো থাক
বনটা জুড়ে রক্ত আগুন যুদ্ধে যাবার ডাক।

এমনি করে ঘুঘুর ছানা জয়ের মুকুট পরে
যুদ্ধ শেষে বীরের বেশে ফিরলো মায়ের ঘরে।
সেদিন থেকেই ওই পতাকা লাল-সবুজে আঁকা
বিজয় তুমি দেশ ও জাতির স্বপ্ন কাজলমাখা।

দুপুরের কবিতা – শুভ দুপুর

দুপুরের কবিতা নিয়ে একটি কবিতা শুভ দুপুর এখানে দিলাম আশাকরি ভালো লাগবে। এটি প্রিয়.কম থেকে নেয়া হয়েছে। কবিতা টি আমার ভালো লেগেছে, তাই এখানে শেয়ার করলাম, ধন্যবাদ।

দুপুরের কবিতা – শুভ দুপুর

দুপুর মানে দিগন্ত মাতাল
ঝকঝকে শ্যামল রোদ,
দুপুর মানে ব্যাকুল পাখির
একটাই প্রেমবোধ।

দুপুর মানে অপেক্ষার
তৃষ্ণার্ত জল।
দুপুর মানে ব্যস্ত বন্ধুর
একটই ফোন কল।

দুপুর মানে পুকুর জলের
রন্ধ্রে রন্ধ্রে সাঁতার,
দুপুর মানে ধুলোবালি
আলুথালু সবই এক পাতার।

দুপুর মানে ঘাম ঝরানো
হাতে কাস্তে-কোদাল,
দুপুর মানে মোহের ভেতর
আশ্রিত এক আড়াল।

দুপুর মানে বকুল গাছের
মগডালে এক পাখি,
দুপুর মানে রৌদ্র-ছায়ায়
তোমার ছবি আঁকি।

দুপুর মানে উঠোনজুড়ে
শুকাতে দেয়া ধান,
দুপুর মানে হারিয়ে যাওয়া
অভিমানের নাম।

দুপুর মানে নাটাই হাতে
ঘুড়ি ওড়া বেলা,
দুপুর মানে হাজার খানেক
চুম্বনেরই খেলা।

দুপুর মানে নিঃস্ব প্রেমের
নিঃস্ব সিগারেট।
দুপুর মানে চতুর্দিকে
সর্বনাশের গেট।

সুপ্রভাত ছবি কবিতা ইমেজ

সুপ্রভাত ছবি, কবিতা আর ইমেজ দেয়া হলো নিচে । আশাকরি ভালো লাগবে । সকালে উঠে আমরা সুন্দর সুন্দর সুপ্রভাত ছবি বা কবিতা এসএমএস খুঁজি, কিন্তু তেমন ভালো কোন ছবি বা কবিতা পাওয়া যায় না, তাই আপানদের জন্য এখানে কিছু সুপ্রভাত ও শুভ সকাল ছবি কবিতা আর ইমেজ দেয়া হলোঃ

সুপ্রভাত ছবি / ইমেজ :

সুপ্রভাত


সুপ্রভাত pic


সুপ্রভাত wallpaper


সুপ্রভাত ইমেজ


সুপ্রভাত ওয়ালপেপার


সুপ্রভাত ছবি


সুপ্রভাত পিক


সুপ্রভাত প্রকৃতি


সুপ্রভাত ফুল


সুপ্রভাত সুন্দর ছবি

সুপ্রভাত কবিতা এসএমএস :

“শিশিরে শিশিরে ভেজা সবুজ মেঠো পথে
ভালো লাগে পায়ে পায়ে চলা
ভালোবাসি দুজনে বসে মাটির অঙ্গিনাতে
সুখ দুঃখের গল্পটা বলা
গন্ধটা বুকে নিয়ে সোদা মাটিটাকে ছুয়ে
ফসল বিলাসী কোনো হওয়া
নবান্নের কথা কয়ে ধীরে ধীরে যাবে বয়ে
খুশি হবে স্বপ্নে ছোয়া”
***”শুভ সকাল****

“রাতের আঁধার পেরিয়ে, কুয়াশা চাদর সরিয়ে
মুছে দিতে ঘুমের ঘোর, সূর্য নিয়ে এলো ভোর
জীবনের এই পথে, শিখে নাও আলো ছায়ার সাথে চলেতে
সময়ের এই চলা প্রেরণা যাগাক প্রাণে এগিয়ে চলার কথা বলেতে
আগামীর স্বপ্ন চোখে ভাসুক তোমার দিনে রাতে
শুভ সকালের রোদ্দুর ছুয়ে নাও দুটি হাতে”
***গুড মর্নিং***

সারা রাত সপ্ন দেখে।কত ছবি মন আকেঁ।
এমন সময় সপ্নের রাজা। আমার বলে দিল টাটা।
মা এসে দিল ডাকি।খুলতে হল দুটি আখিঁ।
জেগে দেখি নাই রাত।তাই সকলকে জানাই
****** শুভ সকাল।******

মিষ্টি মিষ্টি আজকের সকাল,
উষ্ণ আকাশ মৃদু মৃদু বইছে বাতাস।
দু চোখ খুলেছি শুধু তোমার টানে।
আমায় রেখ তোমার মনের একটি কোনে।
ভাল কাটুক তোমার আজকের সারাটা দিন,
তোমায় জানাই শুভ সকাল।.

আলো আঁধারের এ কি মিলন মেলা,
পাখিরা সব করছে খেলা,
এর বলছে তারা মিষ্টি সুরে,
শুভ হোক তোমার সারা বেলা
~শুভসকাল~

ভোরের আলোয় ঘুম ভাঙলে
দেখবে সূর্যি মামা,
দ্বার খুলে যেই বাইরে যাবে
পাবে সবুজের ছোঁয়া,
চড়ুই আর বুনো শালিক
কতো অজানা পাখি
ওদের দেখে জুড়িয়ে যাবে
তোমার দুখানি আঁখি,
চারিদিকে কতো কিছু যে
প্রকৃতি সাজিয়ে রাখে
দেখতে পাবে সব কিছু তুমি
উঠো যদি সবার আগে,
””Good Morning““&””Suvho Sokal““

রাতের আধার পেরিয়ে মিট মিট করে সূর্য
পাখির কণ্ঠে ভেসে আসছে মধুর গান
আলোয় ভোরে যায় গোটা দেশ
এমন একটা সময় তোমাকে জানাই
বন্ধু ভালোবাসার একটি মিষ্টি গোলাপ
~শুভ সকাল ~

রোমান্টিক কবিতা

রোমান্টিক কবিতা পড়তে কে না ভালোবাসে । এখানে আপনাদের জন্য কিছু সুন্দর সুন্দর রোমান্টিক প্রেমের কবিতা দেয়া হলো । এগুলো পড়তে আশাকরি অনেক ভালো লাগবে । এগুলো আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে, তাই আপনাদের সাথেও শেয়ার করলাম । ধন্যবাদ । রোমান্টিক কবিতা

রোমান্টিক কবিতা :

একদিন দেখেছিলাম সুন্দর এক স্বপ্ন,
নদীর তীরে আমরা বসেছিলাম মগ্ন !
যখন তুমি ধরেছিলে আমার হাত-
পুষ্পসম প্রস্ফুটিত হয়েছিল প্রভাত !
কানে কানে বলেছিলে চুপি চুপি-
মৃদু বাতাস করেনি কোন কারচুপি !
আমার হৃদয়ে লেগেছিল এক সাড়া-
তুমিই আমার অন্তরে দিয়েছিলে নাড়া !
তোমার জন্য ফুল তুলতে চাইলাম একটি,
তখন শুরু হয়ে গেল মুশল ধারে বৃষ্টি !
আমি তোমাকে বলেছিলাম, ‘এস প্রিয়তম !’
লজ্জা পেয়ে তুমি হয়েছিলে অবনত !
আমার জীবনে তুমি দিয়ে দিয়েছো দোলা
আমার জীবনে যদিও ছিল কত ঝামেলা !
তোমাকে কত ভালবাসি, এটা রেখ স্মরণ,
তোমার তরে হাসিমুখে মৃত্যু করবো বরণ।


আরো দেখুনঃ প্রেমের কবিতা


আমাদের ভূবনে থাকবে না কোন বেদনা,
থাকবে না কোন বিরহ আর দেনা-পাওনা !
তোমাকে ছেড়ে আমি কখনও দূরে যাবোনা,
তোমার ব্যাপারে আমি পিছপাও হবোনা !
ঢেকে রাখবো তোমায় দিয়ে সব ভালবাসা,
প্রমাণ করতে পারি, তুমিই আমার আশা !
আমার জীবনে তুমি এনে দিলে পরিবর্তন,
তোমার জন্য আমার সব! এটা রেখ স্মরণ !
তোমার হৃদয়ের মাঝে আমায় দিও আসন,
তুমিই আমার ভালবাসা, তুমিই আমার ভুবন


ভালোবাসা মানে দুজনের পাগলামি,
পরস্পরকে হৃদয়ের কাছে টানা;
ভালোবাসা মানে জীবনের ঝুঁকি নেয়া,
বিরহ-বালুতে খালিপায়ে হাঁটাহাঁটি;
ভালোবাসা মানে একে অপরের প্রতি খুব করে ঝুঁকে থাকা;
ভালোবাসা মানে ব্যাপক বৃষ্টি,
বৃষ্টির একটানা ভিতরে-বাহিরে দুজনের হেঁটে যাওয়া;
ভালোবাসা মানে ঠাণ্ডা কফির পেয়ালা সামনে অবিরল কথা বলা;
ভালোবাসা মানে শেষ হয়ে-যাওয়া কথার পরেও মুখোমুখি বসে থাকা।


একটা পৃথিবী চাই আমার দিবে ?
সেখানে শুধু থাকবে, তুমি মানবী
ভাসবে না তোমার মনে আমার ছাড়া
আর কারো প্রতিচ্ছবি ।
একটা আকাশ চাই, পারবে দিতে তুমি ?
সেখানে উড়বে শুধু তোমাকে ঘিরে আমার স্বপ্ন ঘুড়ি ।
সেই বাতাস চাই, দাও আমায়
যে শুধু বয়ে বেড়াবে একটি ধ্বনি “ভালোবাসি তোমাকে আমি”
না থাকবে না তার কোন প্রতিধ্বনি
সব কিছুই হবে, যদি একবার বল আমার ভালোবাসায় জীবন সাজাবে তুমি
অন্তরের অন্তরাল থেকে বলবে কি তুমি ?
আমার ভালোবাসায় জড়াতে রাজি তুমি !

ভালোবাসার ছন্দ প্রেমের ছড়া

অনেক সুন্দর সুন্দর ভালোবাসার ছন্দ প্রেমের কবিতা নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন । আশাকরি এই ছন্দ ও ভালোবাসার কবিতা গুলো পড়ে অনেক ভালো লাগবে । এখানে কিছু ছন্দ দেয়া হয়েছে আরো অনেক প্রেমের ছন্দ আমাদের নিচের লিংক গুলোতে পাবেন ।

ভালোবাসার ছন্দ ও কবিতাঃ

মনটা দিলাম তোমার হাতে যতনকরে রেখো,,
হৃদয় মাঝে ছোট্ট করে আমারছবি এঁকো..
স্বপ্ন গুলো দিলাম তাতে আরওদিলাম আশা,,
মনের মতো সাজিয়ে নিও আমারভালবাসা…

যতই দূরে যাও না কেন, আছি তোমার পাশে
যেমন করে বৃষ্টি ফোঁটা জড়িয়ে থাকে ঘাসে ।

ভালোবাসার ছন্দ

তোমার বুকে নীলের আভা তুমিই মেঘবতী।
ইচ্ছে করে তোমায় ছুঁতে আকাশ হতাম যদি

ডালটি হলো সবুজ, ফুলটি হলো লাল,
তোমার আমার ভালোবাসা থাকবে চিরকাল।

তোমার মুখের হাসি টুকু লাগে আমার ভালো,
তুমি আমার ভালবাসা বেঁচে থাকার আলো।
রাজার যেমন রাজ্য আছে আমার আছ তুমি,
তুমি ছাড়া আমার জীবন শূধু মরুভুমি।

মিষ্টি চাঁদের মিষ্টি আলো,
বাসি তোমায় অনেক ভালো.
মিটি মিটি তারার মেলা,
দেখবো তোমায় সারাবেলা.
নিশিরাতে শান্ত ভুবন,
চাইবো তোমায় সারাজীবন ।

মন যদি আকাশ হত তুমি হতে চাঁদ,,
ভালবেসে যেতাম শুধু হাতে রেখে হাত.
সুখ যদি হৃদয় হত তুমি হতে হাসি,,
হৃদয়ের দুয়ার খুলে দিয়ে বলতাম তোমায় ভালবাসি..!!

তোর জন্য আনতে পারি আকাশ থেকে তারা,
তুই বললে বাচতে পারি অক্সিজেন ছাড়া।
পৃথিবী থেকে লুটাতে পারি বন্ধু তোরি পায়,
এবার তুই বল, এভাবে আর কত মিথ্যা বলা যায় !!!

মিষ্টি হেসে কথা বলে পাগল করে দিলে,
তোমায় নিয়ে হারিয়ে যাব আকাশের নীলে,
তোমার জন্য মনে আমার অফুরন্ত আশা
সারা জীবন পেতে চাই তোমার ভালোবাসা ।

মাটির কোনায় কোনায় জলের বসবাস
পাতার ফোকড়ে ফোকড়ে পাখির বসবাস
নদীর কুলে কুলে নৌকার বসবাস
পাহাড়ের মাঝে ঝরনার বসবাস
অগনিত তারার মাঝে চাঁদের বসবাস
মানুষের দেহের মাঝে আত্মার বসবাস
আমার মনের মাঝে তোমার বসবাস ।

প্রেমের ছন্দ কবিতাঃ

প্রেম এক সুখ পাখি! পুষতে হয় বুকেরখাচায়।
সেই প্রেমপৃথিবীতে কাউকে হাসায় আবারকাউকে কাঁদায়।

চোখে আছে কাজল কানে আছে দুল,
ঠোট যেন রক্তে রাঙা ফুল,
চোখ একটু ছোট মুখে মিষ্টি হাসি,
এমন একজন মেয়েকে সত্যি আমি ভালোবাসি।

প্রেমের ছন্দ

দেখো চাঁদের দিকে;
কত যে কষ্ট তাঁর বুকে..
কখনো কালো মেঘ ঢেকে যায়,,
কখনো সে জ্যোৎস্না হারায়…
তবুও জ্যোৎস্না ছড়িয়ে সে হাসে,,
কারণ সে আকাশ কে ভালবাসে…!!

ভালোবাসা তার জন্য যে ভালোবাসতে জানে ..
মন তাকে দেওয়া যায়, যে অনুভব করতে জানে !..
বিশ্বাস তাকে কর, যে রাখতে জানে ..
আর ভালোবাস তাকে, যে ভালোবাসা দিতে জানে….

তোমায় আমি বলতে চাই, তুমি ছাড়া প্রিয় আর কেহ নাই ।
ভালবাসি শুধু তোমায় আমি, জনম জনম ভালবাসতে চাই।

ভালবাসা মানে আবেগের পাগলামি,
ভালোবাসা মানে কিছুটা দুষ্টামি ।
ভালোবাসা মানে শুধু কল্পনাতে ডুবে থাকা,,
ভালোবাসা মানে অন্যের মাঝে নিজের ছায়া দেখা ।

তোমার জন্য স্বপ্ন দেখি তুমি আসবে বলে,
তোমার জন্য অপেক্ষায় আছি তুমি ভালোবাসবে বলে।

মনের মধ্যে প্রবহমান ঝর্ণা
এনে দিল ভালবাসার বন্যা।
ভাসিয়ে নিল বিস্মৃতির ভেলা
শুরু হল ভালবাসার খেলা।

তোমাকে ভেবে পৃথিবী আমার অদেখা তবু একে যাই
আমার ভেতর শুধু তুমি আর তো কিছু পায়নি ঠাই…..

যদি বৃষ্টি হতাম…… তোমার দৃষ্টি ছুঁয়ে দিতাম।
চোখে জমা বিষাদ টুকু এক নিমিষে ধুয়ে দিতাম।
মেঘলা বরণ অঙ্গ জুড়ে তুমি আমায় জড়িয়ে নিতে,
কষ্ট আর পারতো না তোমায় অকারণে কষ্ট দিতে..!

বসন্তের ফুল দিব তোমায়, দিব কোকিলের গান,
গৃষ্মের তাপ দিব তোমায়, দিব ফলের ঘ্রাণ।
বর্ষার বৃষ্টি নাও তুমি, নাও মাছের স্বাদ,
শরতের সাদা আকাশ হবে তোমার, পাবে হেমন্ত ধানের ভাত।
শীতে দিব তোমায় কুয়াশার চাদর,
মিষ্টি রোদে পাবে তুমি নতুন ভোর।

দিন যায় দিন আসে, সময়ের স্রোতে ভেসে,
কেউ কাঁদে কেউ হাসে, তাতে কি যায় আসে,
খুঁজে দেখো আসে পাশে,
কেউ তোমায় তার জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসে ।

তুমি আমার রঙিন স্বপ্ন, শিল্পীর রঙে ছবি,
তুমি আমার চাঁদের আলো, সকাল বেলার রবি,
তুমি আমার নদীর মাঝে একটি মাত্র কুল,
তুমি আমার ভালোবাসার শিউলি বকুল ফুল ।

হাজার তারা চাইনা আমি, একটা চাঁদ চাই,
হাজার ফুল চাইনা আমি একটা গোলাপ চাই.
হাজার জনম চাইনা আমি একটা জনম চাই,
সেই জনমে যেন শুধু তোমায় আমি পাই ।

জীবন প্রভাতে মনের মাঁলাতে গেথে ছিলাম যত ফুল,,
আজ দেখি হায় ফুল সেতো নয়,, সবি জীবনের ভূল।

যে ফুল দিয়ে গাথঁবো মালা,, আশা ছিলো মনে
সে ফুল হারিয়ে আমি,, ঘুরি বনে বনে।

আকাশ ভরা লক্ষ তাঁরা মিটি মিটি হাসে,,
ঘুমের ঘোরে স্বপ্নে দেখি তুমি আমার পাশে।

যেখানে যতন করে রেকেছ এই মন,
সেখানে রেখগ আমায় সারাটি জীবন,
তোমাকে ছাড়া যেখানে তাকি সারাক্কন মনে থাকে ভয়.
তোমারি বুকের মাঝে যেন আমার নিরাপধ আশ্রয় ।

ভালবাসি বাগানের ঝরে যাব ফুল,
ভালবাসি মেঘলা নদীর কুল,
ভালবাসি উড়ন্ত ১ ঝাক পাখি। ..
আর ভালবাসি তোমার ওই দুই নয়নের আখি।

আমার জীবনে কেউ নেই তুমি ছাড়া,
আমার জীবনে কোনও স্বপ্ন নেই তুমি ছাড়া ,
আমার দুচোখ কিছু খোজেনা তোমায় ছাড়া,
আমি কিছু ভাবতে পারিনা তোমায় ছাড়া ,
আমি কিছু লিখতে পারিনা তোমার নাম ছাড়া,
আমি কিছু বুঝতে চাইনা তোমায় ছাড়া !

হাসির ছন্দ ও কবিতা

হাসির ছন্দ ও মজার কিছু ছন্দ নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন । আশাকরি আপনাদের কাছে হাসির ছন্দ গুলো অনেক ভালো লাগবে । পড়তে পড়তে অনেক হাসি পাবে । আপনারা যেরকম ছন্দ খুজছেন, ঠিক সেই রকম ছন্দই এখানে দেয়া হয়েছে । তাই আর দেরী নয়, দেখে নিন মজার মজার ছন্দ গুলো । Read more: Hasir Golpo

হাসির ছন্দ ও ছোট কবিতা :

আমাদের ভালোবাসা হয়ে গেলো ঘাস
খেয়ে গেলো গরু দিয়ে গেলো বাস ।


তুমিও একা, আর আমিও একা
প্রেম জমবে “ঝাকানাকা”


তুমি আমার মন আকাশে উড়ে চলা বার্ড
তুমি আমার মোবাইল ফোনের ছয়শো টাকার কার্ড,
তুমি আমার ফুলদানীতে জমে থাকা ছাই
তুমি আমার গলার মাঝে ফাঁস লাগানো টাই ।


হাসির ছন্দ


তুমি গাছ আমি পাখি
তুমি অশ্রু আমি আঁখি,
তুমি নদী আমি ঢেউ
তুমি শসা আমি লাউ,
তুমি গাই আমি গরু
তুমি মোটা আমি সরু,
তুমি পাকা আমি কাঁচা
তুমি মুরগি আমি খাঁচা,
তুমি চুল আমি শ্যাম্পু
তুমি ট্রাক আমি টেম্পু,
তুমি ফ্যান আমি লাইট
তুমি ডে আমি নাইট,
তুমি বই আমি খাতা
তুমি লতা আমি পাতা,
তুমি চা আমি কাপ
তুমি মা আমি বাপ ।


হাসির ছন্দ কবিতা


ও আমার জানের ময়না পাখি
তুমি ছাড়া কেমনে একা থাকি,
আমাকে দিও না আর ফাঁকি
এখনো অনেক কথা বলা বাকী ,
জানিনা তোমাকে কখনো বলছি নাকি-
তোমাকে দেখে হৃদয় খায় ঝাঁকি,
সারা টা দিন তোমারি নাম ডাকি
পরানেতে তোমারই ছবি আঁকি,
তোমাকে পেয়ে আমি কত লাকি
সারা জীবন যেন তোমারই সাথে থাকি,
এসো তোমাকে কোলে বসাই রাখি—
ও আমার জানের ময়না পাখি ।


আমাদের ছোট নদী যদি চলে বাঁকে বাঁকে
বৈশাখ মাসে তার হাঁটুজল থাকে ৷
পার হয়ে যায় গরু, পার হয় গাঁধা
তোর কথা মনে পরে ওরে হারামজাদা।


ধন্যবাদ সময় নিয়ে আমাদের এই হাসির ছন্দ ও কবিতা গুলো পড়ার জন্য । আশাকরি পড়ে অনেক মজা পেয়েছেন । যদি সত্যিকারে ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন । আমরা আরো সুন্দর সুন্দর বাংলা হাসির কবিতা ছন্দ আর ছবি পোষ্ট করবো এখানে । আশাকরি আমাদের সাইট সময় ভিজিট করবেন আর আমাদের সাথেই থাকবেন ।

ফুল নিয়ে উক্তি

ফুল নিয়ে উক্তি বাণীঃ প্রিয় বন্ধুরা আজ এখানে আমরা ফুল নিয়ে কিছু উক্তি বা বানী শেয়ার করবো । ফুল কে না ভালোবাসে । আর সেই ফুল নিয়ে যদি সুন্দর সুন্দর উক্তি কবিতা ছন্দ পাওয়া যায়, তাহলে তো ফুলকে আরো রঙিন করে সাজানো যায় । নিচে দেখুন ফুল নিয়ে কিছু সুন্দর সুন্দর লেখা ।

ফুল নিয়ে উক্তি :

ফুল হলো সৃষ্টিকর্তার সুন্দরতম সৃষ্টি, যা পৃথিবীকে আরো সুন্দর করে তোলে।

ফুল হলো সুন্দরের প্রতিক আর গোলাপ হলো ভালোবাসার প্রতিক ।

ফুলকে ভালোবেসে ফেলে দিওনা মানুষকে ভালোবেসে ভুলে যেও না ।

ফুলের জীবন বড়োই করুণ। অধিকাংশ ফুল অগোচরেই ঝ’রে যায়, আর বাকিগুলো ঝোলে শয়তানের গলায়।
— হুমায়ূন আজাদফুল নিয়ে উক্তি

এ ভুল করো না, এ ফুল ছিঁড়ো না, তিলি তিলে গড়ে উঠুক এ উদ্যান ।
— আবু তাহের মিসবাহ

ফাল্গুনে বিকশিত কাঞ্চন ফুল , ডালে ডালে পুঞ্জিত আম্রমুকুল । চঞ্চল মৌমাছি গুঞ্জরি গায় , বেণুবনে মর্মরে দক্ষিণবায় ।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভালোবাসা হলো ফুল আপনি তাকে বাড়তে দিন।
— জন লেনন

ফুল রোদ ছাড়া ফুল ফুটতে পারে না, মানুষ ভালোবাসা ছাড়া বাঁচতে পারে না।
— ম্যাক্সফুল নিয়ে বাণী

জীবন সেই ফুল যার জন্য ভালোবাসা মধু ।
— ভিক্টর হুগো

ভালবাসা এমন একটি সুন্দর ফুলের মতো যা আমি স্পর্শ করতে পারি না, তবে যার সুগন্ধ উদ্যানটিকে কেবল আনন্দময় স্থান করে তোলে।
— হেলেন কিলার

মন হলো ফুলের মত, এটি শুধুমাত্র উপযুক্ত পরিবেশেই ফুটে উঠে ।
— স্টিফেন রিচার্ডস

প্রেম হলো ফুলের মতো আর বন্ধুত্ব হলো আশ্রয়দাতা গাছের মতো ।
— স্যামুয়েল টেলর কোলেরিজ

প্রতিটি ফুল প্রকৃতিতে প্রস্ফুটিত একটি আত্মা ।
— জেরার্ড দে নার্ভাল

ভদ্রতা হলো মানবতার ফুল।
— জোসেফ জৌবার্ট

 

ফুল নিয়ে কবিতাঃ

কবিতাঃ ফুল নেয়া ভালো নয় মেয়ে ।
কবিঃ জসীম উদ্দিন ।

ফুল নেয়া ভাল নয় মেয়ে।
ফুল নিলে ফুল দিতে হয়, –
ফুলের মতন প্রাণ দিতে হয়।
যারা ফুল নিয়ে যায়,
যারা ফুল দিয়ে যায়,
তারা ভুল দিয়ে যায়,
তারা কুল নিয়ে যায়।
তুমি ফুল, মেয়ে! বাতাসে ভাঙিয়া পড়
বাতাসের ভরে দলগুলি নড়নড়।
ফুলের ভার যে পাহাড় বহিতে নারে
দখিনা বাতাস নড়ে উঠে বারে বারে।
ফুলের ভারে যে ধরণী দুলিয়া ওঠে,
ভোমর পাখার আঘাতে মাটিতে লোটে।
সেই ফুল তুমি কেমনে বহিবে তারে,
ফুল তো কখনো ফুলেরে বহিতে নারে।

সোনার তরী কবিতা

সোনার তরী কবিতা :
নিখেছেন – কবিঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।
রাশি রাশি ভারা ভারা
ধান কাটা হল সারা,
ভরা নদী ক্ষুরধারা
খরপরশা।
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা।

একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা,
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।
পরপারে দেখি আঁকা
তরুছায়ামসীমাখা
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা—
এ পারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা।

গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে,
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।
ভরা-পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু-ধারে—
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।

ওগো, তুমি কোথা যাও কোন্‌ বিদেশে,
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
যারে খুশি তারে দাও,
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে।

যত চাও তত লও তরণী-’পরে।
আর আছে?— আর নাই, দিয়েছি ভরে।
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে—
এখন আমারে লহ করুণা করে।

ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই— ছোটো সে তরী
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি—
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।

Kazi nazrul islamer kobita

Kazi nazrul islamer kobita or poem is very popular. He is very famous for his poem. So here you will get some poems of kazi nazrul islam. All poems are very nice and popular. Read more >> Bangla love poem

Kazi nazrul islamer kobita:

কারার ঐ লৌহকপাট,
ভেঙ্গে ফেল, কর রে লোপাট,
রক্ত-জমাট
শিকল পূজার পাষাণ-বেদী।
ওরে ও তরুণ ঈশান!
বাজা তোর প্রলয় বিষাণ!
ধ্বংস নিশান
উড়ুক প্রাচীর প্রাচীর ভেদি।

গাজনের বাজনা বাজা!
কে মালিক? কে সে রাজা?
কে দেয় সাজা
মুক্ত স্বাধীন সত্যকে রে?
হা হা হা পায় যে হাসি,
ভগবান পরবে ফাঁসি!
সর্বনাশী
শিখায় এ হীন তথ্য কে রে!

ওরে ও পাগলা ভোলা!
দে রে দে প্রলয় দোলা
গারদগুলা
জোরসে ধরে হেচ্‌কা টানে!
মার হাঁক হায়দারী হাঁক,
কাধে নে দুন্দুভি ঢাক
ডাক ওরে ডাক,
মৃত্যুকে ডাক জীবন পানে!

নাচে ওই কালবোশাখী,
কাটাবী কাল বসে কি?
দে রে দেখি
ভীম কারার ঐ ভিত্তি নাড়ি!
লাথি মার, ভাঙ্গরে তালা!
যত সব বন্দী শালায়-
আগুন-জ্বালা,
-জ্বালা, ফেল উপাড়ি।।

Poem of kazi nazrul islam:

karar oi luho kopat
venge fel kor re lopat
rokto jomat
shikol pujar pashan bedhi
ore o torun ishan
baj tor proloy bishan
dhongsho nishan
uruk prachir prachir vedi.

gajoiner bajna baja
ke malik ? ke se raja ?
ke dey saja
mukto sadhin sotto ke re ?
ha ha ha pay je hasi
vogoban porbe fasi
sorbonashi
shikhay e hin tothho ke re .

ore o pgla vola
de re de proloy dola
garod gula
jorche dhore heska tane
har hak haydari hak
dak re dak
mrittuke dak jibon pane.

nache oi kal boisakhi
katabi kal bose ki ?
de re dekhi
vim karar oi vitti nari
lathi mar vangbe tala
zoto sob bondhi shalay
agun jana
jala fel uarabi.