ইফতার নিয়ে উক্তি

ইফতার নিয়ে উক্তি হাদিস কোরআনের আয়াত বাণী স্ট্যাটাস ক্যাপশন পোস্ট এখানে পাবেন । ইফতার হলো মুসলমানদের জন্য আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে এক প্রকার নেয়ামত । সারাদিন রোজা রেখে যখন কোন মুসলমান ইফতার করতে যায়, তখন আল্লহ অনেক খুশী হয়ে যান এবং আল্লাহ্‌ ওই মানুষের উপর রাজিখুশি থাকেন । তাই ইফতার হলো আমাদের জন্য অনেক বড় একটি নেয়ামত । আসুন তাহলে ইফতার নিয়ে আমাদের লিখা টি পরে দেখি ।ইফতার নিয়ে উক্তি

ইফতার নিয়ে উক্তি হাদিস স্ট্যাটাস :

রমজান মাসের সবচেয়ে প্রতিক্ষিত মূহুর্ত হলো ইফতার।

রোযা মুসলমানদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেয় আর ইফতার মুসলমানদেরকে আর্শীবাদে পূর্ণ করে।

ইফতারের অতি সুন্দর মুহুর্তে রোজা ভাঙ্গার সময় আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রোযাদারের গুনাহ মাপ করে দেন।

ইফতারের মুহুর্তটা সবচেয়ে মঙ্গলময় মুহুর্ত। তাই এই সময়টাতে মহান আল্লাহর কৃপা পাওয়ার জন্য চেষ্টা করুন ।

যখন রাত পূর্ব দিগন্তে ঘনিয়ে আসে ও দিন চলে যায় এবং পশ্চিমে সূর্য ডুবে, তখন রোজাদার ইফতার করবে
– বুখারি, হাদিস: ১৮৩০

রাসূল (সা.) খেজুর দিয়ে ইফতার করা পছন্দ করতেন, আর কোনো কিছু না পেলে পানি দিয়ে ইফতার করে নিতেন।
– আল হাদিস

পবিত্র রমজান মাস ক্ষমার মাস। আর ইফতারের আগমূহুর্তে আল্লাহ তায়ালা বান্দার দোয়া কবুল করে। তাই ইফতারের সময় মহান রবের কাছে বেশি করে দোয়া করুন।

ইফতার করো খেজুর দিয়ে কারণ খেজুরে রয়েছে প্রচুর বরকত। খেজুর না পেলে পানি দিয়ে ইফতার করো কেননা পানি উত্তম পরিষ্কারক।
– আনাস ইবনে মালেক (রা.); তিরমিজী

রমযান মাসে একজন মুসলিমের নিকট ইফতার সবচেয়ে আনন্দময় মুহুর্ত। এসময় অভাবীকে আপনার খাবার শেয়ার করুন এবং সকলের মাঝে মানবতা ছড়িয়ে দিন।

ইফতারের সময়টা সবচেয়ে বরকতময় সময়গুলোর মধ্যে একটা। ইফতারের সময় শেষ হওয়ার আগে এই সময়ে আলাহর নিকট মন খুলে প্রার্থনা করুন ।

Read more: রোজা নিয়ে উক্তি ও হাদিস

একজন রোজাদারকে ইফতারের সময় যে আহার করান, রোজা রাখার সমান সওয়াব সে ব্যক্তি পাবে, কিন্তু তাতে রোজাদারের সওয়াবে কোনো কমতি হবে না।
– জায়েদ ইবনে খালেদ (রা.); তিরমিজী

ইবনে সা’দ (রাঃ) বলেন যে, রাসূল (সা.) বলেছেন, লোকেরা যতদিন দ্রুত ইফতার করবে ততদিন তারা কল্যাণের ওপর থাকবে। কেননা দেরীতে ইফতার করা ইহুদি খ্রিষ্টানদের স্বভাব ।
– (বুখারী ও মুসলিম)

রমজান মাস শুরু হলে বেহেশতের দুয়ার খুলে দেওয়া হয় আর দোযখের দুয়ার বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবং এসময় শয়তানকে শিকলে বেঁধে রাখা হয় ।
– রাসূল (সা.) (ইমাম বুখারী)

আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সা.) বলেন, হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন, আমার বান্দাদের মধ্যে তারা আমার বেশি প্রিয়, যারা দ্রুত ইফতার করে।
– তিরমিজি: ৫৬০

যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে, সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবে। এবং ওই রোজাদারের সওয়াবের সমপরিমাণ সওয়াব সে লাভ করবে।
– হযরত মুহাম্মদ (সা.)

পানি মিশ্রিত এক কাপ দুধ বা একটি খেজুর অথবা এক ঢোঁক পানি দ্বারাও যদি কেউ কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, তাতেও রোজাদারের সওয়াবের সমপরিমাণ সওয়াব ওই ব্যক্তি পাবেন।
– হযরত মুহাম্মদ (সা.)

রোযাদারকে তৃপ্তি সহকারে ইফতার করালে আল্লাহ তায়ালা আমার হাউসে কাউসার থেকে এমন পানীয় পান করাবেন, যার ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করার আগ পর্যন্ত পিপাসার্ত হবে না।
– হযরত মুহাম্মদ (সা.)

রাসূল (সা.) তিনটা তাজা-পাকা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। তাজা-পাকা খেজুর না পেলে তিনটা শুকনো খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। আর তাও না পেলে তিন ঢোঁক পানি পান করে ইফতার করতেন।
– আনাস ইবনে মালেক (রা.); তিরমিজী

যখন কোনো রোজাদার রোজা নেই (বে-রোজাদার) এমন কাউকে আপ্যায়ন করে, তখন তার আহার শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফেরেশতারা রোজাদারের ওপর রহমত বর্ষণ করতে থাকে ।
– উম্মে আমাবাহ আল আনসারিয়া (রা); তিরমিজী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *