রাতের আকাশ নিয়ে ক্যাপশন

এখানে রাতের আকাশ নিয়ে ক্যাপশন কবিতা ও রোম্যান্টিক স্ট্যাটাস সহ আরো অনেক কিছু দেয়া হয়েছে । রাতের আকাশ আমার খুব পছন্দের, তবে রাতের আকাশ আমার তেমন বেশী দেখা হয় না, কারণ আমি রাতে ভয় পাই বেশী । যাহোক যাদের সুযোগ হয়, তারা সময় করে রাতের আকাশ দেখবেন, খুব ভালো লাগবে আশাকরি । বিশেষ করে যারা প্রেমে মজে আছেন তাদের কাছে রাতের আকাশ মানে অন্য রকম এক অনুভূতি । কারণ রাতের আকাশ মানেই রোম্যান্টিক কিছু । আসুন তাহলে আমাদের লেখা গুলো একটু দেখে নেয়া যাক ।রাতের আকাশ নিয়ে ক্যাপশন

রাতের আকাশ নিয়ে ক্যাপশন :

“রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে কথা গুলো বলে ফেলুন, দেখবেন মন অনেক হালকা হয়ে গেছে ।”

“রাতের আকাশ যেন এক মায়াময় শহর, যে শহরে আমিই আছি আর কেউ নেই ।”

“বড্ড একা একা মনে হচ্ছে ? রাতের আকাশের দিকে তাকান, দেখুন কতবড় সে, সেও কিন্তু একা ।”

“মাঝে মাঝে রাতে বেরিয়ে পড়ুন রাতের আকাশ দেখুন, জীবনের এক অদ্ভুত সুখ অনুভব করতে পারবেন ।”

“এই জ্যোৎস্না মাখা রাতের আকাশ এই স্নিগ্ধ গোধূলি বিকেল বেলা আমি তোমাকে দিলাম, তুমি সঙ্গী হবে আমার ?”

Read more:>>> শেষ বিকেলের ক্যাপশন

রাতের আকাশ নিয়ে রোম্যান্টিক স্ট্যাটাস :

রাতের আকাশ হলে তুমি,
আমি হব তারা ।
অথৈ সাগর হলে তুমি,
হবো আমি জলধারা ।

রাতের আকাশের তারা গুলো মিটমিটিয়ে জ্বলে
রাত্রি এলে এ মন শুধু তোমার কথাই বলে ।

তুমি আমার রাতের আকাশের তারা,
তোমার জন্য আমার এ মন হয় দিশেহারা ।

ও রাতের আকাশ তুমি শুনছোকি আমার কথা,
আমিও যে তোমার মতই হয়ে গেছি একা ।

আমি খুঁজি তোমায় রাতের আকাশের তারাদের মাঝে,
আমি খুঁজি তোমায় শীতের সকালে খুয়াশার ভাঁজে ।

রাতের আকাশে যেমন চাঁদের আলো
তোমার কথা মনে লাগে ভালো,
জ্যোৎস্না হয়ে তুমি দাওনা ধরা
বাঁচবো না কোনদিন তোমায় ছাড়া ।

রাতের আকাশে, তারার সকাশে তুমি যে চাদ অনন্যা,
তোমার আলোতে, আধার আলোময়, চারদিকে আলোর বন্যা।
সে আলোয় হাসালে, খুশিতে ভাসালে, আবার একটু কাদালে,
বহুদিন পর আসি, প্রাণে বাজিয়ে বাশি, এ কোন মায়ায় বাধালে।

Read more:>>> রোমান্টিক ক্যাপশন

কবিতা রাতের আকাশ :

লিখেছেনঃ বিজন বেপারী

রাতের আকাশ একলা রাজা
চাঁদ মামাটা অই,
হাজার হাজার বাতি জ্বলে
থালা ভরা খই।

নিকষ কালো অন্ধকারে
রাতের আকাশ ভরা,
চাঁদের আলো ছড়ায় ভালো
হাসে গ্রহ তারা।

হাসনাহেনার গন্ধ ভাসে
রাতের সমীরণে,
ঝোপে ঝাড়ে জোনাই জ্বলে
আলোর আমন্ত্রণে।

ঝড়ের বেলা রাতের আকাশ
ভয়ানক এক ছবি,
লিখেছেন সেই গল্প ছড়া
দেশ বিদেশের কবি।

রাতের আকাশ নিয়ে কিছু কথা :

অনেকদিন রাতের আকাশ দেখা হয় না । কেন জানি মনে হয় রাতের আকাশের এক অদ্ভুদ ক্ষমতা আছে ! কারন যখন আকশের দিকে তাকাই তখন মনের শত আবেগ আর জমিয়ে রাখা নীল কষ্ট গুলো এক ভারী নিঃশ্বাস হয়ে বের হয়ে যায় । আজকের আকাশটাকে মনে হচ্ছে একটু বেশী উদাসী !! এজন্যই মনে হয় বেশি ভালো লাগছে , তবে এ ভালোলাগার অনুভবকে আসলে কি বলা যায় বুঝতে পারছি না! কিছুক্ষণ আগে চাঁদটা রাতের অপ্সরীকে দেখে যেন লজ্জা পেয়ে মেঘের আড়ালে লুকিয়েছে। কিন্তু আকাশের কেমন নীলচে ভাবটা তখনো আছে। আষাঢ়ের রাতের আকাশের এটাই এক মজার অনুভুতি !! চারপাশে বইছে পাগলা হাওয়ার মতো বাতাস। চেনা পরিবেশে অচেনা-অশান্ত বাতাস ! মেঘ গুঁড় গুঁড় শব্দে আকাশ অনেক বেশী আবেগী হয়ে উঠেছে !! তবে কি আজ আকাশের মন খারাপ ?ভাবছিলাম… আমাদের জীবনটাও আসলে আষাঢ়ের মতই !! দিনে মাঝেমধ্যে বৃষ্টিহীন আকাশে অসহ্য রোদের তাপ, রাতে চাঁদের সাথে সাদা- কালো যাযাবর মেঘের ভাব। আবার হঠাৎ করেই যেন কালো মেঘের আগমনে চিৎকার করে কান ফাটিয়ে আকাশের কান্না হয়ে বৃষ্টির আগমন ঘটে হৃদয়ের সব কষ্টকে হাল্কা করতে, আসলে কি তা হয়???

রাতের আকাশ বরাবরই আমাদের মনে এক অন্যরকম অনুভূতির সৃষ্টি করে। আমি সেইসব আকাশের কথা বলছি যেখানে রাতভর তারারা খেলা করে, জানান দেয় তাদের উপস্থিতি, ঔজ্জ্বল্য দিয়ে ভরে তোলে আমাদের হৃদয়। একরাশ সৌন্দর্য নিয়ে হাজির হয় রাতের আকাশ আমাদের চোখে। আমরা মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি, বোঝার চেষ্টা করি সৌন্দর্যের গঠনটা, অতঃপর উদাস মনে ঘুরে বেড়াই তারা থেকে তারাতে। চাদ তার শুভ্র রুপ দিয়ে আলোকিত করে তোলে রাতের পৃথিবী। আমরা পূর্ণচন্দ্র, অর্ধচন্দ্র, আংশিক চন্দ্রের রুপ দেখি আর ভাবি বেশী তো দূরে নয় চাদটা। কখনো মেঘের আড়ালে চাদ কিছুক্ষণের জন্য নিজেকে লুকিয়ে ফেলে আবার দৃশ্যমান হয় আমাদের চোখে। আমরা চাদ দেখি, চাদের গায়ের দাগ দেখি। চাদ আর তারারা এক স্বর্গীয় সমাবেশ তৈরী করে কালো রাতের আকাশের গায়ে। মহাবিশ্বের সসীম অংশে আমাদের চোখ পড়ে থাকে আর মন পড়ে থাকে অসীম অংশে। হঠাৎ কোন তারা খসে পড়ে এবং আমরা বিমোহিত হই তার খসে পড়া দেখে। হলুদ, লাল, খয়েরী, নীল, সাদা ইত্যাদি নানা রঙের তারকারাজি ঘিরে থাকে চাদকে আর চাদ তার শুভ্রতা নিয়ে এক মায়াচ্ছন্ন চাদর বিছিয়ে দেয় সারা প্রকৃতিতে। (লিখেছেনঃ রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *