গভীর প্রেমের কবিতা ও ছন্দ

গভীর প্রেমের কবিতা ছন্দ গুলো পড়ে আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে । তাই আপনাদের সাথেও শেয়ার দিলাম । কবিতা গুলো লিখেছেনঃ মেহজাবিন সাবিহা মিধা । তো চলুন পড়ে দেখা যাক আমাদের সেই কবিতা গুলো । আমাদের লিখা পুরনো প্রেমের কবিতা গুলো চাইলে পড়ে দেখতে পারেন । ভালো লাগবে ।

গভীর প্রেমের কবিতা ছন্দ :

১. বুঝলে সুজল? – তুমি আমার এই নয়নের তারা,
একা একা বাঁচি কেমনে? – ওগো তোমায় ছাড়া?
একদিন যদি হারিয়ে যাও ওই মেঘেদের দলে,
মরবো আমি ভীষণ জেদে, নিরুদ্দেশের ফলে।
খুঁজে তখন পাবে না আর, কোথাও আমায় তুমি!

শূণ্য হয়ে যাবে জীবন, শূণ্য হবে এ ভূমি।
তাই তো বলি, যেওনা কোথাও, আমার কাছেই থেকো,
আমার পাশেই থেকে তুমি আমার ছবি এঁকো।
সেই ছবি তে ঠোঁট রাঙিয়ে দিও সে লাল রঙে,
আমায় এঁকো তুমি, তোমার কল্পনার ই ঢঙে।

হাসি মাখা মুখে তোমার সামনে বসে রব,
তোমার ছবির মডেল কে আর?- সে আমি ই তো ফের হব।
রোজ বিকেলে পার্কে দু’জন জমাবো প্রেমের আলাপ,
আমি বকবো, তুমি শুনবে, আমার অব্যক্ত সব প্রলাপ।
মুচকি হেসে কান মুলিয়ে দিও না হয় তখন,গভীর প্রেমের কবিতা

Read More >>  বিজয় দিবসের কবিতা

আমার আমি পূর্ণ থাকি, পাশে থাকো যখন।
রাত না হতেই তোমার কথা বড্ড মনে পড়ে,
চোখের কোণে নোনা জল অঝর ধারায় ঝরে।
সকাল হতেই এক ছুটে যাই তোমার হৃদয় পানে,
“ভালোবাসি” বোলো তখন আমায় কানে কানে।
সেই মধুর শব্দে আমি প্রাণ খুঁজে যে পাই,
এইটা পেলেই ধন্য আমি, আর চাওয়ার কিছুই নাই।

২. চাইনা ধরার আর কোনো সুখ, শুধু তোকেই চাই,
তোকে পেলেই ধন্য আমি, মোর দুনিয়া খুঁজে পাই।
তুই সেই দুনিয়ায় থাকবি শুধু আমার সখা হয়ে,
ফুরাবে দিন তোর আর আমার ক্লান্ত প্রলাপ কয়ে।
বেলা গড়ায়, টের টি না পাই, কেন এমন হয়?

তবে কী হায় চির ধরছে!- হচ্ছে প্রেমের ক্ষয়?
না না না, তা হবে না, চল পালিয়ে যাই,
যেখানে তে প্রেমের শুরু, শেষ টি কোথাও নাই।
কী যে বকি আবোল তাবোল তোর ছোঁয়াতে এলে,
তোর গন্ধেই স্নিগ্ধ থাকি, সকল আবেগ ফেলে।

তোর মধ্যে যাদু আছে, করছিস আমায় মাত,
তাই তো তোর সাথেই থাকি, ছাড়তে চাই না হাত।
এই যাদুর ছোঁয়া যেন কভু না হয় শেষ,
যাচ্ছে দিন, কাটছে বিকেল, ভালোই আছি বেশ।!

Read More >>  কবিতা পাহাড়ি মেয়ে

৩. দেখেছিলেম তোমায় আমি পূর্ণিমার ই রাতে,
চোখাচোখি হয়েছে সেদিন তোমার – আমার সাথে।
কী অপূর্ব চাঁদনী রাতে, এলে যে মোর মনে,
তোমায় নিয়েই গান বাঁধছি, থেকো আমার সনে।
সেই গানের ই সুরকার যে বানাবো তোমায় আমি,

হবে না গো তাতে রাজি?- ওগো আমার রাণী!
এই যাহ! রাণী বললুম, রাগ করো না যেন,
হায়! এক দেখাতেই এত্তকিছু বলছি ই বা কেন?
যাগগে, ছাড়ো, নামটা তো শোনা ই হলো না আর,
নামটা বলো, তারপরেই দিবো তোমায় ছাড়।

তোমার নামে গান বাঁধবো, দিব তাতে সুর।
সেই সুরের ই প্রচ্ছদে, ছড়াবে কোমল নূর।
সেই নূর যে ছুঁয়ে যাবে তোমার মিষ্টি মুখ,
আর কাটবে ভীষণ করে, তোমার যত দুখ।
একবার নয়, দু’বার নয়, সুর ছড়াবো বারবার,
সেই সুরের মন্ত্রে তুমি মানবে নিজেই হার।
তারপর,,,,,

একছুট্টে চলে আসবে আমার হৃদয় মাঝে,
তোমার জন্যই প্রহর গুণি সকাল-সন্ধ্যা-সাঁঝে।
তোমায় তখন কব্জা করে নিব দু হাত ভরে,
মোদের প্রেমালাপে পত্তর উঠবে নড়ে নড়ে।
প্রকৃতি ও দুলবে মোদের মধুর বাক্যালাপে,
পরাতন রা ঝরে পরবে সেই দুলুনির চাপে।
আমার-তুমি, তোমার-আমি!- তাই হয়েই রব।
জুড়াবে প্রাণ, ঘুচবে গরল, মধুর কথা কব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *