স্বার্থপর স্ট্যাটাস ও কিছু কথা । এখানে কিছু স্ট্যাটাস বা পোস্ট দেয়া হয়েছে । আশাকরি এই বাংলা স্ট্যাটাস গুলো পড়ে অনেক ভালো লাগবে । ধন্যবাদ । Read more >>> কষ্টের স্ট্যাটাস
স্বার্থপর স্ট্যাটাস :
কাউকে ভালোবাসা এবং তার কাছ থেকেও ভালোবাসা আশা করা, এটা ভালোবাসা নয়, এটা স্বার্থপরতা ।
নিজের সম্পর্কে চিন্তা করা স্বার্থপরতা নয়, কিন্তু শুধুই নিজের সম্পর্কে চিন্তা করা হলো স্বার্থপরতা ।
স্বার্থপর মানুষের চেয়ে প্রতারক আর কেউ হতে পারে না ।
মানুষ এখন অনেক স্বার্থপর ।
সুখী হওয়ার জন্য, প্রথমে অবশ্যই সকল সঙ্কীর্ণতা এবং স্বার্থপরতা ছেড়ে দেওয়া উচিত ।
সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তিরা হলেন তারা যারা কেবল নিজের সম্পর্কে যত্নবান হন, কেবল নিজের সমস্যাগুলি বোঝেন এবং কেবল তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি দেখেন।
আসুন, যেকোন সফ্টওয়্যারের ‘শর্তাবলী’ উপেক্ষা করার মতোই স্বার্থপর লোকদের উপেক্ষা করতে শিখি।
কখনও কখনও আপনাকে নিঃস্বার্থ হতে হলে স্বার্থপর হতে হবে ।
ভুয়া বন্ধুরা প্লাস্টিকের মতো, ব্যবহার শেষে এদের কে ফেলে দিতে হয় ।
আমি নিজের ব্যাপারে যত্নশীল তাই বলে কি আমি স্বার্থপর ?
স্বার্থপর লোকেরা কেবল তাদের নিজেদেরকেই অর্জন করে ।
মানুষ একা না হলে আপনাকে মূল্যায়ন করবে না, তারা যখন একা থাকে তখন কেবল মূল্যায়ন করবে ।
স্বার্থপর হওয়া ভাল। তবে এতটা আত্মকেন্দ্রিক নয় যে আপনি কখনই অন্য লোকের কথা শোনবেন না।
কিছু কিছু মানুষ স্বার্থপর, ব্যাবহার শেষে তারা আপনাকে ফেলে দিবে ।
আমি ঠিক বুঝতে পারি না যে, লোকেরা কীভাবে এত স্বার্থপর আর অভদ্র হতে পারে এবং তবুও তাদের মনে হয় যে তাদের বন্ধু রয়েছে ।
কখনও কখনও স্বার্থপর হওয়ায় কোনও ক্ষতি হয় না, আমরা সকলেই সর্বোপরি সুখ চাই ।
স্বার্থপর হওয়া কখনও কখনও ভাল, এটি কিছু অযাচিত সমস্যা থেকে আপনাকে বাঁচায় ।
কখনও কখনও স্বার্থপর হওয়া সুখী থাকার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ।
আমি স্বার্থপর নই, আমি নিজেকে নিয়ে অন্যের চেয়ে বেশি ভাবি ।
আজকের দুনিয়ায় কখনো কখনো স্বার্থপর হওয়া খুব প্রয়োজন ।
স্বার্থপর মানুষ গুলো কখোনই বড় মনের অধিকারী হতে পারে না ।
স্বার্থপর মানুষ গুলো অন্যের ভালো মন্দ দেখে না, সুধু নিজের লাভ খুঁজে বেড়ায় ।
স্বার্থপর মানুষ শুধু নিজের সুখ খোঁজে, কিন্তু সত্যিকারের সুখ অন্যের হাসিতে লুকিয়ে থাকে।
নিজের জন্য ভাবা ঠিক আছে, কিন্তু সবসময় শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবলে মনটা ছোট হয়ে যায়।
স্বার্থপরতা এমন একটা দেয়াল, যা ভালোবাসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
যে শুধু নিজের কথা ভাবে, সে কখনো অন্যের মনের গভীরতা বুঝতে পারে না।
স্বার্থপর মানুষের কাছে সম্পর্ক একটা খেলা, খেলা শেষে সবাইকে ভুলে যায়।
নিজেকে ভালোবাসা দোষ নয়, কিন্তু অন্যকে ভুলে যাওয়া স্বার্থপরতা।
স্বার্থপর মানুষের হৃদয়ে শুধু “আমি” থাকে, “তুমি”র জন্য জায়গা থাকে না।
সুখী হতে চাইলে স্বার্থপরতার বোঝা মন থেকে নামিয়ে ফেলতে হবে।

যে শুধু নিজের স্বপ্ন দেখে, সে কখনো অন্যের স্বপ্নের রঙ বোঝে না।
স্বার্থপরতা মানুষকে একা করে দেয়, কারণ এরা কখনো মন থেকে কাউকে গ্রহণ করে না।
নিজের জন্য বাঁচা জরুরি, কিন্তু অন্যের জন্য একটু ভাবলেও জীবনটা আরও সুন্দর হয়।
স্বার্থপর মানুষের কাছে বন্ধুত্ব একটা মুখোশ, প্রয়োজন ফুরালে তা খুলে ফেলে।
যে শুধু নিজের লাভ খোঁজে, তার মন কখনো শান্তি পায় না।
স্বার্থপরতা মানুষকে এমন জায়গায় নিয়ে যায়, যেখানে কেউ তার পাশে থাকে না।
নিজেকে ভালোবাসো, কিন্তু এমনভাবে নয় যে অন্যের ভালোবাসা হারিয়ে যায়।
স্বার্থপরতা নিয়ে কবিতা
স্বার্থপর মানুষ হাসে মুখে, মনটা থাকে ফাঁকা,
ভালোবাসার কথা বলে, কিন্তু মনে থাকে ঝাঁকা।
নিজের সুখের পিছনে ছোটে, অন্যের কথা ভোলে,
সম্পর্কের মাঝে শুধু, স্বার্থের খেলা খেলে।
মনের দরজা বন্ধ করে, সে থাকে একা ঘরে,
ভালোবাসার আলো আসে না, তার মনের তরে।
যদি একটু মন খুলে, অন্যের কথা ভাবে,
স্বার্থপরতা ছেড়ে দিলে, জীবন হবে রঙিন তবে।
Sharthopor sms bangla koster kotha:
যে সম্পর্ক স্বার্থের জন্য হয়, সে সম্পর্ক বেশী দিন টিকে না, কারন এখানে সম্পর্কের চেয়ে স্বার্থের গুরুত্ব অধিক ।
Je somporko sharther jonno hoy, se somporko beshi din tike na, karon ekhane somporker cheye sharther gurutto odhik.
স্বার্থপর মানুষ কোন দিন ভালোবাসতে পারে না, কারন তার কাছে ভালোবাসার চেয়ে স্বার্থ টাই বেশী দামী ।
valobasha R sartho kokhonoi ek sathe thakte pare na, jekhane sartho ache, sekhane valobasha thake na, R sekhane valobasha ache sekhane sartho thakte pare na.
যে ভালোবাসা স্বার্থের জন্য হয়, সে ভালোবাসা খুব অল্প সময়ে হারিয়ে যায়, কারন স্বার্থ যখন শেষ হয়ে যায়, ভালোবাসাও তখন হারিয়ে যায় ।

Sharthopor manush konodin valobaste pare na, karon tar kache valobashar cheye shartho tai beshi proyojon.
মানুষ স্বার্থপর , স্বার্থের জন্য কাছে আসে, স্বার্থ পুরালে কেটে পড়ে ।
Sharthopor bondhu theke dure thakai valo, karon se sarther jonno je kono kharaf kaj korte pare.
মেয়েরা স্বার্থপর, তারা চায় শুধু তাদের অধিকার ।
Sharthopor manushder bondhu kom hoy. karon tara shartho chara karo sathe kotha bole na.
Sharthopor manush gulo kokhonoi apnar valo laga kharaf laga gulo ke mullayon korbe na, karon tate tar kono sartho nei.
Je valobasha sarther jonno hoy, sei valobashar khub kom somoye hariye jay, karon satho jokhon sesh hoye jay, valobashao tokhon hariye jay.

Sharthopor manush gulor kono personality thake na, tara sarther jonno manushke je kono kaje lagate pare ebong tarao je kono kaj korte pare.
যে সম্পর্ক শুধু স্বার্থের উপর দাঁড়ায়, সে সম্পর্ক কখনো গভীর হয় না, কারণ সেখানে মনের মিল থাকে না।
স্বার্থপর মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসার জায়গা থাকে না, কারণ তারা শুধু নিজের সুখের কথা ভাবে।
যে ভালোবাসা স্বার্থের জন্য জন্মায়, সে ভালোবাসা বাতাসের মতো উড়ে যায়, কারণ তার কোনো শিকড় থাকে না।
স্বার্থপর মানুষ কখনো সত্যিকারের বন্ধু হতে পারে না, কারণ তারা শুধু নিজের প্রয়োজনের কথা ভাবে।
যে সম্পর্কে স্বার্থ থাকে, সে সম্পর্কে ভালোবাসা কখনো ফুটে না, কারণ স্বার্থ মনের দরজা বন্ধ করে দেয়।
স্বার্থপর মানুষের কাছে ভালোবাসা একটা খেলা, তারা প্রয়োজন শেষ হলে সব ভুলে যায়।
যে মানুষ শুধু স্বার্থের জন্য কাছে আসে, তার থেকে দূরে থাকাই ভালো, কারণ তার মনে কোনো ভালোবাসা নেই।
স্বার্থপর মানুষ কখনো তোমার দুঃখ বোঝে না, কারণ তাদের চোখে শুধু নিজের সুখ দেখা যায়।
যে ভালোবাসা স্বার্থের উপর গড়ে ওঠে, সে ভালোবাসা বালির ঘরের মতো, একটু ঝড় এলেই ভেঙে পড়ে।
স্বার্থপর মানুষের কাছে বন্ধুত্ব মানে লেনদেন, তাই তাদের সঙ্গে মনের সম্পর্ক হয় না।
যে সম্পর্কে স্বার্থ বড় হয়ে দাঁড়ায়, সে সম্পর্কে ভালোবাসা কখনো টিকে না।
স্বার্থপর মানুষের হাসি সুন্দর হলেও, তাদের মন কখনো সুন্দর হয় না, কারণ তাদের মনে শুধু নিজের কথা।
যে ভালোবাসা স্বার্থের জন্য শুরু হয়, সে ভালোবাসা শেষ হয় স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে।
স্বার্থপর মানুষ কখনো তোমার মনের কথা শুনবে না, কারণ তাদের কাছে তোমার মনের কোনো দাম নেই।
যে সম্পর্কে স্বার্থ থাকে না, সে সম্পর্কই সত্যিকারের ভালোবাসার, কারণ সেখানে মনের মিল থাকে।
Manush boro sharthopor,
Tara vabe na ke apon, ke por.
Manush boro sharthopor,
Venge dey onner sajano ghor,
Manush boro sharthopor,
Manush boro sharthopor,
Dosh Chapay Onner Upor.
Manush boro sharthopor,
Apon jonke kore por.
Manush Boro Sharthopor,
Nosto korche sara shohor.
স্বার্থপর মানুষ নিয়ে ফেসবুক ক্যাপশন


স্বার্থপরতা নিয়ে গান
মনটা ছোট যারা করে, স্বার্থ নিয়ে বাঁচে,
অন্যের মনের কথা তারা, কখনো না খুঁজে পাচে।
ভালোবাসার নামে শুধু, খেলা করে তারা,
প্রয়োজন ফুরালে তারা, দূরে চলে যায় সারা।
স্বার্থপর মানুষের মনে, নেই কোনো ভালোবাসা,
শুধু নিজের কথা ভাবে, মনটা থাকে ফাঁকা।
একটু ভালোবাসা দিলে, জীবন হতো রঙিন,
স্বার্থ ছেড়ে মনের কথা, বলতো সবাই মিলে।
স্বার্থপরতা নিয়ে ছন্দ


স্বার্থপরতা নিয়ে ছড়া
স্বার্থপর মানুষ নিজেকে ভাবে, অন্যের কথা নয়,
মনের মাঝে শুধু আমি, তুমি নেই কোনো জায়।
সম্পর্কে সে খেলা করে, ভালোবাসা ভোলে,
প্রয়োজন শেষ হলে তার, দূরে চলে দোলে।
মনটা তার ছোট হয়ে, সুখ পায় না কখনো,
অন্যের হাসি দেখলে যদি, মনটা হতো রঙিন তবে।
স্বার্থপরতা ছেড়ে দিয়ে, মনটা খুলে দাও,
ভালোবাসার পথে তুমি, একটু হেঁটে যাও।
স্বার্থপর স্ট্যাটাস
১. স্বার্থপরতা মানে শুধু নিজেকে পাওয়া নয়, কখনো কখনো নিজেকে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচানো। নিজেকে ভালোবাসলে তবেই অন্যকে দেওয়ার মতো কিছু অবশিষ্ট থাকে।
২. আমরা সবাই কিছুটা স্বার্থপর; কেউ নিজের সুখের জন্য অন্যকে কাঁদায়, আর কেউ নিজের শান্তি বজায় রাখতে একাই পথ চলে।
৩. যখন কেউ আপনাকে স্বার্থপর বলে, বুঝবেন আপনি হয়তো তার অহেতুক আবদার মেটাতে রাজি হননি। নিজের সীমানা রক্ষা করা কোনো অপরাধ নয়।
৪. দিনশেষে আমরা প্রত্যেকেই নিজের গল্পের নায়ক। নিজের ভালো থাকা নিশ্চিত করাটা স্বার্থপরতা নয়, বরং একটি সুস্থ জীবনের প্রাথমিক শর্ত।

৫. ত্যাগের মহিমা অনেক বড়, কিন্তু যে ত্যাগ আপনার অস্তিত্বকে বিলীন করে দেয়, সেই ত্যাগের চেয়ে সুস্থ স্বার্থপরতা অনেক বেশি মানবিক।
৬. আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে যে মানুষটিকে দেখছেন, তার প্রতি আপনার দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। সে হাসলে তবেই পুরো পৃথিবী আপনার কাছে সুন্দর হবে।
৭. স্বার্থপরতা যখন অন্যের ক্ষতি করে তখন তা বিষ, আর যখন তা নিজের মানসিক শান্তি রক্ষা করে তখন তা ওষুধ।
৮. আমরা অন্যের কাছে নিঃস্বার্থ হওয়ার প্রত্যাশা করি বলেই ব্যথিত হই। প্রত্যাশা কমিয়ে দিলে স্বার্থপরতা শব্দটির ধার কমে যায়।
৯. নদীরও সীমানা আছে, আকাশের আছে নীলিমা। আপনার হৃদয়েরও একটি নিজস্ব গণ্ডি থাকা উচিত যেখানে কেবল আপনারই অধিকার।
১০. মানুষকে খুশি করার মিছিলে হাঁটতে হাঁটতে আমরা প্রায়ই নিজের হাতটা ধরতে ভুলে যাই। এই ভুলে যাওয়াটাই নিজের প্রতি সবচেয়ে বড় অবিচার।
১১. কিছু মানুষ চলে যায় স্বার্থের টানে, আর কিছু মানুষ দূরে সরে যায় নিজের আত্মসম্মান বাঁচানোর তাগিদে। দুটোর নামই কিন্তু লোকে স্বার্থপরতা দেয়।
১২. সম্পর্কের শুরুতে সবাই উদার থাকে, সময় গড়ালে আসল মানুষটা বেরিয়ে আসে। তখন বোঝা যায়, কে ভালোবাসার কাঙাল আর কে শুধু নিজের প্রয়োজন মেটাতে এসেছিল।
১৩. যাকে আপনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন, সেই আপনাকে একদিন সবচেয়ে বড় স্বার্থপরতার পাঠ শিখিয়ে যাবে। এটাই জীবনের নির্মম ভারসাম্য।
১৪. স্বার্থের টানে যারা কাছে আসে, তাদের চিনে রাখা জরুরি। তবে তার চেয়েও জরুরি, তাদের চিনে নিয়ে মনে কোনো ঘৃণা না রেখে নিঃশব্দে সরে আসা।
১৫. মানুষ যখন একা হয়, তখন সে স্বার্থপর নয়, বরং সাবধানী হয়ে ওঠে। কারণ সে জানে, ভেঙে যাওয়ার যন্ত্রণায় পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই।
১৬. ভালোবাসা মানে নিজের সত্তাকে বিসর্জন দেওয়া নয়, বরং দুজন স্বতন্ত্র মানুষের একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পথ চলা।
১৭. যারা স্বার্থপর, তারা পৃথিবীর সবচেয়ে একা মানুষ। কারণ তারা নিতে শেখে, কিন্তু বিনিময়ে হৃদয়ের উষ্ণতা দিতে পারে না।
১৮. কারোর ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়াটাও এক ধরনের স্বার্থপরতা, কারণ আপনি আপনার সমস্ত বোঝার ভার অন্যের কাঁধে চাপিয়ে দিচ্ছেন।
১৯. দূরত্ব বজায় রাখা স্বার্থপরতা নয়, বরং সম্পর্কের স্থায়িত্ব ধরে রাখার এক গোপন কৌশল।
২০. মানুষ পাল্টায় না, শুধু সময়ের সাথে সাথে তাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়। আর তখনই আমাদের কাছে তাদের স্বার্থপর মনে হয়।
২১. সমাজ তাকেই ভালো মানুষ বলে যে সবসময় অন্যের কথা শোনে। আপনি একবার নিজের জন্য বাঁচতে শুরু করলেই লোকে আপনাকে স্বার্থপর তকমা দেবে।
২২. নিজের জন্য এক কাপ চা আর একটু নিরিবিলি সময় চাওয়াটাও যদি স্বার্থপরতা হয়, তবে আমি সেই স্বার্থপরতায় বিশ্বাসী।
২৩. পৃথিবীটা দেওয়া-নেওয়ার খেলা। শুধু দিয়ে গেলে আপনি নিঃস্ব হবেন, আর শুধু নিলে আপনি রিক্ত হবেন। ভারসাম্য রাখাটাই আসল কথা।
২৪. স্বার্থপর মানুষেরা আমাদের একটা বড় শিক্ষা দেয়—মানুষকে চেনার জন্য কখনো কখনো হোঁচট খাওয়া খুব প্রয়োজন।
২৫. ঘৃণা নয়, স্বার্থপর মানুষের প্রতি করুণা হওয়া উচিত। কারণ তারা কখনোই অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর আসল তৃপ্তিটা পায় না।
২৬. অনেক সময় চুপ থাকা মানে হার মেনে নেওয়া নয়, বরং নিজের শক্তি অপচয় না করে নিজেকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
২৭. মানবিকতা মানে এই নয় যে আপনাকে সবসময় বিলিয়ে দিতে হবে; মানবিকতা মানে নিজের সামর্থ্য বুঝে অন্যের পাশে দাঁড়ানো।
২৮. অন্ধের মতো কারোর সেবা করা মহত্ত্ব হতে পারে, কিন্তু নিজের চোখ খোলা রেখে জগতকে দেখা এবং নিজের ভালো থাকা নিশ্চিত করা হলো প্রজ্ঞা।
২৯. স্বার্থ ছাড়া এ পৃথিবীতে একটা পাতাও নড়ে না। মূল পার্থক্য হলো, আপনার স্বার্থটা ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক।
৩০. আমরা অন্যকে বিচার করতে যতটা পটু, নিজের ভেতরের স্বার্থপরতাকে চিনতে তার চেয়েও বেশি আনাড়ি।
৩১. মানসিকভাবে শান্ত থাকাটা আপনার অধিকার। সেই শান্তি যারা নষ্ট করে, তাদের জীবন থেকে ছেঁটে ফেলাটা স্বার্থপরতা নয়, জীবনের শুদ্ধিকরণ।
৩২. পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো নিজের কাছে নিজে সৎ থাকা। আপনি যদি নিজের প্রতি সৎ হন, তবে পৃথিবী আপনাকে স্বার্থপর বললেও কিছু যায় আসে না।
৩৩. যারা খুব সহজে অন্যদের স্বার্থপর বলে গালি দেয়, খেয়াল করে দেখবেন তারাই সম্ভবত অন্যের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা করে।
৩৪. আপনার হাসিটা আপনার নিজের সম্পত্তি। কারোর জন্য তা বন্ধ হতে দেবেন না। নিজের হাসিকে প্রাধান্য দেওয়াটাই জীবনের সেরা উপহার।
৩৫. মেঘেরা আকাশকে ঢেকে দেয় নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে, কিন্তু তাতেই বৃষ্টি নামে। কিছু স্বার্থপরতাও হয়তো অজান্তে অন্যের উপকারে আসে।
৩৬. নিজের প্রতি কঠোর হওয়া বন্ধ করুন। আপনি ফেরেশতা নন, মানুষ। আপনার ভুল করার এবং নিজের পথ বেছে নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আছে।
৩৭. জীবন একটা ছোট জার্নি। এইটুকু সময়ে সবাইকে খুশি রাখা অসম্ভব। তাই আগে নিজেকে খুশি রাখুন, বাকিরা এমনিতেই মানিয়ে নেবে।
৩৮. অন্যের কাছে ভালো হওয়ার সার্টিফিকেট খোঁজা বন্ধ করুন। আপনার বিবেক যদি পরিষ্কার থাকে, তবে আপনিই শ্রেষ্ঠ।
৩৯. যারা আপনাকে ব্যবহার করতে পারে না, তারাই আপনাকে স্বার্থপর বলে বেশি প্রচার করে। এই অপবাদ আসলে আপনার দৃঢ় চরিত্রের প্রমাণ।

৪০. নিজের স্বপ্নকে তাড়া করা যদি স্বার্থপরতা হয়, তবে এই স্বার্থপরতা হাজারবার করা উচিত। কারণ আপনার সফলতায় সবার আগে আপনারই লাভ।
৪১. মোমবাতি নিজেকে জ্বালিয়ে আলো দেয় ঠিকই, কিন্তু দিনশেষে সে নিঃশেষ হয়ে যায়। মাঝেমধ্যে প্রদীপ হওয়া ভালো, যা তেল ফুরানোর আগে নিজেকে বাঁচানোর তাগিদ দেয়।
৪২. স্বার্থপরতা একটা আয়নার মতো। আপনি তাতে আপনার রূপ যেমন দেখবেন, অন্যের স্বরূপও তেমন স্পষ্ট দেখতে পাবেন।
৪৩. আমি স্বার্থপর নই, আমি শুধু এখন আর অপ্রয়োজনীয় মানুষের জন্য সহজলভ্য নই। সময়ের দাম দিতে শিখলে লোকে এটাকে অহংকার ভাবে।
৪৪. কৃতজ্ঞতা যেখানে শেষ হয়, স্বার্থপরতা সেখান থেকেই শুরু হয়। জীবনের প্রতিটি ছোট প্রাপ্তির জন্য কৃতজ্ঞ থাকা শিখুন।
৪৫. অন্যের চোখের জল মোছার আগে নিজের চোখ যেন শুকনো থাকে, সেই চেষ্টা করুন। ভেঙে পড়া মানুষ অন্যকে সাহায্য করতে পারে না।
৪৬. পৃথিবীটা গোলাকার, আপনার করা ভালো কাজ যেমন ঘুরে আপনার কাছে আসবে, অন্যের প্রতি করা স্বার্থপর আচরণও একদিন ফিরে আসবে।
৪৭. নিজেকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মানে এই নয় যে আপনি অন্যকে ঘৃণা করেন। এর মানে হলো আপনি নিজেকে যথেষ্ট ভালোবাসেন।
৪৮. স্বার্থপরতার ভিড়ে হারিয়ে না গিয়ে নিজের ভেতরকার মানবিকতাকে বাঁচিয়ে রাখাটাই আজকের দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
৪৯. আসুন আমরা একে অপরের প্রতি একটু বেশি দয়ালু হই, আর নিজের প্রতি একটু বেশি যত্নশীল। এই ভারসাম্যই পৃথিবীকে সুন্দর করবে।
৫০. দিনশেষে স্বার্থপরতা কোনো গালি নয়, এটি একটি জীবনের বাস্তবতা। শুধু খেয়াল রাখুন আপনার ভালো থাকা যেন কারোর দীর্ঘশ্বাসের কারণ না হয়।
আত্মপ্রেম বনাম স্বার্থপরতা: যেখানে নিজের শান্তিই শেষ কথা
১. আত্মপ্রেম হলো নিজের বাগানের মালি হওয়া, আর স্বার্থপরতা হলো অন্যের বাগান থেকে ফুল চুরি করা। নিজেকে সাজাতে গিয়ে কাউকে রিক্ত না করাই আসল মানবিকতা।
২. যখন আপনি নিজেকে ভালোবাসেন, তখন আপনি অন্যকেও ভালোবাসা দেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করেন। কারণ শূন্য কলসি কখনো তৃষ্ণা মেটাতে পারে না।
৩. নিজের শান্তি রক্ষা করাটা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি একটি অধিকার। যারা আপনাকে ‘স্বার্থপর’ বলে, তারা মূলত আপনার ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে।
৪. আত্মপ্রেম মানে নিজেকে সেরা ভাবা নয়, বরং নিজেকে গ্রহণ করা—সমস্ত খামতি আর ক্ষত সহ। এই গ্রহণ করার ক্ষমতা আপনাকে অন্যের প্রতি আরও দয়ালু করে তোলে।
৫. যে মানুষটি নিজের মনের খবর রাখে না, সে অন্যকে সুখে রাখবে কীভাবে? নিজের শান্তির জন্য একটু দূরে সরে যাওয়াটা স্বার্থপরতা নয়, জীবনের ভারসাম্য।
৬. আমরা প্রায়ই অন্যের চোখে ভালো হওয়ার নেশায় নিজের আত্মার শ্বাসরোধ করি। আত্মপ্রেম হলো সেই শ্বাস নেওয়ার মুক্ত বাতাস।
৭. স্বার্থপরতা অন্যকে ব্যবহার করে নিজেকে ওপরে তোলে, আর আত্মপ্রেম নিজেকে গড়ে তোলে যাতে সে অন্যের বোঝা হয়ে না দাঁড়ায়।
৮. আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নিজের হাসিটা বাঁচিয়ে রাখা। এই একটি কাজে একটু স্বার্থপর হওয়া আসলে নিজের প্রতি পরম মমতা।
৯. বিষাক্ত মানুষ এবং সম্পর্ক থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া স্বার্থপরতা নয়, বরং নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা।
১০. আকাশ যেমন তার বিশালতা বজায় রেখেই বৃষ্টি দেয়, আপনাকেও আপনার সীমানা বজায় রেখেই অন্যের পাশে দাঁড়াতে হবে।
১১. আত্মপ্রেম হলো নিজের অন্ধকার দিকগুলো চেনা এবং সেগুলোকে ক্ষমার আলো দিয়ে ধুয়ে ফেলা। নিজেকে ক্ষমা করতে না পারলে আপনি কাউকেই ভালোবাসতে পারবেন না।
১২. লোক দেখানো ত্যাগের চেয়ে সুস্থ আত্মপ্রেম অনেক বেশি স্বচ্ছ। কারণ এতে কোনো গোপন ক্ষোভ বা প্রতিদানের আশা লুকিয়ে থাকে না।
১৩. নিজের শান্তি বজায় রাখতে ‘না’ বলতে শেখাটা জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মানবিক গুণ। এটি অপর পক্ষকেও স্পষ্টতা দেয়।
১৪. অন্যের সুখের চাবি নিজের হাতে রাখা যেমন বোকামি, নিজের সুখের চাবি অন্যের হাতে তুলে দেওয়া তেমনি আত্মঘাতী।
১৫. স্বার্থপরতা মানুষকে একা করে দেয়, আর আত্মপ্রেম মানুষকে পূর্ণ করে। পূর্ণ মানুষ কখনো একাকীত্বের ভয়ে ভুল মানুষের সাথে আপস করে না।
১৬. নিজেকে ভালোবাসা মানে আয়নায় তাকিয়ে শুধু সৌন্দর্য খোঁজা নয়, বরং নিজের ক্লান্ত হৃদয়ের পাশে এসে নিঃশব্দে বসা।
১৭. যারা আপনার নীরবতাকে স্বার্থপরতা বলে ভুল করে, তারা আসলে আপনার ভেতরের শব্দগুলো শোনার যোগ্য নয়।
১৮. পৃথিবীটা অনেক বড়, কিন্তু আপনার হৃদয়টা একান্তই আপনার। সেখানে কার প্রবেশাধিকার থাকবে, তা ঠিক করার পূর্ণ অধিকার আপনার আছে।

১৯. আত্মপ্রেমের পথে হাঁটলে হয়তো অনেক ভিড় কমবে, কিন্তু আপনি আপনার প্রকৃত সত্তাকে খুঁজে পাবেন। সেই সত্যের পথে চলাটাই জীবনের সার্থকতা।
২০. দিনশেষে আপনার নিজের সত্তাই আপনার শেষ আশ্রয়। সেই আশ্রয়স্থলকে শান্ত ও পবিত্র রাখা কোনো অপরাধ নয়, বরং স্রষ্টার দেওয়া জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
প্রয়োজন ও প্রিয়জন: স্বার্থের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সম্পর্কের গল্প
১. প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে প্রিয়জন শব্দটির ভার কমে যায়। মানুষের আসল পরিচয় পাওয়া যায় তখন, যখন আপনার থেকে তার আর পাওয়ার কিছু থাকে না।
২. সম্পর্কের গভীরতা মাপার সেরা সময় হলো আপনার দুঃসময়। স্বার্থপর মানুষেরা ছায়ার মতো, আলোর সময় পাশে থাকে আর অন্ধকার আসতেই মিলিয়ে যায়।
৩. আমরা যাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই, সেই আমাদের শেখায় যে অতিমূল্যায়ন মাঝে মাঝে আত্মসম্মান বিসর্জনের নামান্তর।
৪. স্বার্থের টানে যারা কাছে আসে, তাদের অভিযোগের শেষ থাকে না। আর যারা ভালোবাসার টানে আসে, তারা আপনার সীমাবদ্ধতাগুলোও হাসিমুখে গ্রহণ করে।
৫. কিছু মানুষ আপনাকে তখনই মনে রাখবে যখন তারা একা থাকবে। তাদের কাছে আপনি ‘প্রিয়জন’ নন, বরং একাকীত্ব কাটানোর ‘প্রয়োজন’।
৬. প্রিয়জন হতে গেলে হৃদয়ের টান লাগে, আর প্রয়োজন মেটাতে লাগে অভিনয়। অভিনয়ের মেয়াদ ফুরোলে সম্পর্কের রং ফিকে হতে বাধ্য।
৭. মানুষের মন কাঁচের মতো স্বচ্ছ নয় যে ওপর থেকে সব দেখা যাবে। কিছু স্বার্থপরতা এত সুন্দর আবরণে ঢাকা থাকে যে চিনতে জীবন পার হয়ে যায়।
৮. কারো প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো মহত্ত্ব, কিন্তু কারো স্বার্থের হাতিয়ার হওয়া নিজের প্রতি অন্যায়। প্রয়োজন আর ব্যবহারের পার্থক্য বুঝতে শেখাই প্রজ্ঞা।
৯. নদীর গতিপথ যেমন পলি জমলে বদলে যায়, মানুষের মনের গতিপথও নতুন স্বার্থের দেখা পেলে পাল্টে যায়। এটাই জগতের অলিখিত নিয়ম।
১০. আপনি যাদের জন্য অকাতরে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন, তাদের কাছে একবার ‘না’ বলে দেখুন। দেখবেন ‘প্রিয়জন’ মুখোশ খুলে কেমন ‘স্বার্থপর’ হয়ে ওঠে।
১১. সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা দুজনের দায়িত্ব। যখন একজনের স্বার্থ ফুরিয়ে যায় এবং অন্যজন শুধু দিয়েই যায়, তখন সেটি সম্পর্ক নয়—একটি বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
১২. যারা আপনার সফলতার দিনে ভিড় করে, তাদের চেয়ে যারা আপনার ব্যর্থতার দিনে হাতটা ধরে রাখে, তারাই আপনার প্রকৃত আপনজন।
১৩. স্বার্থপর মানুষগুলো আমাদের জীবনের সেরা শিক্ষক। তারা শিখিয়ে দেয় যে সবাইকে বিশ্বাস করা আর অন্ধ হওয়া এক কথা নয়।
১৪. হৃদয়ের লেনদেনে যখন মস্তিষ্কের হিসেব ঢুকে পড়ে, তখন আর সেখানে ভালোবাসা থাকে না, থাকে কেবল লাভের খতিয়ান।
১৫. কিছু বিচ্ছেদ খুব দরকারি। কারণ স্বার্থপর মানুষগুলো জীবন থেকে সরে গেলেই প্রকৃত প্রিয়জনদের জন্য মনে জায়গা তৈরি হয়।
১৬. মানুষের প্রয়োজনে আসা দোষের কিছু নয়, কিন্তু শুধু প্রয়োজন ফুরোলেই তাকে ভুলে যাওয়াটা অমানবিকতার চরম বহিঃপ্রকাশ।
১৭. আপনি মানুষ হিসেবে কেমন, তা নির্ভর করে আপনার ত্যাগের ওপর। আর আপনার চারপাশের মানুষ কেমন, তা নির্ভর করে তাদের চাওয়ার ওপর।
১৮. সময়ের স্রোতে অনেক প্রিয়জন হারিয়ে যায়, আসলে তারা কখনোই আপনার ছিল না; তারা ছিল শুধু আপনার সামর্থ্যের ভাগীদার।
১৯. স্বার্থহীন ভালোবাসার আকাল চলছে এই পৃথিবীতে। তবুও যে আপনার কোনো উপকার ছাড়াই পাশে থাকে, তাকে কখনো হারিও না।
২০. দিনশেষে আমরা সবাই একা। স্বার্থের আড়ালে ঢাকা পড়া সম্পর্কের গল্পগুলো আমাদের কেবল আত্মনির্ভরশীল হতে শেখায়।
আমি এবং আমার পৃথিবী: নিজেকে চেনার এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
১. নিজের সাথে নিজের সখ্যতা গড়ে তোলা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিপ্লব। আপনি যখন নিজের পাশে দাঁড়াতে শেখেন, তখন পুরো পৃথিবী আপনাকে সমীহ করতে বাধ্য হয়।

২. আয়নায় যাকে দেখছেন, তাকে প্রতিদিন একবার করে ধন্যবাদ দিন। কারণ শত ঝড়-ঝাপটা আর অবহেলার পরেও সে আজও আপনার হাতটা ছাড়েনি।
৩. নিজেকে চেনার অর্থ এই নয় যে আপনি দোষমুক্ত। বরং নিজের অন্ধকার দিকগুলো জেনেও নিজেকে সংশোধন করার সাহস সঞ্চয় করাই হলো আসল মনুষ্যত্ব।
৪. আপনি কি জানেন আপনার প্রিয় রং কী, নাকি অন্যের পছন্দের রঙের ভিড়ে নিজেরটা হারিয়ে ফেলেছেন? নিজের পছন্দকে সম্মান জানানোই হলো আত্ম-আবিষ্কারের প্রথম ধাপ।
৫. অন্যের দেওয়া সংজ্ঞায় নিজেকে বেঁধে রাখবেন না। আপনি কোনো টাইটেল বা পদের চেয়েও বড় কিছু; আপনি একটি অসীম সম্ভাবনার নাম।
৬. নিজের পৃথিবীটাকে এমনভাবে সাজান যেন সেখানে প্রবেশ করতে হলে মানুষকে সম্মানের পাসপোর্ট নিয়ে আসতে হয়। সস্তা প্রবেশাধিকার আপনার ব্যক্তিত্বকে ম্লান করে দেয়।
৭. একাকীত্ব আর নির্জনতা এক নয়। নির্জনতা হলো নিজের সাথে প্রেমে পড়া, যেখানে আপনার অস্তিত্ব আপনার কাছেই সবচেয়ে বড় উপহার।
৮. আপনার প্রতিটি চোখের জল এক একটি গল্প বলে। সেই গল্পগুলো মন দিয়ে শুনুন; আপনার ক্ষতগুলোই আপনাকে আপনার গন্তব্যের দিশা দেখাবে।
৯. আমরা পুরো পৃথিবী ঘুরে দেখার স্বপ্ন দেখি, কিন্তু নিজের মনের গহীন অরণ্যে একবারও উঁকি দিয়ে দেখি না। নিজের ভেতরেই এক বিশাল মহাজগত অপেক্ষা করছে।
১০. আপনি নিখুঁত নন, আর হওয়ার প্রয়োজনও নেই। আপনার অপূর্ণতাগুলোই আপনাকে অনন্য করে তুলেছে; সেগুলোকে ভালোবাসতে শেখাই জীবনের চরম সার্থকতা।
১১. যখন আপনি নিজেকে চিনবেন, তখন মানুষের তালি বা গালি কোনোটিই আপনার মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারবে না। আপনার ভিত্তি হবে আপনার নিজের সত্য।
১২. নিজের ভেতরকার ছোটবেলার সেই শিশুটিকে মরতে দেবেন না। তার কৌতূহল আর সরলতা আপনাকে কঠিন পৃথিবীতেও মানবিক থাকতে সাহায্য করবে।
১৩. নিজের সীমানা (Boundary) নির্ধারণ করা অহংকার নয়, এটি নিজের শান্তিকে সুরক্ষা দেওয়ার একটি পবিত্র দায়িত্ব।
১৪. অন্যের খুশিতে হাঁপিয়ে ওঠার চেয়ে নিজের ছোট ছোট সাফল্যে আনন্দ খুঁজে নিন। আপনার খুশি হওয়ার জন্য অন্য কারোর অনুমতির প্রয়োজন নেই।
১৫. প্রতিদিন অন্তত দশ মিনিট নিজের সাথে কথা বলুন। দেখবেন, বাইরের কোলাহলের চেয়ে আপনার ভেতরের নীরবতা অনেক বেশি মূল্যবান কথা বলছে।
১৬. নিজেকে খুঁজে পাওয়া মানে হারিয়ে যাওয়া নয়; বরং অন্যের প্রত্যাশার মুখোশগুলো একে একে খুলে ফেলে নিজের আদি রূপকে আলিঙ্গন করা।
১৭. আপনি নিজেই আপনার সবচেয়ে বড় সমালোচক এবং সবচেয়ে বড় সমর্থক। নিজের সমর্থক হওয়ার দায়িত্বটা সবার আগে পালন করুন।
১৮. পৃথিবী আপনার থেকে যা কেড়ে নিয়েছে, তার হিসেব না কষে আপনার ভেতরে যা অবশিষ্ট আছে, তা দিয়ে নতুন করে পৃথিবী গড়ার শপথ নিন।
১৯. নিজের ভালো থাকার চাবিকাঠি অন্য কারোর পকেটে রাখবেন না। আপনি যখন নিজের নিয়ন্ত্রক হন, তখন আপনার পৃথিবীটা অনেক বেশি রঙিন হয়ে ওঠে।
২০. দিনশেষে আপনি এবং আপনার পৃথিবী যেন একই সুরে কথা বলে। নিজের প্রতি সৎ থাকাই হলো এই নশ্বর পৃথিবীতে বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় সার্থকতা।
স্বার্থের দেয়াল ও মানবিকতার ছায়া: একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবনবোধ
১. নিজের স্বার্থ দেখা অপরাধ নয়, কিন্তু সেই স্বার্থ যেন অন্যের কান্নার কারণ না হয়। ভারসাম্যপূর্ণ জীবন মানে নিজের খুশিতে অন্যকে শামিল করা।
২. মানবিকতার ছায়া তখনই দীর্ঘ হয়, যখন আপনি নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে অন্যের অভাবের দিকে হাত বাড়িয়ে দেন। স্বার্থ আর ত্যাগের মিলনই সুন্দর জীবন।
৩. দেয়াল শুধু পৃথক করে না, সুরক্ষাও দেয়। নিজের চারপাশে স্বার্থের একটি দেয়াল রাখুন যেন আপনার মানবিকতা কেউ অপব্যবহার করতে না পারে।
৪. নিঃস্বার্থ হওয়ার অভিনয় করার চেয়ে সুস্থ স্বার্থপর হওয়া অনেক বেশি সৎ কাজ। স্বচ্ছতা মানবিকতারই একটি বড় অংশ।

৫. স্বার্থ যখন অন্ধ হয়ে যায় তখন মানুষ পথ হারায়, আর মানবিকতা যখন অতি-উদার হয় তখন মানুষ নিজেকে হারায়। এই দুইয়ের মাঝে থাকাই প্রজ্ঞা।
৬. একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন হলো সেই নদীর মতো, যা নিজের তৃষ্ণা মিটিয়েও দুপাড়ের মানুষকে তৃপ্ত করে। নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করেই পরোপকার সম্ভব।
৭. মানবিক হওয়া মানে নিজের অধিকার ছেড়ে দেওয়া নয়, বরং অন্যের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজের দাবি জানানো।
৮. স্বার্থের দেয়ালগুলো যেন এত উঁচু না হয় যে বাইরের মানুষের আর্তনাদ আপনার কানে পৌঁছাতে বাধা দেয়। হৃদয়ে অন্তত একটি বাতায়ন খোলা রাখুন।
৯. আমরা সবাই নিজের জন্য বাঁচি, কিন্তু সেই বেঁচে থাকা সার্থক হয় যখন আমরা অন্যের বেঁচে থাকাকে সহজ করে দিই।
১০. পরোপকার করার আগে নিশ্চিত হোন যে আপনি নিজের প্রতি অবিচার করছেন না। ক্লান্ত ও রিক্ত হৃদয় কখনোই দীর্ঘস্থায়ী মানবিকতা দেখাতে পারে না।
১১. স্বার্থপরতা হলো একাকীত্বের বীজ, আর মানবিকতা হলো সহমর্মিতার বন। নিজের জন্য জায়গা রেখে অন্যের জন্য ছায়া হওয়াই জীবনের সার্থকতা।
১২. ভারসাম্য হলো একটি শিল্প। যেখানে আপনি জানেন কখন নিজের হাত মুঠো করতে হবে আর কখন তা অন্যের সাহায্যের জন্য খুলে দিতে হবে।
১৩. পৃথিবী আপনাকে আপনার সফলতার জন্য মনে রাখবে না, বরং আপনার স্পর্শে কতটি প্রাণ সজীব হয়েছে তার জন্য মনে রাখবে।
১৪. নিজের স্বার্থকে বিসর্জন দেওয়া মানেই মহত্ত্ব নয়; সঠিক জায়গায় নিজের স্ট্যান্ড নেওয়া এবং ভুলকে রুখে দেওয়াও এক ধরনের মানবিক দায়িত্ব।
১৫. যারা নিজের যত্ন নিতে জানে না, তারা অন্যের যত্ন নেওয়ার প্রকৃত অর্থ বোঝে না। আত্মপ্রেম ও মানবপ্রেম একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।
১৬. স্বার্থের হিসাব কষুন কেবল প্রয়োজনীয়তায়, কিন্তু অনুভূতির বেলাতে হিসাব ভুলে মানবিকতাকে প্রাধান্য দিন।
১৭. মানবিকতার ছায়ায় বসতে চাইলে আগে নিজের ভেতরে শান্তির রোদ তৈরি করতে হয়। ভেতরটা শান্ত না থাকলে বাইরের কাউকে শান্ত করা যায় না।
১৮. দেয়ালগুলো থাকুক কেবল সুরক্ষার জন্য, ঘৃণার জন্য নয়। আর ছায়া থাকুক কেবল আশ্রয়ের জন্য, কারোর ওপর প্রভুত্ব করার জন্য নয়।
১৯. প্রকৃত ভারসাম্য হলো সেই ব্যক্তি, যে নিজের জন্য সেরাটা চায় কিন্তু অন্যের জন্য যা অবশিষ্ট থাকে তাতেও ভালোবাসার ছোঁয়া রাখে।
২০. দিনশেষে স্বার্থ এবং মানবিকতা একে অপরের পরিপূরক। নিজের জন্য বাঁচুন পরিপূর্ণভাবে, যাতে আপনার উদ্বৃত্ত টুকু অন্যকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে।
মানুষ চেনার পাঠশালা: যখন স্বার্থপরতা আমাদের বাস্তবতা শেখায়
১. স্বার্থপর মানুষেরা আমাদের জীবনের তিক্ত ঔষধের মতো। তাদের দেওয়া আঘাতগুলো যন্ত্রণাদায়ক হলেও, সেগুলো আমাদের মোহভঙ্গ করে বাস্তবতার মাটিতে ফিরিয়ে আনে।
২. মানুষ চেনার পাঠশালায় কোনো পাঠ্যবই নেই; এখানে প্রতিটি ঠকে যাওয়া এক একটি অধ্যায়। আপনি যতবার হোঁচট খাবেন, মানুষের আসল রূপ চেনার বিদ্যা ততটাই পোক্ত হবে।
৩. অন্ধকার যেমন নক্ষত্র চিনতে সাহায্য করে, তেমনি মানুষের স্বার্থপরতা আমাদের প্রকৃত আপনজনদের চিনিয়ে দেয়। দুঃসময় না আসলে বন্ধু আর শত্রুর পার্থক্য অজানাই থেকে যেত।
৪. যারা স্বার্থের টানে আপনার হাত ছাড়ে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন। তারা আপনার জীবন থেকে সরে গিয়ে আসলে আপনার মূল্যবান সময় ও আবেগ অপচয় হওয়া থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে।
৫. মানুষের মুখোশগুলো যখন খসে পড়ে, তখন কষ্ট হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু মনে রাখবেন, পরিষ্কার আয়নায় নিজের প্রতিচ্ছবি দেখার চেয়ে স্পষ্ট চোখে মানুষের সত্য দেখা অনেক বেশি জরুরি।
৬. স্বার্থপরতা হলো একটি আয়না, যা অন্যকে বিচার করার আগে আমাদের নিজেদের বিশ্বাসের ভিত্তি পরীক্ষা করে নেয়। আপনি কার ওপর কতটা আস্থা রাখবেন, তা শেখায় এই তিক্ত অভিজ্ঞতা।
৭. প্রতিটি বিশ্বাসঘাতকতা আমাদের হৃদয়ে একটি নতুন চশমা পরিয়ে দেয়, যা দিয়ে আমরা পৃথিবীর মেকি হাসি আর মেকি ভালোবাসাগুলো আরও সহজে ধরতে পারি।
৮. মানুষ চেনার পাঠশালায় ‘অপেক্ষা’ হলো শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। সময় যখন গড়ায়, স্বার্থের হিসাবগুলো যখন সামনে আসে, তখন সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষটিও অচেনা হয়ে যেতে পারে।
৯. কারোর আচরণে হতাশ হওয়ার চেয়ে নিজের বিচক্ষণতা নিয়ে কাজ করা ভালো। স্বার্থপরতা শেখায় যে, পৃথিবীতে কারোর ওপর অন্ধ বিশ্বাস রাখা মানে নিজেকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া।
১০. যখন কেউ আপনাকে তার প্রয়োজনে ব্যবহার করে ফেলে দেয়, তখন বুঝবেন আপনার মূল্য তার সামর্থ্যের চেয়েও বেশি ছিল। এটি তার দীনতা, আপনার নয়।
১১. স্বার্থপর মানুষের সাহচর্য আমাদের ধৈর্যের সীমা বাড়িয়ে দেয়। তাদের অবহেলা আমাদের শেখায় কীভাবে একাকী পথ চলতে হয় এবং নিজের ওপর নির্ভর করতে হয়।
১২. সত্যের চেয়ে তিক্ত আর কিছু নেই, আর স্বার্থপরতার চেয়ে বড় সত্য এই জগতে খুব কমই আছে। এই বাস্তবতা মেনে নিলে জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়।

১৩. মানুষের ভেতরের বিষাক্ত দিকগুলো চেনা জরুরি, যাতে আপনি আপনার নিজের মনের বাগানটিকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। আগাছা না চিনলে বাগান পরিষ্কার করা অসম্ভব।
১৪. স্বার্থের পৃথিবীতে যারা আপনার কোনো লাভ ছাড়াই আপনার খবর নেয়, তাদের কখনো অবহেলা করবেন না। তারাই হলো এই পাঠশালার সবচেয়ে মূল্যবান রত্ন।
১৫. অভিজ্ঞতাই হলো মানুষ চেনার শ্রেষ্ঠ মাপকাঠি। স্বার্থপরতার প্রতিটি গল্প আমাদের শিখিয়ে দেয় যে, আবেগ দিয়ে নয় বরং বিবেক দিয়ে সম্পর্ক মূল্যায়ন করতে হয়।
১৬. মানুষের পরিবর্তন দেখে অবাক হবেন না। সময়ের সাথে মানুষের প্রয়োজন বদলায়, আর প্রয়োজন বদলালে প্রিয়জনদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে যায়।
১৭. স্বার্থপরতা আমাদের হৃদয়ে যে ক্ষত সৃষ্টি করে, সেখান দিয়েই জ্ঞানের আলো প্রবেশ করে। সেই আলো আমাদের শেখায় কার জন্য কতটা পথ হাঁটা উচিত।
১৮. পৃথিবীটা একটি পাঠশালা আর প্রতিটি স্বার্থপর আচরণ একটি লেসন। যারা আপনাকে ঠকিয়েছে, তারা আসলে আপনাকে জীবনের কঠিন যুদ্ধের জন্য তৈরি করে দিয়ে গেছে।
১৯. মানুষ চিনতে পারা এক অসাধারণ ক্ষমতা। স্বার্থের বেড়াজাল টপকে যখন আপনি মানুষের আসল রূপ দেখতে পাবেন, তখন আপনি আর কখনো পরাজিত হবেন না।
২০. দিনশেষে মানুষ চেনার এই পাঠশালা আমাদের একটাই বড় সত্য শেখায়—নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বিরল, তাই নিজের জন্য নিজেকেই শ্রেষ্ঠ বন্ধু হিসেবে গড়ে তোলা উচিত।
স্বার্থপরতা নিয়ে শেষ কথা
স্বার্থপরতা মানুষের মনকে ছোট করে দেয়, তাকে একা করে দেয়। যে শুধু নিজের কথা ভাবে, সে কখনো অন্যের মনের গভীরতা বুঝতে পারে না। ভালোবাসা তখনই সত্যি হয়, যখন সেখানে স্বার্থের কোনো জায়গা থাকে না। জীবনটা তখনই সুন্দর হয়, যখন আমরা একে অপরের জন্য একটু ভাবি, একটু ভালোবাসি। স্বার্থপরতা ছেড়ে দিয়ে মনের দরজা খুললে, জীবনটা হয়ে ওঠে আরও রঙিন আর শান্তিময়।