শাড়ি নিয়ে কবিতা

শাড়ি নিয়ে কবিতা গুলো লিখেছেন আমাদের খুব আপন একজন বোন, উনার নাম হলো সাকিসেফ উম্মে ফাতেমা । কবিতা গুলো পড়ে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে, তাই আপনাদের সাথেও শেয়ার করলাম । আশাকরি আপনাদেরও ভালো লাগবে । তো চলুন দেখে নেই কবিতা গুলো ।শাড়ি নিয়ে কবিতা

শাড়ি নিয়ে কবিতা

শাড়ির বাহার

শাড়ি কেনা হয়রানি; সমস্যাতো বেশ;
হরেক রকম শাড়ির মেলা এ যে বঙ্গ দেশ!
কোনটা রেখে কোনটা নিবো উপায় নাহি পায়,
জামদানিটা লাগে ভালো, ধূপিয়ানিটাও যায়;
টাঙ্গাইলটা নেওয়ার ছিল, তাঁতটা জমে বেশ-
জুম শাড়িটাও চাই যে আমার নইলে আমি শেষ!
কাতানটাতে লাগবে ভালো, সিল্কও নেওয়া যায়
হাতের কাজ করতে হলে জর্জেটটাও চাই।
হাফসিল্কে লাগবে ভালো, এটাও নিতে হবে
বাকিসব না হলেও সুতি কিন্তু রবে।
অন্যরকম লাগতে আমার পেইন্টেডটাও চাই
আরও তো বাকি অনেক শাড়ি, টাকা কোথায় পাই!
শাড়ির বাহার দেখে আমার চক্ষু মুদে আসে
লাগবো ক্যামোন, পড়লে শাড়ি; কল্পনাতে ভাসে।
শাড়ির প্রেমে মাতোয়ারা, অনেক শাড়ি চাই
শাড়ি ছাড়া আমার চাওয়ার আর তো কিছু নাই।

Read More >>  ভালোবাসার কবিতা

 

আরো আছেঃ>> হাসি নিয়ে কবিতা

 

নারী ও শাড়ি

উৎসবেতে বায়না শাড়ির; নতুন নতুন চাই
মুখ ফুলোবে ঘরকন্না শাড়ি যদি না পাই!
শাড়ির সাথে আছে নারীর মনের যোগাযোগ
শাড়ি দেখে মিটে তাদের অনেক অনুযোগ।

আনন্দতে লাল জমিনে হরেক রঙ্গের মিশেল,
শাড়ি পড়ে বঙ্গ নারী সামলে নেবে হেঁশেল।
শোকের দিনে কালো- সাদা মানিয়ে যাবে বেশ
খোপায় ফুল থাকলে ভালো, কিংবা এলোকেশ।
ফালগুনেতে রঙটা শাড়ির হলুদ যেন হয়
শৈলীতে যে বঙ্গ নারী, প্রচুর কথা কয়।

অ্যান্টিক কিংবা গয়না কাঠের- যখন যেমন লাগে
বাঙালী মেয়ে ধৈর্য্য ধরে, সময় নিয়ে সাজে।
ঋতুর সাথে শাড়ির রঙ্গের তারতম্য যে বেশ
ঠিকমতো না বাছাই হলে মিলবে হাসির রেশ।
সবদিনেতে চাই যে তাদের শাড়ি মানানসই
শাড়ি পেয়েই মুখে হাসি, আনন্দ, হৈ হৈ।

 

ভালোবাসা

প্রিয়তমা, নীল শাড়িতে তোমার পদার্পন আমাকে মোহিত করে
হৃদয় বিদ্ধ করা রূপে চোরা হাসি ফোটে ওষ্ঠ জুড়ে
তোমার শাড়ির আচলে আমার ঘর্মাক্ত মুখ-
তোমার সান্নিধ্যে হৃদকম্প বাড়ে; ধুকপুক ধুকপুক

শাড়ি সামলিয়ে তোমার ধীর পায়ে চলা,
চুপিচুপি আমায় ভালোবাসি বলা।
খোলা চুলে বকুল ফুলের মালা,
দুহাত জুড়ে কয়েকগাছি ফুলেল বালা।

Read More >>  Life insurance company in bangladesh

পুকুরপাড়ে আচল মেলে বসা।
নুপুর হাতে আমার ছুটে আসা,
চোখের মায়ায় দিতে পারি ডুব,
শাড়িতে তোমায় মায়াবী লাগে খুব।

কুঁচি তোমার বেহায়াপনা করে,
ঠিক করি আমি একটু পরে পরে।
হাটতে গিয়ে তোমার পড়তে যাওয়া,
দৌড়ে এসে তোমাকে আমার ধরা।

শাড়িতে তুমি দেবী দেবী লাগো,
শাড়ির সাথে ফুলেল সাজে সাজো।
চলতে রাজি তোমার সাথে পথ,
তৈরী থেকো আনবো আমি রথ।


 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *