রিজিক নিয়ে উক্তি হাদিস কোরআনের আয়াত বাণী স্ট্যাটাস ও কিছু কথা নিয়ে আমাদের আজকের পোস্ট । আমরা অনেক সময় রিজিক সম্পর্কিত কিছু হাদিস ও কোরআনের আয়াত খুঁজি কোন কারনে । তখন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তেমন পাওয়া যায় না । তাই আপনাদের জন্য আমরা এখানে অনেক গুলো হাদিস আয়াত এবং মুসলিম মনিষীদের উক্তি বা বাণী দিয়েছি । আশাকরি আপনার কাজে লাগবে ।
রিজিক নিয়ে উক্তি হাদিস কোরআনের আয়াত :
১/ “পৃথিবীতে বিচরণশীল সকল প্রাণীর রিজিকের দায়িত্ব আমার (মহান আল্লাহ্ তায়ালার)।”
– (সূরা হুদ, আয়াত ৬)
২/ তুমি যখন একজন গরিব-মিসকিনকে খাবার দান করবে, আল্লাহ্ তায়ালা তোমার রিজিককে পবিত্র করে দিবেন।
– মহানবি হযরত মুহাম্মত (স)
৩/ রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ্ তায়ালা, আমরা সকলে রিজিকের জন্য একমাত্র তার নিকট প্রার্থনা করবো।
– মহানবি হযরত মুহাম্মত (স)
৪/ রিজিক অর্জনের জন্য শুধু আল্লাহর উপর ভরসা করে কাজ বন্ধ করে বসে থাকলে হবেনা, আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে।
– আবুল মিশকাত
৫/ রিজিক মহান আল্লাহ তা’য়ালা কর্তৃক বড় নেয়ামত৷ আল্লাহ্ প্রদত্ত রিজিক প্রতিটি প্রাণী ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে প্রাপ্ত হয়ে থাকে ৷
– (সূরা হুদ)
আরো আছেঃ জুলুম নিয়ে উক্তি
৬/ মহান আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা করেন তার রিজিক বাড়িয়ে দেন এবং এবং যার প্রতি অসন্তুষ্ট হন তার রিজিক সংকুচিত করেন।
– (সূরা আর-রাদ: ২৬)
৭/ আপনার রিজিক আপনার কষ্টের মাধ্যমেই উপার্জন করে নিতে হবে, আল্লাহ্ তায়ালা আপনাকে পথ দেখাবেন মাত্র।
– সালমান বিন আবদুল আজিজ
৮/ মহান আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, “আকাশে রয়েছে তোমাদের রিজিক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু।”
– সূরা জারিয়াত: ২২
৯/ হালাল অর্থ উপার্জন করে রিজিক গ্রহণের মধ্যে এক প্রকার শান্তি রয়েছে, যা হারাম অর্থ উপার্জন করে গ্রহণের মাঝে নেই।
– মানাহিল আইমা
১০/ “তোমরা আল্লাহর কাছে রিজিক তালাশ কর, তার ইবাদত কর এবং তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। তারই কাছে তোমাদের ফিরে যেতে হবে।”
– সুরা আনকাবুত : আয়াত ১৭
১১/ তোমার যতই অর্থ থাকুক না কেন তুমি তখনই রিজিক গ্রহণ করতে পারবে যখন মহান আল্লাহ্ তায়ালা চাইবেন।
– ইব্রাহিম বিন খালিদ
১২/ হারাম রিজিক গ্রহণ করে আমরা উপকৃত হইনা বলেই মহান আল্লাহ্ তায়ালা তা আমাদের জন্য হারাম করেছেন।
– নুরা আল আজিজ
১৩/ “মহান আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের প্রতি দয়ালু, যাকে ইচ্ছা রিজিক দান করেন, তিনি প্রবল পরাক্রমশালী।”
– সুরা শুরা: আয়াত ১৯
১৪/ “সবসময় আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে শেখো, তিনি তোমার রিজিকের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, তিনি তোমাকে নিরাশ করবেন না।”
– মহানবি হযরত মুহাম্মত (স)
১৫/ কার রিজিক কোথায় রয়েছে তা একমাত্র মহান আল্লাহ্ ব্যতিত কেউ জানেন না।
– আব্রাহাম ইলাহি
রিজিক নিয়ে উক্তি
১.
রিজিক কখনো শুধু টাকার নাম নয়,
কখনো শান্ত ঘুম,
কখনো প্রিয় মানুষের হাসিই
সবচেয়ে বড় রিজিক।

২.
তুমি যতটুকু পাওনি তা নিয়ে কাঁদো,
আর যতটুকু পেয়েছ তা নিয়ে শুকর করো—
এই দুইয়ের মাঝখানেই
রিজিকের আসল সৌন্দর্য।
৩.
রিজিক দেরিতে আসে,
কিন্তু ভুল হাতে যায় না—
এই বিশ্বাসটাই
মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।
৪.
সবাই ভাবে রিজিক কম,
কিন্তু আসলে
চাওয়ার তালিকাই
সবচেয়ে বড়।
৫.
রিজিক নিয়ে দুশ্চিন্তা করো না,
যিনি দিয়েছেন তিনি জানেন
তোমার দরকার
আর তোমার ধৈর্যের সীমা।
৬.
কখনো রিজিক কমে যায় না,
কমে যায় শুধু
আমাদের কৃতজ্ঞতা।
৭.
হালাল রিজিক অল্প হলেও,
তার শান্তি
হারাম পাহাড়ের চেয়েও
বেশি ভারী।
৮.
রিজিক আসে চেষ্টা দেখে,
কিন্তু বাড়ে
ভরসা দেখে।
৯.
যার কাছে সন্তুষ্টি আছে,
সে কখনো
রিজিকে গরিব নয়।
১০.
রিজিকের দরজা বন্ধ মনে হলে,
নিজের ভেতরের দরজাগুলো
একবার খুলে দেখো।
১১.
অনেক সময় রিজিক আসে
আমাদের অজান্তে—
একটা সুযোগ,
একটা মানুষ,
একটা নতুন ভাবনা হয়ে।
১২.
রিজিক নিয়ে ভয় পেলে,
মনে রেখো—
তুমি জন্মানোর আগেই
তোমার রিজিক লেখা ছিল।
১৩.
কারো বেশি রিজিক দেখে হিংসা কোরো না,
তুমি জানো না
তার পরীক্ষার ভার
কতটা ভারী।
১৪.
রিজিক মানে শুধু পাওয়া নয়,
হারিয়ে না যাওয়াটাও
একটা বড় নিয়ামত।
১৫.
যখন সবকিছু কম মনে হয়,
তখনও শ্বাস নেওয়ার সুযোগটা
একটা অমূল্য রিজিক।
১৬.
রিজিকের জন্য দৌড়াও,
কিন্তু আত্মসম্মানকে
পেছনে ফেলে না।
১৭.
যার রিজিক আজ কম,
তার ধৈর্যই
আগামী দিনের সম্পদ।
১৮.
রিজিক নিয়ে তাড়াহুড়ো করলে
ভুল পথে যাওয়া সহজ,
ভরসা রাখলে
সঠিক পথে পৌঁছানো সহজ।
১৯.
রিজিক আসে হাতে হাতে নয়,
আসে সময়ে সময়ে।
২০.
সব বন্ধ দরজার পেছনে অভাব নয়,
কিছু দরজা বন্ধ থাকে
ভালো কিছু আসার জন্য।
২১.
রিজিকের হিসাব মানুষ করে,
কিন্তু বণ্টন করেন
উপরে একজন।
২২.
অল্প রিজিকেও
যদি হাসতে পারো,
তাহলে তুমি
আসলে অনেক ধনী।
২৩.
রিজিক কখনো পরীক্ষায় আসে,
কখনো পুরস্কারে—
কিন্তু সব সময়ই
শিক্ষা দিয়ে যায়।
২৪.
রিজিক হারালে মানুষ ভাঙে না,
ভাঙে তখনই
যখন আশা হারায়।
২৫.
যেখানে সন্তুষ্টি নেই,
সেখানে কোটি রিজিকও
অপর্যাপ্ত।
২৬.
রিজিকের জন্য মাথা নত করো,
কিন্তু অন্যায়ের সামনে
কখনো না।
২৭.
অনেক সময় রিজিক কমে যায়,
কারণ আমরা
ভুল জায়গায় খুঁজছি।
২৮.
যে কষ্টে অর্জিত রিজিক,
সে কষ্টই
তার সবচেয়ে বড় দাম।
২৯.
রিজিক নিয়ে চিন্তা করা স্বাভাবিক,
কিন্তু রিজিক নিয়ে ভরসা হারানো
নিজের সাথেই অন্যায়।
৩০.
আজ যে রিজিক তোমাকে বাঁচাচ্ছে,
কাল সেটাই
কাউকে বাঁচানোর মাধ্যম হবে।
৩১.
রিজিকের দরজায় ধাক্কা দাও,
কিন্তু চুরি করে
ঢুকতে যেও না।
৩২.
রিজিক কখনো থেমে থাকে না,
শুধু আমাদের কাছে
পৌঁছাতে সময় নেয়।
৩৩.
যে মানুষ অল্পে তৃপ্ত,
তার জন্য রিজিক
সব সময় যথেষ্ট।
৩৪.
রিজিক শুধু নেওয়ার জন্য নয়,
ভাগ করার জন্যও
একটা পরীক্ষা।
৩৫.
অনেক সময় রিজিকের দেরি
আমাদের চরিত্র গড়ে তোলে।

৩৬.
রিজিক নিয়ে অভিযোগ কম,
কৃতজ্ঞতা বেশি হলে
জীবন সহজ হয়।
৩৭.
রিজিকের জন্য দরজা বন্ধ হলে
মনে রেখো—
আকাশের জানালা
সব সময় খোলা।
৩৮.
রিজিক মানে শুধু প্রাপ্তি নয়,
অভাবের মধ্যেও
আত্মমর্যাদা ধরে রাখা।
৩৯.
রিজিক যখন আসে,
সে নিজের সময় নিয়েই আসে—
জোর করলে
সে দূরে সরে যায়।
৪০.
যে রিজিক ঘুম কেড়ে নেয়,
সে রিজিক
আসলে অভিশাপ।
৪১.
রিজিকের পথে হাঁটো ধীরে,
তাড়াহুড়ো করলে
ভুল পথে পা পড়ে।
৪২.
রিজিক নিয়ে মানুষের ভয়,
আসলে ভবিষ্যৎ নিয়ে
অবিশ্বাস।
৪৩.
যার অন্তর পরিষ্কার,
তার রিজিকের পথও
ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়।
৪৪.
রিজিক কখনো শেষ হয় না,
শেষ হয় শুধু
মানুষের ধৈর্য।
৪৫.
রিজিকের আগে চরিত্র আসে,
চরিত্র ঠিক থাকলে
রিজিক ঠিকই আসে।
৪৬.
যে রিজিকে অন্যের চোখের পানি,
সে রিজিক
বেশি দিন টেকে না।
৪৭.
রিজিকের জন্য চেষ্টা করো,
কিন্তু ফলাফলের ভার
নিজে বহন কোরো না।
৪৮.
রিজিক আসে হাতে নয়,
আসে বিশ্বাসে।
৪৯.
আজ যে রিজিক কম মনে হচ্ছে,
কাল সেটাই
তোমার অহংকার হবে।
৫০.
রিজিক কখনো তোমাকে ছেড়ে যায় না,
তুমি শুধু মাঝে মাঝে
নিজেই পথ হারাও।
….Best TH12 Farming Base Layouts in Clash of Clans (Ultimate Guide 2025)
রিজিক আর সন্তুষ্টির গল্প
১.
রিজিক কম হতে পারে,
কিন্তু সন্তুষ্ট মন থাকলে
জীবন কখনো
ফাঁকা লাগে না।
২.
সব পাওয়া মানুষ ধনী নয়,
যে অল্পে হাসতে জানে
সেই আসল ধনী।
৩.
রিজিকের পরিমাণ নয়,
রিজিকের শান্তিই
জীবনের ভার কমায়।
৪.
যার সন্তুষ্টি আছে,
তার অভিযোগের তালিকা
খুব ছোট।
৫.
অল্প রিজিকেও
যদি মন ভরে যায়,
তাহলে সেটাই
সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
৬.
রিজিক যখন কম মনে হয়,
সন্তুষ্টি তখন
আয়নার মতো সত্য দেখায়।
৭.
যে মন চাওয়া কমায়,
তার রিজিক
নিজে থেকেই বাড়ে।
৮.
রিজিকের হিসাব মানুষ করে,
কিন্তু সন্তুষ্টির হিসাব
মনই রাখে।
৯.
যার চোখে কৃতজ্ঞতা,
তার কাছে অল্পও
অপরিসীম।
১০.
সব চাওয়া পূরণ হলেই
সন্তুষ্টি আসে না,
সন্তুষ্টি এলে
চাওয়া কমে যায়।
১১.
রিজিক কম হলে মানুষ ভাঙে না,
ভাঙে তখনই
যখন সন্তুষ্টি হারায়।
১২.
অল্প রিজিক,
বেশি শান্তি—
এই সমীকরণ
সবাই বোঝে না।
১৩.
সন্তুষ্ট মন জানে,
আজ যা আছে
সেটাই আজকের জন্য যথেষ্ট।
১৪.
রিজিক নিয়ে দৌড় থামলে
অনেক সময়
শান্তি ধরা দেয়।
১৫.
যার মন ভরা,
তার থালাও
সবসময় পূর্ণ।
১৬.
রিজিকের অভাব
জীবন থামায় না,
সন্তুষ্টির অভাবই
জীবন ভারী করে।
১৭.
যে মানুষ কৃতজ্ঞ,
তার কাছে রিজিক
অজুহাত হয়ে আসে না।
১৮.
অল্প পাওয়ার মাঝেও
যে সুখ খুঁজে নেয়,
সে কখনো গরিব হয় না।
১৯.
রিজিক বদলাতে পারে,
কিন্তু সন্তুষ্ট মন থাকলে
জীবন বদলায় না।
২০.
সন্তুষ্টি যখন সঙ্গী,
রিজিক তখন
সবসময় যথেষ্ট।

অভাবের ভেতর লুকানো নিয়ামত
১.
অভাব আমাদের শূন্য করে না,
অভাব শেখায়
কীভাবে অল্পে
টিকে থাকতে হয়।
২.
সব না পাওয়াই ক্ষতি নয়,
কিছু না পাওয়াই
আমাদের রক্ষা করে।
৩.
অভাবের দিনে
মানুষ চেনা যায়,
আর নিজের ভেতরের শক্তিটাও
ধরা পড়ে।
৪.
অভাব চিৎকার করে না,
নীরবে মানুষকে
পরিণত করে তোলে।
৫.
যে অভাব সহ্য করতে শিখেছে,
সে সুখের ভারও
বহন করতে পারে।
৬.
অভাব আমাদের ভাঙে না,
ভেতর থেকে
গড়ে তোলে।
৭.
যা নেই তার কষ্টে নয়,
যা আছে তার মূল্য
অভাবই শেখায়।
৮.
অভাবের সময়
ছোট সুখগুলোই
সবচেয়ে বড় নিয়ামত হয়।
৯.
সব দরজা বন্ধ থাকলেও,
অভাব শেখায়
কোন জানালা দিয়ে
আলো ঢোকে।
১০.
অভাব আমাদের ধীর করে,
আর সেই ধীরতায়
জীবনের শব্দগুলো
পরিষ্কার শোনা যায়।
১১.
অভাব না এলে
কৃতজ্ঞতার ভাষা
শেখা হয় না।
১২.
অভাবের রাতে
একটু শান্ত ঘুম
সবচেয়ে দামী সম্পদ।
১৩.
যে মানুষ অভাব দেখেছে,
সে অল্প পেয়েও
অযথা নষ্ট করে না।
১৪.
অভাব আমাদের শেখায়—
সবকিছু ধরে রাখাই
জীবন নয়।
১৫.
অভাবের ভেতরেই
মানুষ নিজের
আসল রূপটা খুঁজে পায়।
১৬.
অভাব কখনো শত্রু নয়,
সে কঠিন এক শিক্ষক।
১৭.
অভাবের দিনগুলো
নরম করে দেয়
অহংকার।
১৮.
যে অভাব পেরিয়ে এসেছে,
সে সুখের মানে
ভালো বোঝে।
১৯.
অভাবের মাঝেও
যে হাসতে পারে,
সে জীবনের কাছে
হার মানে না।
২০.
অভাব আমাদের থেকে অনেক কিছু নেয়,
কিন্তু বিনিময়ে
দেয় গভীরতা।
…….উপদেশ মূলক কথা
হালাল রিজিকের নীরব শান্তি
১.
হালাল রিজিক চিৎকার করে না,
নীরবে এসে
মনের ভেতর
শান্তি রেখে যায়।
২.
অল্প হালাল রিজিকেও
যে ঘুমটা শান্ত,
সে ঘুম
সব সম্পদের চেয়ে দামি।
৩.
হালাল রিজিকে
ভাত কম হতে পারে,
কিন্তু দুশ্চিন্তা
থাকে না।
৪.
যে রিজিকে কারো হক নেই,
সে রিজিক
মনে বোঝা হয়ে বসে না।
৫.
হালাল রিজিকের আনন্দ
নীরব হয়,
কিন্তু গভীর।
৬.
হালাল রিজিক
মানুষকে ধনী করে না,
মানুষকে
নিশ্চিন্ত করে।
৭.
যে রিজিকে ঘাম আছে,
সেই রিজিকে
বরকত থাকে।
৮.
হালাল রিজিক
চোখে পড়ে না,
কিন্তু মন
ভরে দেয়।
৯.
হালাল পথে আসা অল্প
হারাম পাহাড়ের চেয়েও
ভারী।
১০.
যে রিজিকে লজ্জা নেই,
সে রিজিকে
শান্তি থাকে।
১১.
হালাল রিজিকের সাথে
দোয়া সহজে
মিশে যায়।
১২.
হালাল রিজিক
অহংকার বাড়ায় না,
বরং
নরম করে।
১৩.
যে রিজিকে ঘুম কেড়ে নেয় না,
সেই রিজিক
সঠিক।
১৪.
হালাল রিজিকের পথে
হাঁটা কঠিন,
কিন্তু শেষে
মন হালকা।
১৫.
হালাল রিজিক
জীবন সাজায় না বাহারে,
সাজায়
শান্তিতে।
১৬.
যে রিজিকে চোখ নামাতে হয় না,
সেই রিজিক
আসল সম্পদ।
১৭.
হালাল রিজিকের স্বাদ
নোনতা নয়,
নিশ্চিন্ত।
১৮.
হালাল রিজিক
অল্প হলেও
ভয় ছাড়াই খাওয়া যায়।
১৯.
হালাল রিজিকের ঘরে
শব্দ কম,
শান্তি বেশি।
২০.
যে রিজিক
মনকে আল্লাহর কাছে টানে,
সেটাই
হালাল রিজিক।

অপেক্ষার মাঝে আল্লাহর পরিকল্পনা
১.
অপেক্ষা মানেই শূন্যতা নয়,
অনেক সময়
এটাই প্রস্তুতির
নীরব সময়।
২.
আল্লাহ দেরি করেন না,
তিনি শুধু
সঠিক সময়টা
বেছে নেন।
৩.
যা এখন থেমে আছে,
তা নষ্ট হয়নি—
ওটা হয়তো
ভালো কিছুর পথে।
৪.
অপেক্ষার সময়
মন ভাঙে না,
ভাঙে
অধৈর্যতা।
৫.
যা তুমি চাও,
তা না পেয়ে
যা শেখো—
সেটাই পরিকল্পনার অংশ।
৬.
অপেক্ষা কঠিন,
কিন্তু সেই কঠিন সময়েই
আল্লাহ মানুষকে
গড়ে তোলেন।
৭.
সব উত্তর তৎক্ষণাৎ আসে না,
কিছু উত্তর
সময়ের ভাষায়
বোঝা যায়।
৮.
অপেক্ষার ভেতর
ভরসা রাখাই
সবচেয়ে বড় ইবাদত।
৯.
যা দেরিতে আসে,
অনেক সময়
সেটাই বেশি
স্থায়ী হয়।
১০.
অপেক্ষার পথে হাঁটলে
হাল ছেড়ে দেওয়া সহজ,
ভরসা রাখলে
গন্তব্য কাছে আসে।
১১.
আল্লাহ যখন থামান,
তিনি আসলে
দিক বদলান।
১২.
অপেক্ষার দিনগুলো
শান্ত হলে,
ভিতরটা
পরিষ্কার হয়।
১৩.
সব দোয়ার জবাব
হ্যাঁ হয় না,
কিছু জবাব
অপেক্ষা।
১৪.
যা এখন নেই,
তা না থাকাটাও
একটা রহমত হতে পারে।
১৫.
অপেক্ষা শেখায়—
সব কিছু আমার নিয়ন্ত্রণে নয়,
এবং সেটাই
শান্তির শুরু।
১৬.
অপেক্ষার মাঝে
যে বিশ্বাস টিকে থাকে,
সেটাই
আল্লাহর সাথে সম্পর্ক।
১৭.
যা তুমি বুঝছ না আজ,
কাল সেটাই
শুকরিয়ার কারণ হবে।
১৮.
অপেক্ষা লম্বা হলে
মনে রেখো—
পরিকল্পনাও বড়।
১৯.
আল্লাহ দেরিতে দেন,
কিন্তু ভুল দেন না।
২০.
অপেক্ষার শেষে
যা আসে,
তা শুধু পাওয়া নয়—
প্রস্তুত হয়ে পাওয়া।
…..চাকরি জীবন নিয়ে স্ট্যাটাস| চাকরি জীবন নিয়ে ক্যাপশন
রিজিক, ভরসা আর আত্মসম্মান
১.
রিজিকের জন্য হাত পাতি না,
ভরসা রাখি আল্লাহর ওপর—
এই ভরসাটাই
আত্মসম্মান।
২.
রিজিক কম হতে পারে,
কিন্তু মাথা নত না হলে
মানুষ কখনো
ছোট হয় না।
৩.
ভরসা মানে বসে থাকা নয়,
ভরসা মানে
চেষ্টা করেও
নিজেকে না ভাঙা।
৪.
যে রিজিকে আত্মসম্মান হারায়,
সে রিজিক
বেশি দিন
টেকে না।
৫.
রিজিকের অভাবে নয়,
মানুষ ভাঙে তখনই
যখন ভরসা ছেড়ে
আপস করে।
৬.
আত্মসম্মান নিয়ে চললে
রিজিক ধীরে আসে,
কিন্তু সোজা পথে আসে।
৭.
ভরসা যার শক্ত,
তার রিজিকের ভয়
কখনো বড় হয় না।
৮.
রিজিকের দরজায়
অপমান রেখে ঢুকতে হলে,
সে দরজা
বন্ধ থাকাই ভালো।
৯.
যে মানুষ আত্মসম্মান বাঁচায়,
তার জন্য
রিজিকের পথ
অন্যভাবে খুলে যায়।
১০.
ভরসা আর আত্মসম্মান
একসাথে থাকলে,
অল্প রিজিকেও
মাথা উঁচু থাকে।
১১.
রিজিক নিয়ে দুশ্চিন্তা কমে,
যখন আত্মসম্মান
চিন্তার আগে আসে।
১২.
যে রিজিকে অন্যায় মেশে,
সে রিজিক
ভেতরটা
খালি করে দেয়।
১৩.
ভরসা মানে এই নয়
সব সহজ হবে,
ভরসা মানে
সব সহ্য করা যাবে।
১৪.
রিজিকের জন্য
নিজেকে বিক্রি করলে,
ভেতরের মানুষটা
মরে যায়।
১৫.
আত্মসম্মান রক্ষা করলে
রিজিক দেরি করে,
কিন্তু শান্তি
আগেই আসে।
১৬.
ভরসা যার আছে,
সে জানে—
আজ না হলে
কাল হবে।
১৭.
রিজিক আর আত্মসম্মান
একসাথে রাখতে পারাই
সবচেয়ে বড় অর্জন।
১৮.
যে মানুষ ভরসা হারায় না,
তার সামনে
কোন দরজা
চিরকাল বন্ধ থাকে না।
১৯.
রিজিক কম থাকলেও
যদি আত্মসম্মান থাকে,
মানুষ নিজেকে
হারায় না।
২০.
রিজিক আসবে যাবে,
কিন্তু ভরসা আর আত্মসম্মান
থাকলে
মানুষ অটুট থাকে।